RRP
agriculture news
Health Care
Open
diamond egg
renata-ltd.com
fishtech
Ad3
Spech for Promotion
avonah
রবিবার , ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি
 

গবাদি প্রাণির সুষম খাদ্য প্রস্তুতের পূর্বশর্ত

প্রতিবেদক
Md. Bayezid Moral
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ ১:৫৭ অপরাহ্ণ

https://agriculturenews24.com/গবাদি প্রাণির সুষম খাদ্য প্রস্তুতের পূর্বশর্ত।।


গবাদি প্রাণির স্বাস্থ্য রক্ষা, কর্মক্ষমতা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর, পরিমিত দানাদার ও আঁশ জাতীয় খাদ্য। আঁশ জাতীয় খাদ্যের মধ্যে সবুজ ঘাস গবাদি প্রাণির স্বাস্থ্য রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ, প্রজনন ক্ষমতা এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বাংলাদেশের বেশির ভাগ গবাদি প্রাণির ঘরে খাদ্যশস্যের উপজাত খাইয়ে পালন করা হয়। এ সমস্ত প্রাণি খাদ্যের প্রধান উৎস আঁশ যুক্ত খাদ্য খড় এবং শস্য উপজাত। কৃষকের প্রধান উদ্দেশ্য জমিতে জন্মানো সামান্য আগাছা,ফসলের উপজাত, শুকনা খড় ইত্যাদি খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে বিনা খরচে গবাদি প্রাণি পালন করা। দুর্যোগ ও আপদকালীন সময়ের জন্য কোন কোন কৃষক বাড়ীর পাশের পতিত জমিতে অথবা অন্য কোন খাদ্যশস্যের সাথে অথবা দুই ফসলের মধ্যবর্তী সময়ে কিছু কালাই জাতীয় ঘাসের আবাদ করে থাকে। গবাদিপ্রাণির খাদ্য যেভাবেই সরবারহ করা হোক না কেন, সুষম খাদ্য প্রস্তুত করার জন্য নিম্নাক্ত শর্তগুলো বিবেচনা করা উচিৎ।

  •  খাদ্যে প্রাণির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সমূহ সঠিক মাত্রায় থাকতে হবে।
  •  যে সকল উপকরণ স্থানীয় বাজারে সহজে পাওয়া যায় এবং সস্তা খাদ্য তৈরির জন্য সে সব উপকরণ ব্যবহার করা উচিৎ।
  •  খাদ্য অবশ্যই সু-স্বাদু ও সহজ পাচ্য হতে হবে। বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে খাদ্য তৈরি করা উচিৎ।
  •  খাদ্য টাটকা হতে হবে। তাছাড়া ময়লা, ছাতাপড়া, দুর্গন্ধ ইত্যাদি মুক্ত হতে হবে।
  •  দুগ্ধবর্তী গাভীর খাদ্য পর্যাপ্ত খনিজ পদার্থ থাকতে হবে। খনিজ পদার্থের অভাবে দুধ উৎপাদন হ্রাস পাবে এবং দুগ্ধদান কাল শেষে গাভী অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়বে।
  •  খাদ্য প্রস্তুতের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রাণির উদর পুর্তি হয়। খাদ্যের আয়তন বেশি হওয়া লাগবে।
  •  গবাদিগ্রাণির জন্য কাঁচা ঘাস অত্যাবশ্যক। কাঁচা ঘাসে পর্যাপ্ত ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ আছে, তাছাড়া সহজে হজম হয়।
  •  খাদ্য উপাদান হঠাৎ করে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা উচিৎ নয়, প্রয়োজনে ধীরে ধীরে দিনে দিনে করতে হবে।
  •  খাদ্য অবশ্যই সঠিকভাবে তৈরি করতে হবে। যেমন- ছোলা, খেসারি, মাসকলাই, ভুট্টা, গমম, খৈল ইত্যাদি মিশ্রণের পূর্বে ভেঙ্গে নিতে হবে। তবে সুষম ভাবে মিশানো যাবে এবং সহজে হজম হবে।
  •  ছেঁবড়া জাতীয় খাদ্য যেমন- খড়, কাঁচা ঘাস ইত্যাদি আস্ত না দিয়ে কেটে ছোট ছোট করে প্রাণিকে খাওয়াতে হবে। এতে যেমন অপচয় কম হবে তেমরি প্রাণির খেতে সুবিধা হবে এবং হজমে সহায়ক হবে।
  •  খাদ্য অবশ্যই অথনৈতিক দিক থেকে লাভজনক হতে হবে।

সর্বশেষ - গরু পালন