RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

ঢেঁড়স চাষ পদ্ধতি

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
অক্টোবর ৪, ২০১৮ ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ

ঢেঁড়স চাষ পদ্ধতি

 

ঢেঁড়স বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালের একটি খুবই জনপ্রিয় সবজি। গ্রীষ্ম ও বর্ষা দু’মৌসুমে এফসলটি জন্মায়। এতে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন এ, বি, সি এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ রয়েছে।

ঢেঁড়সের জাত
বারিঁেঢরস-১: এ জাতটি ১৯৯৬ সনে অনুমোদন করা হয়। এজাতের গাছে প্রায় সব পত্রকক্ষেই ফুল ও ফল ধরে। গাছ ২.০-২.৫ মিটার লম্বা হয়। গাছপ্রতি ফলের সংখ্যা হয় ২৫-৩০টি। বীজ বপনের ৪৫ দিনের মধ্যে ফুল ফুটাতে শুরু করে। ফুল ফোটার ৫-৬ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করতে হয় এবং পরবর্তীতে ১ দিন অন্তর ফল সংগ্রহ করা যায়। এজাত হলুদশিরা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন। জীবনকাল বীজ বপন থেকে প্রায় ৫ মাস পর্যন্ত। হেক্টরপ্রতি ফলন ১৪-১৬ টন। বাংলাদেশর সবর্ত্র সারা বছর এ জাত চাষ করা যায়।

উৎপাদন প্রযুক্তি
মাটি
দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি ঢেঁড়স চাষের জন উপযোগী। পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকলে এঁটেল মাটিতেও এর চাষ করা যায়। ঢেঁড়স উৎপাদনের জন্য উষ্ণ জলবায়ু প্রয়োজন। সারাবছর ঢেঁড়স চাষ করা সম্ভব। তবে খরিপ মৌসুমে এর ব্যাপক চাষাবাদ করা হয়।

জমি তৈরি ও বীজ বপন
ভালো ফলন পেতে হলে জমি গভীরভঅবে চাষ করা প্রয়োজন। ঢেলা ভেঙে এবং আগাছা পরিস্কার করে ভালোভাবে জমি তৈরি করে নিতে হয়।
সারি করে এ ফসলের বীজ বপন করা হয়। এজন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সে.মি. এবং সারিতে গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৪০ সে.মি. রাখতে হয়। বপনের আগে বীজ ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে মাঠে বপন করলে সহজে বীজ গজায়। ফাল্গুন থেকে বৈশাখ মাস (মধ্য ফেব্র“য়ারি থেকে মধ্য মে) বীজ বপন করার সঠিক সময়। হেক্টরপ্রতি ৪-৫ কেজি বীজ প্রয়োজন।

পরিচর্যা
গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধির সময় নিড়ানি দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। পানি সেচ দেয়ার পর জমিতে ‘জো’ এলে কোদাল দিয়ে মাটির উপরের চটা ভেঙে দিতে হয়। এতে মাটির ভেতরে আলো-বাতাস ঢুকতে পারে এবং মাটি অনক দনি রস ধরে রাখতে পারে। আগাম মৌসুমে ঢেঁড়স চাষ করলে পানি সেমি. উঁচু করে বেড তৈরি করতে হবে।

উপাত্ত সংগ্রহ-কৃষি তথ্য সার্ভিস

ঢেঁড়স

হলুদ শিরা রোগ প্রতিরোধী ঢেঁড়সের নতুন জাত

বারি ঢেঁড়স-১
ঢেঁড়স বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমের একটি অন্যতম প্রধান সব্জি। সারা দেশে ঢেঁড়সের জনপ্রিয়তা থাকলেও মূলত শহরের লোকের কাছে অধিক সমাদৃত। ঢেঁড়সে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন বি, সি, এ এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ বিশেষ করে আয়োডিন রয়েছে। ইহা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আমাদের দেশে ঢেঁড়স মূলত ভাজি, ভর্তা এবং ব্যঞ্জনের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশে ঢেঁড়সের দু’একটি অনুমোদিত বিদেশী জাত ব্যতীত বাকী সবই নামবিহীন স্থানীয় জাত। এসব জাতের কোনটিই হলুদ শিরা রোগ মুক্ত নয়। এ রোগের আক্রমণে ঢেঁড়সের ফলন শতকরা ৫০-৬০ ভাগ কমে যায়। কোন কোন সময় এ রোগ সম্পূর্ণ ফসল ধ্বংস করে দেয়। সাদা মাছি নামক এক প্রকার পোকা এ রোগ ছড়ায়। পোকা দমন করে রোগের প্রকোপ কমানো যায়। কিন্তু ঢেঁড়স ঘন ঘন সংগ্রহ করতে হয় বলে কীটনাশক ব্যবহার করা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবনই এর প্রকৃত সমাধান।
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটের সব্জি বিজ্ঞানীরা ঢেঁড়সের হলুদ শিরা রোগ প্রতিরোধী জাত খুঁজে বের করার লক্ষ্য নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এ উদ্দেশ্যে দেশ-বিদেশ থেকে বহু সংখ্যক জার্মপ্লাজমা সংগ্রহ করা হয়। প্রচলিত প্রজনন প্রক্রিয়ায় ওকে- ০২৮৫ লাইনটি হলুদ শিরা রোগ প্রতিরোধী এবং উচ্চ ফলনশীল জাত হিসেবে নির্বাচন করা হয়। জাতীয় বীজ বোর্ডেও অনুমোদনে উক্ত লাইনটি বারি ঢেঁড়স-১ নামে ১৯৯৬ সালে মুক্তায়ন করা হয়।

বৈশিষ্ট্য
বারি ঢেঁড়স-১ এদেশের আবহাওয়ায় বছরের প্রায় সময় (নভেম্বর-জানুয়ারি মাস ছাড়া) সফলভাবে চাষ করা যায়। পরিপক্ক এবং শুষ্ক বীজে বাদামী লোমশ আবরণ আছে যা এ জাতের একক বিশিষ্ট্য। প্রতিটি গাছে ৩-৪ টি করে পার্শ্ব শাখা বের হয়ে কাণ্ডের মতই ফল দেয়। কাণ্ড অনির্ধারিত ভাবে বাড়তে থাকে এবং প্রায সব পাতার কক্ষেই ফুল ও ফল ধরে। গাছ ২.০-২.৫ মি. লম্বা। প্রতিটি ফলের গড় ওজন ১৫ গ্রাম। একটি গাছে ২৫-৩০ টি ঢেঁড়স ধরে। ফলপ্রতি বীজের সংখ্যা ৪০-৬০টি এবং ১০০০টি বীজের গড় ওজন প্রায় ৬০ গ্রাম।

মাটি ও জলবায়ু
দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি ঢেঁড়স চাষের জন্য উপযোগী। পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকলে এঁটেল মাটিতেও এর চাষ করা যায়। ঢেঁড়স উৎপাদনের জন্য উষ্ণ জলবায়ু প্রয়োজন। ইহা শুষ্ক এবং র্আদ্র উভয় অবস্থায় ভাল জন্মাতে পারে। রাত্রিকালীন উচ্চ তাপমাত্রা গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য সহায়ক। অধিক বৃষ্টিপাত ও আর্দ্র পরিবেশে গাছ রোগ ও পোকার দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। বর্ষাকালে কাদা-মাটিতে ঢেঁড়সের চাষ করা উচিত নয়।

উৎপাদন মৌসুম
বাংলাদেশের আবহাওয়ায় প্রায় সারা বছরই ঢেঁড়স জন্মানো সম্ভব হলেও মূলত খরিপ মৌসুমেই এর ব্যাপক চাষাবাদ করা হয়। ফাল্গুন থেকে বৈশাখ মাস বীজ বপনের উপয্ক্তু সময়।

জমি তৈরী ও বীজ বপন
৪-৫বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। ভাল ফলন পেতে হলে জমি গভীরভাবে চাষ দেয়া প্রয়োজন। ঢেলা ভেঙ্গে, আগাছা পরিষ্কার করে ভালভাবে জমি তৈরী করে নিতে হবে। তৈরী জমিতে এক মিটার প্রশস্ত ভিটি তৈরী করতে হয়। পাশাপাশি দুটি ভিটির মাঝখানে ৩০ সে.মি. প্রশস্ত নালা রাখতে হয়। সারি করে বীজ বপন করা হয়। উৎপাদন মৌসুমের উপর বপন দূরত্ব নির্ভরশীল। আগাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে গাছ কিছুটা খাটো এবং ডালপালা কম থাকে বিধায় কিছুটা ঘন করে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সে.মি. দূরত্বে গাছ লাগাতে হবে। মৌসুমে উৎপাদনের জন্য বপন দূরত্ব সারি থেকে সারি ৬০ সে. মি. এবং সারিতে গাছ ৫০ সে.মি.। ঢেঁড়সের বীজের খোসা শক্ত বলে বীজ অংকুরিত হতে অনেক সময় লাগে। বীজ বপনের পূর্বে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে মাঠে বপন করলে অংকুরোদগম সহজতর হয়। প্রতি গর্তে দুটি বীজ দিতে হবে। দুটি বীজই গজালে ৪-৫ পাতা অবস্থায় সুস্থ সবল চারা রেখে অন্যটি তুলে ফেলতে হবে। প্রতি হেক্টরে বপনের জন্য ৪-৫ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়।

