টমেটো চাষ পদ্ধতি

টমোটো ভিটামিনসমৃদ্ধ একটি শীতকালীন সবজি। এতে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। জাতের প্রকারভেদে টমেটোতে সাধারণত ৩৮৫ আই, ইউ ভক্ষণযোগ্য বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় ৩০ হাজার শিশু রাতকারা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এ পুষ্টির দিক থেকে টমেটোর গুরুত্ব অনেক।
টমেটোর জাত
বারি টমেটো-১ (মানিক)
বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৮৫ সনে স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী করে এ জাতটি উদ্ভাবন করা হয়। গাছের উচ্চতা ১০০-১১০ সে.মি. এবং ফল কিছুটা লম্বাটে। ফলের ওজন ৮৫-৯৫ গ্রাম। প্রতিটি গাছে ২৫-৩০ টি ফল ধরে ও গাছপ্রতি ফলন হয় ২.৫ -৩০ কেজি।
চারা লাগানোর ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে ফল পাকতে শুরু করে এবং গাছ থেকে এক মাস পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। এ জাতের টমোটো ব্যাকটেরিয়াজনিত ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। এ জাতের জীবনকাল ১০৫-১১০ দিন। হেক্টর প্রতি ফলন ৮৫-৯০ মে.টন।
বারি টমেটো-২ (রতন)
জাতটি বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়। গাছের উচ্চতা ৭৫-৮৫ সে.মি। ফল গোলাকার এবং ওজন ৮৫-৯০ গ্রাম। প্রতি গাছে ৩০-৩৫টি ফল ধরে। ফলন প্রতিগাছে ২.০-২.৫ কেজি।
চারা গালানোর ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে ১ম বার এবং প্রায় ২০ দিন পর্যন্ত ২-৩ বার ফল সংগ্রহ করা যায়। এ জাত ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রাখে। এর জীবনকাল ১০৫-১১০ দিন। ফলন হেক্টর প্রতি ৮০-৮৫ টন। এ জাতটি সব এলাকায় চাষ করা যায়।
বারি টমেটো-১০ (অনুপমা)
এটি একটি উচ্চফলনশীল সংকর জাত। গ্রীষ্ম মৌসুমে চাষের উপযোগী করে এ জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে এ জাতের অনুমোদন করা হয়। এর ফল ডিম্বাকৃতির হয়। প্রতিটি গাছে ৭৫-৮০ টি ফল ধরে। একটি ফলের ওজন ২৫-৩০ গ্রাম। গাছপ্রতি ফলন ২-২.৫ কেজি। চারা লাগানোর ৬০ দিনের মধ্যে ফল পাকতে শুরু করে এবং এক মাস হলে ফল সংগ্রহ করা যায়। এ জাত উচ্চতাপমাত্রা সহনশীল এবং ব্যাকটেরিয়জনিত রোগ প্রতিরোধী। জীবনকাল ৯০-১০০দিন। এর ফলন হেক্টরপ্রতি ৪৫-৫৫ টন।
টমেটোর উৎপাদন প্রযুক্তি
মাটি ও জমি তৈরি
দো-আঁশ ধরনের মাটি টমেটো চাষের জন্য উপযোগী। জমি ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হয়। গ্রীষ্মকালে চাষের জন্য ২০-২৫ সেমি. উঁচু এবং ২৩০ সেমি. চওড়া বেড তৈরি করতে হয়। সেচ দেয়ার সুবিধার্থে ২টি বেডের মাঝে ৩০ সেমি. নালা রাখতে হয়।
চারা রোপণ ও সময়
প্রতি বেডে ২টি করে ৬০ ী ৪০ সেমি. দূরত্বে ২৫-৩০ দিন বয়সের চারা রোপণ করতে হয়।
মধ্য কার্তিক থেকে মাঘের ১ম সপ্তাহ (নভেম্বর থেকে মধ্য -জানুয়ারি) পর্যন্ত চারা রোপণ করা যায়।
সারের পরিমান
টমেটো চাষ করার জন্য নিæরূপ সার হেক্টর প্রতি প্রয়োগ করতে হয়।
সারের নাম পরিমাণ/ হেক্টর
ইউরিয়া ৫০০-৬০০ কেজি
টিএসপি ৪০০-৫০০ কেজি
এমপি ২০০-৩০০ কেজি
গোবর ৮-১২ টন
সার প্রয়োগ পদ্ধতি
অর্ধেক গোবর ও টিএসপি সার শেষ চাষের সময় জমিতে প্রয়োগ করতে হয়। অবশিষ্ট গোবর চারা লাগানোর আগে গর্তে প্রয়োগ করতে হয়।
ইউরিয়া ও এমপি ২ কিস্তিতে পার্শ্বকুশি ছাঁটাই এর পর চারা লাগানোর ৩য় ও ৫ম সপ্তাহে রিং পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে হয়।
পরিচর্যা
