গিমাকলমি চাষ পদ্ধতি

পাতা জাতীয় সবজি হিসেবে এটি একটি লাভজনক জাত। ভিটামিন‘এ’ সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু এ সবজির বাজারে চাহিদা আছে। বারি গিমাকলমি-১ জাতটি চাষের জন্য ১৯৮৩ সনে অনুমোদন করা হয়।
এটি একটি পাতাজাতীয় গ্রীষ্মকালীন সবজি। পাতার বোঁটা ও কাণ্ড সবুজ, নরম ও রসালো। কলমির ফুল সাদা। বীজের আবরণ শক্ত ও বর্ণ ধুসর। একটি ফলে চারটি বীজ থাকে। এ ফসলের হেক্টরপ্রতি ফলন ৪০-৪৫ টন।
উৎপাদন প্রযুক্তি
মাটি
সুবিধাযুক্ত সব ধরণের উর্বর মাটিতে গিমাকলমি চাষ হয়ে থাকে। তবে দো-আঁশ বা পলি দো-আঁশ মাটি এ চাষের জন্য বেশি উপযোগী। মাটি ও জমির প্রকারভেদে ৬টি চাষ ও মই দেয়া প্রয়োজন এবং জমি গভীর করে চাষ করতে হবে।
বপনের সময়
বছরের যে কোন সময়ই এর চাষ করা যেতে পারে। চৈত্র মাস (মধ্য মার্চ থেকে মধ্য এপ্রিল) থেকে শুরু করে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত (মধ্য জুলাই থেকে মধ্য আগস্ট) বীজ বপন করা যেতে পারে।
সারের নাম পরিমাণ/হেক্টর
ইউরিয়া ১৪০-১৬০ কেজি
টিএসপি ১০০-১২০ কেজি
এমপি ১০০-১২০ কেজি
গোবর / কম্পোস্ট ৮-১০ টন।
সার প্রয়োগ পদ্ধতি
জমি তৈরির শেষ চাষের সাথে সবটুকু টিএসপি, এমপি এবং গোবর বা কম্পোস্ট প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া সার ৩ কিস্তিতে যথাক্রমে ১ম, ২য়, ৩য় বার ফসল কাটার পর পর প্রয়োগ করতে হবে।
অন্তর্বতীকালীন পরিচর্যা
বর্ষকালে সাধারণত সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে এক নাগাড়ে বৃষ্টি না হলে ১০-১৫ দিন অন্তর পানি সেচ দেয়া আবশ্যক। এছাড়া জমি আগাছামুক্ত রাখা একান্ত প্রয়োজন।
উপাত্ত সংগ্রহ-কৃষি তথ্য সার্ভিস























