
রানীক্ষেত রোগ হলো পোল্ট্রি বা হাঁস-মুরগির একটি অত্যন্ত সংক্রামক ও মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা নিউক্যাসল রোগ নামেও পরিচিত। এটি মুরগির শ্বাসযন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র এবং পাচনতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং এর ফলে অনেক সময় দ্রুত মৃত্যুও হতে পারে। এই রোগের প্রতিরোধে টিকা এবং কঠোর জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
রানীক্ষেত রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত
- কারণ:
- এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এভিয়ান প্যারামিক্সোভাইরাস-১ (APMV-1) দ্বারা ঘটে থাকে।
- আক্রান্ত প্রাণী:
- সাধারণত মুরগি এই রোগে আক্রান্ত হয়, তবে টার্কি, কোয়েল, কবুতর, গিনি ফাউল, কাক, তোতা ইত্যাদিও আক্রান্ত হতে পারে।
- লক্ষণ:
- শ্বাসকষ্ট, স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা (যেমন: হাঁটাচলার অস্বাভাবিকতা) এবং পাচনতন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয়।
- প্রতিরোধ ও চিকিৎসা:
- টিকাদান: রানীক্ষেত রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো টিকা দেওয়া।
- জৈব নিরাপত্তা: খামারে কঠোর জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা (biosecurity) বজায় রাখা জরুরি।
- চিকিৎসা: এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তবে টিকা এবং জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- অন্যান্য তথ্য:
- এই রোগটি প্রথম ইংল্যান্ডের নিউক্যাসেলে শনাক্ত হওয়ায় এটি ‘নিউক্যাসল রোগ’ নামেও পরিচিত।
- অনেক ক্ষেত্রে রোগের সংক্রমণ রোধ করার জন্য আক্রান্ত বা সংবেদনশীল পাখিদের হত্যা করা হতে পারে।
