সার প্রয়োগ
উচ্চ ফলন পাওয়ার জন্য সুষম সার প্রয়োগ করতে হয়। সারের মাত্রা জমির উর্বরতা শক্তির উপর নির্ভরশীল। সাধারণত প্রতি হেক্টরে নিæোক্ত পরিমান সার প্রয়োগ করতে হবে।

সার হেক্টরপ্রতি মোট পরিমান শেষ চাষের সময় দেয় উপরি প্রয়োগ
১ম কিস্তি ২য় কিস্তি ৩য় কিস্তি
গোবর/কম্পোষ্ট ১৪ টন সব – – –
টিএসপি ১০০ কেজি সব – – –
ইউরিয়া ১৫০ কেজি ৭৫ কেজি ২৫ কেজি ২৫ কেজি ২৫ কেজি
এমপি ১৫০কেজি ৭৫ কেজি ২৫ কেজি ২৫ কেজি ২৫ কেজি

শেষ চাষের সময় সবটুকু গোবর বা কম্পোষ্ট ও টিএসপি এবং অর্ধেক ইউরিয়া ও এমপি সার জমিতে সমভাবে ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকী অর্থেক ইউরিয়া এবং এমপি সার সমান তিন কিস্তিতে বীজ বপনের যথাক্রমে ৩০, ৪৫ ও ৬০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

পরিচর্যা
গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য জমিকে আগাছামুক্ত রাখতে হবে গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধির সময় নিড়ানী দিয়ে আগাছা পরিষ্কার ও মাটির উপরিভাগ আলগা করে দিতে হবে। মাঝে মাঝে বিশেষ করে সেচ দেয়ার জমিতে ‘জো’ আসলে কোদালের পাতলা কোপ দিয়ে মাটির উপরের চট ভেঙ্গে দিতে হবে। এতে মাটির ভিতরে আলো-বাতাস ঢুকতে পারে এবং মাটি অনেকদিন রস ধরে রাখতে পারে ফলে গাছ তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠবে। আগাম মৌসুমে ঢেঁড়স চাষ করলে পানি সেচ দেয়া বিশেষ প্রয়োজন। শুষ্ক আবহাওয়ায় মাটির প্রকার ভেদে ১০/১৫ দিন অন্তর সেচ দেয়া প্রয়োজন হতে পারে। বর্ষাকলে গাছের বৃদ্ধি গাছের বৃদ্ধি ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধার জন্য ২৫-৩০ সে. মি উঁচু করে বেড তৈরী করতে হবে। শুষ্ক আবহাওয়ায় প্রতি কিস্তি সার প্রয়োগের পর জমিতে সেচ দিতে হবে।

রোগবালাই
হলুদ শিরা বা মোজাইক ভাইরাস রোগ ঢেঁড়সের প্রধান শত্র“। দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং কৃষকদের মাঠে পরীক্ষায় বারি ঢেঁড়শ-১ জাতটি উক্ত রোগ প্রতিরোধী হওয়ায় কৃষকগণ বারি ঢেঁড়স চাষে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হচ্ছেন।

পোকামাকড়
ফল ও ডগার মাজরা পোকা, জেসিড এবং সাদা মাছি পোকা ঢেঁড়স উৎপাদনের বিশেষ ক্ষতি করে। মাজরা পোকা দমন করতে গাছে ফুল ধরা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত রিপকর্ড অথবা সিমবুস প্রতি লিটার পানিতে ১ মি.লি মিশিয়ে ছিটাতে হবে। ফল ধরা শুরু হলে ঔষধ ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে পোকার আক্রমণ খুব বেশী হলে স্বল্পস্থায়ী কীটনাশক যেমন ম্যালথিয়ন, নগস, ভ্যাপোনা ইত্যাদি মাত্রা অনুযায়ী ছিটাতে হবে। জেসিড পোকা দমনের জন্য উপরে উলি­খিত কীটনাশকগুলোই কার্যকরী। সাদা মাছি পোকা দমনে রগর বা রক্সিয়ন প্রতি লিটার পানিতে ২য় মি.লি. মিশিয়ে ছিটাতে হবে।

ফসল সংগ্রহ ও ফলন
ফাল্গুন চৈত্র মাসের মধ্যে বীজ বপন করলে ৪০-৪৫ দিনে এবং এর পর বপন করলে ৫০-৫৫ দিনের মধ্যে ফুল ফুটতে শুরু করে। ফুল ফোটার ৫/৬ দিন পর থেকেই ফল সংগ্রহ করা যায়। ফলের বয়স ১০ দিনের বেশী হলে ফল আঁশময় এবং পুষ্টিমানের দিক দিয়ে নিকৃষ্ট হয়ে যায়। খাওয়ায় উপযোগী হওয়া মাত্রই ফল সংগ্রহ করা উচিত। না হলে কাণ্ডের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং মোট ফলন কমে যায়। গাছের প্রধান কাণ্ডে প্রতি একদিন অন্তর ফুল ফুটে এবং একটি পত্রকক্ষে একটি মাত্র ফুল ধরে। প্রতি একদিন অন্তর ফসল সংগ্রহ করতে হয়। জাতটির মোট জীবনকাল প্রায় পাঁচ মাস। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জাতটির ফলন প্রতি হেক্টরে ১৪-১৬ টান।

মুড়ি ফসল
স্বাভাবিক উৎপাদন মৌসুমের শেষে গাছের প্রধান কাণ্ডের মাথা কেটে ২/৩ টি শাখা রেখে যতœ নিলে মুড়ি ফসল হিসেবে আরও কিছুদিন ঢেঁড়স পাওয়া যায়।

বীজ উৎপাদন
ঢেঁড়সের বীজ উৎপাদন বিশেষ সতর্কতা ও কলাকৌশল প্রয়োজন। কারণ হলুদ শিরা ভাইরাস রোগে আক্রান্ত গাছের বীজ নিæমানের। রোগাক্রান্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করা অবশ্যই বর্জনীয়। ঢেঁড়স স্বপরাগায়িত সব্জি হলেও পর-পরাগায়নের মাত্র খুব বেশী। জাতের বৈশিষ্ট্য অক্ষুন্ন রাখতে বীজ ফসলের জন্য নির্ধারিত জমির অন্তত ১০০ মিটারের মধ্যে অন্য কোন জাতের ঢেঁড়স জন্মাতে দেয়া যাবে না। তবে কীট-পতংগের আনাগোনা বেশী হলে এ দূরত্ব ২০০ মিটার করা প্রয়োজন। জাতের সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন গাছ ব্যতীত অন্য সকল গাছ এবং রোগাক্রান্ত সব গাছই জমি থেকে উঠিয়ে ফেলতে হবে। বীজ ফসলে সাদা মাছি পোকার আক্রমণ দেখা দিলে দমনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাকা ফল যখন সবুজ এবং হারিয়ে ফেলে এবং শক্ত হয় তখন তুলে এক সপ্তাহ শুকিয়ে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। সময়মত সঠিক পরিচর্যা গ্রহণ করলে হেক্টর প্রতি ১.৫- ২.০ টন বীজ হতে পারে।

উপাত্ত সংগ্রহ-কৃষি তথ্য সার্ভিস

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

শীতেকালে ছাগলের যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগ হতে পারে তার চিকিৎসা ও প্রতিকার

উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পে ৫৫ হাজার দরিদ্র পরিবার উপকৃত হয়েছে -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

পেঁয়াজ চাষের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

রানীক্ষেত রোগ

দেশে শিগগিরই গবাদিপশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের টিকা উৎপাদন শুরু হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

Why how to do land registration: Part 6/9

কেন কিভাবে করবেন জমি রেজিস্ট্রেশন: পর্ব-৬/৯

শুভ জন্মদিন

The holy glory Lailatul Barat is today

পবিত্র মহিমান্বিত শবে বরাত আজ

ডেইরি উন্নয়ন বোর্ড শেখ হাসিনা সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

সরকার কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণের চেষ্টা করছে- স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা