RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
সোমবার , ২৩ মার্চ ২০২৬ | ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

বন ও বৃক্ষ নিধনে শাস্তির বিধান রেখে জারি হয়েছে ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

https://agriculturenews24.com/সংবাদদাতা।। বন ও বৃক্ষ নিধনে শাস্তির বিধান রেখে জারি হয়েছে ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’।।

ঢাকা, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, বনভূমি ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষ ব্যবস্থাপনা, অপরাধ ও দন্ড এবং বিবিধ বিষয়ে ছয়টি অধ্যায়ে প্রকাশিত হয়েছে এই গ্যাজেট।

বাণিজ্যিক উৎপাদনের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো কারণে গাছে পেরেক বা ধাতব বস্তু ব্যবহার করে ক্ষতিসাধন করা যাবে না। এ বিধান অমান্য করলে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন।

নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ‘বন আইন, ১৯২৭-এর ৪ ও ৬ ধারার আওতাভুক্ত গেজেটভুক্ত বন, অশ্রেণিভুক্ত রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বন এবং সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন গণপরিসরের গাছ কর্তন বা অপসারণ করা যাবে।

এ অধ্যাদেশ কার্যকর করতে প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব প্রদান করবেন। গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত অথবা বন অধিদপ্তর কর্তৃক বিপদাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত কোনো গাছ কাটা যাবে না নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী।

তবে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অবস্থিত কর্তনযোগ্য গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে গাছের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, বুক সমান উচ্চতায় বেড়ের পরিমাপ এবং কর্তনের কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর আবেদন জমা দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশে অবৈধভাবে গাছ কাটার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাদেশ লঙ্ঘনের শাস্তিকর্তন নিষিদ্ধ গাছ কাটলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা এবং ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের ব্যবস্থা নিতে পারবেন আদালত। এছাড়া অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য গাছের বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, আর গাছের ক্ষতিসাধনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে।

সরকারি বা বেসরকারি কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, কর্মকর্তা বা প্রতিনিধিকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা জরিমানার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তাদের মামলা দায়ের, তদন্ত, তল্লাশি, জব্দ ও আদালতে বন অধিদপ্তরের পক্ষে মামলা পরিচালনার ক্ষমতাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

বনভূমির জরিপ ও রেকর্ডের নিয়ম
অধ্যাদেশে বৃক্ষাচ্ছাদন থাকুক বা না থাকুক, গেজেট দ্বারা ঘোষিত সব বনভূমি বন বিভাগের নামে রেকর্ড নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে রক্ষিত ও অর্জিত বনভূমি জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ডভুক্ত থাকবে এবং এসব বনভূমি বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে।

বন বিভাগের ব্যবস্থাপনাধীন রক্ষিত, অর্পিত ও অর্জিত কোনো বনভূমি বন্দোবস্ত দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। তবে বিধি অনুযায়ী কোনো বনভূমি অবমুক্ত করা হলে এ ক্ষেত্রে রেকর্ড-সংক্রান্ত এসব বিধান প্রযোজ্য হবে না।

অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর বন অধিদপ্তরকে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

যেসব দাগে বন বিভাগের আংশিক ভূমি রয়েছে বা বনভূমির দাগের সঙ্গে সংলগ্ন খাস জমি আছে, সেসব ক্ষেত্রে বন্দোবস্ত দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগকে অবহিত করতে হবে। পরে যৌথ জরিপের মাধ্যমে বনভূমি ও খাস জমির সীমানা নির্ধারণ করতে হবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বনের অখণ্ডতা রক্ষায় সরকার বনাঞ্চলের ভেতরে থাকা খাস জমি বন বিভাগের অনুকূলে হস্তান্তর করতে পারবে। একইসঙ্গে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করে তা বন হিসেবে ঘোষণা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরনের অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ভূমিসহ ঐতিহ্য ও প্রথাগতভাবে ভোগ করা বন অধিকার নিষ্পত্তির শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

শর্তসাপেক্ষে বনভূমি বিনিময়
কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থা বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন জমির ভেতরে বিচ্ছিন্নভাবে এক একরের কম কোনো বনভূমি থাকলে অপরিহার্যতা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সরকারপ্রধানের অনুমোদনে বিনিময়ের অনুমতি দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই বনভূমির পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বনসংলগ্ন দ্বিগুণ নিষ্কণ্টক জমি ওই সংস্থা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান বন বিভাগকে হস্তান্তর করতে হবে। হস্তান্তরিত এ জমি সরকার সংরক্ষিত বনভূমি হিসাবে ঘোষণা করবে বলে প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।

উম্মুল খায়ের ফাতেমা, জনসংযোগ কর্মকর্তা, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

রানীক্ষেত রোগ

বাংলাদেশের অনুকূল জলবায়ু ও উর্বর মাটির কারণে সারা বছর ফসল উৎপাদন সম্ভব

প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপির হাতে মৎস্য রপ্তানী প্রসারে ই-ট্রেসিবিলিটি প্রকাশনাগ্রন্থ হস্তান্তর

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন (বিপিআইএ)-এর ২০২৫–২০২৭ মেয়াদী নবনির্বাহী পরিষদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুরগি ঝিমাতে দেখলে যা যা করতে হবে

শীতেকালে ছাগলের যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগ হতে পারে তার চিকিৎসা ও প্রতিকার

রবি ৬০ টাকা থেকে ৬০ লাখ টাকার মালিক

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদনের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি সরকারের লক্ষ্য – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

Know different aspects of different oil seeds

জেনে নিন বিভিন্ন তেল বীজের বিভিন্ন দিক

ছাগলের তড়কা বা অ্যান্থ্রাক্স