RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Thursday , 6 August 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

মতিঝিলের ২০০ হোটেলকে সবুজ-হলুদ-লাল চিহ্নিত করা হচ্ছে

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
September 20, 2018 3:52 pm

মতিঝিলের ২০০ হোটেলকে সবুজ-হলুদ-লাল চিহ্নিত করা হচ্ছে

প্রাতিষ্ঠানিক সংকট ও সীমাবদ্ধতা দূর করে সমন্বিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার আশ্বাস

২০৪১ সালের মধ্যে প্রত্যেকের খাবারের টেবিলে থাকবে নিরাপদ খাদ্য- খাদ্যমন্ত্রী

২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮: প্রাতিষ্ঠানিক সংকট ও সীমাবদ্ধতা দূর করে সমন্বিতভাবে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার আশ^াস দিলেন খাদ্য মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম, এম.পি। তিনি বলেন- ২০৪১ সালের মধ্যে উৎপাদন থেকে খাবার টেবিল পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে চায় সরকার। আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে “খাদ্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান : প্রাতিষ্ঠানিক সংকট” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশইনফো.কম.বিডি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওয়াচডগ বাংলাদেশ এ বৈঠকের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশইনফো.কম.বিডি এর সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়িরা যেন ভেজাল বিরোধী অভিযানে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য আমরা প্রথমেই কাউকে জেল জরিমানা করতে চাই না। একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মতিঝিলের ২০০ হোটেলে জরিপ পরিচালনা করা হচ্ছে। এরপর মালিক ও কর্মচারিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। পরবর্তীতে হোটেলগুলোর মধ্যে যেগুলো নিরাপদ সেগুলোকে সবুজ চিহ্ন, যেগুলোর ছোট খাট সমস্যা থাকবে সেগুলোকে হলুদ এবং যেগুলোর অবস্থা খারাপ সেগুলোকে লাল চিহ্ন দেয়া হবে। পর্যায় ক্রমে লাল চিহ্নিত হোটেলগুলোকে বন্ধ করে দেয়া হবে। পাইলট ভিত্তিতে এটি করা হচ্ছে বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশে^র বিভিন্ন দেশে এ সংক্রান্ত আইন বাস্তবায়নে ৭-৮ বছর সময় লাগলেও বাংলাদেশে তার অনেক আগেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছরে অন্য সরকারগুলো এ বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়নি। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের সরকারই নিরাপদ খাদ্য আইন এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করেছে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক বলেন, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত- ১৮টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ আরো ৪৮৬টি প্রতিষ্ঠান এবং ২৫ লাখ খাদ্য ব্যবসায়ীর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা একটি কঠিন কাজ। তবে দেশের সব মানুষ যেহেতু ভোক্তা, তাই সচেতনতা বাড়িয়ে নিরাপদ খাদ্যের প্রতি চাহিদা সৃষ্টি করা গেলে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে বাধ্য হবে। জনাব হক বলেন, অনুমান নির্ভর প্রচার-প্রচারণা এবং কিছু ভুল এ্যাকশনের কারণে মানুষের বেশি ক্ষতি হয়েছে। ফরমালিন নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে। যেকোন খাদ্যে ফরমালিন কাজ করে না। ফরমালিন শুধু প্রোটিনে কাজ করে। মাছ-মাংসও দীর্ঘদিন ডুবিয়ে না রাখলে কাজ হয়না। ভুল ধারণার কারণে মানুষ শাক-সবজি ফলমুল খাওয়া কমিয়েছে। এতে মানুষের সঠিক শারিরিক গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আতংক না ছড়িয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভুল মেশিন ব্যবহার করে ফরমালিন মাপা হয়েছে। কঠোর আইনের ফলে ফরমালিন এখন অনেক নিয়ন্ত্রিত। সরকার এখন স্ট্রিট ফুডকে স্বাস্থ্য সম্মত করতেও বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে বলেন জানান জনাব হক। দেশের বিভিন্ন শহরে রাস্তায় যারা খাবার বিক্রি করেন তাদের জন্য ফুড কার্ড, প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের বলেন, দেশে নিরব গণহত্যা চলছে। বিশ^ব্যাংক বলছে বছরে ৮০ হাজার মানুষ পরিবেশ দূষণে মারা যাচ্ছে। এতে ৫৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। এ অবস্থায়  শিল্পজাত খাদ্য পণ্যের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। খাদ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শহরের চেয়ে গ্রাম-গঞ্জে অধিক হারে কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়া পশুপাখিতে গ্রোথ হরমোন এবং এন্টিবায়োটিকের অবাধ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি কমর উদ্দিন আহমেদ বলেন, মাঠ পর্যায়ে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে শুধু খড়গ নামানো হয় হোটেল রেস্তোরাগুলোর উপর। ঔপনিবেশিক আমলের মতো জোর করে তাৎক্ষণিক জরিমানা আদায় করা হয়, কিংবা ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এক্ষেত্রে আইনের সঠিক প্রয়োগ জরুরী।

ভোক্তা অধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নূর ইসলাম বলেন, আইন করার পাশাপাশি আইন বাস্তবায়নে সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সচেতনতা প্রয়োজন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মাসুম আরেফিন বলেন, বর্তমানে ৬৪ জেলায় অধিদপ্তরের অফিস রয়েছে এবং এখন নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করা হচ্ছে।

বিএসটিআই -এর  সহকারি পরিচালক মো. রিয়াজুল হক বলেন, আমরা পানিসহ বিভিন্ন পণ্যের মান বিচারের জন্য প্রতিদিনই ঢাকার কোন না কোন স্থানে ভেজাল বিরোধী অভিযান চালাচ্ছি।

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেন, সব খাদ্যকেই ঢালাওভাবে ভেজাল বলা ঠিক হবেনা। অনেক ভাল উদাহরনও আছে যেগুলো আমাদের সামনে আসে না। ফলমুল-শাকসবজি খাবারের আগে আধা ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

বীর প্রতীক মাহবুব আলী রঞ্জু বলেন, পৃথিবীর কোথাও খাদ্য নিয়ে এত অবহেলা করা হয় না। তাই আইনের কঠোরতা প্রয়োজন। শুধু জরিমানা করেই দায়িত্ব শেষ করা ঠিক হবে না।

জিটিভির সাংবাদিক ড. বায়েজিদ মোড়ল মন্ত্রী মহোদয়কে প্রশ্ন রাখেন, বিদেশী আমদানী পণ্যের উপর কখনো ভেজাল বিরোধী অভিযান হয় না। কেবল দেশীয় পণ্য যখন বাজারে আসে তখনই ভেজাল বিরোধী অভিযান হয়। দেশীয় পণ্য ধ্বংশ করা হয়। দেশের মানুষের মধ্যে ভিতি সঞ্চার করা হয়। দেশীয় পণ্য থেকে দেশের মানুষের মুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। আমদানী কারকদের কার সাজিতে কিছু অসাধু সরকারী কর্মকর্তার সহযোগিতায় দেশী পন্যের নামে বদনামী করা হয়। আর এই সব সবজিতে রং মিশানো, মাছে ফরমালিন মেশানো, গুড়ে হাইড্রোজ প্রয়োগ, আম ও কলা ইথেফন ব্যবহার করা হলে এই সব পন্য খেলে আমাদের কি কি রোগ হতে পারে, তার একটি প্রাতিষ্ঠানিক গবেষনা পত্র এনে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান। আরো বলেন মেয়েদের লিপস্টিক ও নেইলপলিশ উপরের সবকটি ভেজাল থেকে ক্ষতিকর ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। এর প্রমানপত্র তার কাছে আছে।

তৈলাক্ত খাবার পরিহার করি। আমরা সবাই সচেতন হই। বাসাবাড়িতে রান্না বান্নায় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হই।

দেশকে ভাল বাসুন । দেশের পন্যকে ভেজাল মুক্ত করুন।

খাদ্যমন্ত্রী প্রায় ১০-১২জন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দেন।

 

 

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত