
ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশে দিনে দিনে যেন ধর্ষণে মেতে উঠেছে ধর্ষককুল। পিতৃসমতুল্য শিক্ষক, ঈমানদার হিসেবে বড়াইকরা, মানুষকে হেদায়েতের বাণী শোনানো মোল্লা-মুসল্লিগণও এখন ধর্ষকের ভূমিকায় নেমে পড়েছেন। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত গবেষণা মতে এক বছরে বাংলাদেশে ১ হাজারেরও বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশের চট্টগ্রামে এক ছাত্রীকে হাত-পা বেধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা কোচিং সেন্টার মালিক র্যাবের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে নিহত হয়েছে। বলছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
র্যাবের পক্ষ থেকে একটি ক্ষুদে বার্তায় জানানো হয়েছে, র্যাব-৭ এর একটি টহল দলের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে গতকাল রবিবার রাতে ওই ব্যক্তি নিহত হন।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার উত্তর আমিরাবাদের একটি বাসায় ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
লোহাগাড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, আমিরাবাদের একটি কোচিং সেন্টারে একজন ছাত্রী পড়াশোনা করতেন। গত ১২ই এপ্রিল বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে সেই ছাত্রীর বাসায় গিয়ে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন কোচিং সেন্টারের পরিচালক ও শিক্ষক। পরে ছাত্রীর মা ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার পরে কোচিং সেন্টারটি বন্ধ করে দিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক পালিয়ে যান, বলছে পুলিশ। র্যাব দাবি করেছে, ঘটনাস্থল থেকে দুইটি অস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে, বাংলাদেশে প্রতিবছর এক হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এর আগেও আলোচিত কয়েকটি ধর্ষণ মামলার অভিযুক্তদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ বছরের জানুয়ারিতে চট্টগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে গণ ধর্ষণের অভিযোগ থাকা একজন ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মার্চ মাসে যশোরে শিশু ধর্ষণ মামলার একজন অভিযুক্ত একইভাবে নিহত হয়।
জানুয়ারি মাসে সাভার ও ঝালকাঠিতে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা তিনজন ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাদের গলায় ঝোলানো চিরকুটে লেখা ছিল, ”আমার নাম……মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করার কারণে আমার এই পরিণতি।”
এসব হত্যার জন্য ‘হারকিউলিস’ নাম দাবি করা হলেও, তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি। ২০১৮ সালের এপ্রিলে সাতক্ষীরার শিশু ধর্ষণ মামলার একজন অভিযুক্ত পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।
সূত্র: বিবিসি
























