RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

 পোল্ট্রির গুরুত্ব

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
নভেম্বর ১৬, ২০২৪ ২:৪৯ অপরাহ্ণ

 

 যেসব প্রজাতির পাখি গৃহে মানুষের তত্ত্বাবধানে লালন – পালন করে বংশবিস্তারের মাধ্যমে ডিম ও মাংস উৎপাদন করা হয় এবং মানুষের আর্থ – সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখে সেগুলোকে পোল্ট্রি বলে। যেমন- হাঁস – মুরগি, টার্কি , তিতির, কবুতর, কোয়েল ইত্যাদি।

বর্তমানে বাংলাদেশে পল্লি এলাকায় হাঁস – মুরগির খামার এবং পালন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্র (যেমন- হাঁস – মুরগির জাত , খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, প্রক্রিয়াকরণ, আমদানি , রপ্তানি এবং আরো অনেক কিছু) অনেক বেড়ে গেছে। পোল্ট্রি খামারের মধ্যে রয়েছে পারিবারিক খামার , ব্রয়লার ও লেয়ার উৎপাদন খামার , ব্রিডিং ও মাতৃখামার, চেইন খামার ইত্যাদি।

 দেশের অর্থনীতি , খাদ্য , পুষ্টি ও কর্মসংস্থানে পোল্ট্রির অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় বহু জিনিস আহরণ ছাড়াও ভূমিহীন দুস্থ গ্রামীণ মহিলাদের নগদ আয় – উপার্জনের একটি সহজ উপায় হলো পোল্ট্রি বা গৃহপালিত পাখি পালন। নিচে পোল্ট্রির প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলো-

১. খাদ্য ও পুষ্টির উৎস: গৃহপালিত পাখি থেকে অত্যন্ত মূল্যবান প্রাণিজ খাদ্য যেমন- মাংস ও ডিম পাওয়া যায়। পুষ্টির অভাব দূরীকরণ ও সুস্বাস্থ্যের জন্যে ডিম ও মাংস খুবই প্রয়োজনীয়।

২. আয়ের উৎস : গৃহপালিত পাখি, এদের মাংস ও ডিম বিক্রি করে আয় বৃদ্ধি করা যায়। উল্লেখ্য ২০২০-২১ সালে দেশে উৎপাদিত মোট ডিম ও মাংসের পরিমাণ যথাক্রমে প্রায় ২০৫৭৬ মিলিয়ন টি ও ৮.৪৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন ( তথ্যসূত্র : প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর , ২০২১ )। 

৩. কর্মসংস্থান বৃদ্ধি : পশুসম্পদ অধিদপ্তরের ২০২০-২১ সালের তথ্য অনুযায়ী , দেশের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের ২০ % আসে প্রাণিসম্পদ খাত থেকে। এ খাতে পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয় প্রায় ৫০ % লোকের (তথ্যসূত্র: কৃষি ডাইরি , ২০২১)। 

৪. জৈবসার : মুরগির পঁচানো বিষ্ঠা সার হিসেবে ব্যবহার করলে জমিতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন কম হয় বিধায় এতে আর্থিক সাশ্রয় হয়। হাঁস – মুরগির বিষ্ঠা অত্যন্ত উন্নতমানের জৈবসার। গোবর সারের তুলনায় এ সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৩ গুণ বেশি ( গোবর- ০.৫ % , বিষ্ঠা- ১.৬ % ) [ তথ্যসূত্র : কৃষি ডাইরি , ২০২১] 

৫. শিল্প উন্নয়ন : বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বড় আকারের খামার করে অধিক লাভবান হওয়া যায়। বর্তমানে এটি শিল্প হিসেবে বিবেচিত, যা দেশের শিল্প ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে।

৬. উপজাত দ্রব্যের ব্যবহার: পাখির পালক, হাড়, রক্ত ও নাড়িভুঁড়ি প্রক্রিয়াজাত করে পাখি ও মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। পালক দিয়ে বালিশ, ঝাড়ু ও খেলার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।

৭. বিনোদন: গৃহপালিত পাখি আমোদ ও বিনোদনের জন্যও ব্যবহৃত হয়, যেমন- মোরগের লড়াই। অনেকে শখের বসে শোভা বর্ধনকারী পাখি যেমন- তিতির রাজহাঁস, মাস্কোভি হাঁস পালন করে।

৮. পরিবেশ-উন্নয়ন: গৃহপালিত পাখি পরিবেশের উৎকৃষ্ট খাদ্য খেয়ে পরিবেশ উন্নয়নে অবদান রাখে।

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত
Bengali New Year from the Farmer's Courtyard

কৃষকের দেউড়ি থেকে বিশ্ব বাঙালীর বাংলা নববর্ষ

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড:ক্ষতির পরিমান হাজার কোটি টাকার উপরে।

মৎস্য ও পোল্ট্রি খাদ্যমান নিয়ন্ত্রণ জটিলতা নিরসন জরুরি

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

খামারে কৃমির নিয়ন্ত্রণ

পালংশাক চাষ পদ্ধতি

প্রাইভেট ও বে-সরকারী স্কুলগুলোতে ডোনেশন + পূণঃভর্তিফি + সেশনফি + উন্নয়ন ফিসহ এককালীন টাকা নেওয়া বন্ধ হোক।

ছোট গল্প : ডাইরির ছেড়া পাতা

শুধু ফলন বৃদ্ধিই নয়, পুষ্টিসমৃদ্ধ ধান উৎপাদনেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

মাছ চাষের জন্য কিছু সাধারণ প্রশ্ন এবং তার উত্তর