RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

আর নয় বেকারত্ব ডেইরি ফার্মে অর্থ-বীত্ত

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
মে ২৬, ২০১৯ ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
Dairy Farm removes unemployment & makes money

Dairy Farm removes unemployment & makes money
ছবি: ফাইল পিকচার

সরদার জাহিদুল কবীর: বাংলাদেশে পড়াশোনা শেষ হলেই বেশিরভাগ মানুষ চাকরির আশায় ঘুরতে থাকে। কিন্তু চাকরিত সোনার হরিণ। দেশে অনেক পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়ে। এমন একটি পেশা বা কাজ হলো ডেইরি ফার্ম করা। যা দূর করতে পারে আপনার বেকারত্ব। আপনি অবদান রাখতে পারেন জাতীয় অর্থনীতিতে।

বাংলাদেশে এখন সফল ডেইরি ফার্মের সংখ্যা অনেক। দিন দিন এর চাহিদা ও বাজার বাড়ছে। একদিকে যেমন এ থেকে আদর্শ খাবার হিসেবে দুধ, আমিষের চাহিদা মেটাতে মাংস এবং জ্বালানি হিসেবে গোবর ও জৈব সার পাওয়া যায়, তেমনি এ খাত থেকে বেশ ভালো আয় করাও সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার অল্পবিস্তর জ্ঞান থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিলে।

প্রাথমিক প্রয়োজন : যেকোনো কিছু গড়তে সবার আগে প্রয়োজন প্রাথমিক প্রস্তুতি। এ প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে যে কোনো কাজের সফলতা ও ব্যর্থতা। ডেইরি ফার্ম গড়ে তুলতে প্রয়োজন আর্থিক সঙ্গতি, অভিজ্ঞতা ও গরুর নিরাপদ আশ্রয়। প্রথমেই বিশাল ফার্ম তৈরিতে হাত না দিয়ে ছোট পরিসরে কাজে হাত দেওয়া ভালো। ৫ থেকে ৬টি গরু নিয়ে যাত্রা করে আস্তে আস্তে ফার্মকে সম্প্রসারণ করাই উত্তম। কারণ ফার্ম বাড়ার সাথে সাথে আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতাটাও বাড়তে হবে। যেটা আপনার বই-পুস্তকের অভিজ্ঞতা থেকে বেশি প্রয়োজন। শুরুতে বিশাল লাভের আশায় বিশাল বাজেট নিয়ে নামলে বাস্তব অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকলে লসের সম্ভাবনা থাকে। তাই ২/৪টি গরু নিয়ে ফার্ম শুরু করাই ভাল। ২টি গরুর জন্য একজন দক্ষ লোক নিয়োগ করা গেলে আরও ভালো।

বাছাই প্রক্রিয়া : নিজ এলাকায় বিশেষ করে মফস্বলে গরুর ফার্ম গড়ে তোলাই শ্রেয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন গরুর উন্নত জাত বাছাই। উন্নত জাতের গরু বাছাই না করলে সারা বছর ফার্মে রোগবালাই লেগে থাকবে । ভালো জাতের গরুর পাশাপাশি ফার্মে পর্যাপ্ত ঘাস, খৈল বিচালির ব্যবস্থা রাখতে হবে। ফার্ম গড়ে তোলার পরপরই দুধ বিক্রির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে।

স্থান নির্বাচন : যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো এবং দুধ বিক্রির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে এসব এলাকার আশপাশেই ডেইরি ফার্ম গড়ে তোলা প্রয়োজন। চারপাশে উঁচু দেওয়াল, পরিবেশসম্মত আবাসন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং গরুর বিশ্রাম ও হাঁটাচলার জন্য জায়গা থাকতে হবে। গরুর ওষুধের দোকান, কাঁচা ঘাসের খামার আশপাশে থাকলে ভালো।

খাবার সরবরাহ : ডেইরি ফার্মের জন্য সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিতে হবে গরুর খাবারের প্রতি। পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন খাবার না পেলে সঠিক পরিমাণ দুধ পাওয়া যায় না। ধানের কুঁড়া, গমের ভুসি, ছোলা, খেসারির খোসা, লবণ, খৈল, নারিকেলের ছোবড়া, ঘাস-বিচালির পর্যাপ্ত সংগ্রহ রাখতে হবে। অনেক সময় বাসি ও পচা খাবার গরুকে সরবরাহ করা হয়। যা কখনোই ঠিক নয়। এতে করে গরুর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। সবসময়ই খেয়াল রাখতে হবে গরুর খাদ্য যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পুষ্টিমান সম্পন্ন হয়। এ জন্য পচা বা দীর্ঘদিন রাখা এসব পণ্য গরুকে খাওয়ানো উচিত নয়। গাভীর গর্ভধারণ ও গর্ভকালীন আলাদাভাবে পরিচর্যা করতে হবে। এ সময় স্থানীয় পশু চিকিৎসকের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে।

আয়ব্যয় : ডেইরি ফার্ম একটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম। সঙ্গে সঙ্গেই লাভের আশা করা ভুল। বরং ধীরে সুস্থে এগুলেই ভালো ফল পাওয়া যাবে। গড়ে এক একটি গরু কিনতে ৩০-৫০ হাজার টাকা খরচ হবে। এছাড়া যত বেশি গরুর সংখ্যা বাড়বে খরচের খাতও তত কমবে। বর্তমানে শহরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ও কনফেকশনারীর লোকজন সরাসরি ফার্মে এসে দুধ সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। গড়ে এক একটি গরু থেকে মাসে ৪-৫ হাজার টাকার দুধ বিক্রি করা সম্ভব। খরচ বাদে এই লাভ একটি পরিবারের জন্য কম নয়।

ফার্ম পরিচর্যা : উন্নত জাতের গাভী ডেইরি ফার্মের জন্য সহায়ক। এ ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ান গাভীর জাত বেছে নেওয়া যেতে পারে। এজন্য পশু খামারি এবং পশু কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে নিলে ভালো হয়। প্রতিটি গরুর জন্য আলাদা মশারি, ফ্যান, ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আলোর জন্য লাইটিং এবং পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারেও নজর দেওয়া জরুরি।

দেশের প্রায় প্রতিটি উপজেলায় পশু চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া সরকারিভাবেও খামারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য ছাড়াও ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যুব উন্নয়ন, কৃষিব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকেও প্রশিক্ষিত তরুণরা বিনা জামানতে বেশ মোটা অংকের ঋণ সহায়তা পেতে পারেন। বেকার শিক্ষিত তরুণদের জন্য এটি হতে পারে একটি চমৎকার পেশা।

গাভীর দুধের উৎপাদন যেভাবে বাড়ে : গাভীর দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমান জাতের ওপর নির্ভর করে। গাভীর দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ দুধের উপাদান যেমন-মাখন, আমিষ, খনিজ পদার্থ সবই বিভিন্ন জাতের গাভীতে কম-বেশি হতে পারে। বংশগত ক্ষমতার কারণ দেশীয় জাতের গাভীতে দুধের মাখনের পরিমাণ বেশি থাকে কিন্তু এরা দুধ  উৎপাদন করে কম। সিন্ধি, শাহিওয়াল, হরিয়ানা জাতের গাভীর দুধে মাখন বা ননীর পরিমাণ অন্য বিদেশীয় জাতের গাভী যেমন হলস্টেন, ফ্রিজিয়ান, জার্সি ইত্যাদি জাতের গাভী সিন্ধি, শাহিওয়াল, হরিয়ানা প্রভৃতি গাভী থেকে বেশি দুধ দেয়।

খাদ্য গাভীর দুধ  উৎপাদন ও দুধের গুণগতমানের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। অধিক পরিমাণ খাদ্য খাওয়ালে বেশি দুধ পাওয়া যায়। তবে খাদ্য অবশ্যই সুষম হতে হবে। গাভীকে সুষম খাদ্য না খাওয়ালে দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায় এবং দুধের গুণগতমানও কমতে বাধ্য। কারণ খাদ্যে বিদ্যমান উপাদানগুলো ভিন্ন অবস্থায় দুধের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। খাদ্যে দুধের মাখনের উপস্থিতির পরিমাণ কম-বেশি করতে পারে। নিম্নোক্ত ধরনের খাদ্যের জন্য গাভীর দুধের মাখনের হার কম হতে পারে।
১. মাত্রাতিরিক্ত দানাদার খাদ্য খাওয়ালে।
২. পিলেট জাতীয় খাদ্য খাওয়ালে।
৩. অতিরিক্ত রসালো খাদ্য খাওয়ালে এবং
৪. মিহিভাবে গুঁড়ো করা খড় খাওয়ালে।

গাভীর দুধে মাখনের পরিমাণ কমে গেলে খাদ্য পরিবর্তন করে প্রয়োজনীয় সুষম খাদ্য খাওয়াতে হবে। দুধে খনিজ পদার্থ ও খাদ্যপ্রাণের পরিমাণ গাভীর খাদ্যের মাধ্যমে বাড়ানো যায়। গাভীকে সুষম খাদ্য না দিলে দুধে সামান্য মাত্রায় আমিষ ও শর্করা জাতীয় উপাদান পাওয়া যায় এবং দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়। দুধ দোহন বিশেষ করে দোহন কাল, দোহনের সময়, দুধ দোহন প্রক্রিয়া, বিভিন্ন বাঁটের প্রভাব ইত্যাদি গাভীর দুধের পরিমাণ ও মানকে প্রভাবিত করে। গাভীর দুধ দেয়ার পরিমাণ আস্তে আস্তে ৫০ দিনে বেড়ে সর্বোচ্চ হয়। ওলানে দুধের চাপের ওপর দুধের পরিমাণ ও উপাদান নির্ভর করে। দুগ্ধদান কালের ৯০ দিন পর থেকে দুধে মাখন ও আমিষের হার আংশিক বাড়ে। একই গাভীকে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দোহন করলে দুধে মাখনের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। তাই সকালের দুধের চেয়ে বিকালের দুধে মাখনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই গাভীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২-৩ বার দোহন করা উচিত। এতে দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ বাড়তে পারে।

প্রসবকালে গাভীর সুস্বাস্থ্য আশানুরূপ দুধ  উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাভী থেকে বেশি দুধ পেতে হলে গর্ভকালে সুষ্ঠু পরিচর্যা ও সুষম খাদ্য দেয়া প্রয়োজন। প্রসবের দুই মাস আগে গাভীর দুধ দোহন অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হবে। মোট দুধ  উৎপাদনের ৪০% ওলানের সামনের অংশের বাঁট এবং ৩০% পেছনের অংশের বাঁট থেকে পাওয়া যায়। গাভীর ওলানের বাঁট অবশ্যই সুস্থ থাকতে হবে।

রক্ষণাবেক্ষণ, বাসস্থান, গাভীর দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমানের হ্রাস-বৃদ্ধির জন্য অনেকাংশে দায়ী। পারিপার্শ্বিক অবস্থা গাভীর জন্য আরামদায়ক হওয়া উচিত। দোহনের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন না করলে অর্থাৎ দুধ দোহন ত্রুটিপূর্ণ হলে দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগতমান কমতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়া দুধ  উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর। শীত মৌসুম দুধাল গাভীর জন্য আরামদায়ক। এ মৌসুমে দুধ  উৎপাদনের এবং দুধে মাখনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, গরমকাল, বর্ষাকাল, আর্দ্র আবহাওয়ায় গাভীর দুধের  উৎপাদন ও গুণগতমান হ্রাস পায়। গরমের দিকে গাভীকে ঠাণ্ডা অবস্থায় রাখলে  উৎপাদনের কোনো ক্ষতি হয় না। গাভীর প্রজননের সময় দুধ  উৎপাদন কমে যায়।

দীর্ঘ বিরতিতে বাচ্চা প্রসব করলে গাভীর দুধ  উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। স্বল্প বিরতিতে বাচ্চা প্রসবের কারণে দুধ  উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। তাই গাভীকে বাচ্চা প্রসবের ৬০-৯০ দিনের মধ্যে পাল দিতে হবে। কোনোক্রমেই ৬০ দিনের আগে প্রজনন করানো উচিত নয়। গাভীর শরীরে ৫০% এবং দুধে প্রায় ৮৭% পানি থাকে। তাই গাভীকে ইচ্ছামত পানি পান করার ব্যবস্থা করলে দুধ  উৎপাদন বেশি হয় এবং দুধে মাখনের পরিমাণ বেশি থাকে।

গাভীর বড় ওলানের পরিচর্যা: অধিক দুধ উৎপাদনকারী গাভীর দৈহিক আকার যেমন বড় হয় তেমনি বড় হয় তার ওলানও। এসব গাভী যত্নসহকারে পরিচর্যা করতে হয়। বড় ওলান নিয়ে গাভীর চলাফেরা ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় ওলানে আঘাত লেগে ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। এতে বিভিন্ন রোগ-জীবাণু বাসা বেধে ম্যাসটাইটিস হতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেতে এসব গাভী অন্যান্য গরু থেকে আলাদা করে পালন করা হয়। এত সতর্কতার পরও উঠা-বসার সময় শেডের কনক্রিটের মেঝেতে ঘষা লেগে ওলানে ক্ষত সৃষ্টি হয়। আর তাতে গোবর বা চোনা লেগে রোগ-জীবাণুর আক্রমণে গাভী অসুস্থ্ হয়। ওলানে সমস্যা দেখা দিলে দুধ উৎপাদন হ্রাস পায়। ম্যাসটাইটিস মারাত্মক আকার ধারণ করলে কখনো কখনো ওলানের এক বা একাধিক বাঁট কেটে ফেলতে হয়। তখন দুধ উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে আসে।

ওলানে আঘাতজনিত সমস্যা এড়াতে কনক্রিটের পরিবর্তে বালির মেঝে অধিক স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন ডেয়রি বিজ্ঞানীরা। এই বালির মেঝে তৈরি করতে হবে বিশেষ প্রক্রিয়ায়। প্রায় দেড় মিটার সমপরিমাণ গভীর করে মাটি শেডের মেঝে থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এরপর কমপক্ষে দু’স্তরে বড় বড় টায়ার বসাতে হবে। টায়ারের উপর বিছিয়ে দিতে হবে পরিষ্কার বালু। বালু অবশ্যই কাঁকর, ইটের টুকরা, লোহার টুকরা বা অন্যান্য যেকোনো ধারালো বস্তুমুক্ত হতে হবে। রোগের সংক্রমণমুক্ত এলাকা থেকে এই বালু সংগ্রহ করতে হবে।

বালির মেঝে নরম হওয়ায় গাভী উঠে দাঁড়ানো কিংবা বসার সময় কোনো ধরনের আঘাত পাবে না। ওলানের আঘাতজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা পাবে। এ মেঝের সুবিধাজনক দিক হচ্ছে গাভীর চোনা সহজেই ঝুরঝুরে বালিতে পড়ে শুকিয়ে যায়। তবে বালি যেন ভেজা না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এ জন্য দিনে কমপক্ষে দু’বার গোবর পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। সব বালি সপ্তাহে কমপক্ষে তিনদিন উলোট পালোট করে দিতে হবে। উপরের বালি নিচে এবং নিচের বালি উপরে উঠে এলে রোগ-জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারবে না, রোগ বাসা বাধার সুযোগ পাবে না। ছয় মাস অন্তর অন্তর শেডের পুরানো বালি ফেলে দিয়ে নতুন বালি দিতে হবে।
সূত্র: অনলাইন

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড:ক্ষতির পরিমান হাজার কোটি টাকার উপরে।

সাভারের কেন্দ্রবিন্দু নামাবাজারে বিএডিসির বীজ ও সারের গুদামটি এখন বৈদ্যুতিক রিকশা ও ভ্যানের গ্যারেজ

একটি ছেলে আর একটি মেয়ের কাহিনী বলছি

৩ নভেম্বর ২০২২, ১০০/১৫০ জন গরুর খামারীর Knowledge Share অনুষ্ঠান হবে

মাছ চাষের গুরুত্ব

আঙ্গুর চাষ পদ্ধতি

খামারি অ্যাপ ব্যবহারে সারের খরচ কমবে, ফলনও বাড়বে

কৃষি উপকরনে দে-ধারছে ভেজাল চলছে

তামাক নিয়ন্ত্রণ শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়, এটি বৃহত্তর জনস্বাস্থ্যের ইস্যু – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

প্রোটিন ফর লাইফ -এসডিজি অর্জনে দরকার মাথাপিছু ১০৪টি ডিম