RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

পোল্ট্রি খামারে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
অক্টোবর ৮, ২০১৮ ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ

ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা

 

 

সূচনা ঃ বর্তমান উন্নয়নশীল বিশ্বে এমন এক সময় আমরা অতিক্রম করিতেছি যে, প্রতি মূহুর্তে চলছে প্রতিযোগিতা, গতিকে আরও গতিশীল করে জীবনকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার পাল­ায় সবাই ব্যস্ত, তেমনি আমাদের নিত্য ব্যবহার্য জিনিস বা দৈনন্দিন ব্যবহারিক কাঁচামাল হতে রক্ষা করার জন্য ফ্রিজাপ করার জন্য প্রয়োজন হয়। এদের মধ্যে আবার কিছু কিছু দ্রব্য আছে যেগুলি ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ফ্রিজ জাত করা হয়। আর এটা কোন সাধারণ বিষয় নয়, এটা ঔ বস্তু সমূহের শরীরবৃত্তীয় বা গাঠনিক কারণের জন্যই ফ্রিজজাত করা হয়। আমরা যদি ঐ সব দ্রব্য বা বস্তু সমূহের ফ্রিজজাত কৌশল না জানতাম তবে ঔ সমস্ত বস্তু বা দ্রব্য কখনই ব্যবহার করতে পারতাম না, যেমন আইসক্রিম, প্রস্তুতির তরল দুধ, মানুষ বা পশু পাখির টিকা বা ভ্যাকসিন ইত্যাদি। রিপ্রিজারেশন দ্রব্য সমূহের খারাপ অবস্থা ঠেকাতে পারে না কিন্তু পণ্যে গুণাগুণ দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারে। আধুনিক বিশ্বের খাদ্য সামগ্রী এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিচরন করছে, শুধু রেফ্রিজারেশন পদ্ধতি জানার কারণে সম্ভব হয়েছে। আবার পোল্ট্রির ভ্যাকসিন সমূহ প্রস্তুত হওয়ার পর ব্যবহারের আগে পর্যন্ত এর একটি ধারাবাহিকতাকে সহজ কথায় বলা হয় কোল্ড চেইন। অর্থাৎ আমরা রেফ্রিাজারেটর কেউ পছন্দ করে থাকে। আসলে কোল্ড চেইন একটি সাধারণ কিন্তু জটিল ব্যাপার, যেখানে নিরবিচ্ছিন্নভাবে যান্ত্রিক পক্রিয়ায় তাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ঠান্ডা জাতীয় পরিবেশ বিরাজ করান হয়, এবং যেখানে বা স্থানে যন্ত্রের মধ্যেকার তাপমাত্রা বাহিরের পরিবেশের তাপমাত্রা হইতে ভিন্ন।

ভ্যাকসিন কি?
ভ্যাকসিন একটি বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্ট যাহা নিদৃস্ট ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগের জীবাণূ রোগীরে দেহ হইতে সংগ্রহ করে বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করার পর ঔ জিবাণুকে নিস্তেজ বা অর্ধমৃত বা মৃত অবস্থায় এনে এক ধরণের জীবাণুজাত ঔষধ তৈরী করা হয়।ভ যাহা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে দেহে প্রবেশ করাইলে উক্ত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস জাতীয় রোগের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী করে তাকেই টিকা বা ভ্যাকসিন বলা হয়।

ভ্যাকসিনের সেনসিটিভিটি বলতে কি বুঝায় ঃ উৎপাদনের পর সব ভ্যাকসিন তাপের প্রতি সংবেদনশীল, তাপ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাকে নষ্ট করে দেয়, তাপ বেশ কিছু ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাকে অতিদ্রুত নষ্ট করে দেয়। আবার কিছু কিছু ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়, কিছু কিছু ভ্যাকসিন সূর্যের আলো কিংবা বৈদ্যুতিক ভাল্বের আলোতে রাখলেও তার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। তাপ কিংবা আলো যাই হোক না কেন একবার যদি ভ্যাকসিন তার কার্যকারিত হারায় তবে তার আর কোন ক্রমেই আগের অবস্থায় ফিরে আনা সম্ভব নয়। অর্থাৎ ভ্যাকসিনের শুধুমাত্র যাবার পথ আছে ফিরে আসার কোন পথ নাই।

কোল্ডচেইন কাহাকে বলে ঃ বিভিন্ন কারণে কোল্ড চেইনের সংজ্ঞা দেওয়া কঠিন। তবে সাধারণভাবে কোল্ডচেইন বলতে এমন একটি ধারাবাহিকতা বা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বুঝায় সেখানে ভ্যাকসিন তৈয়ারী হওয়ার পর হইতে তার গুণাবলী অক্ষুন্ন রাখার জন্য ব্যবহারের আগমুহুর্ত পর্যন্ত ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ধরে রাখা এবং এই কার্যকারিতা ধরে রাখতে সব সময় যান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়। যেহেতু ভ্যাকসিন তাপের প্রতি সংবেদনশীল স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, তাই ভ্যাকসিনকে প্রস্তুতকারকের নিদের্শবলী কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে এবং নির্দিষ্ট তাপ মাত্রাতেই সংরক্ষণ করতে হবে। অপর কথায় বলতে পারা যায় কোন ধরণের বিরতী ছাড়াই সব সময় অনুকুল পরিবেশে ভ্যাকসিন পরিবহন করতে হবে। মুরগীকে টিকা বা ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য আমাদের প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয় অথচ সব সময়ই ভ্যাকসিন বা টিকার কার্যকারিতা নির্ভর করে সঠিকভাবে সঠিক ভ্যাকসিন প্রয়োগের উপর।

ভ্যাকসিন প্রয়োগের উদ্দেশ্য বা লক্ষ ঃ-
বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে যেসব আধুনিক পোল্ট্রি খামার স্থাপিত হচ্ছে সেগুলি প্রায়শঃ মুরগীর সংখ্যাদিক্য হয়ে থাকে, ফলে ঐ সমস্ত পোল্ট্রি খামারগুলিতে রোগ বিস্তারের একটা মারাত্মক ঝুকি থেকেই যায়। প্রত্যেক খামার মালিকেরাই অবশ্যই বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রদান করে এবং ঝুকিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু যেখানে হাজার হাজার মুরগীকে একই সময়ে একত্রে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয় সেই ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে সঠিক উপায়ে প্রটেন্সি সমৃদ্ধ কার্যকরী ভ্যাকসিন প্রদানের উপরই সফল ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচীর সাফল্য নির্ভর করে থাকে। পোল্ট্রি খামার গুলিতে সাধারণত জীবন্ত এ্যান্টিনয়েটেড ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়াল স্ট্রেইন বা ইন এ্যাকটিভেটেড ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া উপযুক্ত এ্যাডজুডেন্ট সহযোগে ব্যবহৃত হয়। খ্যাতনামা টিকা উৎপাদনকারীগণ প্রত্যেক ব্যাচের টিকার মান বিভিন্নভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন যাহাতে ঐ টিকা বা ভ্যাকসিনের মধ্যে পর্যান্ত পরিমাণ এন্টিজেন থাকে, এবং ঐ ভ্যাকসিনের প্রটেন্সিও যেন প্রয়োজনীয় পরিমাণে থাকে, এবং তাহারা সেই ভ্যাকসিন ব্যবহার করলে তাদ্বারা যেন মুরগীতে রোগ প্রতিরোধ শক্তিও সৃষ্টি করতে পারে বা উচ্চ টাই টার বৃদ্ধি পেতে পারে তা নিশ্চত করা। সুতরাং মুরগী যদি সু-স্বাস্থ্যের অধিকার হয় এবং সঠিকভাবে সঠিক মাত্রায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়, উচ্চ মাত্রায় টাইটার বৃদ্ধি পেলে তা নির্দিষ্ট রোগের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ শক্তি সৃস্টি করবে। এখানে উলে­খ্য যে একটি সু-পরিকল্পিত ভ্যাসিনেশন কর্মসূচি গৃহীত হলেই তার মাধ্যমে উচ্চ মাত্রার টাইটার বা রোগ প্রতিরোধ শক্তি উঃপন্ন হয়ে থাকে।

জীবন্ত টিকা ঃ
জীবন্ত টিকা সাধারণত এ্যান্টিনুয়েউড ব্যাকটেরিয়াল অথবা ভাইরাল স্ট্রেইন হয়ে থাকে যা ভ্যাকসিন প্রদানকৃত মুরগীর দেহে বংশ বৃদ্ধি করে সেলিউলার ও হিউমোরাল রোগ প্রতিরোধ শক্তি সৃষ্টি করতে সহায়তা করে থাকে । বেশীর ভাগ লাইভ বা জীবন্ত টিকার বিস্তার লাভ করার সামর্থ্য থাকায় ¯েপ্র অথবা পানির (খাবার) মাধ্যমে গণটিকা (ঝাকে) প্রদানের জন্য তারা উপযুক্ত, এ ব্যবস্থার মধ্যে অবশ্য ঝুকি থেকেই যায়, কারণ অদক্ষ ভ্যাকসিন প্রদান পদ্ধতির কারণে মুরগীর ঝাকে একাংশ ভ্যাকসিন প্রদান হয়ে থাকে, এর ফলে ঝাকের সঠিক রোগ প্রতিরোধ শক্তি বা টাইটার অত্যন্ত দুর্বল হয়ে থাকে, লাইভ বা জীবন্ত টিকার সাফল্যতা আরও বেশী নির্ভর করে ভ্যাকসিন স্ট্রেইন এর উপর যা সঠিক টার্গেট সেলের জন্য প্রয়োগ করা হয়। যখন জীবন্ত রাণিক্ষেত টিকা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয় তখন প্রয়োগকৃত জীবন্ত রানিক্ষেত টিকার কার্যকারিতার পার্থক্য পরিস্কার লক্ষ্য করা যায় গবেষণাগারে সম্পাদিত পরীক্ষায় দেখা গেছে স্প্রে এর মাধ্যমে রানিক্ষেতের টিকা প্রদানের ৩ হইতে ৪ দিনের পর রানিক্ষেত ভাইরাস কর্তৃক চ্যালেঞ্জ করলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি পরিলক্ষিত হয়। এই পদ্ধতিতে ভাইরাস শ্ব্সাতন্ত্রের নিউকোমাতে সরাসরি পৌছে অথচ ঐ একই টিকা পানির মাধ্যমে প্রয়োগ করলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বিলম্বে সৃষ্টি হয়।

ইনএকটিভেটেড ভ্যাকসিন ঃ
ইন এ্যাকটিভেটেড অবশ্যই ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করতে হবে তবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ভ্রাকসিনের গুণাগুণ বা গুণগত মান ও প্রয়োগের অভিজ্ঞতাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ এর উপর ভ্যাকসিন প্রদানের সফলতা নির্ভর করে। আবার একজন দক্ষ ভ্যাকসিন প্রদানকারীর উপর নির্ভর করে যিনি প্রতিটা মুরগীকে পূর্ণমাত্রায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করবেন। কিছু লাইভ ভ্যাকসিন আছে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। সেই ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য।

খাবার পানির মাধ্যমে ভ্যাকসিন প্রয়োগ ঃ
খাবার পানির মাধ্যমে ভ্যাকসিন ন্যূনতম ১ মাত্র ভ্যাকসিন সলিউশন গ্রহণ করতে পারে এ ব্যাপারে সতর্কতা গ্রহণ করতে পারে। ড্রিংকারের পার্শ্বে পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থা থাকতে হবে যাহাতে মুরগীরা সহজে ভ্যাকসিন সলিউশনের নিকট পৌছাতে পারে। ভ্যাকসিন ব্যবহারের পূর্ব পর্যন্ত এবং ভ্যাকসিন নির্দিষ্ট স্থানে পৌছানোর জন্য পরিবহন কালিন সময়ে সার্বক্ষনিক কোল্ড চেইন রক্ষা করতে হবে। ভ্যাকসিনের ভায়াল এবং ভ্যাকসিনের সলিউশন কখনও সরাসরি সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসা যাবে না। ভ্যাকসিনের ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া পানির সংস্পর্শে যেন সক্রিয় (ঘবঁঃৎধষরুব) না হয়। সেজন্য পানির ঢ়ঐ অবশ্যই ৭ এবং জীবন নাশক (উরংরহভবপঃধহঃ) ক্লোরিন সহ, ময়লা পরিস্কারক (উবঃবৎমবহঃ) ও হেভী মেটাল মুক্ত হতে হবে। ভ্যাকসিন মিশ্রণ (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) তৈরীর ২০ হইতে ৩০ মিনিটে পূর্বেই স্টেবিলাইজার ব্যবহার করিতে হইবে।

