
সবজীক্ষেতের কিছু আগাছার পরিচিতি
১) আগাছার নাম : চাপড়া ঘাস
আগাছা জন্মানোর মৌসুম : খরিফে বেশি বাড়ে। মে থেকে জুলাইয়ের মাঝে ফুল ফোটে ও বীজ বাত্তি হয়।
আগাছার ধরন : বহুবর্ষজীবী ঘাসজাতীয় বীরুৎ আগাছা।
প্রতিকারের উপায় : মাটির অগভীরে আগাছার কন্দমূল নিড়ানি,কোদাল,লাঙ্গল দিয়ে ও হাতড়ে তুলে শুকিয়ে মেরে ফেলুন। সেচ ও সার দেবার পর জো আসা মাত্র আগাছা বাছাই।
২) আগাছার নাম : কাঁটানটে
আগাছা জন্মানোর মৌসুম : সারাবছর। রবি
আগাছার ধরন : বিরুৎজাতীয় একবর্ষজীবী আগাছা।
প্রতিকারের উপায় : গভীর চাষ। বাছাই। ফসলের প্রথম ৩০ দিন পর্যন্ত আগাছা মুক্ত রাখুন।
৩) আগাছার নাম : বথুয়া
আগাছা জন্মানোর মৌসুম : সারাবছর। রবি
আগাছার ধরন : বিরুৎজাতীয় একবর্ষজীবী আগাছা।
প্রতিকারের উপায় : গভীর চাষ। বাছাই। ফসলের প্রথম ৩০ দিন পর্যন্ত আগাছা মুক্ত রাখুন।
৪) আগাছার নাম : দুর্বা
আগাছা জন্মানোর মৌসুম : খরিফে বেশি বাড়ে। খরা সইতে পারে। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মাঝে ফুল ফোটে ও বীজ বাত্তি হয়। মাঝারি থেকে উঁচু জমিসহ প্রায় সবখানে আকো বা ছায়াতে এর বিচরণ।
আগাছার ধরন : বহুবর্ষজীবী ঘাসজাতীয় বীরুৎ আগাছা।
প্রতিকারের উপায় : মাটির অগভীরে আগাছার কন্দমূল নিড়ানি,কোদাল,লাঙ্গল দিয়ে ও হাতড়ে তুলে শুকিয়ে মেরে ফেলুন। সেচ ও সার দেবার পর জো আসা মাত্র আগাছা বাছাই।
তথ্যের উৎস : দক্ষিণাঞ্চলের উপযোগী কৃষি প্রযুক্তি, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, নভেম্বর, ২০১৩।

























