RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
রবিবার , ২৮ জুন ২০২৬ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
  

গরুর সুষম খাদ্য

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ ৩:৩০ অপরাহ্ণ

https://agriculturenews24.com/গরুর সুষম খাদ্য ।।

প্রতিবেদনে যা যা জানতে পারবেন

রেশন কি?

আদর্শ রেশনের বৈশিষ্ট্য

রেশন তৈরির বিবেচ্য বিষয়

সুষম খাদ্য

খাদ্যের রাসায়নিক বিশ্লেষণ

খাদ্যের আর্ন্তজাতিক শ্রেণিবিন্যাস

রেশন:

কোনো প্রাণিকে ২৪ ঘন্টা মধ্যে যে খাদ্য সরবরাহ করা হয় তাকে রেশন বলে। রেশন দুই প্রকার। যথা:-

মেইনটিন্যান্স রেশন (Maintenance Ration)

প্রডাকশন রেশন (Production Ration)

প্রাণি যখন কোনো কাজ করে না অর্থাৎ বিশ্রাম অবস্থায় থাকে তখন যে রেশন দেয়া হয় তাকে মেইনটিন্যান্স রেশন বলে। আবার যখন প্রাণিদেরকে মেইনটিন্যান্স (Maintenance) রেশনের সঙ্গে তার উৎপাদন যেমন- দৈহিক বৃদ্ধি ও দুধ উৎপাদন, গর্ভাবস্থা, হালচাষ এর জন্য অতিরিক্ত রেশন সরবরাহ করা হয় তখন ঐ রেশনকে Production রেশন বলে। ইহা প্রাণির দৈহিক ওজন এবং উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে। উৎপাদন মাত্রা বেশি হলে দেখা যায় একই দৈহিক ওজন বিশিষ্ট প্রাণির প্রডাকশন রেশনের চাহিদা বেড়ে যায়।

আদর্শ রেশনের বৈশিষ্টঃ 

একটি আদর্শ রেশনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান থাকতে হবে।

রেশনে ব্যবহৃত উপকরণ অবশ্যই সুস্বাদু হতে হবে।

রেশনে যথাসম্ভব বেশি পরিমাণ উপকরণ যোগ করা উচিত।

রেশনের খাদ্য উপকরণগুলো বিষাক্ত পদার্থ বঞ্চিত হবে।

রেশন অবশ্যই রেচক হবে।

রেশন আয়তন বেশি হবে।

রেশন বেশির ভাগ সবুজ ফডার ব্যবহার করা উচিৎ।

হঠাৎ করে রেশন পরিবর্তন আনা যাবে না।

প্রতিদিন একই সময়ে রেশন সরবরাহ করতে হবে।

রেশন তৈরির সময় অর্থনৈতিক দিক খেয়াল রাখতে হবে।

রেশন ব্যবহৃত খাদ্য উপাদানগুলোর যেন সহজলভ্য হয়।

একই জাতের ও একই বয়সের প্রাণিদের একই রেশন সরবারহ করতে হবে।

রেশন প্রয়োজনীয় খণিজ উপাদান বিদ্যমান থাকতে হবে।

রেশন তৈরির বিবেচ্য বিষয়ঃ

যে কোন প্রাণির রেশন তৈরিতে কিছু বিষয় বিবেচনা করতে হয়। নিম্নে এগুলো উল্লেখ করা হলো

রেশন তৈরির উদ্দেশ্য কী তা জানতে হবে।

কোন বয়সের প্রাণির রেশন তৈরি করব তা জানতে হবে।

প্রাণিটি অসুস্থ হওয়া চলবে না।

রেশন ব্যবহৃত খাদ্য উপকরণগুলোর রাসায়নিক গঠন জানতে হবে।

খাদ্র উপকরণে শক্তির হিসাব জানতে হবে।

খাদ্য উপকরণে কোন সস্তা ও সহজলভ্য হতে হবে।

প্রাণির দৈহিক ওজন জানতে হবে।

প্রয়োজনীয় ভিটামিন জাতীয় খাদ্য উৎস অর্ন্তভূক্ত করতে হবে।

প্রক্সিমেট বিশ্লেষণের খাদ্যের বিভিন্ন উপাদান নিম্নে দেয়া হলো-

বিষয়ঃ জলীয় অংশ অ্যাস

উপাদানঃ পানি (এবং ভোলাটাইল এসিড ও ক্ষার)

ক) প্রয়োজনীয় উপাদানঃ  ১) মূখ্য- ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম, সালফার, ফসফরাস, ক্লোরিন। ২) গৌণ- আয়রন, কপার, কোবাল্ট, জিংক, আয়োডিন, মলিবডেনাম, সেলেনিয়াম ইত্যাদি।

খ) অপ্রয়োজনীয় উপাদানঃ বোরণ, লেড, এ্যালুনিয়াম

বিষয়ঃ অশোধিত আমিষ

উপাদানঃ  আমিষ, অ্যামাইনেস এসিড, নাইট্রেট, গ্লাইকোলিপিড, ভিটামিন-বি, নিউক্লিক এসিড ইত্যাদি।

বিষয়ঃ  ইথার এক্সট্রাক্ট

উপাদানঃ  চর্বি, তেল, মোম, জৈব এসিড, রঞ্চক, স্টেরল, ভিটামিন এ.ডি.ই.কে

বিষয়ঃ অশোধিত আঁশ

উপাদানঃ সুগার, ফ্রুকটোস, স্টার্চ, পেকটিন, জৈব, এসিড, ট্যানিন, পিগমেন্টস, পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।

উপরোক্ত উপাদান গুলো ল্যাবরেটারিতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

খাদ্যের আর্ন্তজাতিক শ্রেণিবিন্যাস

শুকানো ফরেজ ও রাফেজ- খাদ্যের এ শ্রেণিতে সকল ফরেজ এবং রাফেজ অন্তর্ভূক্ত। এছাড়া অন্যান্য দব্য যেগুলো ১৮% এর বেশি আঁশ বা ৩৫% কোষ প্রাচীর ধারণকরে, সেগুলো ও এ শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত। ফরেজ, রাফেজ, এবং হে (লেগুম ও ননলিগুম), খড়, ফডার ভূট্টা স্টোভার, হালস, ইত্যাদি যাদের শক্তির পরিমাণ কম। এগুলো এ শ্রেণীর অন্তভূক্ত। এর কারণ কোষ প্রাচীরের আয়তন বেশি।

চারণ ভূমি ঘাস ও গাছের পাতা সব ফরেজফিড ও গাছের পাতা এ শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত।

সাইলেজ

এনার্জি ফিড- যে সকল দ্রব্যে আঁশ ও টিডিএন এর পরিমাণ যথাক্রমে ১৮% এর কম এবং ৬০% এর বেশি। সেগুলো এ শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত। যেমন- দানাদার ও তাদের উপজাত।

প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট। যাদের আমিষের পরিমাণ ২০% এগুলো এ শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত।

মিনারেল বা খণিজ সাপ্লিমেন্ট

ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট

অ্যাডিটিভস

গবাদি প্রাণির খাদ্যের শুষ্ক পদার্থের পরিমান নির্ণয় পদ্ধতিঃ

শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ নির্ণয়ঃ গরুর দৈহিক ওজনের ওপর নির্ভর করে ঐ গরুর প্রয়োজনীয় শুষ্ক পদার্থের পরিমান নির্ণয় করা হয়। সাধারণত ১০০ কেজি ওজনের একটি গরুর জন্য ২.০ থেকে ২.৫ কেজি শুষ্ক পদার্থের প্রয়োজন হয়। এ শুষ্ক পদার্থ আঁশযুক্ত এবং দানাদার খাদ্য হতে সরবরাহ করতে হবে। আঁশযুক্ত এবং দানাদার খাদ্য হতে মোট শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ নিম্নে রূপ হওয়া প্রয়োজন।

মোট শুষ্ক পদাথঃ

২/৩ আঁশযুক্ত খাদ্যঃ

২/৩ শুকনো আঁশযুক্ত খাদ্য

১/৩ তাজা আঁশযুক্ত খাদ্য

১/৩ দানাদার খাদ্যঃ

১/৩ তাজা আঁশযুক্ত খাদ্য

৪০০ কেজি দৈহিক ওজনের একটি গরুর জন্য প্রয়োজনীয় শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ নির্ণয়ের পদ্ধতি নীচে দেখানো হলো।

দৈহিক ওজন = ৪০০ কেজি

মোট শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ = ৪গুনন২.৫=১০ কেজি @ ২.৫/১০ কেজি দৈহিক ওজন।

দানাদান খাদ্য হতে শুষ্ক পদার্থ = ১০গুনন২/৩=৬.৬৬ অর্থাৎ ৬.৫ কেজি।

যখন আঁশযুক্ত খাদ্য লিগুম জাতীয় হবে তখন শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ নিম্নে রূপ হবেঃ

শুষ্ক আঁশযুক্ত খাদ্য হতে = ৬.৬গুনন৩/৪=৪.৯৫ অর্থাৎ ৪.৯ কেজি।

তাজা আঁশযুক্ত খাদ্য হতে = ৬.৬গুনন১/৪=১.৬৫ অর্থাৎ ১.৬ কেজি।

যখন সাধারণত আঁশ জাতীয় খাদ্য হবে তখন নিম্নরূপ হবে

শুষ্ক খাদ্য হতে = ৬.৬গুনন২/৩=৪.৪ কেজি।

তাজা আঁশযুক্ত খাদ্য হতে = ৬.৬গুনন১/৩=২.২ কেজি।

মোটা তাজাকরনের গরুকে তাজা ঘাস নিয়মিত দেওয়া সম্ভব না হলে ডিবি-ভিটামিন ব্যবহার করতে হবে।

ব্যবহার পদ্ধতিঃ ডিবি ভিটামিন খাদ্যের সাথে ২-৪ চা চামচ নিয়মিত খাওয়াতে হবে।

(২) ঘনীভূতি বা দানাদার জাতীয় খাদ্যঃ যেসব খাদ্য বা খাদ্য মিশ্রণে উচ্চ মাত্রায় নাইট্রোজেনযুক্ত এক্সট্রাক্ট এবং মোটা সুপ্রাচ্য পুষ্টিকর উপাদান (ঞউঘ) থাকে এবং নি¤œ মাত্রায় ক্রড প্রোটিন (ভরনৎব) থাকে তাকে ঘনীভূত বা দানাদার খাদ্য বলে। তাই ঘনীভূত বা দানাদার জাতীয় খাদ্য বা খাদ্য মিশ্রণ সাধারণত সুপ্রাচ্য এবং পুষ্টিকর উপাদান সমৃদ্ধ। এগুলো সাধারণত কম আঁশযুক্ত ও শুষ্ক হয়। প্রধানত আমিষ এবং শর্করা জাতীয় পুষ্টি উপাদান সরবারহের জন্য ব্যবহার করা হয়। যেমন- চাউলের কুঁড়া, গমের ভূষি, খৈল, ডালের খোসা ইত্যাদি। এই জাতীয় খাদ্য আবার দাই ধরনের হতে পারে। যেমন-

এনার্জি সমৃদ্ধ ঘনীভূত খাদ্য:  শস্যদানা, কৃষি শিল্পের উপজাত, লালিগুড় ইত্যাদি।

প্রোটিন সমৃদ্ধ ঘনীভূত খাদ্য:  উদ্ভিদ প্রোটিন, প্রানিজাত প্রোটিন ইত্যাদি।

(৩) অ্যাডেটিভসঃ প্রাণিখাদ্যকে সুষম ও পরিপূর্ণ করার জর্ন্য অ্যাডেটিভস হিসেবে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, এন্টিবায়োটিকস এবং এনাবোলিকস মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।

