RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Wednesday , 12 August 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত কৃষিবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
August 11, 2026 9:23 pm

স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত কৃষিবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী: কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন থেকে কৃষকের মাঠ—এক জীবন গবেষণা ও সেবায়।।

বাংলাদেশের কৃষি প্রকৌশল, কৃষিযান্ত্রিকীকরণ, ধান গবেষণা, ফসল-পরবর্তী ক্ষতি হ্রাস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষকের উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী। গবেষক, কৃষি প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, শিক্ষক ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর কর্মজীবন বিস্তৃত হয়েছে গবেষণাগার থেকে কৃষকের মাঠ এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা পর্যন্ত।

কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এ ভূষিত করেছে।

জন্ম ও শৈশব

ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী ১৯৫০ সালের ৩০ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ তাঁকে পরবর্তী সময়ে কৃষি প্রকৌশলকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে অনুপ্রাণিত করে।

ঠাকুরগাঁও হাই স্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে এসএসসি পাস করার পর তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে বেসিক সায়েন্স সম্পন্ন করার পর ১৯৭২ সালে কৃষি প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

ফিলিপাইনে উচ্চশিক্ষা ও পিএইচডি

কৃষি প্রকৌশলে উচ্চতর জ্ঞান অর্জনের জন্য তিনি ফিলিপাইনে যান। ১৯৮১ সালে University of the Philippines at Los Baños (UPLB) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৯০ সালে Central Luzon State University (CLSU), Philippines থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

তাঁর উচ্চশিক্ষার এই আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের কৃষিযন্ত্র গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও কৃষিযান্ত্রিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যুক্তরাজ্যে ধানের তুষ নিয়ে গবেষণা

ধানের তুষকে শুধু কৃষিবর্জ্য হিসেবে না দেখে জ্বালানি ও মূল্য সংযোজিত পণ্যের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে কাজে লাগানোর বিষয়েও ড. বাকী গবেষণা করেছেন। ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের University of Greenwich থেকে Benefits of Rice Husk Combustion Efficiency & Make Value-added Products from Rice Husk Ash বিষয়ে এক বছরের গবেষণা ও মূল্যায়ন-সংক্রান্ত পোস্ট-ডক্টরাল কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

এই গবেষণার মূল বিষয় ছিল ধানের তুষ পোড়ানোর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং Rice Husk Ash থেকে মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরির সম্ভাবনা।

মাঠপর্যায়ের কৃষি উন্নয়ন দিয়ে কর্মজীবনের শুরু

ড. বাকীর পেশাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি কৃষকের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৪–৭৬ সময়ে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে RDRS-এ কৃষি প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন, তৈরি এবং কৃষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

অর্থাৎ তাঁর গবেষণার মূল দর্শন শুরু থেকেই ছিল—প্রযুক্তি শুধু উদ্ভাবন করলেই হবে না, সেটি কৃষকের কাজে লাগতে হবে।

প্রায় ৩০ বছর বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে

ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকীর কর্মজীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-কে ঘিরে। ১৯৭৬ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩০ বছর তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় কৃষিযন্ত্রপাতি নিয়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং কৃষকের মাঠে যন্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণে কাজ করেন।

ধান উৎপাদনে শ্রম, সময় ও ব্যয় কমাতে কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধির যে প্রয়োজনীয়তা আজ ব্যাপকভাবে স্বীকৃত, সেই কৃষিযান্ত্রিকীকরণের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে তিনি দীর্ঘ সময় যুক্ত ছিলেন।

২০টি কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন ও উন্নয়নে ভূমিকা

২০০১–২০০৬ সময়ে তিনি ব্রি উদ্ভাবিত কৃষিযন্ত্রপাতি জনপ্রিয়করণ সম্প্রসারণ প্রকল্পের Project Director হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছবিতে দেওয়া জীবনী অনুযায়ী, এ সময়ে ব্রি-ধান-গম রিপার, ব্রি-পাওয়ার উইনোয়ারসহ মোট ২০টি কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন ও উন্নয়নে তিনি যুক্ত ছিলেন।

শুধু যন্ত্র উদ্ভাবন নয়—প্রযুক্তিগুলো কৃষকের হাতে পৌঁছানোর জন্য মাঠপর্যায়ে প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় ৫০টির বেশি কৃষি মাঠ প্রদর্শনী এবং দুই হাজারের বেশি কৃষক প্রশিক্ষণ পরিচালনার কথা তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ধান ও চালের মান নির্ধারণেও কাজ

২০০০ সালে তিনি ঢাকায় International Food Policy Research Institute (IFPRI)-এর Consultant হিসেবে কাজ করেন। সেখানে ধান ও চালের Grade ও Standard নির্ধারণ এবং Inspection Process Review-সংক্রান্ত কাজে যুক্ত ছিলেন।

এর মাধ্যমে তাঁর কাজ কৃষিযন্ত্রের গণ্ডি ছাড়িয়ে কৃষিপণ্যের গুণগত মান ও বাজারব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত হয়।

ধানের তুষ থেকে জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য শক্তি

বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ তুষ উৎপন্ন হয়। এই উপজাতকে কীভাবে কার্যকর জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায়—এ বিষয়েও ড. বাকী কাজ করেছেন।

২০০৭ সালে GIZ-এর Sustainable Energy Development Project-এ Consultant হিসেবে ধানের তুষের জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন burner-এর design, তৈরি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।

পরবর্তী সময়েও তাঁর গবেষণায় biomass energy ও rice husk gasification বিশেষ গুরুত্ব পায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরিতেও ড. বাকী অবদান রেখেছেন। ২০০৮–২০১১ সময়ে তিনি গাজীপুর এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটিতে Visiting Professor হিসেবে কাজ করেন। এ সময় Agro-processing Department-এর প্রথম syllabus তৈরির পাশাপাশি গবেষণা ও খণ্ডকালীন শিক্ষকতায় যুক্ত ছিলেন।

২০১৪–২০১৯ সময়ে তিনি উত্তরা ইউনিভার্সিটির Civil and Environmental Engineering Department-এ Full-time Professor হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষকতার পাশাপাশি গবেষণা, শিক্ষার্থীদের thesis project তৈরি এবং project supervision-এও তিনি কাজ করেন।

ধানের তুষ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন

২০০৯–২০১৩ সময়ে Independent Consultant হিসেবে তিনি ধানের তুষের gasification-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নিয়ে কাজ করেন। প্রকল্পের প্রাথমিক বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তালিকা ও specification পর্যালোচনা এবং উৎপাদন ব্যয়সহ বিভিন্ন কারিগরি ও অর্থনৈতিক বিষয় বিশ্লেষণ করেন।

কৃষির একটি উপজাতকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা অনুসন্ধানে তাঁর এই কাজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

কৃষিতে পানির চাহিদা ও ভূগর্ভস্থ পানির গবেষণা

২০১০–২০১১ সালে Independent Consultant হিসেবে সৌরশক্তিভিত্তিক সেচ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের নির্বাচিত বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন মৌসুমে নানা ফসলের মোট পানির চাহিদা নির্ধারণ এবং কৃষকের পানির সর্বোচ্চ চাহিদার সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের পরিবর্তন নিয়ে কাজ করেন।

বাংলাদেশে সেচনির্ভর কৃষির প্রসারের সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির টেকসই ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কৃষি প্রকৌশল ও পানি ব্যবস্থাপনার সমন্বিত গবেষণায় তাঁর এই কাজের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

জাতীয় কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্পে সম্পৃক্ততা

২০১৩ সালে তিনি National Agricultural Technology Project (NATP) Phase-1-এ Rural Development Specialist হিসেবে প্রকল্প পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের কাজ করেন।

এর মাধ্যমে কৃষি প্রযুক্তি, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষকের কাছে উদ্ভাবন পৌঁছে দেওয়ার জাতীয় পর্যায়ের কার্যক্রমেও তাঁর অভিজ্ঞতা ব্যবহৃত হয়।

IRRI-এর Post-harvest Loss গবেষণায় কাজ

২০১৪ সালের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি International Rice Research Institute (IRRI), Dhaka)-এর Feed the Future (FtF) & Post-harvest Loss Assessment Project-এ Consultant হিসেবে কাজ করেন।

ফসল উৎপাদনের পর সংগ্রহ, মাড়াই, পরিবহন ও সংরক্ষণের বিভিন্ন পর্যায়ে যে ক্ষতি হয়, তা খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষকের আয়—দুটির ওপরই প্রভাব ফেলে। এই post-harvest loss নিরূপণ ও বিশ্লেষণের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে তাঁর সম্পৃক্ততা তাঁর গবেষণার বহুমাত্রিকতার পরিচয় বহন করে।

৮০টি গবেষণা ও পেশাগত প্রকাশনা

ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকীর গবেষণা ও পেশাগত কাজের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তাঁর প্রকাশনা। প্রদত্ত জীবনী অনুসারে, দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর প্রায় ৮০টি গবেষণা ও পেশাগত প্রকাশনা রয়েছে।

তিনি দেশে-বিদেশে ১০টি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং ১৮টি শিক্ষাসফর ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন, যেখানে বিভিন্ন সময়ে গবেষণাপত্রও উপস্থাপন করেছেন।

দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা

কর্মজীবনে তিনি Engineers Institution Bangladesh, Krishibid Institution Bangladesh, AIT Bangkok, PSAE Philippines-সহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ও পর্যালোচনা কার্যক্রমের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া BRRI Board of Management-এর সদস্য হিসেবে ২০১৪–২০২৭ মেয়াদের কথাও প্রদত্ত জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট পুরস্কার থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার

কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি আসে কর্মজীবনের তুলনামূলক শুরুর দিকেই। তাঁর উদ্ভাবিত ব্রি-ডায়াফ্রাম পাম্পের জন্য ১৯৮০ সালে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার লাভ করেন বলে প্রদত্ত জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে।

দীর্ঘ কয়েক দশক পর গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে সামগ্রিক অবদানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এ ভূষিত হন।

কৃষকের জন্য প্রযুক্তিই তাঁর গবেষণার মূল দর্শন

ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকীর দীর্ঘ কর্মজীবনের দিকে তাকালে একটি ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি কৃষি প্রকৌশলকে শুধু যন্ত্র তৈরির বিজ্ঞান হিসেবে দেখেননি; বরং কৃষকের শ্রম কমানো, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস, সময় সাশ্রয়, ফসলের ক্ষতি কমানো এবং কৃষির উপজাতকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যম হিসেবে দেখেছেন।

কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন, কৃষক প্রশিক্ষণ, ধান-চালের মান নির্ধারণ, ফসল-পরবর্তী ক্ষতি, Agro-processing, পানি ব্যবস্থাপনা, rice husk energy এবং gasification—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর গবেষণায় মাঠের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে প্রযুক্তির একটি যোগসূত্র পাওয়া যায়।

সমাপণী মূল্যায়ন

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এ ভূষিত ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকীর জীবন বাংলাদেশের কৃষি প্রকৌশল ও কৃষি গবেষণার এক দীর্ঘ কর্মময় অধ্যায়। প্রায় পাঁচ দশকের কর্মজীবনে তিনি গবেষক, উদ্ভাবক, শিক্ষক, প্রকল্প পরিচালক ও পরামর্শক হিসেবে কৃষির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করেছেন।

তাঁর কর্মজীবনের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে কৃষকের জন্য ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি তৈরির প্রচেষ্টা। গবেষণাগারে একটি যন্ত্র উদ্ভাবন থেকে শুরু করে সেটিকে মাঠে নিয়ে কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া, কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রযুক্তির কার্যকারিতা মূল্যায়ন—পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গেই তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছেন।

প্রেসিডেন্ট পুরস্কার থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার—ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকীর দীর্ঘ স্বীকৃতির পথ তাই শুধু একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত অর্জনের ইতিহাস নয়; এটি বাংলাদেশের কৃষিকে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও আধুনিক ও কৃষকবান্ধব করে তোলার দীর্ঘ প্রচেষ্টারও স্বীকৃতি।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ক্ষতি পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।

ডিমের মূল্যের ঊর্দ্ধগতিতে মধ্যস্বত্বভোগীরা বড় সমস্যা : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

আম রপ্তানির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কৃষির উন্নয়ন হলে দেশের উন্নয়ন হবে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রাণিসম্পদ সেক্টরের সাংবাদিকদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করে সিগমা বাংলাদেশ

বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৩ উপলক্ষে ভারতের নারায়ণা হাসপাতালের পক্ষ থেকে ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য সচেতনামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।

Know different aspects of different oil seeds

জেনে নিন বিভিন্ন তেল বীজের বিভিন্ন দিক

ঘটা করে মৎস্য ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপসচিব ৩ জন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে এসিআই প্রাণি কৌলি তত্ত্ব গবেষনা ও উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন

ইলিশ রক্ষায় আজ থেকে জাটকা শিকারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত

সবুজ বাংলার উপস্থাপিকা – কৃষিবিদ মেহরুবা মোনা