¯েসপ্র এর মাধ্যমে ভ্যাকসিন প্রয়োগ ঃ
স্প্রে-এর মাধ্যমে ভ্যাকসিন পদ্ধতি সাধারণত স্বাসতন্ত্রের ভ্যাকসিন পদ্ধতি সাধারণ স্বাসতন্ত্রের ভ্যাকসিন যেমন- রানীক্ষেত্র রোগ এবং ইনফেকশাস ব্রংকাইটিজ এর ক্ষেত্রে কারণ এদের ভ্যাকসিন ট্রোইন সরাসরি টার্গেট সেল (ঞধৎমবঃ পবষষ) এবং (গঁপড়ংধ) শ্বাসতন্ত্রের মিউকোষাতে পৌঁছাইতে পারে।

¯েপ্র এর মাধ্যমে প্রয়োগ কৌশল ঃ
১) (ঈড়ঁৎংব ঝঢ়ধৎু)- এর মাধ্যমে ভ্যাকসিনের পানির বড় কণাগুলি শ্বাসতন্ত্রের উপরাংশের এবং চোখে পৌঁ ছে, তা ছাড়া মুরগীর পাখার বা শরীরের পালকের উপরও ভ্যাকসিন জমা হয়, যা মুরগীরা একে অন্যের দেহ থেকে ঠোক দিয়ে গ্রহণ করে থাকে। তবে বাচ্চা অবস্থায় ১ম ভ্যাকসিন ম্যাটারনাল ইন্টিবডি জেনে তাদের ক্ষেত্রে (ঈড়ধৎংব ঝঢ়ধৎু) ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়ে থাকে।

