RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বৃহস্পতিবার , ৭ মে ২০২৬ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
  

খামারে কৃমির নিয়ন্ত্রণ

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
অক্টোবর ৮, ২০১৮ ৭:১২ পূর্বাহ্ণ

খামারে কৃমির নিয়ন্ত্রণ

 

 

মুরগীরখামারে কৃমির আক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যা করণীয় তা হচ্ছে:-
* লিটার সব সময় শুকনো রাখতে হবে।
* ভিজা স্যাত-স্যাতে লিটার কৃমির বংশ বিস্তারে সহায়ক। তাই পানির পাত্র থেকে পানি পড়ে যাতে লিটার ভিজতে না পারে বে ব্যবস্থার নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে।
* মুরগীর খাবার যাতে লিটারে না পড়ে সে দিকে নজর রাখতে হবে। কারণ লিটারে খাবার থাকলে মুরগীর লিটার ঠোকরানোর অভ্যাস গড়ে উঠে। ফলে কৃমির সংক্রমন দ্রুত হয়।
* একটি ঝাক বিদায় হবার পর লিটার বদল করতে হবে। পরিত্যাক্ত লিটারে কখনই নতুন ঝাক তোলা যাবে না। কৃমির প্রাথমিক পোষক যথা: মাছি, গোবরে পোকা, তেলাপোকা, শামুক, কোঁচো ইত্যাদি দমন করতে হবে।
* শেডে কবুতর, চড়–ই ইত্যাদি পাখিকে বাসা বাধতে দেওয়া যাবে না। কারণ এরা বাইরে থেকে রোগ জীবানু বহন করে আনতে পারে।
* সময়মত ঝাকের সমস্ত মোরগ মুরগীকে কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়াতে হবে। কৃমিনাশক ঔষধ নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান প্রধান ক্ষতিকারক কৃমি সমূহের উপর কার্যকর, উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অর্থবা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ঔষধ বেছো নেওয়া একজন সচেতন খামারীর কর্তব্য। মোরগ মুরগীর কৃমি দমনের জন্য এতদিন বাজারে মুলত পাইপোরেজিন যৌগের কয়েকটি ঔষধ পাওয়া যেতো যেগুলোর কার্যক্ষমতা যেমনি সীমিত তেমনি দীর্ঘদিন একই প্রকার কৃমিনাশক ব্যবহারের ফলে এসব ঔষধের প্রতি কৃমির সহিষ্ণুতাও অনেক বেড়ে যাচ্ছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে মুরগীর খামার পোলনেকস নামে নেভামিসল যৌগের একটি কৃমিনাশক বাজারে এসেছে, যেটি পাইপোরোনুজিন যৌগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী। মোরগ মুরগীর কৃমি দমনে লেভামিল যৌগের কার্যকারিতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এটি অনুমোদিত মাত্রায় ব্যবহার করে মোরগ মুরগীর ক্ষতিকর কৃমি সমূহকে কার্যকর ভাবে বিনাশ করা সম্ভব। উপরোক্ত পোলনেকস নামের এই ঔষধটিতে রয়েছে ৭০% সুকরোজ (গ্লুকোজ) যা পানিতে মিশিয়ে খাওয়ানোর পর মোরগ মুরগীকে বাড়তি শক্তির যোগান দেয়। সম্পুর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন এই কৃমিনাশক প্রয়োগে ডিমের উৎপাদন হারেও কোন তারতম্য ঘটে না। মুরগীর খামারে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সমুন্নত রেখে নিয়মিত কৃমি নাশক ব্যবহার করে কৃমি মুক্ত খামার স্থাপনে সচেষ্ট হতে হবে প্রতিটি খামারীকে। লিটার পদ্ধতির পরিবর্তে কেইজ পদ্ধতিতে মুরগী পালন করলে খামারে কৃমি সংক্রমনের সম্ভবনা অনেক কমে যায়।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

ছোট্ট পাখি কোয়েল স্বপ্নচুড়ায় পৌছে গেলো ইয়াসমিন তোফাজ্জল

সুলভ’ মূল্যে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি শুরু বাজারে যারা অহেতুক দাম বাড়ায়, তাদের ছাড় দেওয়া যাবে না -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটি থেকে পুরস্কার গ্রহন

কাদাকনাথ মুরগী বা কড়কনাথ মুরগীর ব্যর্থ হওয়ার মুল কারন

আসুন বাংলাদেশের দিকে তাকাই – ড. এফ. এইচ. আনসারী

প্রাণিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নারীরা অপরিহার্য

ডালের উৎপাদন বেড়েছে ৪ গুণ, লক্ষ্য এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া

সুস্থ ভাবে ছাগল পালন করতে যা যা জানা দরকার

আলু রপ্তানির জন্য রাশিয়ার সাথে চুক্তি স্বাক্ষর// রাশিয়ায় আগামী বছর দেড় থেকে দুই লাখ টন আলু রপ্তানি হবে- কৃষিমন্ত্রী

সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার।। প্রতিমন্ত্রী।।