
ডেস্ক রিপোর্ট: সারাদেশে চলছে কৃষি শুমারি ২০১৯। এ উপলক্ষে গত রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নানের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার কৃষি পণ্যের তথ্য-উপাত্ত প্রদান করেন এবং রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান শুমারি উদ্বোধন করেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন জানান, কৃষি শুমারির অংশ হিসেবে গণনাকারীরা রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে খাদ্যশস্য, মৎস্য ও পশুসম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবাদি জমির পরিমাণ, হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, কৃষি যন্ত্রপাতি, খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কৃষি শুমারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বলে উল্লেখ করেন। শুমারি চলাকালে প্রকৃত ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে তিনি গণনাকারীদের উপদেশ দেন।
তিনি বলেন, কৃষি শুমারি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত করণে যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করবে। এ সময় পরিকল্পনা মন্ত্রী কৃষি শুমারি ২০১৯ এর সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় পরিকল্পনা ও তথ্য বিভাগের সচিব সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিক্সের (বিবিএস) মহাপরিচালক কৃষ্ণ গায়েন এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি শুমারি ২০১৯ পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরন, চাষ পদ্ধতি, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষিক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রায় দেড় লাখ গণনাকারী দেশব্যাপী এ কাজ চালিয়ে যাবেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই শুমারি পরিচালনা করছে।
কৃষি শুমারি ২০১৯ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পল্লি এলাকায় ২৪০টি, পৌরসভা এলাকায় গড়ে ৩০০টি এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় গড়ে ৩৫০টি খানা নিয়ে একটি গণনা এলাকা গঠন করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে কৃষি শুমারির তথ্য সংগ্রহে সমন্বয়কারী থাকবে।
প্রতিটি গণনা এলাকায় তথ্য সংগ্রহের জন্য স্থানীয়ভাবে শিক্ষিত বেকার যুবক ও তরুণীদের গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ কৃষি শুমারি হয়েছিল ২০০৮ সালে। গত রোববার থেকে শুরু হওয়া কৃষি শুমারি ২০১৯ চলবে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত ।
-এসজেডকে
