রসদ বা রেশনঃ গবাদি প্রাণিকে দৈহিক অর্থাৎ ২৪ ঘন্টায় যে নির্দিষ্ট পরিমাণ খদ্য বা খাদ্য সমষ্টি খেতে দেয়া হয় তাকে রসদ বা রেশন বলে। দৈহিক চাহিদা ও উৎপাদনের উপ৪র ভিত্তি করে প্রাণি খাদ্যকে নিম্নাক্ত কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়।

১। সুষম খাদ্যঃ  

যেসব খাদ্য প্রাণি দেহের দৈহিক প্রয়োজন মিটানোর জন্য উপুক্ত পরিমাণে ও অনুপাতে সব রকম পুষ্টিকর উপাদরন থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে। প্রতিটি প্রাণির জন্য সুষম খাদ্যর প্রয়োজন। কারণ সুষম খাদ্যর অভাব হলে প্রাণি তার প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টিকর উপাদান পায়না ফলে তার দেহ গঠন ও উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়।

২। স্বাস্থ রক্ষার খাদ্যঃ

প্রাণি স্বাভাবিক স্বাস্থ রক্ষা ও শরীরবৃত্ত (ঢ়যুংরড়ষড়মু) বিষয়ক কার্যাবলী যথা- শ্বাস-প্রশ্বাস, রক্ত সঞ্চালন, পরিপাক ক্রিয়া ইত্যাদি পরিচালনার জন্য শক্তি যোগান দেয় যে খাদ্য তাকে স্বাস্থ রক্ষার খাদ্য বলে।

৩। উৎপাদক খাদ্যঃ

প্রাণি স্বাস্থরক্ষার জন্য যেমন একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের প্রয়োজন তেমনি তার উৎপাদনের জন্য খাদ্যের প্রয়োজন। আবার উৎপাদনের ধরন ও পরিমাণের উপর খাদ্যের ধরন ও পরিমাণ নির্ভর করে। যেমন- দুগ্ধবতী গাভীর দুধ উৎপাদন, গর্ভবর্তী গাভীর গর্ভস্থ বাচ্চার দৈহিক বাড়ন, বাচ্চা প্রাণির দৈহিক বৃদ্ধি এবং প্রাণির লাঙ্গল ও গাড়ি টানা, ভারবহন ইত্যাদির জন্য বিভিন্ন ধরনের সুনির্দিষ্ট বাড়তি খাদ্যের প্রয়োজন। সুতরাং প্রাণির স্বাস্থ্য রক্ষার উপযোগী খাদ্য ছাড়াও প্রাণির উৎপাদনের জন্য অতিরিক্ত যে খাদ্যের প্রয়োজন হয় তাকে উৎপাদক খাদ্য বলে।

আদর্শ রেশনের বৈশিষ্টঃ

রেশন অবশ্যই সুষম হতে হবে।                                                                 

খাদ্য রুটিকর সুস্বাদু হতে হবে।

খাদ্য সহজপাচ্য হওয়া প্রয়োজন।                                                                             

খাদ্যে সুঘ্রানে দুধ উৎপাদনে সহায়ক হয়

খাদ্য রেচনগুণ সম্পন্ন হওয়া বঞ্ছনীয়

খাদ্য বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য সমন্বয়ে হওয়া বাঞ্ছনীয়

গবাদি প্রাণির সুষম খাদ্য প্রস্তুতের পূর্বশর্তঃ

গবাদি প্রাণির  স্বাস্থ্য রক্ষা, কর্মক্ষমতা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর, পরিমিত দানাদার ও আঁশ জাতীয় খাদ্য। আঁশ জাতীয় খাদ্যের মধ্যে সবুজ ঘাস গবাদি প্রাণির স্বাস্থ্য রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ, প্রজনন ক্ষমতা এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ গবাদি প্রাণির ঘরে খাদ্যশস্যের উপজাত খাইয়ে পালন করা হয়। এ সমস্ত প্রাণি খাদ্যের প্রধান উৎস আঁশ যুক্ত খাদ্য খড় এবং শস্য উপজাত। কৃষকের প্রধান উদ্দেশ্য জমিতে জন্মানো সামান্য আগাছা,ফসলের উপজাত, শুকনা খড় ইত্যাদি খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে বিনা খরচে গবাদি প্রাণি পালন করা। দুর্যোগ ও আপদকালীন সময়ের জন্য কোন কোন কৃষক বাড়ীর পাশের্^ পতিত জমিতে অথবা অন্য কোন খাদ্যশস্যের সাথে অথবা দুই ফসলের মধ্যবর্তী সময়ে কিছু কালাই জাতীয় ঘাসের আবাদ করে থাকে। গবাদিপ্রাণির খাদ্য যেভাবেই সরবারহ করা হোক না কেন, সুষম খাদ্য প্রস্তুত করার জন্য নিম্নোক্ত  শর্তগুলো বিবেচনা করা উচিৎ।

খাদ্যে প্রাণির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সমূহ সঠিক মাত্রায় থাকতে হবে।

যে সকল উপকরণ স্থানীয় বাজারে সহজে পাওয়া যায় এবং সস্তা খাদ্য তৈরির জন্য সে সব উপকরণ ব্যবহার করা উচিৎ।

খাদ্য অবশ্যই সু-স্বাদু ও সহজ পাচ্য হতে হবে। বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে খাদ্য তৈরি করা উচিৎ।

খাদ্য টাটকা হতে হবে। তাছাড়া ময়লা, ছাতাপড়া, দুর্গন্ধ ইত্যাদি মুক্ত হতে হবে।

দুগ্ধবর্তী গাভীর খাদ্য পর্যাপ্ত খনিজ পদার্থ থাকতে হবে। খনিজ পদার্থের অভাবে দুধ উৎপাদন হ্রাস পাবে এবং দুগ্ধদান কাল শেষে গাভী অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়বে।

খাদ্য প্রস্তুতের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রাণির উদর পুর্তি হয়। খাদ্যের আয়তন বেশি হওয়া লাগবে।

গবাদিগ্রাণির জন্য কাঁচা ঘাস অত্যাবশ্যক। কাঁচা ঘাসে পর্যাপ্ত ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ আছে, তাছাড়া সহজে হজম হয়।

খাদ্য উপাদান হঠাৎ করে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা উচিৎ নয়, প্রয়োজনে ধীরে ধীরে দিনে দিনে করতে হবে।

খাদ্য অবশ্যই সঠিকভাবে তৈরি করতে হবে। যেমন- ছোলা, খেসারি, মাসকলাই, ভুট্টা, গমম, খৈল ইত্যাদি মিশ্রণের পূর্বে ভেঙ্গে নিতে হবে। তবে সুষম ভাবে মিশানো যাবে এবং সহজে হজম হবে।

ছেঁবড়া জাতীয় খাদ্য যেমন- খড়, কাঁচা ঘাস ইত্যাদি আস্ত না দিয়ে কেটে ছোট ছোট করে প্রাণিকে খাওয়াতে হবে। এতে যেমন অপচয় কম হবে তেমরি প্রাণির খেতে সুবিধা হবে এবং হজমে সহায়ক হবে।

খাদ্য অবশ্যই অথনৈতিক দিক থেকে লাভজনক হতে হবে।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে খোলা চিঠি-এখলাসুল হক

গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে

US Agriculture: Some Statistics Some Information

মার্কিন কৃষি : কিছু তথ্য কিছু পরিসংখ্যান

ইটালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বিশ্ব খাদ্য ফোরামে বাংলাদেশের কৃষিতে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়েছে, এই মুহূর্তে আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন-কৃষিমন্ত্রী

গরুর টিকা দেওয়ার সময়সূচি

জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ মাছ ধরা মোকাবেলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে– মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

Mujibnagar Day is celebrated with due respect

যথাযোগ্য মর্যাদায় মুজিবনগর দিবস পালিত

শাকসবজি চাষের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

জার্মান সংসদ (Bundestag)-এর পরিবেশ কমিটির প্রতিনিধিদলের সাথে পরিবেশ মন্ত্রীর বৈঠক

প্রাণিদের মানবিক যত্ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে