RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

গো-খাদ্য হিসেবে সবুজ ঘাস পরিচিত ও চাষ পদ্ধতি

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ ৪:৪৬ অপরাহ্ণ

https://agriculturenews24.com/গো-খাদ্য হিসেবে সবুজ ঘাস পরিচিত ও চাষ পদ্ধতি।।

ভূট্টার চাষ
ভূট্টা গাছ গবাদি প্রাণির এটি পুষ্টিকর খাদ্য।
চাষ পদ্ধতিঃ উঁচু নিচু কিন্তু পানি জমে না এমন জমিতে ভূট্টা চাষ করা যায়। সারা বছরই ভূট্টার চায় করা যায়। কার্তিক অগ্রাহায়ন মাস, শীতের শেষে, ফাল্গুন ও চৈত্র মাসেও পানি সেচ দিয়ে ভূট্টার চাষ করা যায়। অধিক শীত অধিকত বৃষ্টি কোন অবস্থাতেই ভূট্টা ভালো হয় না বীজ বপনে আগে ৫-৬ বার জমি চাষ করতে হয়। বিঘা প্রতি ৫-৬ কেজি ভূট্টার প্রয়োজন পড়ে।
বপন প্রণালিঃ সারিবদ্ধভাবে বীজ বপন করা ভালো। দুই সারির মধ্যবর্তী দূরত্ব ১.৫-২ ফুট । ১০ ইঞ্চি পর পর বীজ বপন করতে হয়। ক্ষেত সবসময় আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।

সারপ্রয়োগ ও পানিসেচ– জমি তৈরির সময় বিঘা প্রতি ১-২ ঘন গোবর সার, ১৫ কেজি ইউরিয়া, ৬ কেজি টিএসপি এবং ৩ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে । জমিতে নিয়মিত পানি সেচ দিতে হবে।
গবাদি প্রাণিরক খাওয়ানোর নিয়ম ও সংরক্ষণঃ
২.৫-৩ ফুট উচু হলেই ঘাস কেটে খাওয়ানো যায়। মোচা আসার পর দুধ অবস্থায় সাইলেজ তৈরি করে রেখে দিলে সারা বছর প্রাণিকে খাওয়ানো সম্ভব হয়।

ভূট্টার বহুমুখী ব্যবহার– দুধ উৎপাদন খরচ ৬০%কমে যায়। *বছর ব্যাপী উৎপাদন পাওয়া যায়। * সাইলেজ তৈরি করে সংরক্ষণ করা যায়।

জার্মান ঘাস
জার্মান ঘাস এক প্রকার স্থায়ী ঘাস। এ ঘাসের কান্ডের গিটে শিকড় থাকে এবং পারা ঘাসের মত লাগানোর পর ঘাসের লতা সমস্ত জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘাস গরুর খুব পছন্দনীয়, দ্রুত বর্ধনশীল ও উচ্চ ফলনশীল। বাংলাদেশে এ ঘাস আবাদের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

জমি নির্বাচন– জার্মান ঘাস পারা ঘাসের মত নিচু ও জলাবদ্ধ জমিকতে চাষ করা হয়। জার্মান ঘাস দাঁড়ানো পানিতে জন্মানো যায়। সে নদীর ধার, ডোবা, নালাতে এই ঘাস চাষের জন্য উপযুক্ত।
রোপনের সময়ঃ মার্চ হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ঘাস চাষের উপযুক্ত সময়।
রোপনের দূরত্বঃ সারি থেকে সারি গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১-১.৫ ফুট।

চারা তৈরি-গাছ পরিপক্ক হলে কান্ডের গিট হতে শিকড় বের হয়। এ রকম পরিপক্ক গাছের কমপক্ষে ৩টি গিট নিয়ে কাটিং করতে হয়। সমতল শুকনা জমিতে লাগালে কয়েকটা চাষ দিয়ে আগাছা মুক্ত করে কাটিং গুলো কাত করে অথাৎ ৪৫-৬০ ডিগ্রি কোণে লাগাতে হবে। এরপরে কয়েকটা চাষ দিয়ে জমি আগাছা মুক্ত করে নিতে হবে। এরপর নিদিষ্টি দূরত্বে কোদল দিয়ে গর্ত করে চারা বা কাটিং রোপন করতে হবে। মাটির নীচে একটি মাটির সমান এবং অপর গিট মাটির উপরে থাকে।

সার প্রয়োগ– জার্মান ঘাস উর্বর জমিতে ভাল হয়। ভাল ফলনের জন্য কমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে গোবর দিতে হবে। এবং চারা লাগানোর ২/৩ সপ্তাহ পর একর প্রতি ৪০ কেজি ইউরিয়া ছিটিয়ে দিতে হবে, প্রতিবার ঘাস কাটার পর একর প্রতি ৩৫-৪০ কেজি ইউরিয়া সার উপরে প্রয়োগ করতে হবে।

ফলন-জার্মান ঘাস বছরে প্রায় ৫ বার কাটা যায়। উর্বর জমিতে ও ভালো ব্যবস্থপনায় বছরে একর প্রতি ৩০-৪৫ টন সবুজ ঘাস পাওয়া যায়।

জারা
জারা ঘাসের বৈশিষ্ট্য:
১. জারা প্রাণি খাদ্য হিসাবে অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপদেয় ঘাস। জারা-১ এক প্রকার স্থায়ী ঘাস। দেখতে আঁখের মত, লম্বা ১৬ ফুট বা তার চেয়েও বেশি হয়ে থাকে।
২. রং সবুজ, এ ঘাসের খাদ্য-মান কচি অবস্থায় বেশি।
৩. প্রতি ২৫ থেকে ৩৫ দিনে এ ঘাস কাটা সম্ভব।
৪. বছরে ১০ থেকে ১২ বার কাটা যায়।
৫. প্রোটিন কনটেন্ট প্রায় ১৬% এবং এক বিঘায় বছরে উৎপাদন হয় প্রায় ৮০ টন।
৬. নেপিয়ার থেকে জারা-১ ঘাসের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হলো ঘাসের পাতা মসৃণ, মিষ্টি।
৭. রোপন কাল বর্ষা মৌসুম। তবে সারা বছরই এ ঘাস চাষ করা যায়। ভাল ফলন ও পুষ্টি পেতে হলে সেচ ও সার সুবিধা থাকা ভাল।
৮. জমি থেকে কেটে এনে এ ঘাস সরাসরি পশুকে খাওয়ানো ভাল।
৯. একবার রোপন করলে ৫ বছর পর্যন্ত এর ফলন পাওয়া যায়।
১০. এই ঘাস আবাদের জন্য উঁচু ও ঢালু জমি যেমন বাড়ির পাশের্^ উঁচু অনাবাদি জমি, পুকুরের পাড়, রাস্তার ধার ও বেড়ী বাঁধ সবচেয়ে উত্তম। ডোবা, জলাভূমি কিংবা প্লাবিত হয় এমন অঞ্চলে এই ঘাস আবাদ করা যায় না।
১১. জমিতে সার ছিটাবার ২ (দুই) সপ্তাহ পর ঘাস কাটা উচিত।
১২. সার ছিটাবার পরে দীর্ঘদিন খরা থাকার পর হঠাৎ অধিক বৃষ্টিপাতের পর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া ঘাস কেটে খাওয়ানো উচিত নয়।

চাষ পদ্ধতি
রোপন পদ্ধতি- পরপর দুইটি কাটিং দুই ইঞ্চি দূরত্বে সারিবদ্ধভাবে ১-১.৫ ইঞ্চি মাটির নিচে সমান্তরাল ভাবে লাগাতে হবে। পচা গোবর ও ফার্ম জাত আবর্জনা, পচানো ঘাস বিঘা প্রতি প্রায় ১০০০/২০০০ কেজি চাষের সময় ভালোভাবে ছিটিয়ে দিলে মাটিতে পুরোপরি মিশে যায়। বেশি ফলন পেতে হলে এর সাথে বিঘা প্রতি ১০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি টিএসপি এবং ১০ কেজি মিউরেট অব পটাশ প্রয়োগ করতে হয়। রোপনের প্রায় ১০/১২ দিন পর বিঘা প্রতি ১০ কেজি ইউরিয়া সার দিলে ভাল হয়। প্রত্যেক কাটিং এর-পর দুই-সারির মাঝের জমি ভালভাবে লাঙ্গল বা কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করে বিঘা প্রতি ৫ কেজি ইউরিয়া সার দিলে ভাল ফলন পাওয়া যায়। সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ৪ ফুট এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৩ ফুট হলে উত্তম ফলন পাওয়া যায়।

