
ডেস্ক রিপোর্ট: ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সমুদ্র এবং সমুদ্রসংলগ্ন নদীর মোহনায় সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
একটানা দুই মাসের বেশি সময় ধরে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় উপকূলীয় লাখো মৎস্যজীবী পরিবারের অনাহার–অর্ধাহারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তবে সরকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে।
চলতি ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় মৎস্যজীবীরা বলছেন, কয়েক ধাপে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার পর এই নিষেধাজ্ঞা অমানবিক। এটি প্রত্যাহারের দাবিতে গতমাসে বরগুনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুরে মানববন্ধন করেছিল মৎস্যজীবীরা। জীবিকা নিয়ে তাঁদের এই উদ্বেগ–উৎকণ্ঠাকে অযৌক্তিক বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
মেরিন ফিশারিজ অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে প্রতিবছর ৬৫ দিন মাছ ও চিংড়ি আহরণ নিষিদ্ধ। ২০১৫ সালে এই নিষেধাজ্ঞা চালু হয়। গত বছর পর্যন্ত শুধু ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের আওতায় থাকলেও এ বছর ২৫ হাজার ট্রলার ও নৌকাকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
এমনিতেই প্রতিবছর কয়েক ধাপে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এখন সহায়তা ছাড়াই এই নিষেধাজ্ঞায় মৎস্যজীবীরা দুর্দশায় পড়বেন। ট্রলারমালিক ও মাছ ব্যবসায়ীদেরও লোকসানের মুখে পড়তে হবে।
তবে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে সমুদ্রে মৎস্যভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। এর সুফলও মৎস্যজীবীরা ভোগ করবেন। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সময় বেকার থাকলে তাঁরা যে পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তা পোষাতে সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
-এসজেডকে

























