RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Thursday , 1 October 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

জৈব সারের উপকারিতা

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
February 14, 2026 8:42 pm

জৈব সারের উপকারিতা।।
এখন কৃষি ক্ষেত্রের প্রেক্ষাপট অনেক বদলেছে। ৬০-এর দশকের আগে এদেশে দেশী জাতের ধান আবাদ হতো। তখন যা উৎপাদন ছিল তাতেই আমাদের চলে যেত। জনসংখ্যা বাড়ছে, খাদ্যের প্রয়োজন বাড়ছে, তাই ৬০-এর দশক থেকে আস্তে আস্তে শুরু হল সেচ আর রাসায়নিক সার ব্যবহারের।

গত ৩০ বছর থেকে পর্যায়ক্রমে একই জমিতে একই ফসলের চাষ, রাসায়নিক সার ব্যবহার, জৈব সারের ঘাটতি- সব কিছু মিলে মাটি আজ তার উর্বরা শক্তি একেবারেই হারিয়ে ফেলেছে। আমরা উচ্চ ফলনশীল শস্যের চাষ করতে গিয়ে শস্য বেড়ে ওঠার জন্য তার যত্ন নিচ্ছি। খাবার দিচ্ছি এবং পরবর্তীতে তার কাছ থেকে কাঙ্খিত ফলন পাচ্ছি। কিন্তু মাটির জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করছি কি?

মাটির খাদ্য হচ্ছে জৈব সার বা জৈব মিশ্রণ। গোবর একটি জনপ্রিয় বহুল প্রচলিত এবং উৎকৃষ্টমানের জৈব সার। জ্বালানি ঘাটতির কারণে মূল্যবান এই সার এখন জ্বালানি কাজে ব্যবহার হয়। ফসল সংগ্রহের পর খড় নাড়া কিংবা মোচা জমিতে রেখেই পুড়িয়ে মাটির সাথে মিশ্রিত দেয়া হত। পরবর্তীতে সেখান থেকে তৈরী হত মাটির খাদ্য। আজ এগুলো সবই ব্যবহার করা হয় অন্য কাজে। তাহলে মাটির খাদ্যের রইল কি? আমরা যদি গত ৩০ বছর ধরে রাসায়নিক সার ব্যবহারের পাশাপাশি জমির জন্য প্রয়েজনীয় পরিমাণজৈব সার ব্যবহারের ধারা অব্যাহত রাখতে পারতাম তবে সম্ভবত বলা যেত যে, আগামী ২০ বছরে বাংলাদেশের আবাদি জমিগুলো থেকে ফসল উৎপাদনের মাত্রা বর্তমানের মতোই অব্যঅহত রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু একথা বলার মতো প্রেক্ষাপট আর নেই। বহু দিন ধরে প্রচেষ্টার পর কৃষি বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বর্তমান সময়ে এসে আমরা খাদ্যে হয়তো স্বয়ংসম্পূর্ণ হবার পথে- এটি একটি বিরাট সাফল্য। ৫৬ হাজার বর্গমাইল ভূমির এই দেশে প্রায় ১৫ কোটি মানুষের খাদ্যের উৎপাদন চাট্টিখানি কথা নয়। উৎপাদন এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। শস্যের সাথে মাটির সমন্বয় মোটামুটি ঠিক থাকলেও এর পর থেকে উৎপাদন হবে নিম্নমূখী। ফসলের এই উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২৫-৩০ বছর আগে যে ফল আমরা ভোগ করছি আজ। আজ যে পরিকল্পিত প্রক্রিয়া শুরু হবে সেই ফলাফল আসবে আগামী এক দু’দশক পর। কৃষি ক্ষেত্রের এ জাতীয় পরিবর্তন আসতে ২০-২৫ বছর সময় লেগে যায়।


তথ্য সূত্র: শাইখ সিরাজ রচিত ‘মাটি ও মানুষের চাষবাস’ গ্রন্থ থেকে সংগ্রহীত

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

আর কোনো রাজনৈতিক দল যাতে স্বেচ্ছাচারী হতে না পারে, সেজন্য গণভোটে জনগণকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে

নেদারল্যান্ডসে ‘বাংলাদেশের কৃষির রূপান্তর ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা’ বিষয়ে বহুপাক্ষিক আলোচনা

জাটকা উৎপাদন বাড়াতে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

হলষ্ট্রেইন-ফ্রিজিয়ান জাতের গরু পরিচিতি

শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতায়: বাংলাদেশের আরও ১৫টি বৃহৎ পোলট্রি খামার ও হ্যাচারির অজানা ইতিহাস।।

আহকাব এর নির্বাচন, ২২তম এজিএম এবং অভিষেক অনুষ্ঠান

বিশ্বের বৃহত্তম গরু মোটাতাজাকরণ প্রতিষ্ঠান Five Rivers Cattle Feeding

মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য-কৃষিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল বিপিআইসিসি