RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
বুধবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

কেন কিভাবে করবেন জমি রেজিস্ট্রেশন: পর্ব-৯/৯

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
মে ১১, ২০১৯ ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
Why how to do land registration: Part 9/9

Why how to do land registration: Part 9/9

সরদার জাহিদুল কবীর: কেন কিভাবে করবেন জমি রেজিস্ট্রেশন: পর্ব-৯/৯-এর বিষয় সম্পত্তি হস্তান্তর। সম্পত্তি হস্তান্তর যেভাবে সম্পন্ন হবে;

১। সম্পত্তি যখন কোন জীবিত ব্যক্তির বরাবরে হস্তান্তর হবে;

২। হস্তান্তর যখন টাকা বা কোন কিছুর বিনিময়ে হবে;

৩। দান চুক্তির হস্তান্তর বিনিময় ছাড়াও বৈধ হবে;

৪। সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি যখন রেজিষ্ট্রী করা হবে;

৫। চুক্তি রেজিষ্ট্রীর পরপরই হস্তান্তর কার্যকর হবে।

হস্তান্তরের যোগ্যতা সপ্নন্ন ব্যক্তি

১। চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি হস্তান্তরযোগ্য সম্পত্তির স্বত্ত্বাধিকারী হলে তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন;

২। সম্পত্তিটি হস্তান্তরকারীর নিজের না হলে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকার তার থাকতে হবে;

৩। হস্তান্তরের যোগ্যতা বলতে হস্তান্তরকারী সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তি হবেন;

হস্তান্তর বলবৎঃ সম্পত্তি হস্তান্তরের সাথে সাথে ঐ সম্পত্তির দাতার সকল হস্তান্তরযোগ্য স্বার্থ গ্রহীতার উপর বর্তাবে।

বিক্রয় চুক্তি ও বিক্রয়

বিক্রয়ের চুক্তি ও বিক্রয় এক বিষয় নয়, বিক্রয়ের চুক্তি হচ্ছে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একটি সমঝোতা। বিক্রয় ব্যতীত শুধু বিক্রয়ের চুক্তি দ্বারা কোন স্বত্ত্বের সৃষ্টি হয় না।

◊ নাবালক ব্যক্তি সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে না কিন্তু সম্পত্তি ক্রয়ের ক্ষেত্রে নাবালকের কোন বাধা নেই।

◊ কোন হস্তান্তরের চুক্তির ফলে চুক্তির পক্ষসমূহ বা দাতা ও হস্তান্তর গ্রহীতা ব্যতীত অন্য কারো স্বার্থ ক্ষুণ্ন হলে উক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে।

◊ কোন বিক্রেতা একই সম্পত্তি একাধিক ব্যক্তির নিকট বৈধ দলিল রেজিষ্ট্রীমূলে বিক্রি করলেও দু’টি দলিলের মধ্যে প্রথম সম্পাদিত দলিলটি আইনত বলবৎ হবে।

বিক্রয় বা সাফ কবলা দলিলের রেজিস্ট্রেশন ব্যয় নিম্নরূপ

২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে পৌর এলাকা ভুক্ত এলাকার জন্য:

১. ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের) ৩.০%

২. সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়) ২.০%

৩. স্থানীয় সরকার ফি (যা নগদ জমা দিতে হয়) ১.০ %

৪. উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য) ২.০%

৫. গেইন ট্যাক্স ( পৌর/ সিটি কর্পোরেশনে জমা দিতে হয়) ১.০ %

মোট      – ৯.০%

পৌর এলাকা বা সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত/ ইউনিয়ন পরিষদভুক্ত এলাকার জন্য

১. ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের) ২.০ %

২. সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রী অফিসে নগদ জমা দিতে হয়) ২.০ %

৩. স্থানীয় সরকার ফি (যা নগদ জমা দিতে হয়) ১.০ %

৪. উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য) ১.০ %

মোট – ৬.০%

তা ছাড়াও প্রতিটি দলিল রেজিষ্ট্রীর সময় ৫০/= (পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে হলফনামা ও একটি নোটিশ সংযুক্ত করতে হয়। উক্ত নোটিশে ১/= টাকা মূল্যের কোর্ট ফি সংযুক্ত হয়। দলিল রেজিষ্ট্রি করতে ১৫০ টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দলিল সম্পাদন করতে হয় এবং ষ্ট্যাম্পের বাদবাকী মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে, চালানের কপি সংযুক্ত করতে হয়।

দলিলের সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারী ফি নিম্নরূপ

ষ্ট্যাম্প বাবদ ২০.০০ টাকা, কোর্ট ফি ৪.০০ টাকা মোট=২৪.০০ টাকা। লেখনী বাবদ দলিলের প্রতি ১০০ শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য বাংলার জন্য তিন (০৩) টাকা এবং প্রতি ১০০ ইংরেজী শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য পাঁচ (০৫) টাকা হারে ফি প্রদান করতে হয়। জরুরী নকলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ২০ টাকা অথবা উক্ত নকল চার পৃষ্ঠার বেশি হলে প্রতি পৃষ্ঠার জন্য পাঁচ (০৫) টাকা হারে ফি প্রদান করতে হবে। আপনি যে জমি খরিদ করতে চান তা খরিদ করার পূবে স্থানীয় ভূমি অফিসে গিয়ে এবং রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনুসন্ধানীর মাধ্যমে সঠিকতা যাচাই করতে হবে।

অনুসন্ধান করবেন কোথায়?

ভূমি বিক্রির মেয়াদ ১ হতে ৩ বছর হলে থানা সাব রেজিষ্ট্রী অফিস এবং এর বেশী হলে জেলা রেজিষ্ট্রার অফিস। অনুসন্ধানী ফি প্রথম বছরের জন্য ১০ (দশ) টাকা এবং পূর্ববর্তী প্রতি বছরের জন্য ১০ (দশ) টাকা হারে অতিরিক্ত ফি প্রদান করতে হবে। এই তথ্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি ভূমি রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য জানতে পারবে এবং অহেতুক হয়রানি থেকে রেহাই পাবে।

সূত্র: অনলাইন

সর্বশেষ - গরু পালন