
রোটারিয়ান ড. মো. হেমায়েতুল ইসলাম আরিফ
উপ-প্রধান ভেটেরিনারি অফিসার, ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
ভূমিকা
প্রাণিসম্পদ বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, যা খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত খাত হিসেবে স্বীকৃত। জাতীয় অর্থনীতিতে এই খাতের অবদানকে টেকসই ও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আগামী নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে “জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ–২০২৫” পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এই সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাণিসম্পদ সেক্টরের বহুমুখী গুরুত্বকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা, সকল স্তরের অংশীজনকে একত্রিত করা, এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে গণসম্পৃক্ততা ও বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা। এর মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্তর্নিহিত লক্ষ্য।
প্রাণিসম্পদ সেক্টরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব
বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের সরাসরি অবদান প্রায় ১.৯০%, এবং কৃষিজ জিডিপিতে এর অংশগ্রহণ প্রায় ১৬%। এটি বর্তমানে কৃষির একটি দ্রুত বর্ধনশীল উপখাত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, এই খাত দেশের মোট শ্রমশক্তির ২০%-এরও বেশি মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, যার প্রায় ৪০% নারী। বিশেষত গৃহপালিত পশু, হাঁস-মুরগি ও দুগ্ধ খামার নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায়ও এই খাত অপরিহার্য। বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৮.৩ বিলিয়ন ডিম, ১০.৮ মিলিয়ন টন দুধ, এবং ৯.২ মিলিয়ন টন মাংস উৎপাদন করে, যা প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে।
তবে, এই খাত এখনও নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি—যেমন ক্ষুরা রোগ, বার্ড ফ্লু, ও লাম্ফি স্কিন ডিজিজ (এল এস ডি) প্রাদুর্ভাব, আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার সঙ্গে খামারিদের দুর্বল সংযোগ, অপর্যাপ্ত কোল্ড চেইন ব্যবস্থা, এবং সংগঠিত বাজার কাঠামোর অভাব। জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ–২০২৫ এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় একটি সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ–২০২৫: উদ্দেশ্য ও কাঠামো
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ–২০২৫-এর উদ্দেশ্য শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, বরং দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে একটি বিজ্ঞাননির্ভর, অংশগ্রহণমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কাঠামোর অধীনে পুনর্গঠনের একটি সুসংগঠিত উদ্যোগ। এই সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্যগুলোকে চারটি প্রধান স্তরে ভাগ করা যায়—
১. সচেতনতা সৃষ্টি ও জ্ঞানবিস্তার:
প্রাণিসম্পদ খাতের অর্থনৈতিক, সামাজিক, পুষ্টিগত ও পরিবেশগত অবদান সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা এই সপ্তাহের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে “প্রাণিসম্পদই সমৃদ্ধির চাবিকাঠি” এই বার্তাটি জনমানসে প্রতিষ্ঠা করা হবে। টেলিভিশন টকশো, রেডিও প্রোগ্রাম, ডকুমেন্টারি ও প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব, খাদ্য নিরাপত্তায় এর ভূমিকা এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হবে।
২. বহুস্তরীয় অংশীজন সম্পৃক্ততা:
একটি সফল প্রাণিসম্পদ সেক্টর গড়ে তুলতে শুধুমাত্র ভেটেরিনারি চিকিৎসক বা খামারির অংশগ্রহণ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি খাত, সমবায় সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনগুলির সমন্বিত অংশগ্রহণ।
এই প্রেক্ষিতে—
- বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটি (BLS) প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের সেতু হিসেবে সুযোগ প্রদান;
- বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রি সেন্ট্রাল কাউন্সিল (BPICC) শিল্পের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা আয়োজন করবে;
- ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন – বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ (WPSA-BB) এবং সরকারের লাইভস্টক ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (LDDP) এর মাধ্যমে সফল পোল্ট্রি ও ডেইরি উন্নয়ন মডেল প্রদর্শন করা হবে;
- বিভিন্ন ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন এর প্রশিক্ষিত জনবলকে ব্যবহার করে মাঠপর্যায়ে খামারিদের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রদর্শনী আয়োজন করা হবে।
এছাড়া, কৃষি ব্যাংক, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, এনজিও ও রোটারি বা লায়ন্স ক্লাবের মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনাও এই সপ্তাহে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
৩. জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ:
প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কেবল একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া নয়; এটি সামাজিক আন্দোলনও বটে। তাই স্থানীয় জনগণকে এই প্রক্রিয়ার সহ-উদ্যোগতা (Co-Partner) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে “প্রাণিসম্পদ ও আমরা” শীর্ষক রচনা, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। “খামার দিবস” উদযাপন, “খামার পরিদর্শন ট্যুর” এবং গণটিকা কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও যুব সমাজকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সম্পৃক্ত করা হবে। এভাবে নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রাণিসম্পদ পেশাকে মর্যাদাপূর্ণ ক্যারিয়ার হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
৪. ধারাবাহিকতা ও টেকসই উদ্যোগ নিশ্চিতকরণ:
সপ্তাহটিকে একটি বার্ষিক রুটিন কার্যক্রম হিসেবে জাতীয় ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে এটি কেবল এককালীন আয়োজন না হয়ে দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরমুখী প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকে। এই সপ্তাহে গৃহীত প্রতিশ্রুতি ও সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি মনিটরিংয়ের জন্য একটি “Follow-up & Implementation Cell” গঠন করা হবে, যেখানে সরকারি দপ্তর, একাডেমিয়া ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সপ্তাহের প্রধান কার্যক্রমসমূহ (Major Activities):
- জ্ঞান বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম:
- “টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে নীতিমালা” শীর্ষক জাতীয় সেমিনার এবং “আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন প্রযুক্তি” বিষয়ক হাতে-কলমে (Hands-on) প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন।
- প্রাণিসম্পদ মেলা ও প্রদর্শনী:
উন্নত জাতের গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, ভেড়া, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও মানসম্মত ভেটেরিনারি ঔষধের প্রদর্শনী স্টল স্থাপন। এর সঙ্গে থাকবে ডিজিটাল খামার ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, বায়োসিকিউরিটি ডিভাইস এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শনী।
- বিনামূল্যে সেবা প্রদান:
দেশব্যাপী নির্বাচিত স্থানে বিনামূল্যে ভেটেরিনারি হেলথ ক্যাম্প, ডিওয়ার্মিং ও টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা। পাশাপাশি খামারিদের জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ।
- নীতিনির্ধারণী আলোচনা ও পরামর্শ সভা:
সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক, শিল্প উদ্যোক্তা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে “প্রাণিসম্পদ মাস্টারপ্ল্যান–২০৪১” প্রণয়ন বিষয়ে পরামর্শ সভা ও উন্মুক্ত মতবিনিময় আয়োজন।
প্রাণিসম্পদ সেক্টরের অংশীজন: ভূমিকা ও প্রত্যাশা
১. ভেটেরিনারি চিকিৎসক:
- বর্তমান চ্যালেঞ্জ: বাংলাদেশে প্রাণী প্রতি ভেটেরিনারিয়ান এর অনুপাত আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম। ভারতের কিছু রাজ্যে এই অনুপাত ১:১০০০ এর কাছাকাছি, অথচ বাংলাদেশে এটি ১:১৫,০০০-এরও বেশি হতে পারে। গ্রামীণ পর্যায়ে Qualified চিকিৎসকের অভাব প্রকট।
- – ভূমিকা: প্রাণির রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, ও টিকা সেবাকে সুলভ ও সহজলভ্য করা এবং জুনোটিক রোগ নিয়ন্ত্রণে অগ্রনী ভূমিকা পালন।
- – প্রত্যাশা: পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ ভেটেরিনারি চিকিৎসক নিয়োগ, আধুনিক ডায়াগনস্টিক কিট ও Mobile Veterinary Clinic চালু করা, ভেটেরিনারি সেবাকে একটি জরুরি সেবা (Emergency Service) হিসেবে ঘোষণা করা, যাতে ২৪/৭ সেবা প্রদান নিশ্চিত হয়।
২. খামারি ও উৎপাদক:
- ভূমিকা: দেশীয় ডিম, দুধ ও মাংস উৎপাদনের মূল চালিকাশক্তি।
- প্রত্যাশা: উন্নত জাত, মানসম্মত খাদ্য ও ঔষধে ভর্তুকি, এবং ন্যায্য বাজার মূল্য নিশ্চিতকরণ।
৩. ঔষধ ও খাদ্য উপকরণ সরবরাহকারী:
- ভূমিকা: নিরাপদ ও কার্যকর খাদ্য-ঔষধ সরবরাহ।
- প্রত্যাশা: ভেজালমুক্ত উপকরণ আমদানিতে সুবিধা ও মাননিয়ন্ত্রণ ল্যাব শক্তিশালীকরণ।
৪. পরিবেশক ও বিক্রেতা:
- প্রত্যাশা: উন্নত লজিস্টিকস, কোল্ড স্টোরেজ সুবিধা ও সংগঠিত বাজার কাঠামো।
৫. ভোক্তা:
- প্রত্যাশা: নিরাপদ, মানসম্মত ও ভেজালমুক্ত পণ্য প্রাপ্তি এবং পণ্যের উৎস বিষয়ে স্বচ্ছতা।
৬. গবেষক ও নীতিনির্ধারক:
- ভূমিকা: জলবায়ু সহনশীল ও উচ্চ উৎপাদনশীল জাত উদ্ভাবন এবং বাস্তবভিত্তিক নীতি প্রণয়ন।
- প্রত্যাশা: পর্যাপ্ত গবেষণা তহবিল, প্রযুক্তি স্থানান্তর, ও প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন।
৭. জনসাধারণ:
- ভূমিকা: সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় উন্নয়নে অংশগ্রহণ।
৮. রপ্তানিমুখী শিল্প:
- প্রত্যাশা: আন্তর্জাতিক মানের গুণমান নিশ্চয়তা, রোগমুক্ত অঞ্চল (Disease-Free Zone) তৈরি, এবং বিশ্বস্ত হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা।
ধারাবাহিকতা রক্ষার কৌশল
১. বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা: “জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ” কে জাতীয় ক্যালেন্ডারের স্থায়ী ইভেন্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।
২. গবেষণাভিত্তিক মূল্যায়ন: অংশীজনদের মতামত সংগ্রহ করে কার্যকারিতা বিশ্লেষণ ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ।
৩. সমন্বিত নেটওয়ার্ক গঠন: সরকার, এনজিও, শিল্প, একাডেমিয়া ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় কমিটি গঠন।
৪. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম: “প্রাণিসম্পদ বাতায়ন” নামে মোবাইল অ্যাপ চালু, যেখানে থাকবে চিকিৎসা পরামর্শ, বাজারদর, রোগ সতর্কতা ও প্রশিক্ষণ মডিউল।
৫. নীতিগত ও আর্থিক প্রতিশ্রুতি: সরকারি বাজেট বৃদ্ধি, PPP মডেল উৎসাহিত করা, এবং কৃষিঋণ সহজলভ্য করা।
উপসংহার
জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ–২০২৫ কেবল একটি প্রতীকী আয়োজন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের রূপান্তরমুখী অগ্রযাত্রার সূচনা। এই উদ্যোগ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা, পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য এক অপরিহার্য পদক্ষেপ।
অংশীজনদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা, জনসচেতনতা এবং সরকারের দৃঢ় নীতিগত অঙ্গীকারের মাধ্যমে এই উদ্যোগ একটি লাভজনক, টেকসই ও রপ্তানিমুখী প্রাণিসম্পদ শিল্প গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
অতএব, “জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ–২০২৫” হবে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ সেক্টরের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণের দিকচিহ্ন, যা দেশকে ২০৪১ সালের উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরের যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।























