নিজস্ব সংবাদদাতা//মৎস্য রপ্তানি প্রসারে ফোয়াবের ই-ট্রেসিবিলিটি প্রকাশনা গ্রন্থ কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর।।
সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় দেশের খাস জলাশয় ও জলমহালগুলো প্রকৃত মৎস্যজীবীদের দ্বারা টেকসই ব্যবহার, উৎপাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকৃত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে অগ্রাধিকার প্রদান বা অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা। যার ফলে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের সুযোগ সৃষ্টি, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। বড় জলমহালগুলো (২০ একরের বেশি) উন্মুক্ত থাকে এবং মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলোকে ইজারা দেওয়ার কথা এর ফলে জলাশয়ে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সরকারি সম্পদ থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের ব্যবস্থা করা। এই পদ্ধতিতে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রভাবশালীর পক্ষে থাকে, যা প্রকৃত মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিদের কোন উপকারে আসেনা।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২ টায়।
সারা দেশের মৎস্যচাষীদের সংগঠন ফিস ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ফোয়াব) এর প্রতিনিধি দল কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ এর বাংলাদেশ সচিবালয় তার অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। মন্ত্রী’র কাছে চলমান ভূমি মন্ত্রণালয়ের জলমহাল নীতিমালা পরিবর্তন পূর্বক দেশব্যাপী সমাজ ভিত্তিক মৎস্য চাষ (দাউদকান্দি মডেল) নীতিমালা পরিবর্তনের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থান ও অধিক নিরাপদ উৎপাদনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
মাননীয় মন্ত্রী ফোয়াব প্রতিনিধিদের আশ্বস্থ করেন যে সামনে মৎস্য, চিংড়ী চাষী ও মৎস্যজীবিদের সুদিন আসবে।
এ সময় ফোয়াব থেকে প্রকাশিত মৎস্য রপ্তানি প্রসারে ই-ট্রেসিবিলিটি পাইলট প্রকল্পের ক্ষুদ্র অর্জন প্রকাশনা গ্রন্থ কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফোয়াব সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান শাহীন, ফোয়াবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ড. বায়েজিদ মোড়ল, কক্সবাজার আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ খলিলুল্লাহ চৌধুরী এবং যশোর আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক আবু তোহা ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সদস্য মো. ইব্রাহিম হোসেন প্রমুখ।

























