RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

কোন গরুতে বেশি লাভ দুধের খামার নাকি মোটাতাজাকরণ ?

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
অক্টোবর ৩০, ২০২৪ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ

অনেকে জানতে চান কোন গরুতে বেশি লাভ দুধের খামার নাকি মোটাতাজাকরণ এবং খাদ্য কি কি দিবো তাদের জন্য আজকের পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার যদি নিজের গাভী নিয়ে ভালো পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে দুধের খামার দিতে পারেন।

কারণ দুধের খামার করতে হলে আপনাকে অনেক অভিজ্ঞ হতে হবে।

গরুর দুধের তারতম্য ঠিক রাখতে হবে খামারে দুধের সার্কেল ঠিক রাখতে হবে।

দুধ কত লিটারের নিচে নেমে আসলে গাভী পরিবর্তন করতে হবে জানতে হবে।

সর্বোপরি গরুর দুধের ফ্যাট বাড়াতে কোন সময় ক্যালসিয়াম দিতে হবে ভিটামিন মিনারেল খাওয়াতে হবে, স্বাস্থ্য পরীক্ষা সব দিক থেকে অভিজ্ঞ হতে হবে।

দুধের খামারে নিজেই বা বিশ্বস্ত পরিশ্রমী

লোক দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব না হলে সেই খামার থেকে প্রোফিট বের করা খুবই কঠিন।

যদি দুধের খামারে আপনি নিজে সময় দিতে বা তদারকি করতে না পারেন তাহলে গাভী পালন আপনার জন্য একদমই উপযুক্ত নয়।

হ্যা আপনি ‘গরু মোটাতাজাকরণ‘ করতে পারেন। কারন গাভী পালনের মত গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়টি ততটা জটিল বিষয় নয়।

★★ গরু মোটাতাজাকরণ কি? কিভাবে করবো?

স্বল্প সময়ে ব্যালেন্স রেশন খাবার দিয়ে গরুর মাংস বৃদ্ধি করার প্রক্রিয়া কে গরু মোটাতাজাকরণ বলে।

সময়- ৩-৪ মাস (সর্বোচ্চ ৬ মাস)।

গরুর বয়স- সর্বোচ্চ ২ দাতঁ। কারন এই ১৮ থেকে ৩০ মাস বয়সে গরুর বৃদ্ধি সব থেকে বেশি হয়।

নিচে ব্যালেন্স খাদ্যের একটা নমুনা দিয়ে দিচ্ছি আপনারা চাইলে এভাবে মিক্সিং করে খাওয়াতে পারেন।

“ষাঁড় গরু মোটাতাজাকরণ ফিড ফর্মুলেশন নমুনা”

কার্বোহাইড্রেট/ফাইবার/প্রটিন

ভূট্টা ৩০ কেজি

গমের ভূষি ১০ কেজি

রাইস ব্রান ১০ কেজি

ধানের কুড়া ১০ কেজি

ডালের ভূষি ১৫ কেজি

সয়াবিন খৈল ১০ কেজি

সরিষার খৈল ৭ কেজি

প্রোটিন/ভিটামিন/এমাইনো এসিড

শুটকির গুড়া ৩ কেজি

ডিসিপি পাউডার ২ কেজি

লাইসিন ৫০০ গ্রাম

সিআর ৪০ গ্রাম

টক্সিন বাইন্ডার ২০০ গ্রাম

মিথনিন ৩০০ গ্রাম

এনজাইম ২৫০ গ্রাম

কলিন ২০০ গ্রাম

ডিবি/প্রিমিক্স ৫০০ গ্রাম

ফ্যাট পাউডার ৩০০ গ্রাম

রুমেইনই ১ প্যাকেট

খাবার সোডা ১৫০ গ্রাম

লবন ৫০০ গ্রাম

সর্বমোট ১০০ কেজি।

★★নিজে খাবার কেনো তৈরি করবেন?

বর্তমান বাজারে এক কেজি ক্যাটল ফিডার দাম ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা, এক কেজি বয়লার ফিডার দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা।

নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করলে খরচ হয় ৪০ থেকে ৪২ টাকা।

অনেকে বলতে পারেন খাবার এত মেডিসিন কেন দিছেন?

আসলে খাবারের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সবকিছুরই প্রয়োজন হয় প্রয়োজনীয় সকল উপাদান একত্রে মিক্স না করলে আপনি কখনোই আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন না।

অনেকে অলসতা করে নিজের মতো করে খাদ্য মিক্স করে ফেলেন পরে ফলাফল ভালো আসে না।

আবার অনেকে বলে নিচের মেডিসিন গুলো খুঁজে পাই না তারা তোদের আশেপাশে খুঁজে না পেলে আমাকে মেসেজে জানাতে পারেন ইনশাআল্লাহ ব্যবস্থা করে দিব।

মনে রাখবেন আপনার এই কষ্ট ও পরিশ্রমই আপনার সফলতা বয়ে আনবে।

শুরুতেই বলেছি গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়টি জটিল নয় তাই কারো মাথামোটা বুদ্ধিতে বিষয়টিকে জটিল করবেন না। আপনি গরু কিনে ওজন করবেন। বিক্রি করার সময়ও ওজন করেই বিক্রি করবেন।

একটু বিস্তারিত বলি-

১। গরু ক্রয় শেষ হওয়ার পর সব গরুকেই একসাথে কৃমিনাশক প্রয়োগ করবেন।

অনেকে বলবে- বোলাস/ট্যাবলেট মুখে খাওয়াবো নাকি চামড়ার নিচে ইনজেকশন দিবো।

আমি বলবো ২ টাই লাগবে কারন গরুর ৩ ধরনের কিমি থাকে যেগুলো শুধু বোলাস দিয়ে যায় না।

তাই বোলাস দেওয়ার সাত দিন পর কলিজা কৃর্মির জন্য নাইট্রোনেক্স ইনজেকশন দিবেন।

বোলাস দেওয়ার ক্ষেত্রে ৫০ কেজি লাইভ ওজনে ১ টি বোলাস দিবেন, ইনজেকশন দেওয়ার ক্ষেত্রে প্যাকেটে দেওয়া নির্দেশিকার থেকে সামান্য বেশি দিবেন।

কারণ কৃমিনাশক সামান্য বেশি দিলেও সমস্যা হয় না এতে ভালো কাজ করে। কৃর্মিনাশক প্রয়োগের ১/২ দিন পর থেকে লিভারটনিক, জিংক, প্রয়োবায়োটিক ও রুচির ঔষুধ দিবেন, এফএমডি (ক্ষুরাই রোগ) এর টিকা প্রদান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এবং কৃমিনাশক ইনজেকশন দেওয়ার পরও দুই থেকে তিন দিন লিভার জিংক দিবেন।

গরুর খাবার ২ ধরনের

ক) আশঁ জাতীয় (ভিজা ও শুকনো)। যেমন- ঘাস, খড়, UMS, সাইলেজ ইত্যাদি।

খ) দানাদার যেমন- ভূষি, কুড়া, লুজ খাবার ফিড ইত্যাদি।

দিনের শুরুতে তার সারাদিনের গরুকে ঘাস+খড় ২০% দিবেন।

সকাল ১০ টার দিকে দানাদারের ৫০% অল্প একটু পানি দিয়ে মেখে দিবেন।

১১ টার দিকে ৩০% ঘাস+খড় অথবা UMS দিবেন।

এবং দুপুর একটা দেড়টার দিকে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি খেতে দিবেন।

হালকা বিশ্রাম নেওয়ার পর বিকেল ৩ টার দিক ৪০% ঘাস+খড় বা UMS দিবেন।

বিকেল ৫ টায় ৫০% দানাদার খাবার শুকনো দিবেন।

সন্ধা ৬ টার পর ১০% ঘাস+খড় বা UMS দিবেন।

পানির ব্যবস্থা খাবার চাড়িতে থাকলে ভালো হয়।

দানাদার খাবারের ক্ষেত্রে ৩০ মিনিট পর পানি খেতে দেওয়া ভাল।

★★ ইউএমএস দিবো কি না?

ঘাস না থাকলে আপনাকে অবশ্যই ইউএমএস ব্যবহার করতে হবে।

কিন্তু পর্যাপ্ত কাচাঁ ঘাস ব্যালেন্স দানাদার খাবার ব্যবহার করলে করলে UMS এর প্রয়োজন নেই।

তবে আবারো বলছি ঘাস না থাকলে অবশ্যই UMS বানিয়ে খাওয়াবেন।

★★ইনজেকশন কি কি ব্যবহার করবো?

আপনি প্রতি ৭ দিন বা ১০ দিন পর পর গরু ওজন দিবেন।

গরুর ওজন যদি সঠিক ভাবেই বৃদ্ধি পায় তাহলে বাড়তি কিছু ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।

যদি সমস্যা থাকে তাহলে ব্যবহার করতে পারেন।

এই নিয়মে মোটাতাজাকরণ করলে আশা করি আপনি অবশ্যই লাভবান হবেন ইনশাআল্লাহ।

আশা করি আজকের পোস্ট পড়ে সবাই উপকৃত হবেন।

সকলে নিজের টাইমলাইনে পোস্ট টা শেয়ার করে রেখে দিন যাতে প্রয়োজনে খুঁজে বের করে দেখতে পারেন এবং অন্যরাও উপকৃত হয়।

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

কাপ্তাই হ্রদ ড্রেজিং করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

দেশীয় জাত সংরক্ষণে বিএলআরআই-কে ভূমিকা রাখতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ওয়াপসা-বিবি’র নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত

বাঁধাকপি চাষ পদ্ধতি

একটি ছেলে আর একটি মেয়ে রিক্সায় করে ঘুরতে বের হয়েছে

আগামীকাল ঢাকায় দুই দিনব্যাপী পোল্ট্রি এন্ড সয়া ফুড ফেস্ট শুরু হবে

অনলাইন প্ল্যাটফরমে ভেজাল ওষুধ, ভিটামিন , মিনারেল বিক্রির অনৈতিক বেআইনি প্রচার প্রচারনা জমজমাট

সবার মুখে একই কথা দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না !

কোন ডিম বেশি উপকারী? হাঁসের ডিম নাকি মুরগীর ডিম?

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের নির্বাচনের উপযুক্ত সময় এখন