পুঁইশাক চাষ পদ্ধতি

ভূমকিা ও ব্যবহার
পুঁইশাক কোমল কাণ্ড ও পত্রবহুল লতানো র্দীঘজীবী উদ্ভদি। বাংলাদশেে তা খুবই জনপ্রয়ি এবং র্বষজীবী ফসল হসিাবে চাষ হয়ে থাক। পুঁই অত্যন্ত পুষ্টকির ও সুস্বাদু সবজ। এতে প্রচুর পরমিাণে ভটিামনি ‘এ’ ও ক্যালসয়িাম এবং সীমতি পরমিাণে অন্যান্য ভটিামনি ও খনজি লবণ বদ্যিমান আছ। এর পাতা, কচডিগা, অপক্ব ফল, ফুল ইত্যাদি শাক ও তরকারি হসিবেে ব্যবহৃত হয়। ইলসে পুঁই খতেে খুবই মুখরোচক। কথায় বল, ‘মাছরে রাজা রুই, শাকরে রাজা পুঁই।’
মাটি ও জলবায়ু
পুঁইশাকের বৃদ্ধির জন্য যথষ্টে পানরি প্রয়োজন হয়। তবে এ গাছ দাঁড়ানো পানি সহ্য করতে পারে না। উঁচু, দো-আঁশ, বলেে দো-আঁশ এ এঁটলে দো-আঁশ মাটি এবং উষ্ণ ও র্আদ্র পরবিশেে ইহা ভালো জন্ম। র্সুযালোকের অভাবে গাছ র্দুবল ও লকিলকিে এবং শীতে গাছের বৃদ্ধি ও বীজ গজানো ব্যাহত হয়।
জাত
লাল এবং সবুজ দু’জাতরে পুঁই চাষ করা হয়। উভয় জাতরে পাতাই পুরু ও চওড়া এবং কাণ্ড বা ডাঁটা কোমল ও রসালো। গায়রে র্বণ জাতরে নামানুযায়ী লাল ও সবুজ হয়ে থাক।ে লাল জাত বশেি পুষ্টকির বলে কথতি আছ।ে
উৎপাদন প্রযুক্তি
বারবার চাষ ও মই দয়িে মাটি ঝুরঝুরে করার পর জমতিে এক মটিার বা তনি ফুট পরপর ১৫-২০ সমে.ি প্রশস্ত অগভীর নালা কাটতে হয় এবং নালার মাটি দু’দকিে ছড়য়িে দলিে সচে ও নষ্কিাশন সুবধিা যুক্ত এক মটিার চওড়া বডে তরৈি হয়ে যায়। পরে মাচার ফসল বডেরে মাঝ বরাবর এক সারতিে ১০০-১২০ সমে,ি দূরত্বে আর ভুঁয়ে ফসল ৩৫-৪০ সমে.ি দূরত্বে তনি সারতিে ২৫-৩০ সমে.ি পর পর মাদা বা খুবরাীতে বীজ বপন বা চারা রোপণর্পূবক চাষ করতে হয়। ভুঁয়/ে জমতিে ফসলরে খরচ কম লাগ।ে বীজ ফসলরে জন্য মাচায় পুঁই চাষ করা উত্তম। প্রতি মাদায় বা খুবরীতে ৪-৫টি বীজ বপন করতে হয় এবং গজানোর পর ২টি করে সুস্থ ও সবল চারা রাখলইে চল।ে বীজতলায় চারা উৎপাদন বা বয়স্ক ডাঁটার শাখা কলম করওে রোপণ করা চল।ে শাক আবাদরে জন্য হক্টেরে ১.৫-২.০ কজেি বীজ লাগ।ে বপনরে আগে ২৪ ঘন্টা পানতিে ভজিয়িে নলিে বীজ গজাতে সুবধিা হয়। পুঁইশাক সারা বছরই চাষ করা যায়। গ্রীষ্ম ও র্বষা মৌসুমওে আবাদ করা চল।ে
সার ব্যবস্থাপনা
এ ফসল আবাদ করতে হলে হক্টেরপ্রতি ১০টন গোবর, ২০০ কজেি ইউরয়িা, ১০০ কজেি টএিসপি এবং ১০০ কজেি এমপি সার প্রয়োগ করা যতেে পার।ে গোবর ও টএিসপি সার প্রয়োগ জমি তরৈরি সময়ে সুস্থ জমতিে আর বাকি র্অধকে চারা রোপণরে র্গতে প্রয়োগ করা ভালো। পরে ফসলরে অবস্থা ও পরবিশে ববিচেনা করে ইউরয়িা ও পটাশ সার ৩-৪ কস্তিতিে গাছরে গোড়ার চারপাশে উপরপ্রিয়োগ করা চল।ে তাছাড়া জমরি মাটি ঝুরঝুরে ও আগাছামুক্ত রাখতে হয় এবং প্রয়োজনমতো সচে নষ্কিাশন ও মাচার ব্যবহার করতে হয়।ে
ফসল সংগ্রহ ও বপিণন
চারা গজানোর ৪০-৪৫ দনি পর থকেইে ভুঁয়ে ফসলরে ২০-২৫ সমে.ি লম্বা ডগা পাতাসহ গোড়ার কছিুটা উপররে অংশ কটেে সংগ্রহ করা চল।ে ডগা সংগ্রহরে পর পুনঃপুনঃ গোড়া থকেে শাখা-প্রশাখা বরে হয় যা ৫-৬টি পাতা ধারণ করলে পুনরায় সংগ্রহ করা হয়। মাচার ফসল বলিম্বে সংগ্রহ উপযোগী হয় এবং বাউনীতে লতানোর আগে সংগ্রহ করা যায় না। ডগা আঁশ আঁশ হওয়ার আগে রসাল অবস্থায় সংগ্রহ করা ও বাছাইর্পূবক আঁটি বঁেধে বপিণন করা উচতি। যথারীতি এফসল পরর্চিযা করলে ফল ধরার আগে র্পযন্ত গাছলে শাখা-প্রশাখা বস্তিার ও ফসল সংগ্রহ অব্যাহত থাক।ে এতে হক্টেরপ্রতি ৫০-৬০ টন পুঁই এবং ৩০০-৫০০ কজেি বীজ জন্ম।ে
বীজ উৎপাদন
ভাদ্র-আশ্বনি মাসে বডেরে উপরে ৩০-১৫ সমে.ি দূরত্বে বীজ বা চারা রোপণ করতে হয়। ডগা লতয়িে বশেি হতে দওেয়া অনুচতি। অগ্রহায়ণ মাসে গাছরে ফুল ও ফল ধরে এবং ফাল্গুন-চত্রৈ মাসে বীজ পাক।ে মাচা করওে এ গাছে বীজ জন্মানো যায়। কšিত্ত খরচ বশেি পড়।ে তবে শাক হসিবেে কাটা গাছে ভালো বীজ জন্মে না।
উপাত্ত সংগ্রহ-কৃষি তথ্য র্সাভসি
























