RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Thursday , 6 August 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

সরকারের দাম ১০৪০, ব্যবসায়ীর ৬০০

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
May 17, 2019 12:32 pm
Government price 1040, trader 600

Government price 1040, trader 600

ডেস্ক রিপোর্ট: কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নে গত বুধবার বিকেলে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার আয়োজন করে সদর উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ। এদিন সরকার নির্ধারিত প্রতি মণ ধান ১০৪০ টাকা এবং  ব্যবসায়ীরা প্রতি মণ ধান  ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে কিনেছেন।

জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেনের নির্দেশে প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। আলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে ধান কেনা হয়। যার কারণে প্রতি মণ ধানের দাম দাঁড়ায় ১০৪০ টাকা। কিন্তু বাইরে ব্যবসায়ীরা প্রতি মণ ধান ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে কেনেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাষিরা যাতে ধানের ন্যায্য দাম পান ও প্রকৃত চাষিরা যাতে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য সদর উপজেলা প্রশাসন থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার জেলা থেকে এক হাজার টনের বেশি ধান কেনা হচ্ছে। তার মধ্যে সদর উপজেলা থেকে কেনা হচ্ছে প্রায় ৩৪৫ টন।

আলামপুর গ্রামের ধানচাষি আতিয়ার রহমান বলেন, ‘ছয় বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। প্রায় সব ধান কাটা হয়ে গেছে। কিন্তু দাম কম থাকায় বিক্রি করতে পারছিনে। সরকার যদি এভাবে চাষি পর্যায়ে সরাসরি গিয়ে সব ধান কিনে নিত, তাহলে চাষিরা ভালো লাভবান হতো। সরকারের কাছে আকুল আবেদন, চাষিদের কাছ থেকে ধান নেওয়া হোক। চাষিদের বাঁচান।’

ধান বিক্রি করতে আসা দহকুলা গ্রামের চাষি মোশাররফ হোসেন বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে তাঁরা সরকারি গুদামে ধান দিতে পারেন না। তবে এবার গ্রামে এসে ধান কেনায় তাঁরা সহজেই ধান বিক্রি করতে পারছেন। চাষির হয়রানি কম হবে। ২৬ টাকা কেজি দরে ধান বিক্রি করে তাঁদের লাভ থাকছে। তবে তিনিও ধান কেনার পরিমাণ আরও বাড়ানোর দাবি করেন।

ধান বিক্রি করতে আসা চাষিদের দাবি, অন্তত প্রতিটি উপজেলা থেকে দুই-তিন হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা উচিত। তাতে চাষিরা কিছুটা লাভবান হতেন। এত অল্প ধান কেনায় সব চাষি এ সুবিধা পাবেন না। তারপরও জেলা প্রশাসন থেকে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা চাষিদের জন্য ভালো হবে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন, চাষিরা ধানের ন্যায্য বাজারদর পাচ্ছেন না। তাই গ্রামে গিয়ে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে, যাতে চাষিরা প্রকৃত দাম পান। সরাসরি চাষিদের তালিকা করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ অনুপাতে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে একজন তালিকাভুক্ত চাষির কাছ থেকে প্রায় ৫০০ কেজি ধান কেনা হচ্ছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রকৃত চাষিদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব চাষির কাছ থেকে ধান কেনা হবে। কোনো ফড়িয়া বা দালালের কাছ থেকে ধান কেনার কোনো সুযোগ নেই।

জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই প্রকৃত কৃষকদের বাছাই করে তাঁদের কাছ থেকে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ধান কেনা হবে। কোনোভাবেই কোনো সিন্ডিকেট ধান দিতে পারবে না। বেশিসংখ্যক কৃষক যাতে ধান বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে অন্তত ৪০ জন কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করা হবে।

ধান কেনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা এ কে এম শাহ নেওয়াজ ও আলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন শেখ।

এবার রবি মৌসুমে জেলায় ৩৫ হাজার ৩১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ধান ঘরে তুলতে পারছেন কৃষক।

সূত্র: প্রথম আলো

এসজেডকে

সর্বশেষ - ছাগল পালন