RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

মিতু তোমায় ভালবাসি

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ ২:৩৮ অপরাহ্ণ

মিতু তোমায় ভালবাসি
(পুরোপুরি কাল্পনিক ঘটনা)

সানি খুব দুরন্ত এবং চঞ্চল। ৬ বছর বয়সেই ওর মা মারা গেল। ওর চারিদিকের এই অন্ধাকার মুছে দেওয়ার জন্য ওর বাবা কন্যাসহ এক মহিলাকে বিয়ে করলেন। সানির মনে একটু শান্তি এল। সৎমা হলেও মা, আর খেলার সাথী হিসেবে মিতুকে পেল। কিন্তু ওর শান্তি বেশী দিন স্থায়ী হল না। সানি ও মিতু স্কুলে গেলে ওদের মা করিম শেখের সাথে প্রেম করে। যশোরের বেজপাড়া ঐ সময়টায় বেশ অগ্রসর। পুরুষ লোকের চেয়ে মেয়ে লোক গুলো একটু বেশি এ্যাডভান্স। যশোরের এই বেজপাড়া এলাকায় তখন মটর গাড়ীর শ্রমিক, ড্রাইভার, হেল্পার, কন্টেকটার, সুপার ভাইজারসহ এক কথায় মটর গাড়ীকে কেন্দ্র করে তাদের পেশা গড়ে ওঠে। সানির বাবা শাহেদ আলী মূলত ট্রাক ড্রাইভার। ট্রাক নিয়ে সে সারা দেশ ঘুরে বেড়ায়। ট্রাক ড্রাইভারদের একটা বদ অভাস আছে, সেটা হলো মদ পান করা। মিতুর মা শাহেদ আলীর এই মদ পান করা শুরুতেই পছন্দ করিনি। এমনকি বিয়ের পর বাসর রাতেই শাহেদ আলী, মদ পান করে মাতাল হয়ে প্রবেশ করে। আর শাহেদ আলী যখন মদ পান করে তখন অনেক সময় নিজেকে কন্ট্রোলে রাখতে পারেন না। এই নিয়ে দুজনের মাঝে বেশ কয়েকবার ঝগড়া হয়েছে। শাহেদ আলী ট্রাক নিয়ে যখন দুর পাল­ায় চলে যায়, তখন ফিরতে ৭ দিন থেকে ১০ দিন লেগে যায়। এই সুযোগে মিতুর মা তার জীবনের গল্প শুনাতে শুনাতে করিম শেখকে আগলে ধরে। মাঝে মধ্যে যখন কেউ বাসায় না থাকে তখন করিম শেখ আসে। হঠাৎ একদিন শাহেদ আলী (মাতাল) বাড়ী এসে দেখল তার ঘরে করিম শেখ। ক্ষিপ্ত মাতাল, মাথা গরম করে খুন করতে যায় করিম শেখকে, পরে অনেক জড়াজড়ির মধ্যে করিম শেখ পালাতে সক্ষম হলেও দুশ্চরিত্রা স্ত্রী খুন হয়ে যায়। এতে যাবৎ জীবন জেল হয়ে গেল শাহেদ আলীর।

সানি ও মিতু দুজন পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়লো। অনেক দুঃখ কষ্টের ভিতর দিয়ে বড় হতে লাগল। সানি এই ছোট বয়সেই মোটর গাড়ীর ওয়ার্কসোপে কাজ করে। ওদিকে মিতু বাসায় জি এর কাজ করে। দু জন দুই ধরনের কাজ করলেও লেখাপড়াটা যথারীতি চালায় রাখে। যেই দুজন কাজের একটু ফুরসত পায়, সাথে সাথে দুজন এসে দেখা করে। সানি কিছু কিনে এনে মিতুকে দেয়। ওদিকে মিতু যে বাসায় জি এর কাজ করে, সে বাসায় ভাল কিছু রান্না হলে তার ভাগের কিছু অংশ সানির জন্য নিয়ে আসে। দু জনে বসে একে অপরের দুখের কষ্টের কথা গুলো বলাবলি করে। এক জন আরেক জনকে গালে তুলে খাইয়ে দেয়। এক জনের চোখের পানি আরেকজন মুছে দেয়। দু জনেরই একটি ব্যাপারে বেশ মিল আছে সেটা হলো এরা সুযোগ পেলেই কিছু না কিছু চুরি করে। এ নিয়ে দু জনই অনেকবার মার খেয়েছে। অবশ্য কখনোই চুরি স্বীকার যাইনি। মিতু যে বাসায় থাকতো তারা একটু ধ্বনী ছিল। ঐ বাসার বাড়ীওয়ালার ছোট ভাইয়ের নজর ছিল এই ছোট্ট মিতুর প্রতি। একদিন রাতে এই বাসায় একদল ডাকাত সর্বহারা সেজে হানা দেয়। বাড়ীওয়ালাকে মার ধর করে আর বাড়ীটা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। তখন বাড়ীওয়ালীর যত স্বর্ণের গওনা ঘাটি ছিল তা একটি কাপড়ের মধ্যে প্যাচানো ছিল। সেগুলো ডাকাতরা বাজে কাপড় মনে করে নেড়ে চেড়ে রেখে, বাকী সব জিনিস পত্র নিয়ে যায়, আলমারী, সোকেচ, ওয়ারড্রপ ও বাক্স থেকে। সেদিন ডাকাতরা চলে যাবার পর মিতু ঐ স্বর্ণের গওনাগুলো পেয়ে লুকিয়ে রাখে। বাড়ীর সবাই কান্নাকাটি করছিল মিতুকে কেহই সন্দেহ করিনি। মিতু ভাবতে ছিল এগুলো নিয়ে কি করবে। সানিকে বলবে কিনা। সবাই জেনে গেলেতো এগুলো নিয়ে যাবে। ও চুপচাপ থাকে কারো সাথে শেয়ার করেনা।

মিতু তখন ক্লাস সিক্সে পড়ে। মাথার চুল গুলো বেশ বড় হয়েছে লালছে কটা রংয়ের চুল। বয়োসন্ধিকালের শারীরিক গঠন শুরু হয়েছে। চোখে চাহনি, মুখের হাসি আকর্ষন করে। বাড়ীওলার ছোটভাই মিরাজ রাতে ডেকে বই পড়ানোর নামে গায়ে হাত বুলায়। ফোলা গালের চয়াল ধরে একটু টান মারে। আবার কখানো পেটের চামড়া ধরেও টানে। মাঝে মধ্যে মিতুর গালে চুমাও দেয়। হালকা করে গালে কামড়ও দেয়। ব্যাথা যাতে না পায় সেদিকে খেয়াল রেখে মিতুর গায়ে হাত বুলাতে থাকে। ছোট্ট উঠতি বয়সের মিতু ওর কু মতলব বুঝতে পারেনা। একদিন রাতে রান্নাঘরের পাশে মিতু ঘুমিয়ে আছে। মিরাজ গিয়ে মিতুর গায়ে, বুকে পেটে তল পেটে হাত বুলাতে থাকে। মিতু চোখ মেলে মিরাজ দেখে কিছু বলেনা। আবার গালে চুমা দেয়, হালকা করে কামড় দেয়, মিতুর ভাল লাগে, এমন পরশ চোখ বন্ধ করে সুখ উপলব্ধি করতে থাকে। তারপর মিতুর ঠোট চোষে, জিহবা চোষে মিতুকে পাগল করে বিভোর বানিয়ে ফেলে। মিতু অজ্ঞানের মতো অবস্থায় চিৎ হয়ে শুয়ে একদম কলা গাছের ন্যায় নেতিয়ে সুখ অনুভব করছে। মিতু গায়ে পায়ে একটু বড় হলেও তখন হাফ প্যান্ট পরে। মিতুর রাবার দিয়া হাফপ্যান্ট টেনে উরু পর্যন্ত খুলে দু পায়ের মাঝখানে হাত বুলাতে থাকে। মাঝে মাঝে দুপায়ের সন্ধিস্থলে মুখ লাগিয়ে ঘষতে থাকে। আবার জিহবা দিয়ে আলতো করে সুড়সুড়ি দিতে থাতে সন্ধিস্থলে। মিতু মরার মত চোখ বন্ধ করে গাল দিয়ে শুধু উহ আহ উহ আহ শব্দ করতে থাকে অচেতন হয়ে। এরপর যখন মিরাজ হ্যাফপ্যান্ট খুলে ফেলে মিতুর গায়ের উপর চড়ে বসে জড়িয়ে ধরে চরম সুখের খারাপ কাজ করতে যাবে ঠিক তখনই বাড়ীওয়ালী দরজা খুলে বেরিয়ে আসে। মিরাজ দরজা খোলার শব্দ শুনে পালায় নিজ ঘরে চলে যায়। উলঙ্গ অবস্তায় বাড়ীওয়ালীর কাছে মিতু ধরা পড়ে। মিতুকে বাড়ীওয়ালী প্রচন্ড ভাবে মার ধর করে। সারারাত বাসার বাইরে রাত কাটায় মিতু।

সকাল বেলা মিতু বাড়ীওয়ালীর হাত পা জড়িয়ে ধরে কেঁদে তার দেবরের সব কথা বলে এবং ঐ বাসায় থাকার জন্য চেষ্টা করে। কিন্তু বাড়ীওয়ালী মিতুকে আর বাসায় রাখতে চাইলো না। মিতু তখন ওর কাপড়-চোপড় আর ঐ স্বর্ণের পুটলি নিয়ে চলে যায় সানির কাছে। সানিকে বলে ওরা আর রাখবেনা। তখন সানি ঐ ওয়ার্কসপে কাজ করে। সেখান থেকে কিছু আয় আসে আর ও পাশের বাসায় এক জনের ঘর ঝাড় মোছা কাপড় কাচা আর বাসন-কোসনগুলো ধুয়ে দেয় তাতে তারা মিতুকে খেতেও দেয়, আবার মাসে কিছু বেতনও দেয়। এভাবে নুতন জীবন শুরু হয়। মার খেতে খেতে ওদের বয়স যখন ২৪ ও ২২ বছর। এর বছর দুয়েক আগে জেল খানাতেই সানির বাপ সাহেদ আলী মারা গেছে। বুদ্ধিমতি মিতু ঐ স্বর্ণের পুটলি থেকে একটি একটি করে বিক্রি করে তাদের সংসারটা অনেক সুন্দর করে ফেলেছে। কেহই এখন ওদের দেখলে মনে করবেনা ওরা এমনই ছিল।

দু জনেই যশোর এম এম কলেজে পড়ে। এখন তারা আর ওয়াড জব করেনা। শাহেদ আলীর রেখে যাওয়া তিন রুমের চুনকাম না করা বাড়ীটিকে প্লাষ্টিক পেইন্ট রং করে কিছু দামি ফার্নিসার কিনে সুন্দর করে সাজিয়েছে ওরা। যে কোন মানুষের এই বাসার ভিতর ঢুকলে কিছুক্ষণ বসে থাকতে মন চাইবে। যদিও বাইরের রাস্তায় বের হলে পচা ডোবার গন্ধে রুমাল দিয়ে নাক চেপে চলতে হবে।

সানি যেমন সুন্দর তেমনী বলিষ্ট দেহ সরকারী দলের ক্যাডার। যশোর শহরের প্রায় সব খানেই তার পদচারনা। সেই সাথে এম এম কলেজে পড়তে আসা বড় লোকের মেয়েদের পটিয়ে মোটামুটি কামিয়ে নেয়। ৮/১০টি মেয়ে তার প্রেমে ঝুলছে। আর মেয়েদের মানি ব্যাগ শেষ হলেই ছুড়ে ফেলে ডাষ্টাবিনে। ইতোমধ্যে কলেজে তার একটি অবস্থান হয়েছে। সব দলের নেতাকর্মীরা তাকে চেনে। অনেকে আবার সানীকে ব্যবহার করেও। দোকানদারের কাছ থেকে চাঁদা তোলা কিংবা মাস্তানী গুন্ডামীতে তার জুড়ি নেই। প্রতিবাদের ভাষা অনেকের মুখে থাকলেও কেউ সাহস পায়না প্রতিবাদ করতে। তার মুখের কথা হচ্ছে সময় পাল্টাবে, যুগ পাল্টাবে সরকারও পাল্টাবে, তাতে আমরা কি? আমি সরকারী দলের ক্যাডার। অর্থাৎ সকল সময় সে সরকারী দল করে।

