RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

একটি বর্গা ছাগল থেকে লাখপতি কমলছড়ির ১৭ বছর বয়সী গীতা চাকমা

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ

একটি বর্গা ছাগল থেকে লাখপতি কমলছড়ির ১৭ বছর বয়সী গীতা চাকমা
ড. বায়েজিদ মোড়ল

খাগড়াছড়ি জেলার সদর উপজেলার কমলছড়িতে অবস্থিত স্কুলের পাশে পাহাড়ী টিলার উপর বসবাস করে গীতা চাকমার পরিবার। পাকা পিচ রাস্তা থেকে ১০০গজ পাহাড়ের ঢালু রাস্তা বেয়ে উঠলেই মুলি বাশের বেড়া দিয়ে ঘেরা গীতা চাকমাদের বাড়ী। গীতারা চারভাই বোন। এক বাই আর তিন বোন। গীতা সবার বড় আর ভাই সবার ছোট। সেই হিসেবে গীতার পরিবারের প্রতি কিছু দাযিত্ব আছে। গীতা চাকমার পিতা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ্য পায়ের গীট ও হাটুফোলা রোগে আক্রান্ত বলে তেমন কাজ কর্ম করতে পারেনা। তবে গীতার মা বেশ কর্মঠ কাজ কর্ম করে সংসার চালিয়ে আসছে। গীতা এখন এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী। ছোট মিষ্টি হাসি খুশি একটি মেয়ে চলতে ফিরতে সারাক্ষন কোন না কোন কাজ করে। কাজহীন এশটি মুহুর্তই সে থাকেনা। হয় বই পড়তে বসবে নয় সংসারের কোন না কোন কাজ সারক্ষন করতে থাকে বলে গীতার মা বাইরে গিয়ে কাজ কর্ম করে সংসারটা দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে নিয়ে আসতে পেরেছে। ২০০৯ সালে গীতা তখন হাইস্কুলে পড়ে পরিবকারের দারিদ্রতা তখন ভালো করে বুজতে শিখেনি তবে এাঁ বুজেছে যে তিন বেলা খাওয়ার জন্য তার মা ানেক কষ্ট করে কাজ করে অর্থ উপার্জন করে এই পাহাড়ী অঞ্চলে। তখন গীতার শখ হলো ছাগল পালনের। গীতা প্রতিবেশী এক ভাবীর কাছ থেকে একটি হেলান (মেয়ে ছাগলের বাচ্চা) বর্গা আনে। এই ছাগলটা পেলেপুষে বড় করে এই ছাগল থেকে যে বাচ্চা বা যা উপার্জন হবে তার অর্ধেক পাবে গীতা। হেলানটি সে পেলে পুষে বড় করে। পাহাড়ে গাছ লতাপাতার অভাব হযন্ াবাড়রি আসে পাশেই সে অনকে ঘাস লতা পাতা পায় সেগুলো খাওয়াতে থাকে তারপর ৭মাস পরে হেলানটি গরম হয়।