গিনিঘাসঃ
জমি নির্বাচন– গিনিঘাস উঁচু ও ঢালু জমিতে ভলো হয়। ছায়া যুক্ত জমিতে ও এ ঘাস জন্মে। কাজেই আম, কাঁঠাল, নারিকেল, সুপারি ইত্যাদি বাগানে এ ঘাস লাগানো যায়। স্যাঁতস্যাতে জলাবদ্ধতা নিচু জমিতে এ ঘাস ভাল হয় না।
বংশবিস্তার – এ ঘাস বীজ উৎপাদনে সক্ষম। বীজ ও মোথা দুই পদ্ধতিতে গিনিঘাসের চাষ করা যায়।
চাষের সময়– গিনিঘাস বৈশাখ হতে জৈষ্ঠ্য মাস অর্থাৎ বর্ষা মৌসুমের প্রথম বৃষ্টির পরই রোপন করতে হয়। বেশি বৃষ্টি বা জলাবদ্ধ অবস্থায় চারার গোড়া পচে যেতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে মাটিতে প্রচুর থাকলে অথবা পানি সেচের সুবিধা থাকলে এবং গ্রীষ্মের শুরুতে রোপন করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
জমি চাষ ও রোপন পদ্ধতি ঃ জমি ২/৩ টি চাষ ও মই দিয়ে তৈরি করতে হবে। এরপর বড় মোথা হতে ৪/৫ টি ছোট চারা তৈরি করতে হবে। চারাগুলি ৭/৮ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। একসারি হতে অন্য সারির দূরত্ব ২/৩ ফুট, একগাছ হতে অন্য গাছের দূরত্ব ১ ফুট এবং ২/৩ ইঞ্চি মাটির গভীরে লাগাতে হবে। চারার গোড়া ভালোভাবে মাটি দিয়ে টিপে দিতে হবে।
চারা বীজের পরিমাণ– সারি থেকে সারি ২ ফুট গাছ থেকে ১-১.৫ ফুট দূরত্বে লাগালে একরে প্রায় ১২,০০০ চারার দরকার হয়। বীজের ক্ষেত্রে প্রতি একরে বীজের পরিমাণ ৩-৪ কেজি।
ঘাস কাটার নিয়ম ও ফলন – গিনি ঘাস লাগানোর ৬০-৭০ দিন পরই প্রথম বার ঘাস কাটা যায়। পরবর্তী ৪০-৪৫ দিন পরপর কাটা যায়। ঘাসের খাদ্যমান বেশি পেতে হলে কচি অবস্থায় কেটে গবাদি পশুকে খাওয়াতে হবে।

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

মুরগি খামার গড়তে যা যা প্রয়োজন

লাম্পি স্কিন ডিজিজি (LSD) সম্পর্কে কিছু কথা

গবেষণাধর্মী পরিকল্পনা নিয়ে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আওয়ামী লীগ থেকে ৩০০ আসনে চুড়ান্তভাবে মনোনীত হলেন যারা

দুগ্ধবতী গাভীর দানাদার খাদ্য তালিকা

Cultivation of vegetable makes money & luck through the twelve months

ভাগ্য ফেরে সবজি চাষে অর্থ আসে বারো মাসে

খাগড়াছড়ির মশার কামড় উৎসাহ যুগিয়েছে মহব্বত উল্লাহকে পাহাড়ের বুকে সোনা ফলাতে

ছাগলের বাচ্চার খাদ্য ব্যবস্থা জন্ম থেকে মায়ের দুধ ছাড়া পর্যন্ত

ঘটা করে মৎস্য ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপসচিব ৩ জন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে এসিআই প্রাণি কৌলি তত্ত্ব গবেষনা ও উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদনের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি সরকারের লক্ষ্য – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী