
অদ্য ২০ অক্টোবর রোববার সকাল ১০ ঘটিকায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাগর-রুনি কনফারেন্স রুমে “বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস এসোসিয়েশন” এর উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুস্টিত হয়। ডেইরী শিল্পের চলমান নানা সমস্যা
ও প্রতিকার চেয়ে এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যা নিম্নে হুবুহু তুলে ধরা হলো ।
——————————————————————————
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা আসছালামলায়কুম ।
সবাইকে মুবারকবাদ।
বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস এসোসিয়েশন আয়োজিত আজকের সংবাদ সম্মেলনে আমি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, সভাপতি বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস এসোসিয়েশন, উপস্থিত আছেন বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ভুট্টু, মালিক মোঃ ওমর,র্করী সহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
আমি প্রথমে স্বরন করছি 1971 সালে থেকে ২০২৪ এর ৫ই আগস্ট পর্যন্ত যারা শহীদ হয়েছেন ও নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছেন যাদের ত্যাগের কারনে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি আমরা সেই সকল মহান বীরদেরকে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
বেকারত্ব দূরীকরণ ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দেশের সম্ভাবনাময় খাত দুগ্ধ ও গরু মোটাতাজাকরণ শিল্প। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এখন অনেক শিক্ষিত যুব সমাজ এ শিল্পে জড়িত হচ্ছে। এতে দেশের তরল দুধ ও মাংসের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ শিল্পকে বাণিজ্যিকভাবে সফলতা ও বিশুদ্ধ দুধ ও নিরাপদ মাংস সরবরাহে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে দেশীয় খামারিরা। খাদ্যতালিকার এক নম্বর স্থানে রয়েছে দুধ। স্বাস্থ্যসম্মত জাতি তৈরি করতে প্রাণিজ আমিষের বিকল্প নেই। তা ছাড়া দুগ্ধ ও গরু মোটাতাজাকরণ শিল্প কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তবে দু:খজনক হলেও সত্য যে আমরা খামারীরা দেশের অর্থনৈতিক খাতে অবদান রেখে যাচ্ছি তাদের কথা কেউ ভাবে না!
উক্ত কমিটি ডেইরি খামারিদের সার্থ সংরক্ষণের জন্য ও একই সাথে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে দুধ ও মাংসের যোগান দিতে কিছু সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করছে।

১) ডেইরি ও ফ্যাটেনিং খামারের বিদ্যুৎ ও পানির বিল কৃষির আওতায় আনা:
কৃষি বিদ্যুৎ বিল প্রতি ইউনিট- ৫.৪০ টাকা
গরুর ফার্ম এর প্রতি ইউনিট -১১ থেকে ১৪.০০ টাকা
২)দেশে দুধ ও মাংসের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও জনগণকে সাশ্রয়ী মূল্যে দুধ ও মাংস যোগান দিতে খামারিদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা। আমাদের দেশের খামারিরা সম্পুর্ন নিজের পকেটের টাকা দিয়ে দুধ ও মাংস উতপাদন করে কিন্তু এর বিপরিতে ইউরোপীয়, আমেরিকার বা ভারতের খামারিদের জনগনকে সাশ্রয়ী মূল্যে দুধ ও মাংস খাওয়ানোর জন্য সরকার ভর্তুকি প্রদান করে যে কারণে খামারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না আবার জনগণ ও সাশ্রয়ী মূল্যে দূধ ডিম মাংস খেতে পারে।
৫০ থেকে ৯১ পার্সেন্ট পর্যন্ত ভর্তুকি পাওয়া ইউরোপীয় ও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আমদানি কৃত গুড়া দুধের কারনে আমাদের দেশের খামারিরা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে।কারন আমাদের খামারিরা সম্পুর্ন নিজের খরচে দুধ উতপাদন করে কিন্তু ইউরোপীয় খামারিরা একই দুধ ও মাংস উতপাদনের জন্য অর্ধেকের বেশি উতপাদন খরচ সরকারি ভাবে ভর্তুকি পায়।
একশন এইডের গবেষণা প্রতিবেদন, (হাউ ই,ইউ সাবসিডিস হার্ট দি ডেইরি প্রডিউসারস ইন বাংলাদেশ) পড়লেই আমরা ইউরোপীয় সাবসিডি কিভাবে আমাদের খামারিদের বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলছে তার প্রকৃত চিত্র পাব। (গবেষণা পত্র সংযুক্ত)
অতএব গুড়া দুধ আমদানিতে ট্যাক্স সমন্বয় অথবা খামারীদের ভর্তুকি প্রদান এর মাধ্যমে অসম প্রতিযোগিতা থেকে তাদের পরিত্রাণ দেয়া ছাড়া খামারিদের টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
আপনারা খবর নিয়ে দেখবেন ইউরোপ থেকে ভর্তুকি পাওয়া গুড়া দুধ ও ভারত থেকে বর্ডার দিয়ে আসা কিছুসংখক গরুর কারনে ক্রেতারা হয়তো এখনো দুধ ও মাংস খেতে পারছে কিন্তু খামারিরা ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যে আছে। প্রতি বছর খামারের সংখা কমছে এবং একই সাথে দুধ ও মাংস উতপাদন কমছে।
আমরা এখনো এর ফলাফল বুঝতে পারছি না এবং ভুল পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করছি। আমাদের সরকারি পরিসং্খান অনুযায়ী আমরা ১০০% এর বেশি মাংসে সয়ংসম্পন্ন কিন্তু দেখা যায় ভারতের বর্ডার ভারতের স্থানীয় নির্বাচন বা বর্ডারে সৃষ্ট কোন অস্থিরতার কারণে সম্পূর্ণ সিল থাকলে স্থানীয় বাজারে মাংসের দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়।
আরো ভয়ের ব্যাপার এই যে ভারতে সরকারি বেসরকারি সব ব্রিডিং স্টেশনে সেক্সিং টেকনোলজি স্থাপিত হচ্ছে,যার মাধ্যমে শুধুমাত্র বকনা বাছুর হবে, ফলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারতের স্থানীয় ষাড় বাছুরের উৎপাদন অন্তত ৩০% কমে যাবে।এতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ভারত থেকে আর ষাড় বা ষাড় বাছুর আসবে না।অমরা যদি সঠিক পরিসং্খানের মাধ্যমে সেই সময়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ না করি তবে এই সেক্টরে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
একই অবস্থা গুড়া দুধের ক্ষেত্রেও আমরা গত ২০ বছরের পরিসংখ্যান নিলে দেখব স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ক্রমাগত বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে। কিন্তু অপরদিকে গুড়া দুধে আমদানি প্রতিবছর ৩০/৪০ পার্সেন্ট করে বেড়ে যাচ্ছে। পরিসংখ্যান সঠিক হলে এটা কিভাবে সম্ভব?
৪)খামারিদের জন্য গো খাদ্য আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধার ব্যবস্থা করা।
আমাদের দেশের ফিডমিলগুলো শুল্কমুক্তভাবে গো খাদ্য উপাদান আমদানির সুযোগ পায়। কিন্তু বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করতে পারে না।তাদের প্রায় ২৫ পার্সেন্ট অধিক শুল্ক দিতে হয়। কিন্তু আমাদের খামারিরা মূলত গো খাদ্য কিনে বাণিজ্যিক আমদানি কারকদের কাছ থেকেই। সরাসরি অথবা খুচরা খাদ্যের দোকানের মাধ্যমে।
ফিড মিলারা এই বাড়তি প্রায় ২৫ পার্সেন্ট সুবিধা যা পাচ্ছে তা মূলত খামারীদের জন্য। কিন্তু তারা খামারিদের না দিয়ে অর্থাৎ সাশ্রয়িমূল্যেগো খাদ্য বিক্রয় না করে বাণিজ্যিক আমদানি কারকদের বাড়তি ট্যাক্সের টাকা হিসাব করে তাদের কস্ট প্রাইস হিসেবে বাড়তি দামে খাদ্য বিক্রি করে এতে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়ছে।
জার্মান ভিত্তিক গবেষনা সংস্থা ইডিআরএন এর গবেষণা উপাত্য অনুযায়ী বাংলাদেশে যেখানে খাদ্যের দাম ও দুধের দামের অনুপাত ১ অনুপাত ১.২ থেকে ৩ এর মধ্যে সেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশে এর অনুপাত এক অনুপাত ১. ৮৫ থেকে ৯৫ এর মধ্যে (আইডিয়ারএন এর চলতি মাসের গবেষণার সারমর্ম সংযুক্ত)। এর কারণে বাংলাদেশের খামারীরা ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যে আছে। যা একমাত্র সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।
৫)তাছাড়া আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা ভালো জেনেটিক্স এর অভাব, ইউরোপ আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া ভারত এর খামারীরা প্রুভেন বুলে বীজ পেয়ে থাকে। প্রুভেন বুল অর্থাৎ একটি বুলের বীজ দেওয়ার সময় খামারি জানবে যে ভবিষ্যতে উক্ত ভুলের বাচ্চা মায়ের চেয়ে কতটুকু বেশি দুধ দিবে বা এক ল্যাকটেশনে কত লিটার দুধ দিবে। কিন্তু বাংলাদেশে সরকারি বা বেসরকারি কোন ব্রিডিং স্টেশনেই প্রুভেন ভুল নাই। ফলে খামারিরা সিমেন কিনে প্রতারিত হচ্ছে। কারণ বুলের মেরিট না জানার ফলে খামারে বাচ্চা হওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে যে বেশিরভাগ বুলের বাচ্চাই ৫/৭ লিটার দুধ দিচ্ছে। সামান্য কিছু বুলের বাচ্চা ১৫-২০ লিটার দুধ দিচ্ছে। যেখানে ইউরোপ আমেরিকা ব্রাজিল বা ভারতের খামারিরা প্রুভেন বুল পেয়ে থাকে ফলে উনারা জানেন যে কোন বুলের বাচ্চা ভবিষ্যতে কতটুকু দুধ দিবে। খারাপ বুল এর সিমেন ওই সব দেশের কোন বানিজ্যিক খামারি ব্যবহার করেন না।
অতএব অতি দ্রুত খামারীদের জন্য উন্নত জাতের প্রুভেন,ক্রস ব্রিড ও ভালো মানের আমদানি কৃত দুধ, মাংস বা ডুয়েল পারপাস জাতের বুলের সিমেন সরবরাহ নিশ্চিত করা ছাড়া দুধ ও মাংস উতপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়।
২০০৭ সালের সরকারি ব্রিডিং পলিসি তে যেখানে বলা ছিল পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রুভেন বুল তৈরি করতে হবে ও ১০ লক্ষ উন্নত জাতের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান সিমেন্ট হয় সরকারিভাবে আমদানি হবে অথবা প্রাইভেট সেক্টর কে আমদানিতে উৎসাহ দেয়া হবে। কিন্তু আমরা অবাক হয়ে দেখছি যে ১৭ বছর পার হওয়ার পরেও দেশে কোন প্রুভেন বল তৈরি হয় নাই এবং সর্বোমোট এক লক্ষ সিমেনও আমদানির অনুমতি দেওয়া হয় নাই। কেউ উন্নত জাতের সিমেন আমদানি করতে চাইলে সেখানে অকারণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। যা সরকারি নীতিমালার সম্পূর্ণ বিপরীত।
তাছাড়া জার্সি বাংলাদেশ বা যেকোনো ট্রপিক্যাল দেশের জন্য অত্যান্ত উপযোগী একটি জাত, মিল্কভিটাকে পরবর্তী ১০ বছর ব্যাবহার করে প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর কে রিপোর্ট দেয়ার শর্তে জার্সি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু ১০ বছরের জায়গায় ১৭ বছর পরও মিল্কভিটা কোন রিপোর্ট না দেওয়া-দাওয়া সত্ত্বেও, এই রিপোর্ট আনার জন্য প্রাণিসম্পদ বিভাগের দুএকটি চিঠি লিখা ছাড়া কোন উদ্যোগ আমাদের জ্ঞাত নয়।
