RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

কোয়েল পাখি পালন সম্পর্কে কিছু কথা

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
নভেম্বর ১৪, ২০২৫ ৮:৪৮ অপরাহ্ণ

কোয়েল পাখি পালন সম্পর্কে কিছু কথা
প্রতিবেদনটি পড়লে যা জানতে পারবেন–
 কোয়েল পাখি পালন ও তার পরিচর্যা
 লেয়ার কোয়েল, ব্রয়লার কোয়েল, ব্রিডার কোয়েল, কোয়েল পালন পদ্ধতি, কোয়েলর বাচ্চা পালন
 বিভিন্ন বয়সের কোয়েলের খাদ্য
 বিভিন্ন বয়সের কোয়েলের খাদ্য তালিকা কোয়েল পাখি পালন ও তার পরিচর্যা

কোয়েল
আমাদের দেশে পোষা পাখির মধ্যে কোয়েল একটি নতুন সংযোজন। বাংলাদেশের আবহাওয়া কোয়েল পালনের জন্য খুবই উপযোগী। বর্তমানে ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে কোয়েল পালন খামার গড়ে উঠেছে। ইতোমধ্যোই কোয়েল পালন যথেষ্ট্য জনপ্রিয়তা লাখ করেছে এবং পোল্টি শিল্পের একটি মজবুত অঙ্গ হিসেবে নিজের স্থান করে নিয়েছে। যেহেতু এ শিল্প সরাসরি প্রাণিজ আমিষ জাতীয় খাদ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত সে জন্য কোয়েল পালনের মাধ্যমে এ দেশের বেকার ছেলে-মেয়েরা তাদের কর্মসংস্থান সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হবে। মানুষ বাড়ছে, এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়ছে, দিন দিন দেশে আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে মাংসের বাজারজাতকরণেরও কোন সমস্যা হবে না। তাই বলা যায় কোয়েল পালনের ভবিষৎ সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জল।
উদ্দেশ্য ও অবস্থান অনুযায়ী তিন ধরনের কোয়েল রয়েছে। (১) বন্য কোয়েল; (২) বাণিজ্যিক কোয়েল; (৩) ল্যাবরেটরি কোয়েল

ল্যাবরেটরি কোয়েল বিভিন্ন গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হয়। খামারীদের কাছে বাণিজ্যিক কোয়েল গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক কোয়েল তিন প্রকার যথা : (ক) লেয়ার কোয়েল, (খ) ব্রয়লার কোয়েল (গ) ব্রিডার কোয়েল।

লেয়ার কোয়েল
ডিম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোয়েলকে লেয়ার কোয়েল বলা হয়। লেয়ার কোয়েল শুধু খাবার ডিম উৎপাদনের জন্য পালন করা । সাধারণত ৬-৭ সপ্তাহ বয়স থেকে স্ত্রী কোয়েল ডিম পাড়া শুরু হয় । লেয়ার কোয়েলের সাথে তাই কোন পুরুষ কোয়েল রাখা হয় না করে এবং প্রতিটি কোয়েল বছরে ২৯০-৩০০টি ডিম পেড়ে থাকে। লেয়ার খামারে সাধারণত ৫৪ সপ্তাহ ব্যাপী মাদী কোয়েল পালন করা হয় । এরপর এগুলোকে ডিম উৎপাদনের জন্য বাতিল করে দেয়া হয় এবং মাংসের জন্য বিক্রয় করা হয়।


ব্রয়লার কোয়েল
নরম ও সুস্বাদু মাংস উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত জাপানী কোয়েলকে ব্রয়লার কোয়েল’ বলা হয়। এ উদ্দেশ্যে মর্দা-মাদী নির্বেশেষে জন্মের ওজন ১৪০ ওজন ১৪০-১৫০ গ্রাম হয়ে যায়। দিন থেকে পাঁচ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত এদেরকে পালন করা হয়। এ সময়ের মধ্যে একেকটির জীবিত এগুলো থেকে প্রায় ৭২.৫% খাওয়ার উপযোগী মাংস পাওয়া যায় । মাংস উৎপাদনের জন্য পৃথিবীতে যতো ধরনের কোয়েল তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে ভারতের তামিলনাড়ু প্রদেশের কোইমবাটোরস্থ্য এ.ভি.এম. হ্যাচারিজ এন্ড ব্রিডিং রিসার্চ সেন্টার (প্রাঃ) লিমিটেড কর্তৃক সাদা কোয়েলই উৎকৃষ্টতম। অবশ্য এটি এখনও আমাদের দেশে আনা হয়নি। তাই আপাতত লেয়ার কোয়েলগুলোই ব্রয়লার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এদের মাংস উৎপাদন হারও যথেষ্ট ভাল ।


ব্রিডার কোয়েল
লেয়ার ও ব্রয়লার কোয়েলের বাচ্চা ফোটানোর ডিম উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত সক্ষম মর্দা-মাদী বাছাই করা প্রজননে কোয়েলগুলোকে ব্রিডার কোয়েল বলা হয়। সাধারণত ৭-৮ সপ্তাহ বয়সের মাদী এবং ১০সপ্তাহ বয়সের মর্দা কোয়েরকে ব্রিডিং খামারে এনে পালন করা হয়। তবে এদের বয়স ১০ সপ্তাহ হওয়ার পর প্রজননের কাজে ব্যবহার করা উত্তম । এখানে এদেরকে ৩০ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত রাখা হয়। ডিমের উর্বরতা ভাল রাখার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে ২টি মাদী কোয়েলের সংগে একটি মর্দা কোয়েল রাখতে হয়।


কোয়েল পালন পদ্ধতি
মুরগির বাচ্চার মত কোয়েলের বাচ্চাকেও কৃত্রিম পদ্ধতিতে ব্রæডিং করা দরকার হয়। কোয়েল পালনের পুরো সময়কালকে দু’টো ভাগে ভাগ করা হয়। (১) বাচ্চা পালন পর্ব (২) বয়স্ক কোয়েল পালন

বাচ্চা পালন পর্ব
শুন্য থেকে ৩৫ দিন পর্যন্ত বাচ্চা পালন পর্বের অন্তর্ভূক্ত তবে ১৪ দিন পর্যন্ত ব্রæডিং করতে হয় । পরিবেশের তাপমাত্রার কারণে ব্রডিং পর্ব ৩ সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় হতে পারে। একদিন বয়সের বাচ্চার জন্মের পর থেকে কৃত্রিম ভাবে তাপের মাধ্যমে পালন করাকে ব্রæডিং বলা হয় ।

কোয়েলের বাচ্চা পালন
কোয়েলের বাচ্চা ব্যাটারি বা লিটার যে কোন পদ্ধতিতেই পালন করা যায়। তবে যে পদ্ধতিতেই পালন করা হোক না কেন এদের খাঁচা যে ঘরে রাখা হবে বা লিটার পদ্ধতিতে যে ঘরে পালন করা হবে সেটি যথেষ্ট মজবুত হওয়া বাঞ্ছনীয় । সঠিক ভাবে কোয়েলের বাচ্চা পালনের জন্য নি¤œলিখিত বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে।

১. সঠিক তাপমাত্রা বাচ্চা পালন ঘরের তাপমাত্রা ২১-২২ ডিগ্রী সেলসিয়াস-এ রাখতে হয়। ব্রæডারের বাচ্চাদের তাপ দেওয়ার বিশেষ ধরনের যন্ত্র রাখতে হয়। এরপর প্রতি তিন থেকে চারদিন পরপর ২.৫ -৩.০ ডিগ্রি সেঃ করে কমিয়ে তিন সপ্তাহ পর তা ঘরের তাপমাত্রায় নামিয়ে আনতে হবে। শীতকাল ছাড়া বাচ্চা পালনের পরবর্তী দু’ সপ্তাহ শুধু মাত্র রাতের বেলায় তাপের ব্যবস্থা করলেই চলে ।

২. পর্যাপ্ত আলো দু সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত বাচ্চাদের ঘরে ২৪ ঘন্টা আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। তৃতীয় সপ্তাহের শেষে তা কমিয়ে দৈনিক ১২ ঘন্টায় সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। তবে তাড়াতাড়ি যৌন পরিপক্ক আনতে হলে প্রথম দিন থেকে ৫-৬ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত দৈনিক ২৪ ঘন্টা আলো জ্বেলে রাখতে হবে। ব্রয়লার ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি ওজন বাড়ানোর জন্য ২৫-২৮ দিন থেকে ৩৫ দিন পর্যন্ত বাজারজাত করার ৭-১০ দিন পূর্ব থেকে দৈনিক ৮ ঘন্টা আলোতে ও ১৬ ঘন্টা অন্ধকারে রাখতে হবে।

৩. বায়ু চলাচল ব্যবস্থা বাচ্চা পালন ঘরে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ বায়ু ঢোকা ও জন্য সঠিক বায়ু চলাচল ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন । ব্রæডিংয়ের প্রথম সপ্তাহে ঘরে বায়ু চলাচল ব্যবস্থা সর্বনি¤œ ঘরে সৃষ্ট ক্ষতিকারক গ্যাস বের হয়ে যাওয়ার রাখতে হবে এবং ধীরে ধীরে তা বড়াতে হবে ঘরের আপেক্ষিক আর্দ্রতা প্রথম তিন সপ্তাহে ৬০-৬৫% পরবর্তী দু’সপ্তাহে ৫৫-৬০% এ রাখতে হবে।

বাচ্চার ঘনত্ব তিন সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত প্রতিটি বাচচার জন্য ব্রুডারের হোভারের নিচে ৭৫ বর্গ সেঃ মিঃ জায়গা বরাদ্ধ করতে হবে। ব্রুডারের হোভারে চারদিক থেকে চিক গার্ড পর্যন্ত ফাঁকা জায়গাটুকু একই পরিমান জায়গা থাকবে ৩-৫ সপ্তাহ পর্যন্ত ১৫০ -১৭৫ বর্গ সেঃমিঃ জায়গার প্রয়োজন হবে। লিটার পদ্ধতিতে প্রতিটি বাচ্চার জন্য সর্বমোট ২০০-২৫০ বর্গ সেঃমিঃ জায়গা দিতে হবে।

৪. খাদ্য ও পানি ব্যবস্থাপনা যদি কোন বাচ্চা তার ধারে কাছে খাদ্য ও পানি খুঁজে না পায়, তবে তার শরীর পর্যাপ্ত শক্তির অভাবে ঠন্ডা হয়ে যাবে ও না খেতে পেয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে মারা যাবে। ব্রুডিং-এ উচচ তাপমাত্রায় বাচ্চারা সহজেই পানিশূন্যতায় ভোগে তাই এদের জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করতে হবে ।

৫. স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বাচ্চাদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ঘর ও ব্রুডারের পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া বাঞ্ছনীয়। বাচ্চা পালন করতে হবে। তাছাড়া অন্যান্য প্রাণি-পাখিও যেন পালনকারি ছাড়া অন্যদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ আশেপাশে না আসতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বিভিন্ন বয়সের কোয়েলের খাদ্য
কোয়েল পালনকালে বিভিন্ন পর্যায়ে স্বাভাবিক বৃদ্ধি স্বাস্থ্যরক্ষা, ডিম ও মাংস উৎপাদনের জন্য এদের খাদ্যে বিভিন্ন পুষ্টিমাণ ও উপাদানের চাহিদার বেশ তারতম্য ঘটে। পুষ্টি উপাদানের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বয়স অনুযায়ী কোয়েলকে বিভিন্ন শ্রেনীতে ভাগ করা হয় । প্রারম্ভিক পর্ব; বৃদ্ধি পর্ব; ডিম পাড়া পর্ব; ব্রিডার পর্ব।

প্রারম্ভিক পর্ব জন্মের দিন থেকে তিন সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত কোয়েলের খাদ্যের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হয়। কারণ, এসময়টা এদের জীবনের সংকটময় কাল । এ বয়সে এদের দৈহিক বৃদ্ধির সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে এবং মর্দা ও মাদীর বৃদ্ধির হারও সমান থাকে। প্রারম্ভিক পর্বের কোয়েলের খাদ্যে ২৭% আমিষ ও প্রায় ২৮০০ কিলো ক্যালোরি বিপাকীয় শক্তি /কেজি থাকা প্রয়োজন।

বৃদ্ধি পর্ব তিন সপ্তাহের পর থেকে পর থেকে মর্দাগুলোর তুলনায় মাদীগুলোর বৃদ্দির হার বেশি হয় ৷ কারণ এ সময় মাদীগুলোর ডিম্বাশয় ও ডিম্বনালীর আকার ও ওজন বাড়তে থাকে। কোয়েল ছাড়া পোল্ট্রির অন্য প্রজাতিগুলোর মধ্যে এমনটি সচরাচর দেখা যায় না । সামগ্রিকভাবে প্রারম্ভিক পর্বের তুলনায় এ পর্বে কোয়েলের বৃদ্ধির হার কম। এ বয়সের কোয়েলের খাদ্যে ২৪% আমিষ ও ২৮০০ কিলো ক্যালরি বিপাকীয় শক্তি/কেজি থাকতে হয়।

ব্রলয়ার পর্ব কোয়েল ছয় সপ্তাহ বয়স থেকে ডিম পাড়া শুরু করে। এ সময় এদের বৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী পর্ব গুলির মত এত দূরত্ব হয় দৈহিক বৃদ্ধি ও ডিম পাড়া হারের উপর ভিত্তি করে এ পর্ব টিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন ঃ ৬-১৪ সপ্তাহ, ১৫-২৬ সপ্তাহ, ২৭ থেকে বাকি সময় পর্যন্ত । ১৫- ২৬ সপ্তাহ বয়সে দৈহিক বৃদ্ধি এবং ডিমের আকার ও ওজনের তেমন পরিবর্তন হয় না। কাজেই এই পর্যায়ে পূর্ববর্তী পর্যায় থেকে আমিষ ও বিপাকীয় শক্তি কম লাগে। ২৭ সপ্তাহ থেকে বাকি সময় ডিম উৎপাদন কমে যায় । তবে ডিমের আকার ও ওজন কিছুটা বৃদ্ধি পায় এই সময় দৈহিক বৃদ্ধি স্থির থাকে বিধায় আমিষ ও বিপাকীয় শক্তি কম লাগে।

ব্রিডার পর্ব ব্রিডার কোয়েলকে খাদ্য মোরগ-মুরগির মত ব্রিডার রেশন দিতে হয়। এ খাদ্য তৈরি করার সময় ভিটামিন মিনারেল প্রিমিক্সও ব্রিডার রেশন দিতে হয়।

উপাদান প্রারম্ভিক রেশন বৃদ্ধি / রাড়ন্ত রেশন লেয়ার / ব্রিডার রেশন


সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

আগামী ১৮ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫

পেঁয়াজ চাষের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ব্রাজিল থেকে মাংস আমদানির খবর ভিত্তিহীন

দুরন্ত ভালবাসায় একটু চাওয়া

ইলিশের উৎপাদন যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

Government price 1040, trader 600

সরকারের দাম ১০৪০, ব্যবসায়ীর ৬০০

বিশ্ব ব্যাঙ দিবস “সময় এসেছে ব্যাঙের ফার্ম করার”

একই মৌসুমে দ্বিতীয়বার ধান উৎপাদন

যুবদের নেতৃত্বে গড়ে উঠবে জলবায়ু সমাধান

সরকার ভেটেরিনারি সার্ভিসকে আরও শক্তিশালি করার জন্য ২০২০ সালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রাম পুনর্গঠন করে, নতুন অর্গানোগ্রামে অধিক সংখ্যক ভেটেরিনারিয়ানদের ক্যাডার সার্ভিসে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।