মিতু সুশ্রী এবং মিষ্ট ভাষী। ভাইয়ের মত ওতো ধূর্ত নয়। তবে যেকোন ছেলে একবার দরশনে প্রেমে পড়ে যায়। মিতু ধনী ও বিলাসী ছেলেদের সাথে মিশে। কখনও পার্কে কখনও রেস্তোরায় আবার কখনও বা নির্জন এলাকায়ে নিয়ে যায়। ছেলেটি যখন মিতুকে এক নিঃশ্বাসে অপলক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে। দেখতে তাকে মিতুর শরীরের রূপ সৌন্দর্য আর সেখানেই প্রবেশ করে সানি গুন্ডা বেশে। কখনও হাতে থাকে ছুরি, আবার কখনওবা পিস্তল। দু’চারটি কিল ঘুষি খায় আবার কেউ খাওয়ার আগেই হাতের গড়ি, গলার চেইন, আঙুলের আংটি ও নগদ টাকা রেখে প্রাণ নিয়ে পালায়। মাঝে মাঝে জিন্স এর প্যান্ট, গায়ের শার্ট এবং পায়ের দামী কেডসও খুলে রাখে। এ দৃশ্যে মিতুর বুকের ভিতর থেকে হা-হা-কার নেমে আসে। কিন্তু কি করবে জীবনটা যে কঠিন। ওদেরতো বেঁচে থাকতে হবে। তিন বেলা পেট পুরে খেতে হবে। ওরাতো এখন আর পরের বাসায় কাজ করতে যেতে পারছে না। আবার লেখাপড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভাল কোন চাকরিও তারা পাবেনা। তাহলে খাবে কি করে! সানির পরামর্শে মিতু সানিকে সাহায্য করে যায়।

মিতু এখন বড় হয়েছে। তার শরীরের কামনা বাসনা বোঝে সে। এক সময় সানিকে জড়িয়ে ধরে কখনো সানির বুকে মিতুর মাথা, কখনোবা মিতুর বুকে সানির মাথা, এভাবে ঘুমিয়েছে তারা। কিন্তু এখনতো বড় হয়েছে। এভাবে তারা আর ঘুমাতে পারেনা। ঐ বাসার পাষান্ড লম্পটটা মিতুর শরীরের মাঝে যে শিহরণ জাগিয়ে দিয়েছিল, সেই শিহরণ মাঝে মাঝে মিতুর মনের মাঝেও জাগে। মিতু মনে মনে ভাবে, আমার বয়সের অনেক মেয়েরতো বিয়ে হয়েছে। বিয়ে হচ্ছে। আমার কেন হচ্ছেনা! যদি বিয়ে হতো, তাহলে হয়তো এরকম প্রেম প্রেম খেলা খেলে, তার কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে এনে, পেটের ক্ষুধা মিটাতে হতো না।

মিতু যখন অনেক রাতে, লেখাপড়া শেষ করে ঘুমাতে যায়, অনেক সময় মিতুর ঘুম আসতো না। ফাঁকা বাড়ী তিন রুমের বাসিন্ধা মাত্র দুজন, সানি আর মিতু। সানি কখনোই কোন আপন বন্ধুকে তার বাসায় নিয়ে আসতো না। কারণ সানির বন্ধু যদি মিতুর দিকে নজর দেয়, কিংবা এদের অবস্থা জেনে যায় এজন্য। কখনো কখনো মিতু মনে মনে ভাবে সানির সাথেও ওর বিয়ে হতে পারে। আর সানি যদি ওকে বিয়ে করে, তাহলে দুজনে আর আলাদা থাকতে হবেনা। সারা জীবন এক সাথে থাকতে পারবে। মিতু প্রায়ই মাঝের রুমে ঘুমায় থাকে। ঘুম ভেঙ্গে গেলে সানির রুমে যায়। সানি কি করে সেটা দেখার জন্য। সানির রুমে মশার ¯েপ্র করা, কিংবা মশারী টানিয়ে দেওয়া, সানির গায়ে কাঁথা বা চাঁদর টেনে দেয়া। সানির মাথা উচুঁ করে মাথার নিচে বালিশ এগিয়ে দেয়া।

সানি জানতে পারে যে মিতু ওকে কখনও ভাইয়ের চোখে, আবার কখনওবা প্রেমিকের চোখে দেখে। মিতু সানিকে একান্ত ভাবে কাছে পেতে চায়, তার সব কিছুর বিনিময়ে। আর এ দুর্বলতার জন্য, মিতু সানির কথা মত ঐ সব নিকৃষ্ট কাজে নিয়োজিত হয়। আজকেও সানি মোজা না খুলে ঘুমিয়ে পড়েছে। রাত ২ টা ৩৫ মিনিট দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল মিতু। একটি রোমান্টিক স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেছে। মিতু উঠে সানির রুমে যায়। সানি চিৎ হয়ে শুয়ে আছে, বুকের উপর একটি উপন্যাস বই। কম দামি রাইটারদের লেখা আবেদনময় গল্প। মিতু সানির পায়ের মোজা খোলার পর, বুকের কাছে গিয়ে বইটিকে সরাতে গেলে, সানি মিতুর হাত ধরে আলতো করে টান মারে। মিতু সানির বুকের উপর শুয়ে পড়ে। মিতুর স্তনযুগল সানির মুখে চাপ লেগে ফোলে ওঠে। সানির চোখ চলে যায় মিতুর ফোলে থাকা বুকের দিকে। মিতু উঠতে গেলে সানি চুল ধরে টান মেরে বলে
-এই বুকে তুই কত দিন মাথা রেখে ঘুমিয়েছিস। মিতু বলে
-আমার বুকে তুমি মাথা রেখে ঘুমাওনি? তখন সানি বলে
-আজ আমার বুক থেকে তুই উঠতে চাচছিস ক্যান মিতু? আমার বুকে তুই মাথা রেখে ঘুমা। আমি তোর বুকে মাথা রেখে ঘুমাই। দুজন দুজনকে একটু জড়িয়ে ধরে ঘুমাই। যেভাবে আগে ঘুমাতাম।
সানি মিতুর চুলের মাঝে ডান হাত ঢুকিয়ে বেশ জব্দ করে ধরেছে। মিতু আলতো করে নেতিয়ে পড়লো সানির বুকে। মিতু মুখ লুকায় সানির গলার উপরে কানের কাছে।
-তোকে বুকের উপর পেয়ে আমার খুব ভাল লাগছে। তোর গায়ে কত ওজন হয়েছে।
সানি উপলব্ধি করে বাম হাতের উপর মিতুর একটি স্তন ব্রা ছাড়া। হাতে গরম গরম লাগে। হাত থেকে গরম গরম ভাবটি মূহুর্তেই মনের মাঝে চলে যায়। তখন সানি মিতুর চুলগুলো আরো জোরে চেপে ধরে। মিতু মাথাটি উচু করে সানির গালে একটি চুমা দিয়ে গইড় মেরে পাশে যাবার চেষ্টা করলে সানি গিয়ে মিতুর বুকের উপর পড়ে। মিতুর স্তনযুগলের মাঝখানে মুখ রাখে সানি। দুজন দুজনার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখ বোঝে শুধু চোখের ভাষা। যে কথা মুখে বলা যায়না, শুধু অনুভব করা যায়। কল্পনায় যে কাজের তৃপ্তি আসে। দুজনার চাহনি যেন শিকারীর প্যাচানো বড়শি। এমন ভাবে তাকায় যেন, দুজনেরই গাঁ দিয়ে ঘাম বেরিয়ে আসে। নজ্জাবনত মিসকি হাসি দিয়ে মিতু তখন জোরে সানির মাথা মিতুর বুকের সাথে চেপে ধরে বলে
-কি, তুমি আমার বুকে মাথা রেখেছো তো?
সানি মাথাটি উচু করে মিতুর ঠোটের উপর একটি চুমা দেয়। বলে শোধ করলাম। তারপর দুজন দুজনার মুখে অনেকক্ষন ধরে চুমা খেতে থাকে। পরে দুজন মুখোমুখি উঠে বসে। সানি বলে মিতু দুজনের চুমা খাওয়া কি ঠিক হলো। তখন মিতু বলে-কেন ঠিক নয় ? তোমার বাবা আমার বাবা এক নয়, তোমার মা আমার মা এক নয়। তোমার সাথে আমার কোন ব্লাড কানেকশন নেই।

তুমি রাতের খাবার না খেয়ে ঘুমাইছো কেন?
এরপর মিতু গিয়ে প্লেটে করে খাবার এনে সানির সামনে দেয়। তখন সানি মিতুকে খাবার মাখায় খাওয়ায় দিতে বলে। মিতু ভাত মাখায় সানিকে খাওয়ায়, সানিও মিতুকে খাওয়ায় দেয়। দুজন দুজনার মাঝে হারিয়ে যায়।

এ ভাবে দিন যেতে যেতে একদিন সানি জড়িয়ে পড়ে স্মাগলিংয়ের বড় একটি দলের সঙ্গে। মিতুও ওকে সাহায্য করেছিল এই আশায় যে, ওখান থেকে মোটা অংকের টাকা পাওয়া যাবে এবং টাকা পেলেই দু’জন চলে যাবে ইউরোপের কোন দেশে। রাত ১১ টার দিকে ওরা আটকা পড়ে যশোর শহর থেকে ত্রিশ কিলোমিটার দুরে বেনাপোলের কাছে এক পৌঢ় বাড়ীতে। চারিদিকে পুলিশ ঘিরে ফেলেছে। ওদের বের হওয়ার মত কোন রাস্তা নেই। মিতুর পরামর্শে সানি পিস্তল ধরে মিতুর মাথায় ‘তোমরা সরে যাও। আমার পথ ক্লিয়ার কর। তা না হলে এই মেয়েটি মারা যাবে।’ পুলিশের কিছু করার থাকা সত্বেও নিরব হয়ে দাড়িয়ে রইল। ওরা ওখান থেকে বেরিয়ে একটি মটর সাইকেলের কাছে যায় এবং সানি মটর সাইকেলে উঠে ইষ্টার্ট করে মিতু ভাল করে উঠে পারেনা কিন্তু মটর সাইকেল টান মারে। তখনই পিছন থেকে পুলিশ গুলি ছোড়ে একটি গুলি গিয়ে মিতুর গায়ে লাগে। মিতু যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছেনা দ্রুত চলতে গিয়ে স্পিড ব্রেকারে একটি ধাক্কায় মিতু ছিটকে পড়ে গেল। ও শুধু একটি চিৎকার করে সানি। সাথে সাথে পুলিশ এসে উদ্ধার করে মিতুকে। সে সময় মিতুর ক্ষীন কন্ঠ থেকে কিছু কথা ভেসে আসে। ‘সানি তোমার সাথে আমার চলা আর হল না।’ যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মিতু মারা যায়। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সানি। সানির ১২ বছরের জেল হয়। সানি জেল খেটে বের হয়ে এসে, যশোরের বাড়ীটি বিক্রি করে মিতুর নামে ঢাকার গাবতলীতে “মিতু ওয়ার্কসোপ” নামে একটি ওয়ার্কসোপ গড়ে তোলে।

**********

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় ও ৬টি স্যাটেলাইট অফিস স্থাপনের মাধ্যমে সারাদেশে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করেছে ব্রি

মতিঝিলের ২০০ হোটেলকে সবুজ-হলুদ-লাল চিহ্নিত করা হচ্ছে

জলমহালের প্রকৃত অধিকার মৎস্যজীবীদের – মৎস্য উপদেষ্টা

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে মৎস্য খাত। নদী ও সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি সমুদ্রের বহু এলাকায় অক্সিজেন ঘাটতি হচ্ছে।

ফার্ম করার শুরুতে’ই আমরা কিন্তু পই পই করে হিসাব করি

বার্ষিক কৃষি এ্যাওয়ার্ড-২০১১

এবছর বেশি পরিমাণ আম নিবে রাশিয়া

গাভীর বাসস্থান

শাস্তি নয় বরং সচেতনতার মাধ্যমেই ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

মুরগী পালন বিভিন্ন রোগ এবং চিকিৎসা