প্রথম ও ২য় কিস্তির সার প্রয়োগের আগে পার্শ্ব কুশিসহ মরা পাতা ছাঁটাই করে দিতে হয়। এতে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হয় এবং ফলের আকার বড় হয়। এতে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হয় এবং ফলের আকার বড় হয়। হরমোন প্রয়োগগের সুবিধার্থে এবং প্রবল বাতাসে গাছ যাতে নুয়ে না পড়ে সেজন্য টমেটো গাছে “অ” আকৃতির ঠেকনা দেওয়ার জন্য বাঁশের তৈরি কাঠি, ধৈঞ্চার কাঠি, বাঁশের কঞ্চি, ডাল ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।
গ্রীষ্মকালীন টম্যাটো চাষ
টম্যাটো একটি পুষ্টিকর সবজি। আমাদের দেশে সাধারণত শীতকালে টম্যাটো চাষ করা হয়। অথচ প্রায় একই রকম আবহাওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ তাইওয়ান, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডে সারাবছর টম্যাটো ফলানো হচ্ছে। অধুনা আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরাও গ্রীষ্ম ও বর্ষায় চাষ করা যায়, এমন কয়েকটি টম্যাটোর জাত উদ্ভাবন করেছেন। এসব জাত চাষ করে কৃষক ভাইরা দেশবাসীকে গ্রীষ্ম-বর্ষায়ও সুস্বাদু টম্যাটো উপহার দিতে পারেন এবং নিজেরাও আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন।
জাত
গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে চাষোপযোগী কয়েকটি অনুমোদিত জাত রয়েছে, তা হচ্ছে- বারি টম্যাটো-৪, রাবি টম্যাটো-৫, বারি টম্যাটো-৬ (চৈতি), বারি টম্যাটো-১০ (অনুপমা-হাইব্রিড জাত), বারি টম্যাটো-১১ (ঝুমকা), বারি টম্যাটো-১৩ (শ্রাবণী), বিনা টম্যাটো ২ ও বিনা টম্যাটো-৩।
মাটি ও জলবায়ু
প্রায় সব ধরনের মাটিতেই টম্যাটো চাষ করা যায়। তবে দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি টম্যাটো আবাদের জন্য বেশি উপযোগী। ফল ধারণের জন্য দিনে ২০-২৫০ সেলসিয়াস এবং রাতে ১০-১৫০ সেলসিয়াস তাপমাত্রার দরকার হয়। তবে অপেক্ষাকৃত অধিক তাপমাত্রায়ও এদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় না। গ্রীষ্মকালেও আশানুরূপ ফলন পেতে কৃত্রিম হরমোন প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
চারা উৎপাদন
মাটির সাথে বালি ও গোবর সমপরিমাণে ভালোভাবে মিশিয়ে ঝুরঝুরে করে বীজতলা তৈরি করা দরকার। বীজতলা ৩মিটার (১০ফুট) লম্বা, ১ মিটার (সোয়া ৩ ফুট) চওড়া এবং ১৫ সে. মিটার (৬ ইঞ্চি) উঁচু হলে ভালো হয়। চারা উৎপাদনের জন্য বিঘা প্রতি ২০-২৫ গ্রাম সুস্থ বীজ ঘন করে বীজতলায় বপন করতে হয়। সাধারণত ২৫-৩০ দিন বয়সের চারা মূল জমিতে রোপণের উপযোগী হয়।
জমি তৈরী
টম্যাটোর ভালো ফলন পেতে হলে ভালোভাবে জমি তৈরি করা প্রয়োজন। এজন্য কমপক্ষে ৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে তৈরি করতে হয়। ২০-২৫ সেন্টিমিটার (৮-১০ ইঞ্চি) উঁচু এবং ২৩০ সেন্টিমিটার (৭.৫ ফুট) চওড়া ভিটি বা বেড তৈরি করা যেতে পারে। সেচের সুবিধার জন্য দুটি বেডের মাঝে ৩০ সেন্টিমিটার (১ ফুট) চওড়া নালা রাখা দরকার।
সারের পরিমাণ ব্যবহার ও নিয়ম (শতকে)
সারের নাম মোট পরিমাণ শেষ চাষের সময় দেয় চারা লাগানোর সময় গর্তে দেয় পরবর্তী পরিচর্যা হিসেবে
১য় কিস্তি (সারিতে) চারা লাগানোর ৩ সপ্তাহ পর ২য় কিস্তি (সারিতে) চারা লাগানোর ৩ সপ্তাহ পর
গোবর/ কম্পোস্ট ৪০ কেজি অর্ধেক অর্ধেক – –
ইউরিয়া ২.২ কেজি – ৮০০ গ্রাম ৭০০ গ্রাম ৭০০ গ্রাম
টিএসপি ১.৮ কেজি – সব – –
এমওপি ১ কেজি – সব – –
চারা রোপণ
ফাল্গুণের মাঝামাঝি হতে আশ্বিন মাস পর্যন্ত চারা রোপণ করা যায়। প্রতিটি বেডে দু’সারি করে ২৫-৩০ দিনের চারা লাগাতে হয়। সারি থেকে সারির দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার বা ২ ফুট এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৪০ সেন্টিমিটার বা ১৬ ইঞ্চি রাখা দরকার।
পলিথিন ছাউনি ব্যবহার
এ মৌসুমে বর্ষা বাদলের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য টম্যাটো গাছে পলিথিন ছুউনি ব্যবহার করা দরকার। ২৩০ সেন্টিমিটার (৭.৫ ফুট) চওড়া ও প্রয়োজনমত দৈর্ঘ্যের ২টি বেডে একটি করে ছাউনির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। নৌকার ছইয়ের আকৃতি করতে হয়। ছাউনির জন্য বাঁশ স্বচ্ছ পলিথিন, নাইলনের দড়ি ও পাটের সুতলির দরকার। পলিথিন যাতে বাতাসে উড়ে না যায় সে জন্য ছাউনির ওপর দিযে উভয় পাশ থেকে আড়াআড়ি ভাবে দড়ি প্যাঁচায়ে রাখা দরকার। পাশাপাশি দুই ছাউনির মাঝে ৭৫ সেমি. চওড়া নালা রাখা দরকার যাতে পানি নিষ্কাশনসহ বিভিন্ন পরিচর্যা করতে সুবিধা হয়।
হরমোন প্রয়োগ
গ্রীষ্মকালীন টম্যাটো গাছে প্রচুর ফুল ধরে কিন্তু উচ্চ তাপমাত্রা ও অতিবৃষ্টির কারণে পরাগায়নে বিঘিœত হয়। ফলে ফুল ঝড়ে পড়ে। এক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পেতে হলে ‘চম্যাটোটন’ নামক কৃত্রিম হরমোন প্রয়োগ করা দরকার। ১ লিটার পানির সাথে ২৫ মিলিলিটার বা চা চামচের ৫ চামচ তরল হরমোন মিশিয়ে হাত ¯েপ্রয়ারের সাহায্যে ফুটন্ত ফুলে ৮-১০ দিন পর পর দুবার ¯েপ্র করতে হয়। হরমোন সকাল ৯-১০ টার মধ্যে ¯েপ্র করলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাওয়া যায়।
অন্তর্বর্তী পরিচর্যা
বাতাসে গাছ নুয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা এবং হরমোন প্রযোগের সুবিধার্থে টম্যাটো গাছে ঠেকনা দেয়া দরকার। চারা রোপণের ৩-৪ দিন পর হালকা সেচ দিতে হবে। জমিতে ১ম ও ২য় কিস্তি সার প্রয়োগের পার্শ্বকুশিসহ মরা পাতা ছাঁটাই করে দিতে হয়। এতে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম হয় এবং ফুলের আকার বড় হয়। টম্যাটো গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা দরকার। এ ছাড়াও মাটির ভেতর আলো বাতাস চলাচলের সুবিধার্থে নিড়ানি দিয়ে গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দেয়া দরকার।
কীটপতঙ্গ ও রোগবালাই দমন
টম্যাটো গাছে সাদা মাছি পোকার আক্রমণ হতে দেখা যায়। এ পোকা খুবই ছোট এবং পাতার নিচের দিকে থাকে বলে সহজে চোখে পড়ে না। এরা পাতা কোঁকড়ানো ভাইরাস রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। এদের দমনের জন্য ফেনিট্রিথিয়ন জাতীয় তরল কীটনাশক ১ লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে পাতার নিচের দিকে ¯েপ্র করতে হবে। তাছাড়া গাছে ফুল আসার আগে একবার এবং পরে আর একবার রিডোমিল কিংবা রোভরাল ১লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছে ¯েপ্র করলে ড্যাম্পিং অফ ও আশুধসা রোগ দমন হয়।
ফল সংগ্রহ ও ফলন
চারা লাগানোর ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে ফল পাঁকতে শুরু করে। প্রতি গাছ থেকে ৫-৬ বার ফল সংগ্রহ করা যায়। হরমোন প্রয়োগের ফলে গ্রীষ্মকালীন টম্যাটো বীজবিহীন হয়ে থাকে। তবে টম্যাটোর রঙ স্বাদ ও গন্ধ শীতকালীন টম্যাটোর মতই হয়ে থাকে। জাত ভেদে প্রতি শতকে ফলন ৮০-১০০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উপাত্ত সংগ্রহ-কৃষি তথ্য সার্ভিস
টমেটো চাষে সমস্যা ও সমাধান
নেতিয়ে পড়া বা ড্যাম্পিং অফ
লক্ষণ
১। বীজতলাতে সদ্য গজানো চারা অথবা মূল জমিতে লাগানো চারা নেতিয়ে বা ঢলে পড়ে।
২। গাছ গোড়া থেকে শুকিয়ে মারা যায়।
প্রতিকার
১। সম্ভব হলে নেতিয়ে পড়া চারা জমি থেকে তুলে ফেলতে হবে।
২। কপার অক্সিক্লোরাইড ( যেমন; কুপ্রাভিট) জাতীয় ছত্রাকনাশক ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম হারে মিশিয়ে চারা ও মাটি ভাল ভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।
টমেটোর মড়ক বা নাবী ধ্বসা (লেইট ব্লঅইট)
লক্ষণ:
এ রোগের আক্রমনে
১। প্রথমে পাতা, ডগা ও কান্ডে ছোট ছোট পানি ভেজা দাগ পড়ে। খুব দ্রুত এই দাগ গাঢ় খযেরী রং ধারণ করে। পাতার নিচে দাগের চারদিকে ধুসর সাদা বর্ণের জীবাণুর মাইসেলিয়া ও স্পোর দেখতে পাওয়া যায়। অতিরিক্ত আক্রমনে পাতা ও কান্ড পুড়ে যাওয়ার ন্যায় দেখা যায় এবং খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তখন একে মড়ক লাগা বলে।
২। ভোরে দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাইডারের মতো ছত্রাক চোখে পড়ে ও পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে।
৩। দীর্ঘ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৯০% এর বেশি থাকলে এবং তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে ১০ ঘন্টার মধ্যে এই রোগের আক্রমন ঘটতে পারে।
৪। ঘন কুয়াশা ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, দিনে গরম রাতে ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত বাতাসের আর্দ্রতা এই রোগের জন্য অনূকুল।
প্রতিকার:
১। রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
২। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথাসম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে।
৩। রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম হারে ৭-১০ দিন পর পর ইপ্রোভেলিকার্ব ও প্রপিনেব জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন; মেলোডি ডু একবার ও পরেরবার এন্ট্রাকল ¯েপ্র করতে হবে
আগাম ধ্বসা বা আর্লি ব্লাইট রোগ
লক্ষণ:
এ রোগের আক্রমনে
১। গাছের নিচের পাতায় ছোট ছোট বাদামি রংয়ের অল্প বসে যাওয়া কোনাকৃতির দাগ পড়ে। আক্রান্ত অংশে সামান্য কালচে বংয়ের চক্রাকার দাগ পড়ে।
২। পাতার বোটা ও কান্ডের দাগ অপেক্ষাকৃত লম্বা ধরনের হয়।
৩। গাছ হলুদ হয়ে যাওয়া, পাতা ঝরে পড়া এবং অকালে গাছ মওে যাওয়া এ রোগর অন্যতম লক্ষণ।
প্রতিকার:
১। সুষম সার ও সময়মতো সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
২। রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে ম্যানকোজেব বা প্রপ্রিনেব ও ইপ্রোভেলিকার্ব জাতীয় ছত্রাননাশক (মেলোডি ডু, এন্ট্রাকল) মিশিয়ে ৭-১০ দিন অন্তর অন্তর ¯েপ্র করলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়।
ভাইরাস রোগ
লক্ষণ
পাতায় বিভিন্ন ধরনের ছিটে দাগ পড়ে, পাতা বিকৃত ও ছোট হয়। লতা ঝুলে পড়ে এবং পরবর্তীতে গাছ মারা যায়। জাব পোকা ও অন্যান্য রস শোষণকারী পোকা পাতা ও গাছ থেকে রস চুষে গাছকে দূর্বল করে দেয়।
প্রতিকার
১। রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
২। ভাইরাস আক্রান্ত গাছ উঠিয়ে পুতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
৩। ভাইরাস বাহক পোকা দমনের জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড ( যেমন; এডমায়ার) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হার্ েঅথবা ডাইমেক্রন ১ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর জমিতে ¯েপ্র করতে হবে।
কাটুই পোকা
লক্ষণ
১। রাতের বেলা কচি চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়। দিনের বেলা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে।
প্রতিকার
