RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Tuesday , 18 August 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

বিশ্ববাজার ধরতে মানসম্মত মাছ উৎপাদনের তাগিদ মন্ত্রীর

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
August 17, 2026 7:56 pm

বিশ্ববাজার ধরতে মানসম্মত মাছ উৎপাদনের তাগিদ মন্ত্রীর।

আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী মাছ উৎপাদন, অভয়াশ্রম বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপদ খাদ্যে গুরুত্ব।।

ঢাকা, ১৭ আগস্ট: বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া ও কুচিয়াসহ জলজ পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে উৎপাদনের শুরু থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান ও নিরাপদ খাদ্যের মানদণ্ড নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ

তিনি বলেছেন, বিশ্বে এখন শুধু খাদ্যের প্রাপ্যতা নয়, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই বড় বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই বাংলাদেশকে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে পারলেই মৎস্যপণ্যের রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানো সম্ভব হবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্যসম্পদ: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বর্তমান সমস্যা ও ভবিষ্যৎ বাজার বিবেচনায় পরিকল্পনা

মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবভিত্তিক করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মাছ উৎপাদন ও বিপণনে কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, আগামী দিনে কী সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, দেশের মানুষের চাহিদা কী এবং আন্তর্জাতিক বাজার কোন ধরনের মানসম্পন্ন মাছ চাইছে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করতে পারলে বাংলাদেশের মৎস্য খাত আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবে।

মাছের প্রাকৃতিক প্রজননে বাড়াতে হবে অভয়াশ্রম

দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত মৎস্য অভয়াশ্রম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র ও আবাসস্থল সংরক্ষণ করা না গেলে শুধু চাষনির্ভর উৎপাদনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা কঠিন হবে। সরকার ইতোমধ্যে মাছের আবাসস্থল ও প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

অতিরিক্ত সার-কীটনাশকও মাছের জন্য হুমকি

কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রভাব মৎস্যসম্পদের ওপর পড়ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত চাপ মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন ও প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবেশসম্মত ও আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে। একই সঙ্গে সীমিত জমি ও পানিসম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অধিক মাছ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

প্রবাসীদের বাজার হতে পারে বড় সুযোগ

বাংলাদেশের মিঠাপানির মাছের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। বিশেষ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির মধ্যে দেশীয় মাছের উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এই বাজারকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে পারলে মাছ রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।

তবে রপ্তানি বাজারকে শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, যে দেশে মাছ রপ্তানি করা হবে, সে দেশের স্থানীয় মানুষের খাদ্যাভ্যাস, পছন্দ, প্রজাতি ও বাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদন পরিকল্পনা করতে হবে।

অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মৎস্যপণ্যের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে উৎপাদনকে হতে হবে আরও বাজারমুখী, মানসম্মত ও চাহিদাভিত্তিক।

চিংড়ি-কাঁকড়া-কুচিয়ায় বড় রপ্তানি সম্ভাবনা

চিংড়ি, কাঁকড়া, কুচিয়াসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর আন্তর্জাতিক বাজারে বড় সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না; এসব প্রজাতির পোনা উৎপাদন ও প্রজনন ব্যবস্থারও উন্নয়ন করতে হবে।

আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কৃত্রিমভাবে মানসম্মত পোনা উৎপাদন এবং বিজ্ঞানসম্মতভাবে লালন-পালন সম্প্রসারণ করা গেলে এসব খাতের উৎপাদন ও রপ্তানি বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গবেষণা ও বাজারকে একই সূত্রে আনতে হবে

মৎস্য উৎপাদনে গুণগত মান, নিরাপদ খাদ্য, পরিবেশ সুরক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, মৎস্যবিজ্ঞানী, গবেষক ও পেশাজীবীদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও কার্যকর পরামর্শ সরকারের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নদী-খালের নাব্যতা ফিরলে বাড়বে মাছের প্রজনন

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে প্রথমেই মাছের বেড়ে ওঠা, বিচরণ ও প্রজননের উপযোগী প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, নদী-নালা দখল, নাব্যতা সংকট এবং শিল্পকারখানার বর্জ্যের কারণে পানিদূষণ দেশের প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে। এর ফলে অনেক এলাকায় মাছের স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজননক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধারের জন্য নদী ও খালের নাব্যতা বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে খালের প্রাকৃতিক সংযোগ পুনঃস্থাপন জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা ও খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবার খাল ও নদী পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় খননকাজ হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী পুনঃখননের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মাছের প্রজনন, বিচরণ ও প্রাকৃতিক উৎপাদনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মাছ চাষে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে উদ্বেগ

মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে একদিকে খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এ বিষয়ে মাছচাষিদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে জেলাভিত্তিক সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নিরাপদ মাছই হতে পারে রপ্তানি সম্প্রসারণের চাবিকাঠি

সেমিনারের আলোচনায় উঠে আসে, বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই উৎপাদনকে নিরাপদ, মানসম্মত, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করে তোলা।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রজাতি নির্বাচন, মানসম্মত পোনা, বিজ্ঞানভিত্তিক চাষ ব্যবস্থাপনা, অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের সামনে রপ্তানি সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে চিংড়ি, কাঁকড়া, কুচিয়া ও মিঠাপানির মাছকে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে মৎস্য খাত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিএফআরআইয়ের বিজ্ঞানীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মশিউর রহমান

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

আলু রপ্তানির বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে জাপানে

দেশ গঠনে অবদান রাখলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল্যায়ন করবে সরকার।।খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

উপকূলে লবনাক্ততা ও প্রতিকুলতা সহিষ্ণু ফেলন ডাল চাষে বাম্পার ফলন ও সম্ভাবনার নতুন দ্বার

ভবিষ্যতের স্মার্ট কৃষি

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল-নদী খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী টুকু

সবুজ বাংলার উপস্থাপিকা – কৃষিবিদ সোনিয়া সুলতানা

হাওরের ধান হবে ঝুঁকিমুক্ত, শঙ্কামুক্ত – কৃষিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন কৃষক তথা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার

গৃহিনীরা কিভাবে ছাদ কৃষি করবেন?

সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে