নিরাপদ পোল্ট্রি নিয়ে বিশ্ববাজারে যাওয়ার প্রস্তুতি: মার্চে ঢাকায় আন্তর্জাতিক শো ও সেমিনার।।
৩০০ গবেষণা সারসংক্ষেপ জমা, ৯০৩ স্টলের পরিকল্পনা—গবেষণা, প্রযুক্তি ও রপ্তানি সম্ভাবনার পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে প্রান্তিক খামারির উন্নয়ন।।
ড. বায়েজিদ মোড়ল | সম্পাদক, AgricultureNews24.com

নিরাপদ ডিম ও মাংস উৎপাদন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোল্ট্রি পণ্যের অবস্থান তৈরির লক্ষ্য সামনে রেখে শুরু হয়েছে ‘১৪তম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার–২০২৭’-এর আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি। গবেষণা ও শিল্পের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারের পাশাপাশি প্রান্তিক খামারিদের কাছে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি ও জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের আয়োজনে।
সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) রাজধানীতে ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন–বাংলাদেশ শাখার (WPSA-BB) কার্যালয়ে পোল্ট্রি ও কৃষিভিত্তিক সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। আয়োজকরা শো ও সেমিনারের প্রস্তুতি, কর্মসূচি এবং বিশেষ আকর্ষণ তুলে ধরেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচনায় আসে নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদন, রপ্তানিসহায়ক নীতিমালা, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, সৌরবিদ্যুৎ এবং খামারিদের বাস্তব সমস্যার বিষয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন WPSA-BB-এর প্রেসিডেন্ট শামসুল আরেফিন খালেদ, জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, আয়োজনের মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক ড. শামীম আহমেদ ও সদস্যসচিব মো. জাকারিয়া ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন ভেন্যু ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, BPICC-এর মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর সাবরিনা নওরিন লিমুসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা।

উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন সাপ্তাহিক কৃষি ও আমিষ পত্রিকার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, AgricultureNews24.com-এর সম্পাদক ড. বায়েজিদ মোড়ল, এগ্রিলাইফ২৪.কমের শফিউল আজম, বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যান্ড ফিস পত্রিকার আফজাল হোসেন, পুনশ্চ পত্রিকার আসাদুজ্জামান, এগ্রিনিউজ২৪.কমের সম্পাদক খোরশেদ আলম জুয়েল, জাহিদ, আলামিন, মশিউর রহমান ও আসিফ কামাল প্রমুখ।

১৬–১৭ মার্চ সেমিনার, ১৮–২০ মার্চ পোল্ট্রি শো
WPSA-BB ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (BPICC) যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৬ থেকে ২০ মার্চ ২০২৭ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। এর মধ্যে ১৬ ও ১৭ মার্চ রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে হবে আন্তর্জাতিক কারিগরি সেমিনার। এরপর ১৮ থেকে ২০ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (ICCB) অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে ৯০৩টি স্টল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশি-বিদেশি পোল্ট্রি, ফিড, অ্যানিমেল হেলথ, ওষুধ ও ভ্যাকসিন, যন্ত্রপাতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সেখানে তাদের পণ্য, সেবা ও উৎপাদনপ্রযুক্তি তুলে ধরবে।
পাশাপাশি উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতে থাকবে কারিগরি আলোচনা ও বিজনেস টু বিজনেস বা B2B নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ।
প্রতিপাদ্যে নিরাপদ পোল্ট্রি ও বিশ্ববাজার
এবারের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘Safe Poultry for Global Markets’—‘বৈশ্বিক বাজারের জন্য নিরাপদ পোল্ট্রি’। উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে পণ্যের নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের বিষয়গুলোকে সামনে আনছে এই প্রতিপাদ্য।
আয়োজকরা জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা রয়েছে। সেমিনারে বায়োসিকিউরিটি, রোগ প্রতিরোধ, নিরাপদ উৎপাদন, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও টেকসই মূল্যশৃঙ্খল উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হবে।
তাঁদের আশা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার মাধ্যমে দেশের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীরা উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারের উপযোগী প্রস্তুতি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা পাবেন।
৩০০ গবেষণা সারসংক্ষেপ, গুরুত্ব পাবে খাতের চ্যালেঞ্জ
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সেমিনারের জন্য ইতোমধ্যে ৩০০টি গবেষণা সারসংক্ষেপ বা অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা পড়েছে। গবেষণা জমা দেওয়ার আহ্বানে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানান আয়োজকরা। বাছাই করা গবেষণার উপস্থাপনা ও আলোচনার মাধ্যমে শিল্পের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরা হবে।
আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে পোল্ট্রি পুষ্টি ও ফিড নিরাপত্তা, রোগ নির্ণয় ও ভ্যাকসিন, বায়োসিকিউরিটি, অটোমেশন, জলবায়ুসহিষ্ণু উৎপাদন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এবং রপ্তানি প্রস্তুতি।
গবেষণার ফল খামারের বাস্তবতায় কতটা প্রয়োগ করা যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদন ব্যয় কমানো, খাদ্যের অপচয় রোধ, রোগের ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ এবং পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় সহজ ভাষায় তুলে ধরা গেলে সেমিনারের সুফল মাঠপর্যায়ে আরও বিস্তৃত হবে।
প্রশ্নোত্তরে রপ্তানি, সৌরবিদ্যুৎ ও প্রান্তিক খামারি
প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথম প্রশ্ন করেন AgricultureNews24.com-এর সম্পাদক ড. বায়েজিদ মোড়ল। তিনি আয়োজনের প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পের বাস্তব প্রস্তুতির সম্পর্ক তুলে ধরেন।
তাঁর প্রশ্নে গুরুত্ব পায় নিরাপদ পোল্ট্রি মাংস উৎপাদন, রপ্তানির উপযোগী নীতিমালা, শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা এবং সরকারের করণীয়। পাশাপাশি পোল্ট্রি শেডের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানির চাহিদা পূরণ ও ব্যয় ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনার বিষয়ও তিনি উত্থাপন করেন।
গবেষণা, শিল্প ও খামারির মধ্যে সংযোগের কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং সেই ঘাটতি পূরণে WPSA-BB কী ভূমিকা রাখতে পারে—সেটিও তাঁর প্রশ্নের অংশ ছিল। বিশেষভাবে তিনি জানতে চান, প্রান্তিক খামারিরা এই শো থেকে কী শিখতে পারবেন এবং সেই শিক্ষা নিজেদের খামারে কীভাবে কাজে লাগাবেন।
এসব প্রশ্ন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির সঙ্গে ছোট ও মাঝারি খামারের প্রয়োজনের সংযোগ তৈরির বিষয়টি সামনে আনে। প্রযুক্তির কার্যকারিতা, বিনিয়োগের পরিমাণ এবং পরিচালন ব্যয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেলে খামারিরা নিজেদের উপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
ডিম ও মুরগির মাংসের বিভিন্ন পদ, পুষ্টিবিষয়ক তথ্য এবং আকর্ষণীয় উপস্থাপনার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। রান্নার প্রতিযোগিতাকে গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায়।
আয়োজকদের পরিকল্পনায় পোল্ট্রি পণ্যের পুষ্টিগুণ ও রান্নার বৈচিত্র্য তুলে ধরতে রান্নার প্রতিযোগিতা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আবহে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মিউজিক্যাল প্রোগ্রাম এবং বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী ও সমাপনী আয়োজন থাকবে।
অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে কঠোর উদ্যোগের আহ্বান
আলোচনায় সাপ্তাহিক কৃষি ও আমিষ পত্রিকার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান পোল্ট্রিতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন। এ বিষয়ে যুদ্ধ ঘোষণার মতো দৃঢ় ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তাঁর বক্তব্যে নিরাপদ উৎপাদন ও ভোক্তার আস্থার বিষয়টি সামনে আসে। সেমিনারের বিষয়তালিকাতেও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনার ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সাংবাদিকদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন WPSA-BB-এর প্রেসিডেন্ট শামসুল আরেফিন খালেদ ও জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান।

খামারির কাছে পৌঁছাতে হবে প্রযুক্তির সুফল
প্রান্তিক খামারিদের জন্য এই প্রদর্শনী নিজেদের খামারের সমস্যার সঙ্গে আধুনিক সমাধান মিলিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি করতে পারে। শেডের বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি, খাদ্যের অপচয় কমানো, রোগ প্রতিরোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদনের হিসাব সংরক্ষণের মতো বিষয় তাঁদের জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।
কোন প্রযুক্তি কত বড় খামারের উপযোগী, বিনিয়োগ কত লাগবে এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও বিক্রয়োত্তর সেবা কীভাবে পাওয়া যাবে—এসব বিষয়ে সরাসরি সরবরাহকারীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগও থাকবে।
এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সহজ বাংলায় তথ্যপত্র, ব্যবহারিক প্রদর্শন এবং খামারিদের প্রশ্ন করার ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। আয়োজনের পরেও গবেষণার সুপারিশ ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ পৌঁছে দেওয়ার ধারাবাহিক উদ্যোগ থাকলে এর সুফল দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি প্রস্তুতিতে নীতিগত সহায়তা
আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নে সমন্বিত প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। বিশ্ববাজারে প্রবেশের জন্য খামার থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান নিশ্চিত করার সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি।
এ ক্ষেত্রে মান পরীক্ষার সুযোগ, রোগ নজরদারি, নির্ভরযোগ্য সনদব্যবস্থা, কোল্ড চেইন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো এবং রপ্তানি প্রস্তুতিতে সমন্বিত সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। ছোট খামারির প্রশিক্ষণ, অর্থায়নে প্রবেশাধিকার এবং উৎপাদন ও বাজারসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহও অগ্রাধিকার পাওয়া প্রয়োজন।
পোল্ট্রি শেডের ছাদে সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উপযুক্ত অর্থায়ন, কাঠামোগত ও কারিগরি মূল্যায়ন এবং বিনিয়োগের বাস্তবসম্মত হিসাব দরকার। গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পসংগঠন ও সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে ব্যবহারিক নির্দেশনা তৈরি করা গেলে উদ্যোক্তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
বিশেষ জোনে রপ্তানি, টেকসই উৎপাদন ও নিরাপদ খাদ্য
এবার প্রদর্শনী এলাকায় বিষয়ভিত্তিক বিশেষ জোন রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে Export Zone, Sustainability Zone ও Safe Food Zone। এসব জোনে রপ্তানি সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং নিরাপদ খাদ্যসংক্রান্ত প্রযুক্তি ও উদ্যোগ তুলে ধরা হবে।
আয়োজকরা জানান, আগের আয়োজনগুলোর তুলনায় এবারের শো ও সেমিনারকে আরও বৈচিত্র্যময় করার পরিকল্পনা রয়েছে। গবেষণাভিত্তিক আলোচনা, প্রযুক্তির প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের পোল্ট্রি শিল্পের বৈশ্বিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।
আন্তর্জাতিক WPSA-এর প্রেসিডেন্ট ডা. ব্রুস রাথগেবারের অংশগ্রহণের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধান অতিথি হিসেবে পাওয়ার আশার কথা জানান আয়োজকরা।
গত তিন দশকে দেশের পোল্ট্রি খাত গ্রামীণ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ এবং প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ খাতের পরবর্তী অগ্রযাত্রায় নিরাপদ উৎপাদন, খামারির সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক মান অর্জনকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে আসন্ন আয়োজনটি।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, পোল্ট্রি উৎপাদনকারী, ফিড প্রস্তুতকারক, ওষুধ ও ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময় শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। অংশগ্রহণ, স্টল বুকিং, নিবন্ধন ও সেমিনারসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে আয়োজকদের ওয়েবসাইট wpsa-bb.com-এ। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কিউআর কোড স্ক্যান করেও প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যাবে।






















