আপনি কি নতুন খামার করার কথা ভাবছেন ???
১। বাসস্থান — ফার্মের সফলতা অর্জনে গবাদিপশুর বাসস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । আলো বাতাস প্রবেশ করে এমন জায়গায় বাসস্থান নির্মান করা উচিত ।
২। কর্মক্ষমতা—- নতুন ফার্ম করে যদি ভাবেন লোক দিয়ে কাজ করাবেন, তবে ফার্ম করা আপনার দরকার নাই । কমপক্ষে ৩/৪ বছর নিজের কাজ নিজেই করেন । এটা যদি পারেন আপনি সফল হবেন ।
৩। খাদ্যের ব্যবস্থা—– ফার্ম করার আগে আপনাকে পশু খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হবে । কম পক্ষে ৬ মাসের পশু খাদ্য আপনাকে মজুত রাখতে হবে ।
৪। কাঁচা ঘাস—- ডেইরি ফার্ম হোক বা ক্যাটেল ফার্ম হোক কাঁচা ঘাস লাগবেই । তাই ফার্ম করার আগে আপনাকে কাঁচা ঘাসের ব্যবস্থা করতে হবে । নিয়মিত কাঁচা ঘাস কিনে খাওয়াতে অনেক অর্থ ব্যয় হয়, তাই চেষ্টা করতে হবে নিজেই কাঁচা ঘাস চাষ করতে ।
৫। নিরাপদ পানির ব্যবস্থা—- পানির অপর নাম জীবন । তাই ফার্মে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে । গবাদিপশুর খাওয়া, গোসল ও বাসস্থান পরিষ্কার করতে প্রচুর পানির প্রয়োজন পড়বে ।
৬। গোবর ফেলার জায়গা—– গরুর গোবর যেখানে সেখানে ফেলে রাখলে তার থেকে জীবানু তৈরি হয় । তাই চেষ্টা করতে হবে ফার্ম থেকে দুরে গোবর ফেলার জায়গা বানাতে হবে ।
৭। সঠিক সময়ে খাবার—- গরুর খাবার নির্ধারিত সময়ে দিতে হবে । অর্থাৎ সকালে যদি ৭ টায় খাবার দেন, প্রতিদিন চেষ্টা করতে হবে একই সময়ে খাবার দিতে ।
৮। চোনা বা প্রস্রাব ফেলার জায়গা— গরুর প্রস্রাব ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা বানাতে হবে । প্রস্রাব যদি খোলা স্থানে ফেলেন তাতে মশার উৎপাত বাড়বে । এছাড়া প্রস্রাবের দূর গন্ধ পরিবেশ দূষিত হবে ।
৯। পরিচর্যা—- গবাদি পশুর পরিচর্যা না জেনে ফার্ম করতে যাবেন না ।
১০। বন্ধুসুলভ —- আপনাকে বন্ধ সুলভ হতে হবে । রাগ করে গরু পেটানো যাবে না । নিজের রাগ কে কণ্ট্রোল করতে না পারলে ফার্ম করবেন না ।
১১। চিকিৎসা ব্যবস্থা– ফার্ম করার পরে আপনাকে আপনার সুবিধা মত ভাল কোনো প্রাণী চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে । এমন চিকিৎসক ঠিক করবেন যাকে যে কোনো সময় ডাকলে আপনি পাবেন ।
১২। বাজার সম্পর্কে ধারনা— ফার্ম করার আগে আপনাকে গরুর বাজার সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে ।
১৩। ভাল গরু নির্বাচন— ফার্মের সফলতার ৭৫% নির্ভর করে গরু নির্বাচনের উপর । বাজার থেকে ভাল গরু চিনে কিনতে হবে ।

