পাহাড়ে ছাগলের পাল দেবার জন্য পাটার অভাব হয়না তবে ঐ সময় গীতা আসে পাশে পাটা পায়নি বলে প্রথমবার পাল দিতে পারে নি। পরে এক মাস পরে আবার ছাগলটি গরম হলে দেড় কিলোমিটার দুরে গিয়ে ছাগলকে পাল দিয়ে নিয়ে আসে। এই ছাগলটি চিলো কালো ও ব্লাক বেঙ্গল জাতের। গীতার কপাল প্রসন্ন হলো প্রথম বারেই ৪টি বাচ্চা প্রসব করে। একটি পাঠা ও তিনটি মেয়ে বাচ্চা। ভাগের ভাগ একটি পুরুষ ও একটি মেয়ে বাচ্চা পেলে গীতা। ছাগলওয়ালী মা ছাগলসহ দুটি মেয়ে চাগল নিলো। এই ছাগল দুটি গীতার নিজের হয়ে গেলো। এই ছাগলদুটিকে গীতা পাহাড়ের লতা পাতা ঘাস খাইয়ে বড় করতে লাগলো। কিছুদিন পর মেয়ে ছাগলটি গরম হলো এবং গর্ভবতি হলো তার কয়েকদিনপর কাতি মাসের কালি পুজার সময় পাটা ছাগলের দাম তখন কয়েকগুন বেড়ে যায় কালি পুজার জন্য। গীতা ঐ সময় পাঠাটি দশ হাজার টাকা বিক্রি করে ওর সেই ভাবীর মা ছাগলটি ও বাচ্চা ছাগলদুটি কিনে ফেলে। ভাগ্য কতো ভালো কিনার এক মাসের মধ্যেই এই ছাগল তিনটি গরম হয় ও গর্ভবতি হয়। এই সময় গীতা তার ছাগলগুলো বারান্দার এক কোনে থাকার ব্যবস্থা করেছিলো। বারন্দার কোনে র খুটিতে বাদা লতাপাতা ঘাস ও কাঁঠাল পাতা খায় আর কোনায় রাতে শুয়ে থাকে। এভাবে আর কয়েকদিন পরেই এক দেড় মাসের ব্যবধানে এক সাথে চারটি ছাগল বাচ্চা দিল নয়টি বাচ্চা। এর মধ্যে পাঁচটি হলো পুরুষ বাচ্চা আর চারটি মেয়ে বাচ্চা। শুরু হয়ে গেলো গীতার ছাগলের খামার। খামারে গীতার সব মিলে ১৩টি ছাগল। গীতার বাবা ভারি কোন কাজ করতে পারে না তবে ছাগলগুলোকে দেখাশুনা করা বা পাহাড় থেকে কাঁঠাল পাতা কেটে এনে ছাগলকে খাইতে দেওয়া এই কাজগুলো ভালই করতে পারে। গীতা যখন স্কুলে যায তখন ওর বাবাই ছাগলগুরোকে নিয়ে বন বাদাড়ে পাহাড়ের ঢালে চরায় করে বেড়ায়।

পাহাড়ে ছাগলের দুধের কোন চাহিদা নেই। গীতাও ছাগলের দুধ দোহন করে না বাচ্চারা দুধ খায় বাচ্চারা স্বাস্থ্যবান হয় এভাবেই গীতার ছাগলে খামার দাড়িয়ে যায় এর পর মা ছাগলগুলো আবার গরম হয় নিজের ছাগলের পালেই অনেকগুলো পাটা থাকায় তাকে আর বেগ পেতে হয়না ছাগলগুলো সব গর্ভবতি হয় বাড়তে থাকে পালে ছাগলের সংখ্যা যেতে থাকে দিন এই মুহুর্তে গীতার চাগলে খামারে ৫৭টি ছাগল আছে। ছাগলদের থাকার জন্য গীতা একটি আলাদা মাচা করে আদর্শ ঘর করেছে। আর কেবল মাত্র পাঠা ছাগলগুলোই পুজার সময় বিক্রি করে। এই পর্যন্ত গীতার ছাগলের কামার থেকে আড়াই লাখ টাকার ছাগল বিক্রি করেছে। বর্তমানে তার খামারে বড় পাঠা আছে ১৪টি যার প্রতিটির দাম ১০ হাজার টাকার উপরে। আর ছোট পাঠা আছে ২৬টি এগুলো বড় হলে গীতা বিক্রি করবে। গীতার ইচ্চা খামারে তার সব সময় ৫০টির মতো ছাগল থাকবে এর বেশি যেগুলো হবে সেগুলো (পাঠা আর বয়ষ্কো দাড়ি ছাগল) বিক্রি করে দিবে। বেশি ছাগল থাকলে তাদের দানাদার খাবারের চাহিদা মিটানো ও মাঝে মাঝে ঘাস লতা পাতা আনতে কিছুটা সমস্যাও হয়। কয়েকদিন ধরে যখন ঘন বৃষ্টি হয় তখন ছাগল বাইরে চরাতে যেতে পারে না তখন বাড়েিত রেখেই কাঁঠাল পাতা এনে ঝুরিয়ে দিয়ে খাইতে দিতে হয়। আর ছাগল খাইতে যেয়ে খালি নিজেরা মারা মারি করে। এই জন্য বেশি পাটা ছাড়ল পালে রাখাও ঠিক না তকে পাঠা ছাগলের দাম বেশি হওয়ায় এবং পাহাড়ে পাঠা ছাগলের চাগিহদা বেশি থাকায় পাহাড়ে খাসি ছাগলের তেমন কোন চাহিদা নেই।

