RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
রবিবার , ১৭ মে ২০২৬ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
  

লতাপাতা ও গাছগাছলি দিয়ে সবুজ সার তৈরী

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ ৮:৪৮ অপরাহ্ণ

প্রত্যেক বাড়িতে জৈব সার কারখানা গড়ে তুলুন।।

লতাপাতা ও গাছগাছলি দিয়ে সবুজ সার তৈরী।।
সবুজ সার কী? এরকম প্রশ্ন উথাপিত হওয়া স্বাভাবিক। এ প্রশ্নের সহজতর জবাব হচ্ছে-কোনো উদ্ভিদকে সবুজ অবস্থায় চাষ দিয়ে মাটির সাথে মেশানোর ফলে পচে গিয়ে যে সার তৈরী হয়, তাকেই সবুজ সার বলে। অন্য কথায় বলা যায় যে, মাটির জৈব পদার্থের ক্ষয়পূরণ বা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে একই স্থানে কোনো ফসল জন্মিয়ে সবুজ গাছগুলোকেব মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়াকে সবুজ সার বলে। জমিতে এই পদ্ধতিতে সবুজ সার ব্যবহারের ইতিহাস স্মরণাতীতকাল থেকেই চলে আসছে। রোমানগণ সর্বপ্রথম মিশ জাতীয় শস্য সবুজ সার হিসাবে ব্যবহার করেছেন।

সবুজ সার জাতীয় গাছর পরিচিতি
শুঁটি এবং অশুঁটি উভয় জাতীয় গাছ দ্বারাই সবুজ সার করা যায়। সবুজ সারের উপযোগী প্রায় ৩০টির মতো শুটি এবং ১০টির মতো অশুঁটি জাতীয় শস্য রয়েছে। আমাদের দেশে সচরাচর শুঁটি জাতীয় গাছই সবুজ সার হিসাবে ব্যবহারের জন্য চাষ করা যায়। এগুলোর মধ্যে ধৈঞ্চা, বরবটি, শণই প্রধান। এ ছারা শিম, খেসারি, মাশকলাই, মুগ, মটর, মসুর, ছোলা, সয়াবীন, চীনাবাদাম, অরহর প্রতৃতিও শুটি জাতীয় শস্য। অশুঁটি জাতীয় গাছের মধ্যে রয়েছে ভুট্টা, ধান, গম, খোয়ার, ইক্ষু, সূর্যমুখী, বাজরা, তুলা, তামাক প্রভৃতি।

কিভাবে সবুজ সার প্রস্তুত করবেন
বাংলাদেশে ব্যবহার উপযোগী দু্’একটি আদর্শ সবুজ সার জাতীয় ফসালের চাষ ও সবুজ সার প্রস্তুত প্রণারী সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক।

শুঁটি জাতীয় সবুজ সার
শুঁটি জাতীয় সবুজ সারের উপযোগী গাছ সারা বছরই চাষ করা যায়, তবে শীতের সময় এর বাড় বাড়তি কম হয়।

ধৈঞ্চা
ধৈঞ্চা বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়াতে ভাল জন্মায়। দু-একটি চাষ ও মই দিয়ে ধৈঞ্চার বীজ বৈশাখ/জ্যৈষ্ঠ মাসে ঘন করে বুনে দিন। বীজ বোনার আগে শিকড়ের শুঁটির সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হেক্টরপ্রতি ২০ কেজি বীজ ঘন করে ছিটিয়ে বুনে তা হালকা চাষ দিয়ে বীজগুলো মাটির নিচে ফেলে দিন। কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই দেখবেন দু’মাসের মাধ্যে গাছে ফুল দেখা দিয়েছে। তখনই গাছ সবুজহ সার তৈরীর উপযুক্ত হয়েছে ধরে নেবেন। গাছ বেশি লম্বা হয়ে গেলে ২/৩ টুকরা করে কেটে নিয়ে ঐ ক্ষেত্রে মই দিয়ে গাছ মাটির সাথে মিশিয়ে দিন ক্ষেত্রে সামান্য পানি থাকলে ধৈঞ্চা মই দেয়ার পর খুব সহজে কাদামাটির সাথে মিশে যায়। সাধারণত প্রথম চাষ দেয়ার ১০/১২ দিনের মাথায় পুনরায় চাষ ও মই দিন। দেখবেন মোট ১০/১৫ দিনের মাথায় ধৈঞ্চা গাছ মাটির সাথে মিশে গিয়ে সুবজ সারে পরিণত হয়েছে। ধৈঞ্চা সারের পর রোপা আমন ভালো জন্মায়- তাই ধৈঞ্চা চাষের পর রোপা আমনের চাষ করুন।

শণ
শণ একটি উৎকৃষ্ট সবুজ জাতীয় সার। ধৈঞ্চার অনুরূপ পদ্ধতিতে হেক্টরপ্রতি ৪০/৫০ কেজি বীজ ঘন করে উঁচু জমিতে বপন করুন। শণ গাছ দাঁড়ানো পানি সহ্য করতে পারে না। তাই ক্ষেতে নালা রাখুন। গাছ ১.২/১.৫ মিটার উঁচু বা ৭/৮ সপ্তাহ পর ফুল দেখা দিলেই ধৈঞ্চার মতো মই দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। ১৫ দিন পর আবার মই দিয়ে ক্ষেতের পানির সাথে মিশিয়ে দিন। এমনি গাছ পচে যেতে সময় লাগকেব এক মাস। শণ গাছ পচে গিয়ে মাটিতে উৎকৃষ্ট মানের জৈব সার প্রস্তুত করে।

বরবটি
বরবটিও সবুজ সার হিসাবে চাষ করা যায়। যদিও বরবটি মানুষ ও পশুখাদ্য হিসাবেই বেশি চাষ হয় তথাপি চীনে সবুজ সার হিসাবে চাষে এর ফলন বেশি।

বরবটি উঁচু জমির শস্য। পানি দাঁড়ালে ভাল কখনও হয় না। লাল মাটির জন্য খাড়টি অত্যন্ত উপযুক্ত সবুজ সার। অত্যন্ত দ্রুত বর্ধনশীল বরবটি গাছে মাত্র ছয় সপ্তাহের মাঝেই ফুল আসে এবং তখনই তা সবুজ সার হিসাবে ব্যবহারের উপযুক্ত হয়। ঐ সময় চাষ দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে সবুজ সার প্রস্তুত করতে হয়।

সর্বশেষ - ছাগল পালন