RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Saturday , 12 September 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

ব্রাফোর্ড গরুর ইতিহাস

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
September 12, 2026 1:11 pm

ব্রাফোর্ড গরুর ইতিহাস//ব্রাহমানের সহনশীলতা ও হেয়ারফোর্ডের মাংসগুণে গড়া আধুনিক জাত।

উষ্ণ ও প্রতিকূল পরিবেশে মানসম্মত গরুর মাংস উৎপাদনের এক সফল উদ্ভাবন।।

ড. বায়েজিদ মোড়লের গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন।।

ব্রাফোর্ড—ইংরেজিতে Braford—বিশ্বের পরিচিত সংকর বা কম্পোজিট মাংসল গরুর জাতগুলোর একটি। নামটি এসেছে এর দুই পূর্বপুরুষের নাম থেকে—

Brahman + Hereford = Braford

ব্রাহমান গরুর তাপসহিষ্ণুতা, রোগ ও পরজীবী মোকাবিলার সক্ষমতা এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার শক্তির সঙ্গে হেয়ারফোর্ডের দ্রুত বৃদ্ধি, উন্নত মাতৃগুণ, খাদ্যকে মাংসে রূপান্তরের দক্ষতা ও উন্নত কারকাস বৈশিষ্ট্য সমন্বয় করে ব্রাফোর্ড তৈরি করা হয়।

এটি মূলত মাংস উৎপাদনকারী জাত। তবে ব্রাফোর্ড গাভীর মাতৃগুণ ও বাছুর পালনের মতো দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা যথেষ্ট ভালো। বাণিজ্যিক দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য জাতটি তৈরি হয়নি।

ব্রাফোর্ডের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় একই সময়ে, তবে আলাদাভাবে ব্রাহমান ও হেয়ারফোর্ডের সংকরায়ণের মাধ্যমে ব্রাফোর্ড ধরনের গরু তৈরি করা হয়েছিল। তাই American Braford এবং Australian Braford-এর ইতিহাস ও স্বীকৃত জিনগত অনুপাত এক নয়।


ব্রাফোর্ড তৈরির প্রয়োজন হয়েছিল কেন?

ইউরোপীয় মাংসল জাতগুলো নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে ভালো উৎপাদন করলেও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল, অস্ট্রেলিয়ার উত্তর ও মধ্য কুইন্সল্যান্ড এবং দক্ষিণ আমেরিকার উষ্ণ অঞ্চলে বেশ কিছু সমস্যায় পড়ত। এর মধ্যে ছিল—

  • প্রচণ্ড গরম ও উচ্চ আর্দ্রতা;
  • গবাদিপ্রাণির শরীরে টিক ও অন্যান্য বহিঃপরজীবীর আক্রমণ;
  • চোখের রোগ ও আই ক্যানসারের ঝুঁকি;
  • দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম;
  • নিম্নমানের চারণভূমি;
  • দীর্ঘ দূরত্ব হাঁটার প্রয়োজন;
  • বাছুর উৎপাদনে অনিয়ম;
  • বিদেশি জাতের প্রজননক্ষমতা হ্রাস;
  • গরমে খাদ্য গ্রহণ ও দৈনিক ওজন বৃদ্ধি কমে যাওয়া।

হেয়ারফোর্ড গরু দ্রুত বাড়ে এবং ভালো মানের মাংস দেয়। কিন্তু উষ্ণ ও পরজীবীবহুল অঞ্চলে খাঁটি হেয়ারফোর্ড সব সময় প্রত্যাশিত ফল দিত না। অন্যদিকে ব্রাহমান গরু গরম, খরা, কীটপতঙ্গ ও রোগের চাপ তুলনামূলক ভালোভাবে সহ্য করলেও এর মাংসের কোমলতা, দ্রুত পরিপক্বতা ও বাজারযোগ্যতার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল।

এই দুই জাতের কাঙ্ক্ষিত গুণ একত্র করাই ছিল ব্রাফোর্ড উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য।


যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাফোর্ডের ইতিহাস

ফ্লোরিডার প্রতিকূল পরিবেশে পরীক্ষার সূচনা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় গরম, আর্দ্রতা, টিক, চোখের সমস্যা এবং মৌসুমি খাদ্যসংকট ছিল গরু পালনের বড় বাধা। এ পরিবেশে এমন একটি জাত দরকার ছিল, যা একই সঙ্গে—