গীতা বলে, ছাগল টেনে ছিড়ে খেতে পছন্দ করে এবং এ জন্য ছাগলকে লতাপাতা/ঘাস ঝুলিয়ে অথবা কোন বড় বড় ছিদ্রযুক্ত পাত্রে ভর্তি করে পরিবেশন করতে হয়। ছাগল ঝুড়ির নিচে ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে টেনে ছিড়ে খেতে পারে।ছাগলকে দানাদার খাদ্য আলাদা ভাবে পাত্রে দিতে হবে যেন কোন ছাগল মাত্রারিক্ত খেতে না পারে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এয়াড়া ছাগলের খাদ্য দৈনিক ৪ বার করে ভাগ করে দেয়া উত্তম।ছাগলের পানির খুব একটা প্রয়োজন হয় না তবুও একটি বড় প্লাষ্টিকের পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে যাতে প্রয়োজনে তা পান করতে পারে। ছাগলের গর্ভকাল ১৪০-১৫০ দিন। তাই বাচ্চা প্রদানের ৮-১০ দিন পূর্বেই তাকে আলাদা করতে হবে এবং বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। প্রতিদিন সকাল-বিকাল লক্ষ্য করতে হবে। প্রসবের ১-২ দিন পূর্বে ওলানে অতিরিক্ত দুধ জমলে (ওলান টান টান হলে) তা টেনে ফেলে দিতে হবে। সহজে বাচ্চা প্রসব না হলে ভেটেরিনারিয়ানের সহায়তা নিতে হবে। বাচ্চা প্রসবের পর ৮-১০ ঘন্টার মধ্যে গর্ভফুল বা প্লাসেন্টা না পড়লে ভেটেরিনারিয়ান এর সহায়তা নিতে হবে। প্রসবের কয়েকদিন পূর্বে ও পরবর্তী ৭ দিন ছাগীকে ভাতের মাড় সহ দানাদার খাদ্য ও নরম ঘাস/লতাপাতা দিতে হবে।ছানা প্রসবের পর তার শরীর চেটে পরিষ্কার করার জন্য তাকে ছাগীর সম্মুখে রাখতে হবে। তা না হলে পরিষ্কার একটি নেকড়া (কাপড়) এন্টিসেপ্টিক মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ছানার শরীর পরিষ্কার ও ¯েøষা মুক্ত করতে হবে।ছানাগুলোকে শুষ্ক নরম বিছানায় রাখতে হবে। ধারালো জীবাণুমুক্ত ছুরি বা বেøড দ্বারা বাচ্চার নাভীর ৩-৪ ইঞ্চি যুক্ত রেখে কেটে দিতে হবে এবং ক্ষতস্থানে এন্টিসেপ্টিক মলম প্রয়োগ করতে হবে।

জন্মের পরপরই বাচ্চাকে পরিষ্কার করে শাল দুধ খাওয়াতে হবে। এক মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চাকে দিনে ১০-১২ বার দুধ খাওয়াতে হবে। বাচ্চার চাহিদার তুলনায কম দুধ থাকলে প্রয়োজনে অন্য ছাগী থেকে দুধ খাওয়াতে হবে। তাছাড়া দুধ না পাওয়া গেলে বাচ্চাকে বিকল্প দুধ খাওয়াতে হবে। দুধ খাওয়ানোর আগে ফিডার, নিপলসহ আনুসাংগিক জিনিসপত্র পানিতে ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। ১-১.৫ কেজি ওজনের একটি ছাগল ছানার দৈনিক ২৫০-৩৫০ গ্রাম দুধ প্রয়োজন। ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। বাচ্চার বয়স ৬০-৯০ দিন হলে দুধ ছেড়ে দেবে। বাচ্চার ৬০ দিন হতে ৯০ নি পর্যন্ত গড়ে দৈনিক প্রায় ৪০০-৫০০ গ্রাম দুধ প্রয়োজনয় সাধারণতঃ বø্যাক বেঙ্গল ছাগীকে প্রয়োজনমত খাওয়ালে বাচ্চার প্রয়োজনীয় দুধ পাওয়া যায়। বাচ্চার ১ মাস বয়স থেকেই ধীরে ধীরে কাঁচা ঘাস এবং দানাদার খাদ্যে অভ্যস্ত করতে হবে।
ছাগল ঠান্ডায় খুব সংবেদনশীল তাই বৃষ্টিতে ভেজা থেকে রক্ষা করতে হবে। সর্বদা পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি খাওয়াতে হবে, ডোবা-নালার পানি ছাগলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সূর্য উঠার পূর্বে মাঠে চরালে ছাগলের গোল ও পাতা ক্রিমি হবার সম্ভাবনা থাকে একইভাবে পানি থেকে জেগে উঠা জমিতে চরালে পাতা ক্রিমি বেশী হয়। ছাগলের ঘর বা মাচা ও মাচার তলদেশ দৈনিক একবার করে হলে পরিষ্কার করতে হবে এবং শুষ্ক রাখার চেষ্টা করতে হবে। স্যাঁতস্যাঁত অবস্থায় ছাগলের স্বাস্থ্য সহজেই খারাপ হয়ে যায়। ছাগলের ঘরে বা চারনভূমিতে কুকুর/শিয়াল যাতে না চরতে পারে সেই দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

ক্রিমিজনিত রোগ ছাড়া ছাগলের অন্যান্য মারাাত্মক সংক্রামক ব্যাধিগুলো হলো পিপিআর, ক্ষুরারোগ, জলাতঙ্ক, ধনুষ্টংকার, তড়কা, কর্নটাজিয়াস, একযাইমা, এন্টেরোসেপটিসেমিয়া ও চর্ম রোগ।
৩ মাস বয়স থেকে ৪ মাস অন্তর একবার করে ১০ দিনের ব্যবধানে ফিতা ক্রিমি ও গোল ক্রিমির জন্য আলাদাভাবে ঔষধ প্রয়োগ।পাতা ক্রিমির জন্য ৬ মাস বয়স হতে ৬ মাস অন্তর ঔষধ প্রয়োগ। ১০ মাস বয়স থেকে ৪ মাস পর পর নিয়মিত কলিজা কৃমির ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। ১-২ মাস বয়সে একবার ককসিডিওসিস রোগের ঔষধ প্রয়োগ।
পিপিআরঃ ১ মি.লি. চামড়ার নীচে ৩ মাস বয়স থেকে বৎসরে ১ বার। ক্ষুরারোগঃ ২ মি.লি. চামড়ার নীচে ৩ মাস বয়স থেকে বৎসরে ২ বার। তড়কাঃ ১ মি.লি. চামড়ার নীচে ৩ মাস বয়স থেকে বৎসরে ১ বার। গোটপকস্ঃ ০.২৫-০৫ মি.লি. চামড়ার নীচে ৬ মাস বয়স হতে বৎসরে একবার। কন্টিজিয়াস একথাইমাঃ এই ভেকসিন সহজলভ্য নয়। আমদানীকৃত ভেকসিন পাওয়া গেলে নির্দেশণা অনুযায়ী ২-৩ মাস বয়স হতে বৎসরে একবার প্রয়োগ করতে হবে।এন্টারোটকিস্মিয়াঃ ৪-৬ সপ্তাহ বয়সে চামড়ার নিচে ২.০ মি.লি. ১ বৎসর অন্তর একবার।
খামারে নতুন ছাগল আনার ক্ষেত্রে অবশ্যই রোগমুক্ত ছাগল সংগ্রহ করতে হবে এবং ১৫ দিন খামার থেকে দূরে অন্যত্র রেখে পর্যাবেক্ষণ করতে হবে। কোন রোগ দেখা না দিলে ১৫ দিন পর পিপিআর ভ্যাকসিন দিযে ছাগল খামারে অন্যান্য ছাগলের সঙ্গে রাখা যাবে। অসুস্থ ছাগলকে পালের অন্য ছাগল থেকে দ্রæত অন্যত্র সরিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। ছাগলের ঘর নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। সকল ছাগলকে বছরে ৫-৬ বার ০.৫% ম্যালাথায়ন দ্রবণে চুবিয়ে চর্মরোগ মুক্ত রাখতে হবে। প্রজননশীল পাঁঠা ও ছাগীকে বছরে দু’বার ১-১.৫ মিঃ লিঃ ভিটামিন এ,ডি,ই ইনজেকশান দিতে হবে।

বাংলাদেশী বøাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বে শ্রেষ্ঠ জাতের ছাগল হিসাবে পরিচিত কারণ একটি ছাগী বৎসরে ৪-৬ টি বাচ্চা দিতে সক্ষম, মাংস অত্যন্ত নরম ও উপাদেয় এবং চামড়া খুবই নরম যা দিয়ে মূল্যবান জুতা ও ব্যাগ বানানো সম্ভব হয়। বাংলাদেশের সর্বত্র এ ছাগল পাওয়া যায়। ছাগল একটি পরিবেশ সহনশীল প্রাণী, চরে বেড়াতে অভ্যস্ত এবং লতা-পাতা, ফল ও উদ্ভিদের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বাঁচতে পারে। পালনে অল্প জায়গার প্রয়োজন হয় এবং পরিবারের সকলে বিশেষ করে মহিলা ও শিশুরা তা পালন করতে পারে। বাংলাদেশের শতকরা ৭০টি পরিবার বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার ছাগল পালন করে কিছু নগদ অর্থ আয় করে এই জন্য ছাগল গরিবের গাভী হিসাবে সমাধিক পরিচিত। ছাগলের দুধ রোগীর পথ্য হিসাবে বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে থাকে। বেকার যুবক, মহিলা, প্রান্তিক/ভূমিহীন পরিবার ও ক্ষুদ্র খামারীদের আত্মকর্ম সংস্থান এবং আমিষের চাহিদা পূরণে ছাগল পালন খুবই সহায়ক।
এক জনের সাফল্যের দৃষ্টান্ত অন্যের জন্য অনুকরণীয় বিষয়। পাহাড়ে বেড়ে ওঠা ১৭ বছর বয়সের ও গীতা চাকমা কেবল খাগড়াছড়ির কমলছড়ি এলাকার সবার মাঝে আদর্শ নয় সে সারা দেশের মানুষের মাঝে আদর্শ। এই ছোট্ট একটি মেয়ে নিজের পড়াশুনাসহ পরিবারের সবার দায়িত্ব নিয়েছে খাইয়ে পরিয়ে বাচিয়ে থাকার ও ছোট ভাই বোনদের লেখাপড়া চালিয়ে যাবার।

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

প্রাণিসম্পদ সেবাকে জরুরি সেবার আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

দেশের শীর্ষস্থানীয় কৃষি শিল্প প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ, নাহার গ্রুপ, টি কে গ্রুপ এবং সিটি গ্রুপের সাথে প্রায় এক ঘন্টা আলোচনা করেন ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

সীমান্তমুক্ত বীজ নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

কৃষির উপখাত হলেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত কোন ভর্তূকি পায় না-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একযোগে কাজ করতে হবে

বাঁধাকপি চাষ পদ্ধতি

ফুল কপি চাষ পদ্ধতি

কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

২০১৯-২০২০ বাজেট প্রতিক্রিয়ায় পোল্ট্রি শিল্প এবারও হতাশ হয়েছে : পোল্ট্রি শিল্প পণ্য আমদানিতে অগ্রিম কর (এ.টি) প্রত্যাহারের দাবি

গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে ১৬ কোটি টাকার প্রণোদনা