২। (ঋরহব ঝঢ়ধৎু) বা কুয়াশা (সড়রংঃ) পরিবেশের মাঝে অবস্থান করিয়া যা মুরগীর শ্বাস গ্রহণের মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকে, পরবর্তীতে শ্বাসনালীতে পৌঁছায়, পানির ক্ষুদ্র কণামূহ মুরগীর শ্বাসনালীর নিæাংশের গভীরে প্রবেশ করে থাকে। ভ্যাকসিন প্রয়োগের পূর্বেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টাইটার জেনে (জবংঢ়রৎধঃধৎু ধহঃরমবহ) দ্বারা ভ্যাকসিন প্রয়োগ হবে। বয়স্ক মুরগীর ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতিতে ভ্যাকসিন প্রদান বিশেষ উপকার হয়। যেহেতু ¯েপ্র ম্যাশিনের ব্যবহার সব সময় হয় না তাই ব্যবহারের পূর্বে ¯েপ্রয়ার ভালভাবে পরিস্কার করে পরীক্ষা করে নিতে হবে যেন কোন পকার বাঁধার সম্মুখীন না হতে হয়। সাধারণত ২০০ থেকে ১০০০০ মি.মি. পরিশ্র“ত বা আয়রন মুক্ত পানি ১০০০ মুরগীর বাচ্চার জন্য প্রয়োজন হয়, যদি পরিশ্র“ত বা আয়রন মুক্ত পানি পাওয়া না যায় তাহা হলে (ঢ়ঐ) (পানির যেন নিউট্রাল বা ‘৭’ হয়, এবং ক্লোরিন সহ জীবাণু নাশক, ময়লা পরিস্কারক ও হেভী ম্যাটাল মুক্ত হয়েছে এ ব্যাপারে নিশ্চত হতে হবে। অর্থাৎ এ ব্যাপারে নিশ্চত হতে হলে ল্যাব-এর সহযোগিতা গ্রহণ করা যেতে পারে এবং ভ্যাকসিন গ্রহণ করা যেতে পারে এবং ভ্যাকসিন মিশ্রণের ২০-৩০ মিনিট পূর্বেই পানিতে স্টেবিলাইজার ব্যবহার করতে হবে। একজন খামারীর সাথে মুরগীর খামারের টিকা প্রদান কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনাকালে প্রয়াশ যে প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সেটা হচ্ছে তার মুরগী কি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে চিকা প্রদানের মাধ্যমে যথাযথভাবে সুরক্ষিত হয়েছে কিনা? মুরগীর বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যুক্তভাবে বিভিন্ন ফ্যাক্টর যেমন ঃ ১। জিনেটিক্স ব্যবস্থাপনা ২। ফিল্ড চ্যালেঞ্জ ৩। ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচী প্রণয়নের উপর নিভৃত করে থাকে। শুধুমাত্র টিকা প্রদান করলেই যে ফ্লকে রোগের কোন লক্ষণ বা প্রাদুর্ভাব হবে না সে বিষয়ে গ্যারান্টি প্রদান করা যায় না। তেমনি মুরগীর ফ্লক রোগের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে সুরক্ষিত অবস্থা রয়েছে তাহাও ইঙ্গিত করে না। আমাদের খমারের চারিপাশে এমন কিছু ফিল্ড ভাইরাস বিরাজ করে, যথাযথভাবে টিকা প্রদান করলে রোগ প্রতিরোধ হয় কিন্তু পরবর্তীতে ফিল্ড ভাইরাসের সংক্রমনে রোগ লক্ষণ প্রকাশ না পেলেও রোগ প্রতিরোধ শক্তি অবদমিত হয়, যাহার ফলে টিকা প্রদান করার পর রোগ প্রতিরোধ শক্তি উৎপাদন প্রতিরোধ শুক্তি অবদমনের ওপর সম্পূর্ণরূপে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর ভ্যাকসিনের সাফল্য নির্ভর করে। মুরগীতে অন্যান্য প্যাথজেন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এর ফলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাধাপ্রাপ্ত হচ্চে যেমন ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ ভাইরাস (ওইউ) চিকেন এ্যানিমিয়া ভাইরাস (ঈঅঠ) রিও-ভাইরাস (জঊঙ) এ্যাডিয়াল লিকোসিস ভাইরাস (অ.খ.ঠ.) মাইক্রোপ্লাজমা, ম্যারেক্স এই সমস্ত ভাইরাস দ্বারা মুরগী আক্রান্ত হলে যদি রোগ লক্ষণ প্রাকশ না ও পায়া তথাপিও ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাধাপ্রাপ্ত হবে। মুরগী যখন কোন একটি এজেন্ট দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন রোগ সৃস্টি হয়তো কোথাও কোথাও হতে পারে এটা হয় কদাটিৎ। কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই রোগ অবদমনকারী ভাইরাস সাধারণত জরিত থাকে। অত্যন্ত বাস্তব উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে, কখনও কোন খামারে গামবোরো (ওইউঠ) দ্বারা আক্রান্ত হলে এ কামারে রণিক্ষেত্রে যে কোন ভ্যাকসিন প্রদান করা থাকলেও ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ অকার্যকবর হয় অথবা দুর্বল করে দেবে। আর এই ক্ষেত্রে টিকা প্রদানের পর বা কোন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর যখন মুরগী সুস্থ্য হয়ে উঠে, তা পরবর্তীতে কি পরিমাণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিদ্যমান আছে তাহা জানা বা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা আছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাচাই করা বা জানা ব্রয়লার বা লেয়ার উভয় খামারীর নিজ নিজ দায়িত্ব। অনেক প্রকার সংক্রমক এজেন্ট আছে যা লেয়ারে ডিম উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে, এই সমস্ত সংক্রামক এজেন্ট দ্বাা রোগ সৃস্টি নাও হতে পারে, এদের সংক্রমনের জন্য যদি তীব্র প্রকৃতির রোগ সৃস্টি হয় তবে উৎপাদন হ্রাসসহ প্রাণ হানীর কারণে অর্থনীতিক প্রবাবও খামারীর উপর পড়ে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে পৃথিবীর যে কোন স্থানে রাণিক্ষেত্রের ভেলোজেনিক ফিল্ড স্ট্রেইন সংক্রামক হলে মৃত্যুর হার ৬০% এর অধিক হতে পারে, লেয়ার খামারে কোন ব্যাকসিনেশনের কর্মসূচি তৈরী বা পরিবর্তন আনতে হলে অবশ্যই কোন ল্যাব-এর সহায়তায় টেষ্টের মাধ্যমে টাইটার জেনেই পরিবর্তন করা উচিৎ। ভ্যাকসিন কর্মসূচি বা টিকা প্রদান কর্মসূচি পরিকল্পনা বা বাস্তবায়ন শুধুমাত্র রোগের সমস্যার ক্ষেত্রে গৃহীত হয় না বরং ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা’র বিষয়টি বাণিজ্যিক লেয়ারে বাস্তবায়ন একটি চেলেঞ্জ মোকাবেলার ন্যায়, কারণ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ধকল যত কম পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, মুরগীর ওজনও যথাযথভাবে রাখতে হবে, অর্থাৎ কাঁচায় তোলার ৩ সপ্তাহের মধ্যে, এর অর্থ হচ্ছে কর্মসূচি সম্পাদনের জন্য ন্যূনতম পরিমাণে মুরগী নাড়াচড়া করান। এ সবই উচ্চ সংখ্যায় ডিম উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়, আবার করাইজা ভ্যাকসিনকে প্রয়োগের পর সর্বোৎকৃষ্ট ফল লাভ করতে হলে অবশ্যই মাইকোপ্লাজমা গ্যালিসেপটিকাম (গম) কে দমন হবে। আবার মাইকোপ্লাজমা গ্যালিসেপ্টিকাম সংক্রামিত হলে করাইজা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নষ্ট বা দুর্বল করে দেয়। টিকা প্রদান কর্মসূচীর ব্যার্থতার প্রধান কারণগুলি হচ্ছে:-

১) টিকা প্রদানের সঠিক সময় নির্বাচনে ত্র“টি (মাতা থেকে প্রাপ্ত এন্টিবডির) পরিমাণ না জেনে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা) ঃ মা থেকে বাচ্চা কি পরিমাণে এন্টিবডি এনেছে তাহা না জানিয়া ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে টিাকা প্রদান ব্যর্থ হবে।
২) টিকা প্রদানের ব্যবস্থাপনাতে ত্র“টি থাকলে বা দুর্বল থাকলে
৩) কোন সংক্রামক এজেন্ট দ্বারা চ্যালেঞ্জর কারণে ইমিউন সিস্টেমের কার্যনির্বাহে ব্যাঘাত।
৪) কোন এজেন্টের সেরোটাইপ যাহা ভ্যাকসিন বা সংক্রামক এজেন্টের বিরুদ্ধে মুরগীর ইমিউন সিস্টেম কর্মকষম হতে ব্যর্থ হবে। খামারীদের জন্য সবচেয়ে বিপদজনক এবং সম্ভবত কঠিন সমস্যা হচ্ছে মুরগীর রোগ প্রতিরোধ শক্তি অবদমনের কারণে টিকা প্রদানের শক্তি অবদমনের কারণে টিকা প্রতিরোধ ক্ষমতা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ব্যর্থতা। এর ফলে কোন কোন ক্ষেত্রে কাহারও পরামর্শেই হোক বা নিজস্ব চিন্তাতে হোক খামারী নিজেই এ সমস্ত রোগের বিপক্ষে বার বার বা একাধিক বার টিকা প্রদান করিতেছে। আরও খারাপ তথ্য হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ শক্তি অবদমিত মুরগীকে (রসসঁহড় ংঁঢ়ৎবংংবফনরৎফ) বার বার বা একাধিক বার টিকা প্রদান করার ফলে তাদের পক্ষে লাইফ ভ্যাকসিক ভাইরাসকে কাজে লাগান সম্ভব হয় না, বরং এর ফলশ্র“তিতে ব্যাকসিন ভাইরাস দেহের মধ্যে সঞ্চালিত হয়ে ফ্লকের অন্যান্য মুরগীতে অনুপ্রবেশ করে, এটা কম এ্যান্ট্রয়েটেড (ঈবংংধঃঃবহঁধঃবফ) হয়ে যায। এইভাবে পরিগতি এন্টিনুয়েটেড ভ্যাকসিনের ফলে প্রকৃত রোগ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মৃত্যু দুইটি হতে পারে এছাড়াও এসব ফ্লকের মুরগীর উৎপাদন ক্ষমতা অত্যন্ত কম হয়।

গামবোরো রোগের টিকার সঠিক ব্যবহার
বাংলাদেশে মোরগ মুরগীর গামবোরো রোগ মোরগ মুরগীর খামারদের নিকট খুবই পরিচিত এবং আতঙ্কের কারণও বটে। গামবোরো রোগ ১৯৫৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এবং গত শতকের ৯০ দশকে বাংলাদেশে এ রোগের প্রার্দুভাব ঘটে এবং এরপর থেকে বাচ্চা ও ব্রয়লার পালনকারী মোরগ মুরগীর খামারীদেরকে তটস্থ করে রাখছে। ইহা ভাইরাস জনিত একটি রোগ। রিয়ো গ্র“পের বাইরাস দ্বারা এরোগ সৃষ্টি হয়। এরোগের বৈজ্ঞানিক নাম হলো সংক্রামক বারসাল রোগ (ওহভবপঃরড়হং ইঁৎংধষ উরবংবধংব) সংক্ষেপে (ওইউ বলে) এ রোগের ভাইরাস সাধারণত লিস্ফয়েড কোষে বিশেষ করে বারসায় (ইঁৎংধ) সবচেয়ে বেশি বংশ বৃদ্ধি এবং ক্ষতিসাধন করে থাকে। এ রোগ বাড়ন্ত মোরগ মুরগীতে দুভাবে ক্ষতি করে থাকে:-

(১) রোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মোরগ মুরগীর মৃত্যু ঘটায়।
(২) আক্রান্ত মোরগ মুরগীর দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে অন্যান্য রোগ যেমন রাণীক্ষেত, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিস ও রক্ত আমাশয় এর মতো অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনাকে বাড়িয়ে তোলে পলে খামারীরা অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
গামবোরো রোগের কারণ ভাইরাস জাতীয় রোগ জীবাণুটি কিভাবে খামার থেকে খামারে, মোরগ মুরগী থেকে মোরগ মুরগীতে ছড়ায় ?

১। আক্রান্ত মোরগ মুরগীর সংস্পর্শে আনলে। ২। ভাইরাস দ্বারা কলুষিত বাতাস ও পরিবেশের মাধ্যম। ৩। ডিমের মাধ্যমে। ৪। কলুষিত দ্রব্যবস্তু ও টিকার মাধ্যমে। ৫। বন্য পাখির মাধ্যমে। ৬। ইঁদুর ও ইঁদুর জাতীয় প্রাণীর মাধ্যমে। ৭। সেবাকারী ও দর্শনকারী লোকদের মাধ্যমে এবং ৮। পেকা মাকড় ও এরোগ ছড়াতে পারে।

তাই একমাত্র টিকা প্রদানই গামবোরো রোগ প্রতিরোধের নিশ্চয়তা বিধান করে না। যেসব কারণে গামবোরো টিকা দেয়ার পর গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়ে মোরগ মুরগী মারা যেতে পারে সেগুলোর মধ্যে উলে­খযোগ্য হচ্ছে:-

১। টিকা সংরক্ষণ সমস্যা বিদ্যুৎ বিভ্রাট’
২। টিকা পরিবহন সমস্যা ঠান্ডা অবস্থায় পরিবহন না করা
৩। টিকার ভায়ালের (শিশির) ছিপি ঢিলে হয়ে গেলে
৪। টিকা ধারণকারী শিশি বা ভায়াল ক্ষতিকারক আলো সংস্পর্শে (যেমন- সূর্যের) এলে।
৫। টিকা গেলানোর পানি পরিশোধিত না হলে। পানির অম্লত্ব (অপরফরঃু) বা ক্ষারত্ব (অষশধহরঃু) বেশি হলে। পানিতে জীবানুনাশক ওষুধের কণা অবশিষ্ট থাকলে।
৬। টিকা তৈরীর স্ট্রেইনের সাথে রোগ সৃষ্টিকারী জীবানুর স্ট্রেইনের সাথে মিল না থাকলে। আমদানীকৃত টিকায় এ সমস্যা থাকতে পারে।
৭। টিকার প্রয়োজনীয় পরিমান এন্টিজেন (যা রোগ প্রতিরোধ শক্তি সৃষ্টি করে) না থাকলে।
৮। টিকা ঠিকমত ও পরিমান মত শরীরের ভেতর না ঢুকলে।
৯। যে সমস্ত টিকা জীবিত রোগজীবানু/ ভাইরাস দ্বারা তৈরী সে জীবাণুগুলো মরে গেলে।
১০। টিকার ব্যবহার বিধি সঠিক ভাবে অনুসরন না করলে।
১১। টিকা গোলানোর অনেকক্ষন পর ব্যবহার করলে।
১২। গামবোরো রোগে আক্রান্ত মোরগ মুরগীকে (সুপ্ত অবস্থায়) টিকা দিলে।
১৩। অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগলে যথা আমিষ, খাদ্যপ্রাণ, খনিজ পদার্থের অভাবজনিত সমস্যায় ভুগলে।
১৪। মোরগ মুরগি যদি কৃমি বা অন্য কোন পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে।
১৫। পীড়ন বা ধকল কালীন সময় টিকা দিলে।
১৬। খাদ্য টক্সিন যথা আফলাটক্সিন, ডায়কসিন, মাইকোটক্সিন মাত্রা অতিরিক্ত বিদ্যমান থাকলে।
১৭। গোলানো টিকা রিফ্রিজারেটরে বাইরে বেশিক্ষণ রাখলে।
১৮। গোলানো টিকা সহ পাত্রাটি বরফে বা ঠান্ডা পানিতে ১৫-২৫০ সেঃ তাপমাত্রায় রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহার করতে হবে।
১৯। সূর্যের আলো ও ধুলাবালি মুক্ত স্থানে পাত্রটি রেখে ব্যবহার করতে হবে।
২০। চোখের ফোটার মাধ্যমে ব্যবহৃত টিকা প্রয়োগের সময় বাচ্চাটিকে একটু সময় ধরে রাখতে হবে লক্ষ্য রাখতে হবে বাচ্চাটি টিকার কৌটাটি গিলেছে এবং এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই বাচ্চাটি ছাড়াতে হবে।
২১। এক টিকা থেকে অন্য টিকা প্রয়োগের মাঝে কমপক্ষে ৭-১৪ দিন সময় দিতে হবে। উপরোক্ত কারণগুলোর সাথে টিকা উৎপাদনকারী, আমদানীকারী, ব্যবসায়ী, টিকা সংরক্ষণকারী, টিকা বহনকারী টিকা প্রদানকারী এবং খামারী সবাই জড়িত। আমাদের কারো অসতর্কতার জন্য বিকাশমান পোল্ট্রি শিল্পের মাধ্যমে এদেশ দারিদ্র বিমোচন, সরকারী নীতির সফলতা লাভ করতে পারে।

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামে ডিম যুক্ত করতে হবে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মিতু তোমায় ভালবাসি

ইলিশের উৎপাদন যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫: প্রদর্শনীর পুরস্কার বিতরণ ও মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপনী

মতিঝিলের ২০০ হোটেলকে সবুজ-হলুদ-লাল চিহ্নিত করা হচ্ছে

অবৈধ, অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত আহরণের ফলে গত সাত বছরে সাগরে মাছের মজুত ৭৮ শতাংশ কমেছে—যা অত্যন্ত ভয়াবহ

নিরাপদ আম উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন রাষ্ট্রদূতগণ

পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায়, আর দেশে স্বাধীনতাবিরোধীরা বলে পাকিস্তানই ভাল ছিল-কৃষিমন্ত্রী

দেশীয় জাত সংরক্ষণে বিএলআরআই-কে ভূমিকা রাখতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

সবুজ বিপ্লব কৃষি এ্যাওয়ার্ড-২০০৭