RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Wednesday , 12 August 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

স্বাধীনতা পদকে ভূষিত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জহুরুল করিম: বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার এক উজ্জ্বল অধ্যায়

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
August 11, 2026 8:22 pm

স্বাধীনতা পদকে ভূষিত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জহুরুল করিম: বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার এক উজ্জ্বল অধ্যায়।।

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা, খাদ্যনিরাপত্তা, মৃত্তিকাবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং কৃষিবিষয়ক নীতি প্রণয়নে যাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে প্রফেসর ড. জহুরুল করিম অন্যতম। গবেষণাগার থেকে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ—দুই ক্ষেত্রেই তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন বিস্তৃত। কৃষি ও জাতীয় উন্নয়নে আজীবন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এ ভূষিত করেছে।

জন্ম ও শৈশব

প্রফেসর ড. জহুরুল করিম ১৯৪৮ সালের ১৫ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছোট হরণ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা হাজী সাফার উদ্দিন এবং মা হাজী জয়গন নেছা।

শৈশব থেকেই তিনি মেধা ও অধ্যবসায়ের পরিচয় দেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (SSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BAU), ময়মনসিংহ থেকে তৎকালীন Pre-Professional Studies সম্পন্ন করেন।

১৯৬৮ সালে তিনি B.Sc. (Ag) এবং ১৯৬৯ সালে M.Sc. (Ag) ডিগ্রি অর্জন করেন। উভয় পরীক্ষাতেই তিনি প্রথম শ্রেণি লাভ করেন।

উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ

উচ্চতর গবেষণার জন্য ড. করিম যুক্তরাজ্যে যান। Commonwealth Scholarship Program-এর আওতায় University of Reading-এ অধ্যয়ন এবং Rothamsted Experimental Station-এ গবেষণার মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে তিনি Ph.D. ডিগ্রি অর্জন করেন।

পরবর্তী সময়ে তাঁর জ্ঞান ও গবেষণার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের Utah State University-তে ১৯৮১ সালে On-farm Water Management, Colorado State University-তে ১৯৮৩–৮৪ সালে Irrigation Systems এবং University of Hawaii-তে ১৯৯১–৯২ সালে Climate Change Modelling ও DSSAT applications বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

এই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মৃত্তিকা, পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি উৎপাদন এবং জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গবেষক থেকে কৃষিনীতি প্রণেতা

ড. জহুরুল করিম তাঁর পেশাজীবন শুরু করেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে Research Fellow হিসেবে। পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগে Lecturer ও Assistant Professor হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮০ সালে তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)-এ Principal Scientific Officer হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে জাতীয় কৃষি গবেষণা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে করতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (BARC) Member-Director এবং পরে Executive Chairman হন। ১৯৮৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত BARC-এ তাঁর এই নেতৃত্বের সময়কাল বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ব্যবস্থার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি কিছু সময় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর ২০০১ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি Bangladesh Tropical Forest Conservation Foundation—Arannayk Foundation-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।

গবেষণা ও প্রকাশনায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

ড. জহুরুল করিম শুধু একজন প্রশাসক বা নীতিনির্ধারক নন; তাঁর পরিচয়ের মূল ভিত্তি একজন গবেষক ও বিজ্ঞানী হিসেবে।

তিনি বহু গবেষণাপত্র, বই, বইয়ের অধ্যায়, monograph এবং technical report রচনা করেছেন। তাঁর Ph.D. গবেষণার ফলাফল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Soil Science Society of America Journal, Clays and Clay Minerals এবং Journal of Soil Science-এর মতো জার্নালে প্রকাশিত হয়।

নতুন খনিজ Ferrihydrite synthesis-সংক্রান্ত তাঁর গবেষণাকর্মও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অঙ্গনে স্বীকৃতি লাভ করে। তাঁর এই কাজ Brindley ও G. W. Brown-এর ১৯৮০ সালে প্রকাশিত Crystal Structures of Clay Minerals and their X-ray Identification গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য কত বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে—এ বিষয়ে ড. করিমের গবেষণা ছিল সময়ের তুলনায় অগ্রগামী।

১৯৯৯ সালে Saleemul Huq, Z. Karim এবং M. Asaduzzaman সম্পাদিত Vulnerability and Adaptation to Climate Change for Bangladesh গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। একই সময়ে ড. করিম Assessment of Foodgrain Production Loss due to Climate-Induced Enhanced Soil Salinity শিরোনামে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেন।

লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনে সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে সামনে আনার ক্ষেত্রে এ ধরনের গবেষণা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

বাংলাদেশের Agro-Ecological Zone গবেষণায় অবদান

বাংলাদেশের কৃষি পরিকল্পনায় বহুল ব্যবহৃত Agro-Ecological Zone বা AEZ database উন্নয়নে ড. জহুরুল করিমের অগ্রণী অবদান রয়েছে।

মাটি, ভূমি, জলবায়ু ও কৃষি পরিবেশের বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি পরিকল্পনা, ফসল নির্বাচন এবং গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণে AEZ ধারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বাংলাদেশের খরা ও লবণাক্ততা শ্রেণিবিন্যাসেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ছবিতে দেওয়া জীবনী অনুসারে, এ ধরনের শ্রেণিবিন্যাস বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রবর্তনে তাঁর ভূমিকা ছিল।

কৃষির বাইরেও মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ

তাঁর গবেষণা ও উন্নয়ন ভাবনা কেবল মৃত্তিকা বা ফসল উৎপাদনে সীমাবদ্ধ ছিল না। ২০০২ সালে তিনি দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে Black Bengal Goat Project-এর নেতৃত্ব দেন।

তিনি Small Indigenous Fish নিয়ে একটি সমন্বিত মডেল প্রবর্তনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পুষ্টি ও গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনকে সমন্বিতভাবে দেখার এই দৃষ্টিভঙ্গি তাঁর কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব

ড. করিম দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বহু আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক ও উন্নয়ন সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ১৯৯৬–২০০১ সময়ে CGIAR-এর Country Representative, ২০০৯–২০১৪ সালে FAO Bangladesh-এর Senior Adviser, ২০১৮–২০২০ সালে World Bank-এর Food Policy Research বিষয়ক International Adviser এবং ২০২১–২০২৩ সালে UNEP, Bangkok-এর International Technical Adviser হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া তিনি International Fertilizer Development Center (IFDC)-এর Board of Directors-এর সদস্য, Council for Partnership on Rice Research in Asia (CORRA)-এর সদস্য এবং ১৯৯৪–১৯৯৮ সময়ে International Society of Soil Science-এর Vice-Chairman হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস (BAS) এবং কৃষি গোবেশণা ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন Technical Advisory Committee-তেও তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বিজ্ঞান সংগঠনে নেতৃত্ব

প্রফেসর করিম The World Academy of Sciences (TWAS)-এর Fellow। বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততা রয়েছে।

২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি Bangladesh Academy of Sciences-এর Vice-President হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছবিতে দেওয়া জীবনী অনুযায়ী, বর্তমানে তিনি ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে Bangladesh Academy of Sciences-এর President হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা

দীর্ঘ গবেষণা ও কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রফেসর ড. জহুরুল করিম দেশ-বিদেশে বহু সম্মাননা অর্জন করেছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতির মধ্যে রয়েছে National Environment Award (2020), Honorary Medal “Best Scientist” (2020), Soil Care Award (2020), Darithi Medal এবং BAU Alumni Award (2019)

আরও স্মরণীয় ঘটনা ঘটে ১৯৯৩ সালে। Agricultural Research-এর ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকে Her Majesty Queen Elizabeth II একজন Outstanding Commonwealth Scientist হিসেবে সম্মানিত করেন বলে প্রদত্ত জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে।

সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি—স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে কৃষি উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার প্রফেসর ড. জহুরুল করিমকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ প্রদান করেছে।

তাঁর কর্মক্ষেত্রের বিস্তৃতি সত্যিই উল্লেখযোগ্য—মৌলিক ও কৌশলগত কৃষি গবেষণা, Agro-Ecological Zone database, fertilizer recommendation system, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন, SDG-15 বা Life on Land, biotechnology and gene editing, livestock and fisheries development, nutrition, poverty alleviation এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ।

একজন বিজ্ঞানীর জীবনের বড় শিক্ষা

প্রফেসর ড. জহুরুল করিমের জীবনকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের ইতিহাস হিসেবে দেখলে তাঁর অবদানের ব্যাপ্তি পুরোপুরি ধরা পড়ে না। তাঁর কর্মজীবনে একই সঙ্গে বিজ্ঞান, গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণের সংযোগ দেখা যায়।

একজন মৃত্তিকাবিজ্ঞানী হিসেবে যাত্রা শুরু করে তিনি কৃষি গবেষণার নেতৃত্ব, খাদ্য ও কৃষিনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন—বহু ক্ষেত্রে কাজ করেছেন।

শেষ কথা

স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত প্রফেসর ড. জহুরুল করিম বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। তাঁর গবেষণার বড় বৈশিষ্ট্য হলো—বিজ্ঞানকে শুধু গবেষণাপত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের মাটি, কৃষক, খাদ্যনিরাপত্তা ও জাতীয় নীতির সঙ্গে যুক্ত করা।

প্রায় ছয় দশকের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণের পথচলা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের কৃষিবিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য মূল্যবান অনুপ্রেরণা। তাঁর জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একজন বিজ্ঞানীর সবচেয়ে বড় অর্জন শুধু নতুন জ্ঞান সৃষ্টি নয়; সেই জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণ ও দেশের টেকসই উন্নয়নে কাজে লাগানো।

ড. বায়েজিদ মোড়ল । চীফ এডিটর । AgricultureNews24.com

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যকে কেন্দ্রে রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি

কপ সম্মেলনে দেশের পক্ষে উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বের অংশগ্রহণ জরুরি – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

অবৈধ, অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত আহরণের ফলে গত সাত বছরে সাগরে মাছের মজুত ৭৮ শতাংশ কমেছে—যা অত্যন্ত ভয়াবহ

কুরবানীর জন্য কোন ধরনের গরু ভাল?

ডিম খাওয়ার উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক

ব্যবসায়ীক অংশীদারগণের স্বাস্থ্য সেবায় – এসিআই সীড

প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন

থাই পুটি মাছ চাষের মাস্টার গাইড ।পর্ব–৩ (২ মাস থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত খাদ্য, পানির গুণাগুণ, অ্যারেশন ও পুকুরের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা । )

মাছ সংরক্ষণে ফরমালিন, মানব জীবন হরণে ফরমালিন

বন্যাদুর্গত কৃষকদের সহায়তায় বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’