এটি যদি নির্ধারিত সময়ে যে কোন প্রকারে প্রয়োজনে এক বা একাধিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়ে কমিটি করে আনার ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে ট্রপিক্যাল এলাকার জন্য অত্যান্ত উপযুক্ত ট্রপিক্যাল ব্রিড আমাদের দেশে সংযুক্ত হতো। ফ্রিসিয়ান ক্রস প্রান্তিক খামারিদের কাছে ফ্যান বা কুলিং সিস্টেম না থাকলে অনেক সময়ে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। কিন্তু জার্সিতে ট্রপিক্যাল হট এবং ইউনিট ওয়েদার জনিত ধকল ফ্রয়ানের তুলনায় অনেক কম। যে কারণে অনেকটা বাংলাদেশের মতো আবহাওয়া পশ্চিমবঙ্গে কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় যেখানে হিট এবং হিউমিডিটি বাংলাদেশের যেকোনো শহরের চেয়ে বেশি, অনেক জনপ্রিয়।
আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা আমরা বিজ্ঞান কে যুক্তিবিদ্যা দিয়ে অতিক্রম করতে চাই। বিজ্ঞান কখনোই যুক্তিবিদ্যা অনুযায়ী চলে না। আমাদের দেশে ফ্রিসিয়ান, ফ্রিসিয়ান ক্রস, সাহিওয়াল ফ্রিসিয়ান ক্রস নিয়ে অনেক গবেষণা ও সাভার ডেইরি ফার্ম এর অবজারভেশন থাকার পরেও,আমাদের ব্রিডিং পলিসি যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করে করা হয়েছে। এর সংশোধন জরুরী। এটা যতদিন সংশোধন না হয় আমরা কোন অবস্থাতেই ডেইরিতে উন্নতি করতে পারব না। আর ডেইরি মানে শুধু ডেইরি নয় ডেইরি সম্পূর্ণ আগে বা পরে মাংসের বাজারে আসে। ষাড়গুলো প্রথম বছরেই আর গাভীগুলো ৫/৭বছর পরে।
৬) এফ,এম,ডি ও এল,এস,ডি রোগ নির্মূলে সরকারিভাবে প্রজেক্ট এর মাধ্যমে যতক্ষণ মানসম্মত ভ্যাকসিন দেশে উত্পাদন না হয় ততক্ষণ খামারিদের আমদানি করে ফ্রি সরবরাহ করা।
আমরা বিগত প্রায় চার বছর যাবত দেখছি এলডিডিপি প্রজেক্টর মাধ্যমে বিভিন্ন বেদরকারি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। যেমন বিভিন্ন জায়গায় মিল্কিং মেশিন, ( কারন অনেক গ্রাম এলাকায় বেশিরভাগ সময়েই কারেন্ট থাকে না) ক্রিম সেপারেটর মেশিনের ( প্রান্তিক খামারিরা দুধের ক্রিম তুলে না) মত বেদরকারী জিনিস দেয়া হচ্ছে।
এই সব খাতে খরচ না করে দেশের গোসম্পদ রক্ষায় সরকারিভাবে টিকা আমদানি করে খামারীদের দিলে এতে দেশের গোসম্পদ এল,এস,ডি ও এফ এম ডি রোগ থেকে রক্ষা পাবে। এলএসডিও এফ এম ডি আমদানিকৃত ভ্যাকসিনের দাম অনেক বেশি হওয়ায় প্রান্তিক খামারীরা তা ব্যবহার করতে পারছে না। এতে দেশের লক্ষ লক্ষ গরু এলএসডিও এফএমডি তে কিছু মারা যাচ্ছে কিছু প্রজনন অক্ষম হয়ে যাচ্ছে।
৭)দুধের ন্যায্য মূল্য ও সাপ্লাই চেইন নিশ্চিতকরণ সহ ডেইরি ও ফেটেনিং খামারীদের বিভিন্ন সমস্যা শুনে তা ধ্রুত সমাধানের জন্য মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রতিকার কামনা করছি।
এর বাইরে আমরা ট্রেনিং প্রোগ্রাম সহ
সারাদেশের খামারীদের সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন।
আধুনিক পদ্ধত গুলো জনপ্রিয় করতে একসাথে কাজ করা।
ধন্যবাদ।
সভাপতি / সেক্রেটারি
নাম ও সাক্ষর সহ লিখিত বক্তব্য
২০/১০/২০২৪
























