RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

গামবোরো রোগের টিকার ব্যবহার বিধি

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
অক্টোবর ৮, ২০১৮ ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ

গামবোরো রোগের টিকার ব্যবহার বিধি

 

১। টিকা ব্যবহারের ৪৮ ঘন্টা পূর্বে এবং ২৪ ঘন্টা পরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃস্টিতে প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে যেসব ঔষধ খাওয়ানো যাবে না বলে যে প্রচারনা চালানো হয় তা সঠিক নয়। কারণ ভাইরাস দ্বারা তৈরী টিকাতে একাধিক এন্টিবায়োটিকস্ ব্যবহার করা হয় যেমন পেনিসিলিন, জেন্টামাইসিন, স্ট্রেপ্টুমাইসিন, জেন্টামাইসিন, এমফোটারিসিন বি (ধসঢ়যড়ঃবৎরপরহ ই) ইত্যাদি ঔষধ ব্যবহারে টিকার মান সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি করে।

২। টিকায় ব্যবহৃত পাত্র/ যন্ত্রপাতি জীবাণুনাশক ঔষধ দিয়ে রোগ জীবাণুমুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যাবে না যথা-টেল, সেভলন, ব্লিচিং পাউডার। এসব পাত্র ও যন্ত্রপাতি প্রয়োজনে ফুটন্ত পানিতে ৩০ মিনি সিদ্ধ করে নিয়ে রোগ জীবানু মুক্ত হয়।

৩। শহরাঞ্চলে যেখানে ডিপ টিউবওয়েল থেকে সরকারী ভাবে পানি সাপ্লাই করা হয় সেগুলোতে ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত থাকে তাই টিকায় এ পানি ব্যবহার করা যাবে না।

৪। গামবোরো টিকা খাওয়ানোর দুই ঘন্টার পূর্বে মোরগ মুরগীর খাবার পানি সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে। আমাদের দেশের খাবার পানিতে ঘুলে টিকার ঔষধ খাওয়ালে ভালো রোগ প্রতিরোধ শক্তি সৃষ্টি হয় না। কারণ পরিবেশগত কারণে পানির পাত্র ও পানিকে রোগ জীবাণুমুক্ত করা অধিকাংশ খামারীদের পক্ষেই সম্ভব নয়। টিকা খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার করলে পানিতে যাতে টিকার জীবানু বা এন্টিজেন নষ্ট না হয় সেজন্য প্রতি লিটার পানির সাথে ননী বিহিন শুল্ক গুড়ো দুধ দুই গ্রাম হিসেবে মিশ্রিত হবে। টিকা গোলানোর পূর্বের দুধের গুড়ো পানির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। * একই সংখ্যক বাচ্চা মোরগ মুরগীর বয়সের উপর টিকা মিশানোর জন্য পানি কম বেশি হতে পারে। যেমন প্রতি হাজার বাচ্চা মোরগ মুরগীর জন্য-* ১ থেকে ২১ দিন বয়স পর্যন্ত ৫-১০ লিটার পানির প্রয়োজন। ২২ থেকে ৬৩ দিন বয়স পর্যন্ত ১২-১৩ লিটার পানির প্রয়োজন। ৬৪ থেকে ১১২ দিন বয়স পর্যন্ত ২৭-৩৭ লিটার পানির প্রয়োজন। * তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে টিকা মিশানো পানি যেন ১ ঘন্টার মধ্যে খেয়ে ফেলতে পারে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

৫। চোখের ফোটার জন্য (ঊুব ফৎড়ঢ়ং) ৩৮ মিলি নির্ধারিত পানির (উরংঃরষষবফ ধিঃবৎ) সাথে ১০০০ বাচ্চার গামবোরো টিকার শুল্ক হিমায়িত ঔষধটুকু সম্পূর্ণভাবে গুলিয়ে নিতে হবে। গোলানো সময় সজেরে ঝাকি দেয়া যাবে না। আস্তে আস্তে ঝাকুনি দিয়ে মিশাতে হবে। মিশানো টিকা এক ফোটা করে প্রতি বাচ্চার চোখে অথবা মুখে সরাসরি প্রয়োগ করতে হবে। এক হাজার মোরগ মুরগীর জন্য একটি এপ্লিকেটর/ ড্রপার দেয়া হয় ফলে, চোখে ফোটা দিতে গেলে বেশ সময় নেয়। তাই সিরিঞ্জ দিয়ে সুইয়ের মাধ্যমে ফোটা তৈরীর কায়দা আয়ত্বে এনে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৬। রোগজীবানু মুক্ত পানি দিয়ে শিশির ছিপি পরিস্কার করে নিয়ে চিমটা (ঋড়ৎপবঢ়ং) দিয়ে খুলতে হবে।

৭। কোম্পানী বা গবেষণাগার কর্তৃক সুপারিশকৃত মাত্রায় টিকা ব্যবহার করতে হবে। কোন অবস্থায়ই কম মাত্রায় ব্যবহার করা চলবে না যেমন ১০০০ মাত্রার টিকা দিয়ে ১১-১২ শত মোরগ মুরগী টিকা দেয়া যাবে না তবে ৮-৯শত মোরগ মুরগী টিকা দেয়া যাবে।

৮। টিকা ২০-৭০ সেলসিয়াস (৩৫০-৪৫০ ফাঃ) তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। ফ্রোজেন করা চলবে না।

৯। ঠাণ্ডা অবস্থায় টিকা গোলানো পাত্রটি রেখে ব্যবহার করতে হবে।

১০। ব্যবহৃত টিকার খালি শিশি/ ছিপি মাটির নিচে পুতে রাখতে হবে অথবা ফুটন্ত পানিতে ৩০ মিনিট সিদ্ধ করে যথাস্থানে ফেলতে হবে।
বিভিন্ন কোম্পানীর গামবোরো টিকার ব্যবহার পদ্ধতি ভিন্ন এবং তা নিম্নরুপ :- ১। বারসিমন, দুই সপ্তাহ বয়সে ১ মাত্রা ২। হিপবাগামবোরো জি এস ৯৭,১ থেকে ৩ সপ্তাহ বয়সে ১ মাত্রা ৩। গামবোরে ডি-৭৮/২২৮ই, ১৪ দিন বয়সে ১মাত্রা, গামবোরো ডি-৭৮/২২৮ই, ২১ দিন বয়সে ২ মাত্রা। ৪. গামবোরো টেড ভক ফোর্ট, ২৪-২৫ দিন বয়সে ৩ মাত্রা

ক্স কোম্পানীর নির্দেশিকা মোতাবেক ব্যবহার করতে হবে।

সর্বশেষ - গরু পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

সমুদ্রে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা

ডিমের মূল্যের ঊর্দ্ধগতিতে মধ্যস্বত্বভোগীরা বড় সমস্যা : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

The rapists got up for rape

ধর্ষণে মেতেছে ধর্ষককুল

গরু মোটাতাজাকরণ বা হৃষ্টপুষ্টকরণ পদ্ধতি শিখুন

খামার শুরুটা সহজ টিকিয়ে রাখা বড়ই কষ্ট!

শুভ জন্মদিন

বাংলাদেশ ডেইরী এন্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারন সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত ।

খামারি অ্যাপ ব্যবহারে সারের খরচ কমবে, ফলনও বাড়বে

সামুদ্রিক মৎস্যখাতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট কৃষির ভূমিকা নিয়ে সেমিনার