উৎপাদিত পন্য/ডিমের চাহিদা ও বাজারঃ

ভূমিকাঃ- পৃথিবীর উন্নয়শীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দেশে শিল্পায়ন হওয়ার ফলে, মানুষের কর্মের বিস্তার ঘটেছে এবং আয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মজীবি মানুষের সময়ের স্বল্পতার কারনে তাহারা নিরাপদ সহজপ্রাপ্য ও স্বল্প মুল্যের খাদ্য গ্রহনের উপর নির্ভর করে। পোল্ট্রি পন্য যথা ডিম ও মাংস সহজলভ্য, দামেও কম। তাই বর্তমান যুগের মানুষ নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত প্রচুর প্রোটিন যুক্ত এবং স্বল্প মূল্যের কারনে পোল্ট্রি ফার্মের উৎপাদিত ডিম ও মাংস নিয়মিত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করেছে।
ক্স বর্তমানে বাংলাদেশের জন সংখ্যা ১৬ কোটি প্রায়।
ক্স বর্তমানে স্থায়ী ভাবে বসবারকৃত ঢাকা শহরের লোক সংখ্যা এককোটি এবং বাসমান লোকের সংখ্যা পঞ্চাশ লক্ষ সহ মোট জনসংখ্যা এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ।
ক্স মানুষের চাহিদার প্রয়োজনে বর্তমানে অনেক মানুষ পোল্ট্রি পন্য যথা – ডিম ও মাংসের উপর নির্ভরশীল।
ক্স দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০% পোল্ট্রি পন্যের উপর নির্ভরশীল।
ক্স ঢাকা শহরের প্রায় ৫০% পোল্ট্রি পন্যের উপর নির্ভরশীল।
প্রস্তাবিত ফার্মের ডিম বিপনন ব্যবস্থা ঃ
আমাদের ফার্মে উৎপাদিত ডিমের সংখ্যা = ১৫২৫৬২৬২৭ টি। প্রতিটি ডিমের ওজন ৬০ গ্রাম হিসাবে মোট ডিমের ওজন = ৯১৫৩৭৫.৫৮ মেঃ টেঃ স্থানীয় বাজারে পাইকারী বিক্রেতাদের মাধ্যমে আমাদের ফার্মের উৎপাদিত ডিম বিক্রয় করা হবে। স্থানীয় আড়ৎদারগণ বিভিন্ন ফার্মের উৎপাদিত ডিম বিক্রয় করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। চুক্তি বা নিয়মগুলো নিম্নরুপ ঃ-
ক্স খামারীগণ আরৎদারদের নিকট হতে কোন প্রকার অগ্রিম টাকা না নিলে, ডিমের পাইকারী বাজার মূল্য হতে আরৎদারগণ প্রতি ১০০ ডিমে ৫ টাকা কমিশন গ্রহন করবে।
ক্স খামারীদের-কে আরৎদারগণ প্রতি একহাজার ডিমের জন্য পচিশ হাজার টাকা লগ্নি অগ্রিম প্রদান করবে। লগ্নিকৃত টাকার মেয়াদ এক বৎসর এবং এ ক্ষেত্রে পাইকারী বাজার মুল্য হতে আরৎদারগণ প্রতি ১০০ ডিমে ১০ টাকা কমিশন গ্রহন করবে। অনেক ক্ষেত্রে খামারীগণ অধিক পারিমানে অগ্রিম টাকা গ্রহন করে থাকে। তখন কমিশনের পরিমান আরও বেশী হয়।
ক্স উভয় ক্ষেত্রে ডিম পরিবহনের জন্য আরৎদারগণ নিজস্ব শ্রমিক এবং ডিম পরিবহনের জন্য গাড়ী ভাড়া বহন করে থাকে। ঢাকা শহরের যে কোন প্রান্ত হতে ত্রিশ হাজার ডিম বহন, লোড এবং আন লোড সহ ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা।
ক্স ডিম পরিবহনের ক্ষেত্রে সাধারনত রাত্র ৮টা হতে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময় বেছে নেওয়া হয়। এ সময়ে রাস্তায় যান বাহন চলাচল কম থাকে। অনেক সময় বিভিন্ন রিক্সা ভ্যান চালকগণ আরৎদারদের সাথে চুক্তি ভিক্তিতে ডিম পরিবহন করে থাকে। এক্ষেত্রে ভাড়ার হার প্রতি পাঁচ হাজার ডিমের জন্য দুইশত টাকা এবং লোড, আনলোড ভ্যান চালকের নিজস্ব উদ্যোগে করতে হবে।
ক্স ঢাকা শহরে সুষ্টভাবে ডিম ডিস্ট্রিবিউশনের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজার সমুহে ডিমের আড়ৎ সমুহ বিদ্যমান। যথাঃ- সাভার, কাওরান বাজার, ঠাটারী বাজার নিউ মার্কেট, মোহাম্মদপুর বাজার, রায়ের বাজার, মিরপুর বাজার, কচুক্ষেত বাজার, মালিবাগ বাজার, শান্তিনগর বাজার, বারমপুরা বাজার, গুলশান ১নং বাজার, গুলশান-২ নং বাজার, বনানী বাজার, বাড্ডা বাজার, খিলক্ষেত বাজার, উত্তরা বাজার ইহা ছাড়াও ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বাজার।
























