পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ।।
ঢাকা, ১৮ চৈত্র (০১ এপ্রিল): পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত Mr. Ghanshyam Bhandari আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, শিক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়ই জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি অপরিহার্য। তিনি পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত নেপালের বন ব্যবস্থাপনায় সাফল্য তুলে ধরে জানান, দেশটির প্রায় ৪৫ শতাংশ এলাকা বনভূমি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বিমসটেকের আওতায় যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন), অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ, বন ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একমত পোষণ করেন ।
আবদুল মালেক, জনসংযোগ কর্মকর্তা, পরিবেশ , বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
Mr. Abdul Awal Mintoo, Minister of Environment, Forest and Climate Change, today held a courtesy meeting at the Bangladesh Secretariat with Mr. Ghanshyam Bhandari, Ambassador of Nepal to Bangladesh.
The discussion focused on strengthening bilateral cooperation in forest management, climate change, and environmental protection. The Minister highlighted the need to expand afforestation and adopt environmentally friendly technologies, while the Ambassador apprised the Minister of Nepal’s achievements in forest management, noting that nearly 45% of Nepal is forested, and expressed interest in joint initiatives under BIMSTEC.
The meeting was also attended by the Secretary of the Ministry, Additional Secretaries, officials from the Ministry of Foreign Affairs, and the Deputy Chief of Mission of the Embassy.
Both sides agreed to deepen collaboration on forest conservation and climate action.



