  • তাপ সহ্য করবে;
  • বংশবিস্তার অব্যাহত রাখবে;
  • ভালো বাছুর দেবে;
  • চারণভূমিতে দ্রুত বাড়বে;
  • বাজারযোগ্য মাংস উৎপাদন করবে।

প্রাপ্ত ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, ফ্লোরিডার গরু উৎপাদক অল্টো অ্যাডামস জুনিয়র—Alto “Bud” Adams Jr. এবং সংশ্লিষ্ট খামারিরা ১৯৪০-এর দশকের শেষভাগে ব্রাহমান ও হেয়ারফোর্ডের পরিকল্পিত সংকরায়ণ শুরু করেন। বেশ কিছু সূত্রে ১৯৪৭ সালকে এই প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ সূচনাবিন্দু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম দিকের সংকরায়ণ মোটেই সহজ ছিল না। কিছু সংকর ষাঁড়ের—

  • পা ও ক্ষুরের গঠন দুর্বল;
  • চোখের চারপাশে রঞ্জকতার ঘাটতি;
  • ফ্লোরিডার পরিবেশে অভিযোজন সমস্যা;
  • প্রজনন ও দৈহিক গঠনে অসামঞ্জস্য—

দেখা দেয়। ফলে শুধু দুটি জাতের সংকর বাছুর তৈরি করলেই কাঙ্ক্ষিত নতুন জাত পাওয়া যায়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নির্বাচন, বাদ দেওয়া, পুনঃসংকরায়ণ এবং কার্যক্ষমতা যাচাই করতে হয়েছে।

আমেরিকান ব্রাফোর্ডের জিনগত বিন্যাস

যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত ব্রাফোর্ডের প্রচলিত জিনগত গঠন হলো—

  • ৩/৮ বা ৩৭.৫ শতাংশ ব্রাহমান
  • ৫/৮ বা ৬২.৫ শতাংশ হেয়ারফোর্ড

এই অনুপাত নির্ধারণের উদ্দেশ্য ছিল হেয়ারফোর্ডের মাংসগুণ ও বৃদ্ধিক্ষমতা বেশি রেখে প্রয়োজনীয় মাত্রায় ব্রাহমানের তাপ ও পরজীবী সহনশীলতা যুক্ত করা।

প্রথমে ব্রাহমান ও হেয়ারফোর্ডের সংকরায়ণে F1 বাছুর উৎপাদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মাত্রার ব্যাকক্রস ও নির্বাচিত প্রজননের মাধ্যমে ৩/৮ ব্রাহমান ও ৫/৮ হেয়ারফোর্ড অনুপাত স্থিতিশীল করা হয়।

তবে যেকোনো ব্রাহমান–হেয়ারফোর্ড সংকরকেই নিবন্ধিত ব্রাফোর্ড বলা যায় না। নিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট জাত-সংস্থার বংশপরিচয়, জিনগত অনুপাত ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়।

জাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা

দীর্ঘ পরীক্ষা ও নির্বাচনের পর ব্রাফোর্ড একটি স্থিতিশীল কম্পোজিট জাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাফোর্ডের নিবন্ধন, বংশতথ্য সংরক্ষণ ও জাত উন্নয়ন কার্যক্রম সংগঠিত হয়।

বর্তমানে United Braford Breeders—UBB যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাফোর্ড নিবন্ধন ও জাত উন্নয়নের প্রধান সংগঠন। সংস্থাটি কার্যক্ষম, উর্বর, পরিবেশসহিষ্ণু ও বাজারোপযোগী ব্রাফোর্ড উৎপাদনে গুরুত্ব দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ব্রাফোর্ড সাধারণত ৩/৮ ব্রাহমান ও ৫/৮ হেয়ারফোর্ড হিসেবে পরিচিত। United Braford Breeders


অস্ট্রেলিয়ান ব্রাফোর্ডের স্বতন্ত্র ইতিহাস

যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায়ও স্বাধীনভাবে ব্রাফোর্ড তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মধ্য কুইন্সল্যান্ডে হেয়ারফোর্ডের পালগুলোতে টিক ও চোখের ক্যানসারের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল। এ সমস্যা মোকাবিলায় ১৯৪৬ সাল থেকে হেয়ারফোর্ড পালে ব্রাহমান জেনেটিকস সংযোজন শুরু করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রাফোর্ডের বিকাশকাল সাধারণত ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন ও প্রজননের মাধ্যমে সেখানে এমন গরু তৈরি করা হয়, যা—

  • কুইন্সল্যান্ডের গরম সহ্য করতে পারে;
  • টিকের বিরুদ্ধে তুলনামূলক সহনশীল;
  • হেয়ারফোর্ডের পরিচিত লাল-সাদা রং ধরে রাখে;
  • অনুন্নত চারণভূমিতে বাছুর উৎপাদন করতে পারে;
  • দীর্ঘদিন প্রজননে সক্রিয় থাকে।

১৯৬২ সালে রকহ্যাম্পটনে একদল গরু উৎপাদক একত্র হয়ে Australian Braford Society প্রতিষ্ঠা করেন। অস্ট্রেলিয়ান ব্রাফোর্ড সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, টিক ও চোখের ক্যানসারে হেয়ারফোর্ডের বড় ধরনের ক্ষতি কমানোর প্রয়োজন থেকেই জাতটি সৃষ্টি হয়েছিল। Australian Braford Society

অস্ট্রেলিয়ান ব্রাফোর্ডকে সাধারণত প্রায় ৫০ শতাংশ ব্রাহমান ও ৫০ শতাংশ হেয়ারফোর্ড বংশধারার স্থিতিশীল জাত হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তবে বিভিন্ন লাইন ও নিবন্ধনবিধিতে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। Oklahoma State University—Australian Braford

অতএব, যুক্তরাষ্ট্রের ৩/৮–৫/৮ বিন্যাসকে সব দেশের ব্রাফোর্ডের জন্য অভিন্ন ধরে নেওয়া সঠিক নয়।


শারীরিক বৈশিষ্ট্য

ব্রাফোর্ডের শরীরে দুই পূর্বপুরুষের বৈশিষ্ট্যের সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়।

রং

অধিকাংশ ব্রাফোর্ডের—

  • শরীর লাল বা গাঢ় লাল;
  • মাথা ও মুখ সাদা;
  • পেটের নিচের অংশ সাদা;
  • বুক, পা ও লেজের কিছু অংশে সাদা চিহ্ন;
  • চোখের চারপাশে লাল বা গাঢ় রঞ্জকতা—

দেখা যায়।

চোখের চারপাশের গাঢ় রং সূর্যের তীব্র আলো ও চোখের কিছু সমস্যা কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি রোগ প্রতিরোধের নিশ্চয়তা নয়।

দেহের গঠন

  • শরীর দীর্ঘ, গভীর ও পেশিবহুল;
  • বুক প্রশস্ত;
  • পিঠ তুলনামূলক সোজা;
  • পশ্চাৎদেশে ভালো মাংস ধারণক্ষমতা;
  • ব্রাহমানের প্রভাবে ঘাড় বা কাঁধে ছোট থেকে মাঝারি কুঁজ;
  • চামড়া কিছুটা ঢিলা;
  • গরম এলাকার জন্য উপযোগী ছোট ও মসৃণ লোম;
  • তুলনামূলক শক্ত পা ও ক্ষুর;
  • কিছু গরু শিংযুক্ত, কিছু শিংবিহীন।

শিংযুক্ত না শিংবিহীন হবে, তা প্রধানত ব্যবহৃত হেয়ারফোর্ড ও নির্বাচিত বংশধারার ওপর নির্ভর করে।


ওজন ও বৃদ্ধির ক্ষমতা

ব্রাফোর্ডের দৈহিক ওজন দেশ, জিনগত লাইন, খাদ্য, বয়স, লিঙ্গ ও ব্যবস্থাপনার কারণে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। সাধারণ বাণিজ্যিক পরিস্থিতিতে আনুমানিকভাবে—

পর্যায়সম্ভাব্য জীবন্ত ওজন
জন্মের সময়প্রায় ২৮–৪০ কেজি
দুধ ছাড়ানোর সময়প্রায় ২০০–৩০০ কেজি
এক বছর বয়সেপ্রায় ৩০০–৪৫০ কেজি
প্রাপ্তবয়স্ক গাভীপ্রায় ৫০০–৭০০ কেজি
প্রাপ্তবয়স্ক ষাঁড়প্রায় ৮০০–১,১০০ কেজি বা বেশি

এগুলো স্থির জাতমান নয়। উন্নত প্রজনন, ভালো খাদ্য ও ফিডলট ব্যবস্থাপনায় ওজন বেশি হতে পারে; অনুন্নত খাদ্য ও গরমের চাপে কম হতে পারে।

বাছুরের জন্ম-ওজন নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ষাঁড় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশি ছোট আকৃতির গাভীতে অপরীক্ষিত ব্রাফোর্ড ষাঁড় বা সিমেন ব্যবহার করলে প্রসব জটিলতার ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।


মাংস উৎপাদনের বৈশিষ্ট্য

ব্রাফোর্ড মূলত বাণিজ্যিক বিফ উৎপাদনের জন্য তৈরি। এর প্রধান মাংস উৎপাদন বৈশিষ্ট্য হলো—

  • চারণভূমিতে ভালো বৃদ্ধি;
  • গরম পরিবেশেও খাদ্য গ্রহণ ধরে রাখার ক্ষমতা;
  • বাছুরের তুলনামূলক ভালো দুধ ছাড়ানো ওজন;
  • শক্ত দেহগঠন;
  • ফিডলটে মোটাতাজাকরণের সুযোগ;
  • বাজারযোগ্য কারকাস;
  • মাংস ও চর্বির গ্রহণযোগ্য ভারসাম্য;
  • ক্রসব্রিডিংয়ে হেটারোসিস বা সংকরশক্তির সুবিধা।

জবাইয়ের হার অনেক ক্ষেত্রে প্রায় ৫৫–৬২ শতাংশ হতে পারে। কিন্তু খাদ্য, বয়স, লিঙ্গ, শরীরের অবস্থা, পরিবহন, জবাই-পূর্ব উপবাস এবং কারকাস ট্রিমিংয়ের নিয়মের কারণে এ হার পরিবর্তিত হয়।

হেয়ারফোর্ড অংশ মাংসের গুণ, দ্রুত বৃদ্ধি ও কারকাসে সহায়তা করে; ব্রাহমান অংশ তাপসহনশীলতা, অভিযোজন এবং উৎপাদনজীবন বাড়াতে ভূমিকা রাখে।


ব্রাফোর্ড গাভীর দুধ কত?

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ব্রাফোর্ড দুগ্ধজাত নয়, মাংসল মাতৃজাত। এর গাভীর দুধ মূলত বাছুরের জন্য। খামারে সাধারণত গাভী দোহন না করে বাছুরকে মায়ের সঙ্গে রেখে দুধ পান করানো হয়।

ব্রাফোর্ড গাভীর জন্য হলস্টেইন, জার্সি বা সাহিওয়ালের মতো স্বীকৃত জাতভিত্তিক দৈনিক বা ৩০৫ দিনের বাণিজ্যিক দুধ উৎপাদনের মান নেই। কারণ—

  • অধিকাংশ খামারে দুধ দোহন করে মাপা হয় না;
  • বাছুর সরাসরি মায়ের দুধ পান করে;
  • দুধের পরিমাণ বাছুরের বৃদ্ধির মাধ্যমে পরোক্ষভাবে মূল্যায়িত হয়;
  • লাইন, বয়স, খাদ্য ও পরিবেশে বড় পার্থক্য থাকে।

গবেষণায় বিফ গাভীর দুধ উৎপাদন নির্ণয়ে “weigh-suckle-weigh” বা দোহন পদ্ধতি ব্যবহৃত হলেও একটি গবেষণার ফল পুরো ব্রাফোর্ড জাতের মান হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়।

বাস্তব মূল্যায়ন

ব্রাফোর্ড গাভীর দুধের সক্ষমতা সাধারণত—

  • একটি বাছুর পালনের জন্য উপযোগী;
  • বাছুরের দুধ ছাড়ানো ওজন বাড়াতে সহায়ক;
  • উন্নত নির্বাচিত মাতৃলাইনে তুলনামূলক ভালো;
  • কিন্তু নিয়মিত বাজারে বিক্রির মতো দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য নয়।

অতএব, কেউ যদি ব্রাফোর্ড গাভীর নির্দিষ্ট দৈনিক দুধ উৎপাদনের দাবি করেন, তাহলে খামারের নাম, দুধ মাপার পদ্ধতি, গাভীর বয়স, বাচ্চা প্রসবের সংখ্যা এবং খাদ্যব্যবস্থা যাচাই করা প্রয়োজন।


প্রজনন ও মাতৃগুণ

ব্রাফোর্ডের জনপ্রিয়তার বড় কারণ এর গাভীগুলোর কার্যকর মাতৃগুণ। ভালো বংশের গাভীর মধ্যে সাধারণত দেখা যায়—

  • নিয়মিত গর্ভধারণ;
  • প্রতিকূল পরিবেশে প্রজনন ধরে রাখার সক্ষমতা;
  • বাছুরের প্রতি যত্নশীল আচরণ;
  • বাছুর পালনের মতো দুধ;
  • দীর্ঘ উৎপাদনজীবন;
  • শক্ত পা ও ক্ষুর;
  • চারণভূমিতে হাঁটার ক্ষমতা;
  • বাছুরের ভালো বৃদ্ধির সম্ভাবনা।

Australian Braford Society-এর তথ্যে কিছু গাভীর ১২–১৩ বছর পর্যন্ত কার্যকরভাবে বাছুর উৎপাদন এবং কিছু ষাঁড়ের ১০–১২ বছর বয়স পর্যন্ত প্রজননে ব্যবহারের নজিরের কথা বলা হয়েছে। তবে এগুলো ভালো ব্যবস্থাপনা ও নির্বাচিত পশুর উদাহরণ—সব ব্রাফোর্ডের নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত আয়ুষ্কাল নয়। Australian Braford Society


তাপসহিষ্ণুতা ও রোগ প্রতিরোধ

ব্রাহমান বংশধারার কারণে ব্রাফোর্ড সাধারণ ইউরোপীয় মাংসল জাতের তুলনায় উষ্ণ পরিবেশে ভালো মানিয়ে নিতে পারে। এর পেছনে রয়েছে—

  • তুলনামূলক ঢিলা চামড়া;
  • ছোট ও মসৃণ লোম;
  • ঘাম ঝরানোর সক্ষমতা;
  • গরমে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ;
  • টিক ও কিছু বহিঃপরজীবীর বিরুদ্ধে তুলনামূলক সহনশীলতা;
  • নিম্নমানের ঘাস কাজে লাগানোর ক্ষমতা;
  • দীর্ঘ দূরত্ব হাঁটার সামর্থ্য।

তবে “সহনশীল” মানে রোগমুক্ত নয়। ব্রাফোর্ডও আক্রান্ত হতে পারে—

  • খুরা রোগ;
  • লাম্পি স্কিন ডিজিজ;
  • অ্যানথ্রাক্স;
  • বাদলা;
  • পরজীবীজনিত রোগ;
  • নিউমোনিয়া;
  • ডায়রিয়া;
  • প্রজননতন্ত্রের রোগ;
  • টিকবাহিত রক্তপরজীবী রোগ;
  • হিট স্ট্রেস।

তাই টিকা, কোয়ারেন্টাইন, কৃমিনাশক, টিক নিয়ন্ত্রণ, ছায়া, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসকের পরামর্শ অপরিহার্য।


খাদ্য ও ব্যবস্থাপনা

ব্রাফোর্ডকে শক্ত ও প্রতিকূল পরিবেশসহিষ্ণু বলা হলেও শুধু খড় বা নিম্নমানের ঘাস দিয়ে এর পূর্ণ উৎপাদনক্ষমতা পাওয়া সম্ভব নয়।

ভিত্তি খাদ্য

  • উন্নত কচি ঘাস;
  • নেপিয়ার বা পাকচং;
  • ভুট্টার সবুজ গাছ বা সাইলেজ;
  • মৌসুমি ডালজাতীয় ঘাস;
  • মানসম্মত খড়;
  • প্রয়োজন অনুযায়ী দানাদার খাদ্য;
  • লবণ ও সুষম খনিজ মিশ্রণ;
  • পর্যাপ্ত পরিষ্কার পানি।

প্রজনন গাভীর খাদ্য গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাস ও বাচ্চা প্রসবের পর বিশেষভাবে বাড়াতে হবে। ষাঁড়কে অতিরিক্ত মোটা করা যাবে না; এতে পা, ক্ষুর ও প্রজননক্ষমতার ক্ষতি হতে পারে।

আবাসন

বাংলাদেশের মতো উষ্ণ ও আর্দ্র দেশে প্রয়োজন—

  • উঁচু ও জলাবদ্ধতামুক্ত স্থান;
  • ছায়াযুক্ত খোলা শেড;
  • বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা;
  • পিছল নয় এমন মেঝে;
  • পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি;
  • বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণ;
  • কাদা ও গোবরমুক্ত বিশ্রামস্থান।

ব্রাফোর্ডের প্রধান সুবিধা

১. উষ্ণ পরিবেশে অভিযোজন: ব্রাহমানের প্রভাবে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া সহ্য করার ক্ষমতা তুলনামূলক ভালো।

২. উন্নত মাতৃগুণ: গাভী বাছুরের যত্ন নেয় এবং বাছুর পালনের মতো দুধ উৎপাদন করে।

৩. মাংস উৎপাদনে দক্ষতা: হেয়ারফোর্ডের প্রভাবে ভালো বৃদ্ধি ও বাজারযোগ্য কারকাস পাওয়া যায়।

৪. সংকরশক্তি: পরিকল্পিত ক্রসব্রিডিংয়ে উর্বরতা, বেঁচে থাকা ও বৃদ্ধিতে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

৫. চারণভূমিতে কার্যক্ষমতা: বিস্তৃত চারণভিত্তিক উৎপাদনে উপযোগী।

৬. টিক সহনশীলতা: খাঁটি ইউরোপীয় জাতের তুলনায় অনেক লাইনে টিকের চাপ মোকাবিলার ক্ষমতা বেশি।

৭. দীর্ঘ উৎপাদনজীবন: ভালো গাভী দীর্ঘ সময় প্রজননে থাকতে পারে।

৮. বিভিন্ন উৎপাদন ব্যবস্থায় ব্যবহার: ঘাসনির্ভর, সম্পূরক খাদ্য ও ফিডলট—তিন ধরনের ব্যবস্থাতেই পালন সম্ভব।


সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য অসুবিধা

ব্রাফোর্ডের সুবিধা থাকলেও কিছু সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রাখা জরুরি।

  • এটি বাণিজ্যিক দুগ্ধ উৎপাদনের জাত নয়;
  • নিম্নমানের পশু বা ভুল সংকরায়ণে বৈশিষ্ট্যে অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে;
  • কিছু লাইন তুলনামূলক দেরিতে পরিপক্ব হতে পারে;
  • ব্রাহমান প্রভাব বেশি হলে কিছু পশুর মেজাজ বেশি সতর্ক বা উত্তেজনাপ্রবণ হতে পারে;
  • দেশি ছোট গাভীতে ভারী বাছুরের কারণে প্রসব সমস্যা হতে পারে;
  • বড় দেহের পশুর খাদ্য ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেশি;
  • টিক সহনশীল হলেও নিয়মিত পরজীবী নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন;
  • গরম সহ্য করলেও ছায়া ও পানি ছাড়া হিট স্ট্রেস হতে পারে;
  • বিশুদ্ধ বংশপরিচয় ও কার্যক্ষমতার তথ্য ছাড়া শুধু বাহ্যিক রং দেখে ব্রাফোর্ড নির্বাচন ঝুঁকিপূর্ণ।

কোন কোন দেশে ব্রাফোর্ড জনপ্রিয়?

ব্রাফোর্ড বর্তমানে প্রধানত উষ্ণ, উপক্রান্তীয় ও বিস্তৃত চারণভূমিভিত্তিক অঞ্চলে দেখা যায়। উল্লেখযোগ্য দেশ ও অঞ্চল হলো—

  • যুক্তরাষ্ট্র;
  • অস্ট্রেলিয়া;
  • আর্জেন্টিনা;
  • ব্রাজিল;
  • উরুগুয়ে;
  • প্যারাগুয়ে;
  • দক্ষিণ আফ্রিকা;
  • মেক্সিকো;
  • মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশ;
  • এশিয়ার কিছু উষ্ণ অঞ্চল।

বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলে উষ্ণ অঞ্চলে উন্নত মানের গরুর মাংস উৎপাদনের জন্য ব্রাফোর্ডের গুরুত্ব বেড়েছে। আর্জেন্টিনায় ১৯৮৪ সালে Asociación Braford Argentina প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রতিকূল উত্তরাঞ্চলের জন্য উন্নত মাংসল বায়োটাইপ তৈরিতে কাজ করে। Asociación Braford Argentina


বাংলাদেশের জন্য ব্রাফোর্ড কতটা উপযোগী?

বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বিবেচনায় ব্রাফোর্ডের কিছু জিনগত বৈশিষ্ট্য সম্ভাবনাময়। বিশেষ করে—

  • তাপসহিষ্ণুতা;
  • টিকের চাপ মোকাবিলার সামর্থ্য;
  • মাংস উৎপাদনের ক্ষমতা;
  • মাতৃগুণ;
  • তুলনামূলক প্রতিকূল পরিবেশে কার্যক্ষমতা—

গবেষণার দাবি রাখে।

কিন্তু বিদেশে ভালো ফল করেছে বলেই বাংলাদেশে সরাসরি একই ফল দেবে—এমন ধারণা বিজ্ঞানসম্মত নয়। বাংলাদেশের খামারব্যবস্থা, জমির স্বল্পতা, খাদ্যের দাম, আর্দ্রতা, রোগের চাপ এবং দেশি গাভীর ছোট দৈহিক আকার আলাদা।

সম্ভাব্য ব্যবহার

বাংলাদেশে ব্রাফোর্ডকে মূলত বিবেচনা করা যেতে পারে—

  • পরিকল্পিত বিফ ব্রিডিং;
  • নিয়ন্ত্রিত মোটাতাজাকরণ;
  • নির্বাচিত বড় আকৃতির গাভীর সঙ্গে গবেষণামূলক সংকরায়ণ;
  • চরাঞ্চল বা বিস্তৃত চারণভিত্তিক উৎপাদন;
  • বাণিজ্যিক মাতৃলাইন তৈরির গবেষণায়।

দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির প্রধান উপায় হিসেবে জাতটি উপযোগী নয়।


বাংলাদেশে আনার আগে যা করতে হবে

১. নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক কার্যক্রম

প্রথমেই ব্যাপকভাবে সিমেন বা ভ্রূণ ছড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও অনুমোদিত খামারে সীমিত পরীক্ষার মাধ্যমে দেখতে হবে—

  • গর্ভধারণের হার;
  • জন্ম-ওজন;
  • প্রসব জটিলতা;
  • বাছুরের মৃত্যুহার;
  • ছয় ও বারো মাসের ওজন;
  • দৈনিক ওজন বৃদ্ধি;
  • খাদ্য রূপান্তর দক্ষতা;
  • রোগের প্রকোপ;
  • মাংসের গুণমান;
  • উৎপাদন ব্যয় ও লাভ।

২. উপযুক্ত গাভী নির্বাচন

ছোট ও কম ওজনের দেশি বকনা বা প্রথমবার গর্ভধারণকারী গাভীতে উচ্চ জন্ম-ওজনের ব্রাফোর্ড ষাঁড় ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে। সহজ প্রসবের তথ্যসম্পন্ন ষাঁড় এবং বড়, সুগঠিত ও সুস্থ গাভী নির্বাচন করতে হবে।

৩. জেনেটিক তথ্য যাচাই

সিমেন বা ভ্রূণ আমদানির সময় যাচাই করতে হবে—

  • নিবন্ধন সনদ;
  • তিন বা ততোধিক প্রজন্মের বংশতথ্য;
  • জন্ম-ওজন EPD;
  • দুধ ছাড়ানো ওজন EPD;
  • মাতৃগুণ;
  • সহজ প্রসবের সূচক;
  • প্রজননক্ষমতা;
  • জেনেটিক রোগ পরীক্ষার ফল;
  • স্বাস্থ্য ও রোগমুক্তির সনদ।

৪. অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ

বাছুর বড় হলেই প্রকল্প লাভজনক হবে না। অতিরিক্ত ওজনের বাজারমূল্য থেকে খাদ্য, চিকিৎসা, শ্রম ও প্রজনন খরচ বাদ দিয়ে প্রকৃত লাভ হিসাব করতে হবে।


বাংলাদেশের জন্য ড. বায়েজিদ মোড়লের পরামর্শ

ব্রাফোর্ডকে বাংলাদেশের গরুর সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি একটি সম্ভাবনাময় মাংসল কম্পোজিট জাত, যার কার্যকারিতা বাংলাদেশের পরিবেশে গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।

দেশের জন্য করণীয়—

  • আগে সীমিতসংখ্যক গবেষণা পাল গঠন;
  • দেশি গাভীর আকার অনুযায়ী সহজ প্রসবের ষাঁড় নির্বাচন;
  • প্রতিটি বাছুরের জন্ম থেকে জবাই পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ড;
  • একই খাদ্যব্যবস্থায় দেশি, ব্রাহমান-সংকর ও ব্রাফোর্ড-সংকরের তুলনা;
  • মাংসের কোমলতা, স্বাদ, চর্বি ও ড্রেসিং শতাংশ পরীক্ষা;
  • টিক ও রোগ সহনশীলতা মাঠপর্যায়ে যাচাই;
  • অতিরিক্ত বিদেশি রক্ত সংযোজনের আগে দেশি জেনেটিক সম্পদ সংরক্ষণ;
  • ফল ভালো হলে ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ।

বিশেষ করে বাংলাদেশের ছোট খামারির জন্য শুধু বেশি ওজন নয়—কম খাদ্যে লাভজনক বৃদ্ধি, সহজ প্রসব, কম চিকিৎসা ব্যয় এবং বাজারে গ্রহণযোগ্যতা—এই চারটি সূচককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

শেষ কথা

ব্রাফোর্ড গরু পরিকল্পিত প্রাণি প্রজননের একটি সফল উদাহরণ। ব্রাহমানের তাপসহিষ্ণুতা, রোগ ও পরজীবী মোকাবিলার ক্ষমতা এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার শক্তির সঙ্গে হেয়ারফোর্ডের উন্নত মাংসগুণ, দ্রুত বৃদ্ধি ও মাতৃবৈশিষ্ট্য যুক্ত করে জাতটি তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্বীকৃত ব্রাফোর্ড সাধারণত ৩/৮ ব্রাহমান ও ৫/৮ হেয়ারফোর্ড; অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ব্রাফোর্ড আলাদাভাবে বিকশিত এবং প্রায় অর্ধেক ব্রাহমান ও অর্ধেক হেয়ারফোর্ড বংশধারার জাত হিসেবে পরিচিত।

এ জাতের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—উষ্ণ পরিবেশে কার্যকরভাবে বাছুর ও মাংস উৎপাদন। তবে এটি দুগ্ধজাত নয় এবং বাংলাদেশের জন্যও যাচাই ছাড়া ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা উচিত হবে না। বিজ্ঞানভিত্তিক নির্বাচন, সীমিত পরীক্ষামূলক সংকরায়ণ, নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক মূল্যায়নের মাধ্যমে ব্রাফোর্ডের সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব।

তথ্যসূত্র

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

পোল্ট্রি এন্ড সয়া ফুড ফেস্ট

মৎস্য রপ্তানি প্রসারে ফোয়াবের ই-ট্রেসিবিলিটি প্রকাশনা গ্রন্থ কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর

জেলেদেরকে সুদমুক্ত ঋণ দিতে না পারলেও স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

প্রাণী সুস্থ থাকলে মানুষও থাকবে নিরাপদ

ভেনামি চিংড়ি চাষে পোনা আমাদানির নতুন ও বিদ্যমান অনুমোদন স্হগিত

ডেইরি খামারিদের সার্থ সংরক্ষণের জন্য ও একই সাথে ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে দুধ ও মাংসের যোগান দিতে কিছু সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন

সাশ্রয়ীমূল্যে ডিম ও মুরগি ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

গাভীকে জাউ ভাত খাওয়ানোর উপকার ও ক্ষতি

2 months ban on fishing in the sea

সমুদ্রে মাছ ধরায় ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাগদা চিংড়ি চাষ ও রপ্তানি: সংকট, সম্ভাবনা এবং তারেক রহমান সরকারের করণীয়