ডেল্টামেথ্রিন (যেমন; ডেসিস) জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটারে ০.৫ মিলি হারে অথবা ক্লোরপাইরিফস (যেমন; ডারসবান) জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানির সাথে ৫ মিলি হারে মিশিয়ে বিকেল বেলায় গাছের গোড়া ও মাটি ¯েপ্র করে ভিজিয়ে দিতে হবে।
টমেটোর ফল ছিদ্রকারী পোকা
লক্ষণ
১। ফুল থেকে ফল রুপান্তরিত হওয়ার সময় আক্রান্ত হলে কচি ফল পচে ঝরে যায়।
২। ফল ছিদ্র করে ভেতরের নরম অংশ খায়।
৩। বড় ফল আক্রান্ত হলেও ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
প্রতিকার
ডেল্টামেথ্রিন ( যেমন; ডেসিস) ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি হারে বা ক্লোরপাইরিফস ( যেমন; ডারসবান) ১০ লিটার পানিতে ৫০ মিলি হারে
মিশিয়ে সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার ¯েপ্র করতে হবে। ডেসিস ও সেভিন পাউডার একত্রে নির্ধারিত মাত্রায় ¯েপ্র করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।
টমেটো চাষে সমস্যা ও সমাধান
নেতিয়ে পড়া বা ড্যাম্পিং অফ
লক্ষণ
১। বীজতলাতে সদ্য গজানো চারা অথবা মূল জমিতে লাগানো চারা নেতিয়ে বা ঢলে পড়ে।
২। গাছ গোড়া থেকে শুকিয়ে মারা যায়।
প্রতিকার
১। সম্ভব হলে নেতিয়ে পড়া চারা জমি থেকে তুলে ফেলতে হবে।
২। কপার অক্সিক্লোরাইড ( যেমন; কুপ্রাভিট) জাতীয় ছত্রাকনাশক ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম হারে মিশিয়ে চারা ও মাটি ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।
টমেটোর মড়ক বা নাবী ধ্বসা (লেইট ব্লঅইট)
লক্ষণ:
এ রোগের আক্রমনে
১। প্রথমে পাতা, ডগা ও কান্ডে ছোট ছোট পানি ভেজা দাগ পড়ে। খুব দ্রুত এই দাগ গাঢ় খযেরী রং ধারণ করে। পাতার নিচে দাগের চারদিকে ধুসর সাদা বর্ণের জীবাণুর মাইসেলিয়া ও স্পোর দেখতে পাওয়া যায়। অতিরিক্ত আক্রমনে পাতা ও কান্ড পুড়ে যাওয়ার ন্যায় দেখা যায় এবং খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তখন একে মড়ক লাগা বলে।
২। ভোরে দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাইডারের মতো ছত্রাক চোখে পড়ে ও পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে।
৩। দীর্ঘ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৯০% এর বেশি থাকলে এবং তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে ১০ ঘন্টার মধ্যে এই রোগের আক্রমন ঘটতে পারে।
৪। ঘন কুয়াশা ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, দিনে গরম রাতে ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত বাতাসের আর্দ্রতা এই রোগের জন্য অনূকুল।
প্রতিকার:
১। রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
২। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথাসম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে।
৩। রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম হারে ৭-১০ দিন পর পর ইপ্রোভেলিকার্ব ও প্রপিনেব জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন; মেলোডি ডু একবার ও পরেরবার এন্ট্রাকল ¯েপ্র করতে হবে
আগাম ধ্বসা বা আর্লি ব্লাইট রোগ
লক্ষণ:
এ রোগের আক্রমনে
১। গাছের নিচের পাতায় ছোট ছোট বাদামি রংয়ের অল্প বসে যাওয়া কোনাকৃতির দাগ পড়ে। আক্রান্ত অংশে সামান্য কালচে বংয়ের চক্রাকার দাগ পড়ে।
২। পাতার বোটা ও কান্ডের দাগ অপেক্ষাকৃত লম্বা ধরনের হয়।
৩। গাছ হলুদ হয়ে যাওয়া, পাতা ঝরে পড়া এবং অকালে গাছ মওে যাওয়া এ রোগর অন্যতম লক্ষণ।
প্রতিকার:
১। সুষম সার ও সময়মতো সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
২। রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে ম্যানকোজেব বা প্রপ্রিনেব ও ইপ্রোভেলিকার্ব জাতীয় ছত্রাননাশক (মেলোডি ডু, এন্ট্রাকল) মিশিয়ে ৭-১০ দিন অন্তর অন্তর ¯েপ্র করলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়।
ভাইরাস রোগ
লক্ষণ
পাতায় বিভিন্ন ধরনের ছিটে দাগ পড়ে, পাতা বিকৃত ও ছোট হয়। লতা ঝুলে পড়ে এবং পরবর্তীতে গাছ মারা যায়। জাব পোকা ও অন্যান্য রস শোষণকারী পোকা পাতা ও গাছ থেকে রস চুষে গাছকে দূর্বল করে দেয়।
প্রতিকার
১। রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
২। ভাইরাস আক্রান্ত গাছ উঠিয়ে পুতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
৩। ভাইরাস বাহক পোকা দমনের জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড ( যেমন; এডমায়ার) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হার্ েঅথবা ডাইমেক্রন ১ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর জমিতে ¯েপ্র করতে হবে।
কাটুই পোকা
লক্ষণ
১। রাতের বেলা কচি চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়। দিনের বেলা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে।
প্রতিকার
ডেল্টামেথ্রিন (যেমন; ডেসিস) জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটারে ০.৫ মিলি হারে অথবা ক্লোরপাইরিফস (যেমন; ডারসবান) জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানির সাথে ৫ মিলি হারে মিশিয়ে বিকেল বেলায় গাছের গোড়া ও মাটি ¯েপ্র করে ভিজিয়ে দিতে হবে।
টমেটোর ফল ছিদ্রকারী পোকা
লক্ষণ
১। ফুল থেকে ফল রুপান্তরিত হওয়ার সময় আক্রান্ত হলে কচি ফল পচে ঝরে যায়।
২। ফল ছিদ্র করে ভেতরের নরম অংশ খায়।
৩। বড় ফল আক্রান্ত হলেও ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
প্রতিকার
ডেল্টামেথ্রিন ( যেমন; ডেসিস) ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি হারে বা ক্লোরপাইরিফস ( যেমন; ডারসবান) ১০ লিটার পানিতে ৫০ মিলি হারে
মিশিয়ে সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার ¯েপ্র করতে হবে। ডেসিস ও সেভিন পাউডার একত্রে নির্ধারিত মাত্রায় ¯েপ্র করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।
টমেটো চাষে সমস্যা ও সমাধান
নেতিয়ে পড়া বা ড্যাম্পিং অফ
লক্ষণ
১। বীজতলাতে সদ্য গজানো চারা অথবা মূল জমিতে লাগানো চারা নেতিয়ে বা ঢলে পড়ে।
২। গাছ গোড়া থেকে শুকিয়ে মারা যায়।
প্রতিকার
১। সম্ভব হলে নেতিয়ে পড়া চারা জমি থেকে তুলে ফেলতে হবে।
২। কপার অক্সিক্লোরাইড ( যেমন; কুপ্রাভিট) জাতীয় ছত্রাকনাশক ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম হারে মিশিয়ে চারা ও মাটি ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।
টমেটোর মড়ক বা নাবী ধ্বসা (লেইট ব্লঅইট)
লক্ষণ:
এ রোগের আক্রমনে
১। প্রথমে পাতা, ডগা ও কান্ডে ছোট ছোট পানি ভেজা দাগ পড়ে। খুব দ্রুত এই দাগ গাঢ় খযেরী রং ধারণ করে। পাতার নিচে দাগের চারদিকে ধুসর সাদা বর্ণের জীবাণুর মাইসেলিয়া ও স্পোর দেখতে পাওয়া যায়। অতিরিক্ত আক্রমনে পাতা ও কান্ড পুড়ে যাওয়ার ন্যায় দেখা যায় এবং খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তখন একে মড়ক লাগা বলে।
২। ভোরে দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাইডারের মতো ছত্রাক চোখে পড়ে ও পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে।
৩। দীর্ঘ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৯০% এর বেশি থাকলে এবং তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে ১০ ঘন্টার মধ্যে এই রোগের আক্রমন ঘটতে পারে।
৪। ঘন কুয়াশা ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, দিনে গরম রাতে ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত বাতাসের আর্দ্রতা এই রোগের জন্য অনূকুল।
প্রতিকার:
১। রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
২। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথাসম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে।
৩। রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম হারে ৭-১০ দিন পর পর ইপ্রোভেলিকার্ব ও প্রপিনেব জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন; মেলোডি ডু একবার ও পরেরবার এন্ট্রাকল ¯েপ্র করতে হবে
আগাম ধ্বসা বা আর্লি ব্লাইট রোগ
লক্ষণ:
এ রোগের আক্রমনে
১। গাছের নিচের পাতায় ছোট ছোট বাদামি রংয়ের অল্প বসে যাওয়া কোনাকৃতির দাগ পড়ে। আক্রান্ত অংশে সামান্য কালচে বংয়ের চক্রাকার দাগ পড়ে।
২। পাতার বোটা ও কান্ডের দাগ অপেক্ষাকৃত লম্বা ধরনের হয়।
৩। গাছ হলুদ হয়ে যাওয়া, পাতা ঝরে পড়া এবং অকালে গাছ মওে যাওয়া এ রোগর অন্যতম লক্ষণ।
প্রতিকার:
১। সুষম সার ও সময়মতো সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
২। রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে ম্যানকোজেব বা প্রপ্রিনেব ও ইপ্রোভেলিকার্ব জাতীয় ছত্রাননাশক (মেলোডি ডু, এন্ট্রাকল) মিশিয়ে ৭-১০ দিন অন্তর অন্তর ¯েপ্র করলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়।
ভাইরাস রোগ
লক্ষণ
পাতায় বিভিন্ন ধরনের ছিটে দাগ পড়ে, পাতা বিকৃত ও ছোট হয়। লতা ঝুলে পড়ে এবং পরবর্তীতে গাছ মারা যায়। জাব পোকা ও অন্যান্য রস শোষণকারী পোকা পাতা ও গাছ থেকে রস চুষে গাছকে দূর্বল করে দেয়।
প্রতিকার
১। রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
২। ভাইরাস আক্রান্ত গাছ উঠিয়ে পুতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
৩। ভাইরাস বাহক পোকা দমনের জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড ( যেমন; এডমায়ার) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হার্ েঅথবা ডাইমেক্রন ১ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর জমিতে ¯েপ্র করতে হবে।
কাটুই পোকা
লক্ষণ
১। রাতের বেলা কচি চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়। দিনের বেলা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে।
প্রতিকার
ডেল্টামেথ্রিন (যেমন; ডেসিস) জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটারে ০.৫ মিলি হারে অথবা ক্লোরপাইরিফস (যেমন; ডারসবান) জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানির সাথে ৫ মিলি হারে মিশিয়ে বিকেল বেলায় গাছের গোড়া ও মাটি ¯েপ্র করে ভিজিয়ে দিতে হবে।
টমেটোর ফল ছিদ্রকারী পোকা
লক্ষণ
১। ফুল থেকে ফল রুপান্তরিত হওয়ার সময় আক্রান্ত হলে কচি ফল পচে ঝরে যায়।
২। ফল ছিদ্র করে ভেতরের নরম অংশ খায়।
৩। বড় ফল আক্রান্ত হলেও ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
প্রতিকার
ডেল্টামেথ্রিন ( যেমন; ডেসিস) ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি হারে বা ক্লোরপাইরিফস ( যেমন; ডারসবান) ১০ লিটার পানিতে ৫০ মিলি হারে
মিশিয়ে সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার ¯েপ্র করতে হবে। ডেসিস ও সেভিন পাউডার একত্রে নির্ধারিত মাত্রায় ¯েপ্র করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।
























