RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Monday , 26 October 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে ঢাকায় ‘৩য় ফিসটেক অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে–২০২৬’ অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
August 28, 2026 12:26 am

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে ঢাকায় ‘৩য় ফিসটেক অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে–২০২৬’ অনুষ্ঠিত//মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গুণগত মান, জীবনিরাপত্তা, পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর টেকসই মৎস্য খাত গড়ে তোলা এবং দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত মাছ নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘৩য় ফিসটেক অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে–২০২৬’। ফিসটেক (বিডি) লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ জাতীয় প্ল্যাটফর্মে মৎস্য খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল, জলবায়ু-সহনশীল চাষপদ্ধতি, জীবনিরাপত্তা, পানির গুণগত মান এবং পরিবেশবান্ধব আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানীর হোটেল সারিনায় আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মৎস্য খাতের উদ্যোক্তা এবং অভিজ্ঞ খামারিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে একাধিক গবেষণাপত্র উপস্থাপনের পাশাপাশি মৎস্য খাতের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

মানসম্মত মাছ উৎপাদনে আপস নয়

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (হাজী ইয়াসিন)। তিনি বলেন, দেশের মানুষের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে মাছের উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। তবে উৎপাদন বৃদ্ধির নামে কোনোভাবেই মাছের গুণগত মান ও খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, দেশে খাদ্য উৎপাদনের ঘাটতি না থাকলেও নিরাপদ, মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, মানসম্মত উপকরণ এবং কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।

মৎস্য খাতে অ্যান্টিবায়োটিক ও রাসায়নিক উপাদানের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি প্রাকৃতিক, নিরাপদ ও কার্যকর বিকল্প উদ্ভাবনে গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে টেকসই কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য নদী, খাল এবং উপরিভাগের পানির পরিকল্পিত ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নীতিনির্ধারক, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর ইয়ানা ফান ডের লিনদা (Janna Van Der Linden)।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ফিসটেক (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউল করিম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সমাপনী বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক—গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) মোহাম্মদ তারেক সরকার।

বক্তারা বলেন, দেশের মৎস্য উৎপাদন বাড়লেও নিরাপদ খাদ্য, রোগ প্রতিরোধ, পানির মান, উৎপাদন ব্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং খামারিদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে।

আধুনিক মাছ চাষ ও জীবনিরাপত্তা নিয়ে গবেষণাপত্র

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ফিসটেকের গবেষকদের পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকেরা আধুনিক মৎস্যচাষের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। আলোচনায় বিশেষভাবে উঠে আসে খামারে জীবাণু ও রোগের প্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর জীবনিরাপত্তাব্যবস্থা, পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, মাছের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং নিরাপদ উৎপাদন উপকরণ ব্যবহারের বিষয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাছের ঘনত্ব বাড়ানো কিংবা বেশি খাদ্য প্রয়োগ করলেই কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া যায় না। পানির তাপমাত্রা, দ্রবীভূত অক্সিজেন, অম্লতা-ক্ষারত্ব, অ্যামোনিয়া, খাদ্যের মান এবং মাছের স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হয়। বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা ছাড়া উৎপাদন বাড়াতে গেলে রোগ, মৃত্যুহার ও আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

প্যানেল আলোচনায় খামারিদের অভিজ্ঞতা

মধ্যাহ্নভোজের পর আয়োজিত প্যানেল আলোচনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং অভিজ্ঞ মৎস্য খামারিরা সরাসরি অংশ নেন। তাঁরা মাঠপর্যায়ে মাছচাষিদের সমস্যা, রোগব্যবস্থাপনা, মানসম্পন্ন পোনা ও খাদ্যের প্রাপ্যতা, উৎপাদন ব্যয়, বাজারদর এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সেবার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

আলোচকেরা বলেন, গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি শুধু গবেষণাপত্রে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। সহজ ভাষায় এবং ব্যবহারযোগ্য পদ্ধতিতে এসব প্রযুক্তি খামারিদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে খামারিদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় সমস্যাগুলো গবেষণার বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দিতে হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণা চুক্তি

অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল ফিসটেক (বিডি) লিমিটেড এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় গবেষণা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ চুক্তির মাধ্যমে অ্যাকুয়াকালচার খাতে যৌথ গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তির পরীক্ষা, শিক্ষক-গবেষক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় এবং মাঠপর্যায়ে গবেষণার ফল প্রয়োগের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ ধরনের অংশীদারত্ব দেশের মৎস্য খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

২০০৫ সাল থেকে খামারিদের পাশে ফিসটেক

ফিসটেক (বিডি) লিমিটেড ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো ২০০৫ সাল থেকে দেশের মৎস্য খামারিদের উন্নত প্রযুক্তিসেবা, মানসম্পন্ন উৎপাদন উপকরণ এবং কারিগরি পরামর্শ দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি-বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মৎস্য খাতে নতুন জ্ঞান, গবেষণা এবং নিরাপদ প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে কাজ করছে।

ফিসটেকের প্রতিনিধিরা বলেন, শুধু পণ্য সরবরাহ নয়—খামারিদের জ্ঞান ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ মাছ উৎপাদন এবং পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গবেষণার ফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক), বিএফইআরডি, সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার এবং মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।

আয়োজকেরা মনে করেন, উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে নিরাপত্তা, গুণগত মান, পরিবেশ সুরক্ষা এবং লাভজনকতাকে সমান গুরুত্ব দিতে পারলেই বাংলাদেশের মৎস্য খাত আরও শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে। গবেষক, সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং খামারিদের সম্মিলিত উদ্যোগই এ লক্ষ্য অর্জনের প্রধান পথ।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

প্রাণিসম্পদে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার রোধ করতে হলে সরকারকে অমানবিক ও কঠোর হতে হবে, ব্যক্তিস্বার্থের বাইরে থাকতে হবে

কিং র‍্যাঞ্চ: মরুভূমির ছোট গবাদিপ্রাণির ক্যাম্প থেকে আমেরিকার কিংবদন্তি কৃষি সাম্রাজ্য।।

উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি সহায়তার আশ্বাস//মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রীর

সুস্থ ভাবে ছাগল পালন করতে যা যা জানা দরকার

কানাডিয়ান হাইকমিশন এর উদ‍্যোগে “ Feeding the Future: Canadian Canola Meal and Pulses for High-Performance Animal Diets‘‘ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

Tree Fair going on at Dhaka

রাজধানীতে চলছে বৃক্ষমেলা ২০১৯

মানুষের নিরাপদ খাদ্য পেতে প্রাণির এন্টিবায়োটিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

মুরগির রানীক্ষেত (Newcastle Disease) রোগের ইতিহাস

পৃথিবীতে আলু চাষের ইতিহাস

শক্তিশালী প্রাণিসম্পদ গঠনে করণীয় – ড্যাব