RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Thursday , 6 August 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

বিষ্ঠা নিষ্কাসন ও বিপনন এবং মুরগির খামারে নিরাপত্তা

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
October 8, 2018 7:05 am

বিষ্ঠা নিষ্কাসন ও বিপনন এবং মুরগির খামারে নিরাপত্তা

 

খাদ্য গ্রহনের হিসাব অনুযায়ী একটি মুরগী দৈনিক ৩৫-৪০ গ্রাম বিষ্টা পরিত্যাগ করে। বিষ্টায় প্রায় ২৫% জলীয় অংশ থাকে। ফার্মের তাপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের কারনে ১০% – ১৫% জলীয় অংশ শুকিয়ে যাবে। ১০% জলীয় অংশ শুকিয়ে যাওয়ার পর প্রতিটি মুরগীর দৈনিক বিষ্টার পরিমান দাড়াবে ২৫-৩০ গ্রাম। দৈনিক ফার্মের বিষ্টা উৎপাদনের পরিমান = ২১.০০ মেঃ টঃ প্রায়। উলে­খিত পরিমান বিষ্টা মৎস্য চাষিদের নিকট মাছের খাবার হিসাবে অথবা কৃষকদের নিকট জৈবসার হিসাবে বিক্রয় করা হবে।
বর্তমানে মুরগীর বিষ্টা ক্রয় বিক্রয়ের জন্য স্থানীয় ভাবে কিছু মধ্যস্বত্বভোগীর সৃষ্টি হয়েছে। তাহারা বিভিন্ন ফার্ম হতে বিষ্টা সংগ্রহ করে শুকিয়ে বস্তাবন্দী করে বিভিন্ন মৎস্যচাষী, সবজী চাষী, ফুলচাষী / নার্সারী মালিকদের নিকট উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করে থাকে।
অতএব, আমাদের ফার্মের উৎপাদিত মুরগীর বিষ্টা আমরা প্রতিদিন নিজস্ব উদ্দ্যোগে অথবা মধ্যস্বত্ব ভোগিদের মাধ্যমে বিক্রয় করে র্ফাম এলাকা যথাযথ ভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং অর্থনৈতিক মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হব।

মুরগির খামারে নিরাপত্তা

প্রতিবছর রাণীক্ষেত, বার্ড ফ্লু ও গামবোরো রোগে অনেক হাঁস-মুরগী শীতকালের আগে ও পরে মারা যায়। ভাইরাসজনিত রোগ শীতকালে সক্রিয় হয় বলে শীতের আগেই জৈব নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

কোনওভাবেই যাতে খামারে নিচের ব্যবস্থা গ্রহণ করে জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় :-

১। খামারের প্রধান গেট তালা দিয়ে বন্ধ করে রাখতে হবে।
২। খামারের আশ-পাশ ভাল ভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
৩। খামারের শেডের পাশে খাদ্যদ্রব্য ফেলা যাবে না, এতে বন্য পাখি আসবে।
৪। দর্শনার্থী/ বহিরাগতদের প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না।
৫। খামারের পোশক পরিধান করে কাজ করতে হবে।
৬। খামারের ভেতরে প্রবেশের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ভ্যানগাড়ীসহ সবকিছু জীবাণুমুক্ত করে প্রবেশ করাতে হবে।
৭। খামারে সবারই পরিধেয় সবকিছু জীবানুমুক্ত হতে হবে।
৮। মুরগির শেডে বিড়াল, কুকুর, ইঁদুর সাপ, বেজি, বন্য পাখি, বাইরের মুরিগ ইত্যাদি প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না।
৯। এক খামারের লোক অন্য খামারে গোসল করে জীবানুমুক্ত হয়ে প্রবেশ করতে হবে।
১০। খামারের কর্মীদের বন্য পাখির দোকানে যাওয়া যাবে না।
১১। খামার পরিত্যাগের সময় খামারের বস্ত্রাদি পরিবর্তন করে হাত-পা সাবান দিয়ে ধুতে হবে।
১২। প্রতিটি শেডের সামনে পা ডোবানোর সলিউশন রাখতে হবে।
১৩। পশু সম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া বিদেশ থেকে মুরগির বাচ্চা, ডিম খাদ্য ও সরঞ্জামাদি আমদানি নিষেধ।
১৪। দেশের ভেতর থেকে বাচ্চা সংগ্রহের সময় নিশ্চিত হতে হবে, ওই খামারে গত বছর কোনও রোগ দেখা দেয়নি।
১৫। অতিথি পাখি খামারের আশে পাশে বা ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। খামারের কর্মীদেরও অতিথি পাখির কাছে যাবে না।
১৬। কোনও মুরগি অসুস্থ্য বা মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে জেলা বা উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্রে জানাতে হবে।
১৭। মৃত মুরগি মাটিতে পুতে ফেলতে হবে।
১৮।খামারে প্রবেশ ও বাইরে যাওয়ার জন্য একটি পথ চালু থাকবে।
১৯। দূষণ প্রতিরোধে ফগিং চালু রাখতে হবে।
২০। মুরগি ও ডিম বিক্রি করে খাচা সরঞ্জামাদি ও যানবাহন জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
২১। অবিক্রিত মুরগি ও ডিম খামারের ভেতর নেয়া যাবে না।
২২। মুরগিকে সময়মত সব রোগের টিকা দিতে হবে।
২৩। মুরগি, হাঁস, কবুতর ও অন্যান্য পাখি একত্রে পাল করা যাবে না।
২৪। খামারে অল-ইন-অল-আউট পদ্ধতিতে মুরগি পালন করা।
২৫। অতিথি পাখি শিকার বন্ধ করা।
২৬। এক শেড বা খামারে যন্ত্রপাতি বা ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্য শেড বা খামারে ব্যবহার করা যাবে না।
২৭। আক্রান্ত মুরগির বিষ্ঠা, ময়লা, বর্জ্য মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।
২৮। জীবাণুনাশক হিসেবে সাবান, ডিটারজেন্ট, ভারকন, ফার্মফ্লুুইড, হাইপেরক্স, লংলাইফ ২৫০ ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।
২০। লিটার শুকনো রাখতে হবে।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত