RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Sunday , 20 September 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

কেন চট্টগ্রামের লাল গরু পালন করবেন?

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
November 11, 2025 6:47 pm

চট্টগ্রামের লাল গরু (আরসিসি)
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লাল গরু চাটগাঁইয়া গরু, সুন্দরী গরু ও অষ্টমুখী গরু বলে পরিচিতি পেলেও অনেকে আবার এ জাতের গরুকে ‘রেড চিটাগাং ক্যাটল’ নামেও চিনে।


বাহ্যিক সৌন্দর্য, মাংস ও দুধের বিশেষ স্বাদের জন্য রেড চিটাগাং ক্যাটল তথা চাটগাঁইয়া লাল গরুর কদর ছিল বহু আগে থেকেই। একসময় চট্টগ্রামের স্থানীয় লোকজন লাল গরু ছাড়া কোনও কোরবানি দিতে চাইতেন না। তাছাড়া মেজবানি কিংবা বিয়েতেও বেশ চাহিদা ছিল এ লাল গরুর। এ গরুর উচ্চমাত্রার শংকরীকরণের কারণে নিজের স্বকীয়তা তথা নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের বিলুপ্তি ঘটছে। রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-র বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর তা হলো, হালকা লাল বর্ণের এ জাতের গরু দেখতে ছোট খাটো, পেছনের দিক বেশ ভারি, চামড়া পাতলা, শিং ছোট ও চ্যাপ্টা। এদের মুখ খাটো, চওড়া, মাঝারি ধরনের গল-কম্বল, গলাখাটো ও সামান্য কুঁজ আছে। ওলান বেশ বর্ধিত, বাট সুডৌল, দুগ্ধ শিরা স্পষ্ট, গাভী অনুপাতে লেজ যথেষ্ট লম্বা ও শেষ প্রান্তের লেজের গুচ্ছ লাল বর্ণের। আমাদের দেশে সত্তরের দশক থেকে শংকরায়ন শুরু হয়। এভাবে কৃত্রিম প্রজননের ফলে চাটগাঁইয়া লাল গরু ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। অন্য গরু হতে এই গরুর পার্থক্য হলো এর মাংস ও দুধ খুব সুস্বাদু। তাছাড়া রোগ-বালাই কম হওয়ায় ও প্রাকৃতিকভাবে লালন পালনে অনেক সহজ। সময়ের পরিক্রমা ও মানুষের চাহিদা অনুসারে চট্টগ্রামের লাল গরু সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ অত্যান্ত জরুরি।


বিলুপ্তপ্রায় এ জাতের গরুকে রক্ষা করা ও সংরক্ষণের জন্য বিএলআরআই উদ্যোগ গ্রহণ করে যা আরসিসি প্রকল্প নামে পরিচিত।


আরসিসি প্রজাতির গরু পালনের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন- এ জাতের গরুর গর্ভধারণের হার বেশি, প্রায় প্রতিবছরই বাচ্চা পাওয়া যায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, দুধে চর্বির পরিমাণ বেশি ও প্রান্তিক চাষি পর্যায়ে এ জাতের গরুর খামার লাভজনক।


এ জাতের ষাড় থেকে সিমেন সংগ্রহ করে তরল নাইট্রোজেনে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনমাফিক ব্যবহার করা হয়। সঠিক প্রজনন নীতি অনুসরণই এ জাত সংরক্ষণের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ গরুর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি জেনে নিইঃ


১. চট্রগাম এলাকার বিশেষ প্রজাতির গরু। গরুর আকৃতি মধ্যম। মূলত মাংস ও দুধ উৎপাদনের জন্য এ জাতীয় গরু পালন করা হয়। হালকা লাল বর্ণের এ জাতের গরু দেখতে মাঝারি, পিছনের দিক বেশ ভারী, চামড়া পাতলা, শিং ছোট ও চ্যাপ্টা।
২. মুখ খাটো ও চওড়া, লেজ যথেষ্ট লম্বা এবং শেষ প্রান্তে চুলের গুচ্ছ লাল হর্ণের।
৩. ওলান বেশ বর্ধিত বাঁট সুডৌল, মিল্ক ভেইন স্পষ্ট, দৈনিক ১০-১২ লিটার দুধ দেয়।
৪. ষাঁড় ও বলদ বলিষ্ট ও শক্তিশালী এবং কৃষি ও ভার বহনের কাজে বেশ উপযোগী।

  • রং: গায়ের রং হালকা থেকে গাঢ় লাল হয়, এবং শিং, পায়ের খুর, চোখের চারপাশ ও লেজের গোছা লালচে বর্ণের হয়।
  • আকার: মাথা সরু ও পাতলা, কপাল সমান এবং দেহের আকার মাঝারি হয়।
  • অন্যান্য: চামড়া পাতলা, শিং ছোট ও চ্যাপ্টা, মুখ খাটো ও চওড়া এবং গলাতে কুঁজ থাকে। 

জনপ্রিয়তা

  • কোরবানির সময় এটি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে অত্যন্ত পছন্দের।
  • এর বাহ্যিক সৌন্দর্য ও মাংস এবং দুধের বিশেষ স্বাদের কারণে এটি পরিচিত।
  • স্থানীয়ভাবে এটি ‘অষ্টমুখী লাল গরু’ বা ‘চাটগাঁইয়া লাল বিরিষ’ নামেও পরিচিত। 

সর্বশেষ - ছাগল পালন