RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Tuesday , 1 September 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

ফিশ ফিডের দাম বাড়ায় বিপাকে মৎস্য খামারিরা, উৎপাদন খরচ বাড়লেও মিলছে না ন্যায্যমূল্য

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
August 31, 2026 6:05 pm

ফিশ ফিডের দাম বাড়ায় বিপাকে মৎস্য খামারিরা, উৎপাদন খরচ বাড়লেও মিলছে না ন্যায্যমূল্য।।

নিজস্ব সংবাদদাতা//

বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন বাড়লেও লাভজনকতা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মৎস্য খামারিরা। বাণিজ্যিক মাছ চাষের প্রধান উপকরণ ফিশ ফিডের দাম কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পোনা, ওষুধ, বিদ্যুৎ, ডিজেল, শ্রম, পরিবহন, জলাশয়ের ইজারা ও ঋণের সুদের বাড়তি ব্যয়। কিন্তু খামার পর্যায়ে পাঙাশ, তেলাপিয়া, কার্প ও অন্যান্য চাষের মাছের দাম উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়েনি। ফলে বহু ছোট ও মাঝারি খামার লোকসান করছে, উৎপাদন কমাচ্ছে অথবা মাছ চাষ ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছে।

বাংলাদেশের মাছ উৎপাদনে চাষের মাছের গুরুত্ব

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট মাছ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন। দেশের মাছ উৎপাদনের বড় অংশই এখন পুকুর, ঘের ও অন্যান্য চাষভিত্তিক জলাশয় থেকে আসে। অর্থাৎ দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের জোগান, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং মাছের বাজার স্থিতিশীল রাখতে মৎস্য খামারিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উৎপাদনের এই সাফল্যের পেছনে খামারিদের ব্যয় ও আর্থিক ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে নিবিড় ও আধা-নিবিড় চাষে খাদ্যের দামই লাভ-লোকসান নির্ধারণের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে।

উৎপাদন ব্যয়ের ৫২ থেকে ৮০ শতাংশই খাদ্য

বাংলাদেশের পুকুরভিত্তিক বাণিজ্যিক মাছ চাষ নিয়ে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, খামারভেদে মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৫২ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ফিশ ফিডের পেছনে ব্যয় হতে পারে। সরকারি কৃষি তথ্যসূত্রেও মাছ চাষে খাদ্যের ব্যয় মোট উৎপাদন খরচের প্রায় ৬০ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাঙাশ, তেলাপিয়া, কৈ, শিং, মাগুরের মতো নিবিড়ভাবে চাষ করা মাছের ক্ষেত্রে খাদ্যের অংশ আরও বেশি হতে পারে। ফলে প্রতি কেজি ফিডের দাম সামান্য বাড়লেও হাজার হাজার কেজি খাদ্য ব্যবহারকারী একটি খামারে মোট ব্যয় কয়েক লাখ টাকা বেড়ে যায়।

ফিশ ফিডের দাম কত?

ফিশ ফিডের কোনো একক জাতীয় খুচরা মূল্যতালিকা নেই। মাছের প্রজাতি, খাদ্যের প্রোটিনের মাত্রা, পিলেটের আকার, ভাসমান বা ডুবন্ত ধরন, ব্র্যান্ড, পরিবহন খরচ এবং বাকিতে কেনার ওপর দাম পরিবর্তিত হয়। ২০২৫ সালে বাসসের একটি মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে বাণিজ্যিক বাজারের মাছের খাবারের দাম প্রতি কেজি প্রায় ৮০ টাকা উল্লেখ করা হয়। একই প্রতিবেদনে একজন উদ্যোক্তা স্থানীয় কাঁচামাল দিয়ে অনুরূপ খাদ্য প্রায় ৫০ টাকায় তৈরি করার দাবি করেন। তবে ঘরে বা খামারে তৈরি খাদ্যের পুষ্টিমান, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা পরীক্ষাগারে যাচাই না করে বাণিজ্যিক ফিডের সমমান ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ঐতিহাসিক তুলনায় দেখা যায়, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে ৩–৪ মিলিমিটার গ্রোয়ার ডুবন্ত ফিডের দাম ছিল প্রায় ৩৫–৪২ টাকা এবং ভাসমান ফিডের দাম ছিল ৪৮–৫৪ টাকা প্রতি কেজি। পুরোনো ও সাম্প্রতিক তথ্যের এই ব্যবধান দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবৃদ্ধির চাপটি বুঝতে সাহায্য করে। তবে বর্তমানে প্রকৃত দাম জানতে সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্তত তিনটি অনুমোদিত ডিলারের নগদ মূল্য যাচাই করা প্রয়োজন।

দাম বাড়লে প্রতি কেজি মাছের খরচ কত বাড়ে?

মাছের খাদ্য ব্যবহারের দক্ষতা বোঝাতে ফিড কনভার্সন রেশিও বা FCR ব্যবহার করা হয়। FCR ১.৫ হলে এক কেজি মাছের ওজন বাড়াতে আনুমানিক দেড় কেজি খাদ্য প্রয়োজন। একটি উদাহরণ:

বিষয়আগের অবস্থাদাম বাড়ার পর
ফিডের মূল্য৬৫ টাকা/কেজি৮০ টাকা/কেজি
অনুমিত FCR১.৫১.৫
প্রতি কেজি মাছের খাদ্য ব্যয়৯৭.৫০ টাকা১২০ টাকা
শুধু খাদ্যে বাড়তি খরচ২২.৫০ টাকা/কেজি মাছ

অতএব, ১০ হাজার কেজি মাছ উৎপাদনে শুধু ফিডের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাড়তি ব্যয় হতে পারে প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এটি একটি ব্যাখ্যামূলক হিসাব; প্রকৃত ব্যয় মাছের প্রজাতি, মৃত্যুহার, পানির মান, খাদ্যের অপচয় এবং প্রকৃত FCR-এর ওপর নির্ভর করবে। FCR যদি খারাপ হয়ে ১.৮ বা ২.০ হয়, তাহলে একই ফিডের দামে প্রতি কেজি মাছের খাদ্য ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। নিম্নমানের খাদ্য সস্তা মনে হলেও মাছের বৃদ্ধি কম হলে শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ব্যয় বরং বেশি হতে পারে।

ফিডের দাম বাড়ার প্রধান কারণ

১. আমদানিনির্ভর কাঁচামাল

সয়াবিন মিল, ফিশমিল, ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স, অ্যামাইনো অ্যাসিড, বাইন্ডার ও অন্যান্য উপাদানের একটি অংশ বিদেশ থেকে আসে। পূর্ববর্তী গবেষণায় বাংলাদেশে ফিড উৎপাদনের মোট কাঁচামাল ব্যয়ের অর্ধেকের বেশি আমদানিনির্ভর উপাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

২. ডলার ও আমদানি ব্যয়

টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বাড়লে আমদানিকৃত কাঁচামালের স্থানীয় মূল্য বেড়ে যায়। এর সঙ্গে এলসি, ব্যাংক চার্জ, বন্দর, পরিবহন এবং গুদামজাতকরণ ব্যয় যুক্ত হয়।

৩. দেশীয় কাঁচামালের প্রতিযোগিতা

ভুট্টা, চালের কুঁড়া, গমের ভুসি, সয়াবিন খৈল ও সরিষার খৈল পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য—তিন খাতেই ব্যবহৃত হয়। চাহিদা বাড়লে স্থানীয় বাজারেও এসব উপকরণের দাম বেড়ে যায়।

৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন

ভাসমান ফিড তৈরিতে এক্সট্রুশন ও শুকানোর জন্য তুলনামূলক বেশি শক্তি প্রয়োজন। বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডিজেল, পরিবহন ও প্যাকেজিং ব্যয় বাড়লে তা শেষ পর্যন্ত ফিডের দামে যুক্ত হয়।

৫. বাকিতে ফিড কেনা

অনেক খামারি ডিলারের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্য কেনেন। নগদ ও বাকির দামের পার্থক্য, সুদ বা গোপন আর্থিক ব্যয় উৎপাদন খরচ আরও বাড়িয়ে দেয়।

বাজারদর বাড়লেও খামারি কেন লাভ পান না?

খামারি পুকুর থেকে মাছ বিক্রি করেন সাধারণত আড়তদার বা পাইকারের কাছে। এরপর পরিবহন, বরফ, বাজারের খাজনা, আড়ত কমিশন এবং খুচরা বিক্রেতার মুনাফা যুক্ত হয়ে ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়ে। ফলে বাজারে মাছের দাম বেশি হলেও সেই বাড়তি অর্থের পুরোটা উৎপাদক পান না।

পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো দ্রুত উৎপাদিত মাছ একযোগে বাজারে উঠলে খামারদর পড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে খাদ্য, পোনা ও ওষুধের মূল্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। মাছ দ্রুত বিক্রি করতে না পারলে প্রতিদিন খাদ্য ব্যয় বাড়ে এবং রোগ ও মৃত্যুর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। এই কারণে অনেক খামারি কম দামে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হন।

খামারিদের ওপর প্রভাব

ফিশ ফিডের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকলে—

  • খামারের উৎপাদন চক্র ছোট বা অনিয়মিত হয়ে পড়ে।
  • অনেক খামারি প্রয়োজনের তুলনায় কম খাদ্য দেন, ফলে মাছের বৃদ্ধি ধীর হয়।
  • নিম্নমানের বা ভেজাল খাদ্য ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ে।
  • ঋণ ও ডিলারের বকেয়া পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
  • পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো কম দামের মাছ চাষে আগ্রহ কমে যায়।
  • ছোট খামারি বাজার থেকে ছিটকে পড়েন এবং উৎপাদন বড় প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
  • উৎপাদন কমে গেলে ভবিষ্যতে ভোক্তা পর্যায়ে মাছের দাম আরও বাড়তে পারে।

শুধু সস্তা ফিড কি সমাধান?

কেবল কম দামের খাদ্য কেনা সমাধান নয়। খাদ্যের প্রকৃত অর্থনৈতিক মূল্য নির্ভর করে এর পুষ্টিমান, হজমযোগ্যতা, পানিতে স্থায়িত্ব এবং FCR-এর ওপর।

ধরা যাক, ৬৫ টাকা দামের একটি ফিডের FCR ২.০। সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি মাছ উৎপাদনে খাদ্য ব্যয় ১৩০ টাকা। অন্যদিকে ৭৫ টাকা দামের উন্নত ফিডের FCR ১.৫ হলে খাদ্য ব্যয় হবে ১১২.৫০ টাকা। অর্থাৎ দামি ফিডটিই বাস্তবে প্রতি কেজি মাছ উৎপাদনে ১৭.৫০ টাকা সাশ্রয়ী। তাই খামারিকে বস্তার দাম নয়, প্রতি কেজি মাছ উৎপাদনে মোট খাদ্য ব্যয় হিসাব করতে হবে।

খামারিদের করণীয়

১. প্রতিটি পুকুরের খাদ্য ব্যবহার, মাছের ওজন, মৃত্যুহার ও FCR লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. প্রতি ১০–১৫ দিন পর নমুনা মাছ ধরে গড় ওজন অনুযায়ী খাদ্যের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।
৩. মাছের বয়স ও আকার অনুযায়ী সঠিক প্রোটিন ও পিলেটের খাদ্য ব্যবহার করতে হবে।
৪. অতিরিক্ত খাদ্য দেওয়া বন্ধ করতে হবে; বিশেষ করে পানিতে অক্সিজেন কম থাকলে খাদ্য কমাতে হবে।
৫. নগদ ও বাকির দাম আলাদাভাবে হিসাব করে প্রকৃত ক্রয়মূল্য বের করতে হবে।
৬. মৎস্য পুষ্টিবিদ বা কর্মকর্তার পরামর্শে স্থানীয় উপকরণ দিয়ে সম্পূরক খাদ্য তৈরি করা যেতে পারে।
৭. পরীক্ষিত ফর্মুলা ছাড়া নির্বিচারে চালের কুঁড়া, খৈল বা নিম্নমানের কাঁচামাল মেশানো যাবে না।
৮. প্রতিবেশী খামারিরা সমবায়ভিত্তিকভাবে খাদ্য ও পোনা কিনলে পরিবহন ও মধ্যস্বত্বভোগীর ব্যয় কমতে পারে।
৯. একই পুকুরে অতিরিক্ত মাছ মজুত না করে পানির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী চাষ করতে হবে।
১০. রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার পরিবর্তে পানির মান, জৈবনিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে।

সরকারের কাছে প্রস্তাব

ফিডের মূল্য ও মান তদারকি

প্রতি মাসে প্রধান কাঁচামালের দাম, উৎপাদন ব্যয় এবং ব্র্যান্ডভিত্তিক ফিডের ঘোষিত মূল্য প্রকাশ করা প্রয়োজন। বস্তার গায়ে উৎপাদনের তারিখ, প্রোটিন, চর্বি, আর্দ্রতা ও প্রস্তাবিত খুচরা মূল্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ বাধ্যতামূলক করতে হবে।

কাঁচামালে শুল্ক ও কর-সহায়তা

২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পোল্ট্রি, ডেইরি ও ফিশ ফিড শিল্পের কয়েকটি কাঁচামাল শূন্য শুল্ক-সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সুবিধা কার্যকর হলে তার সুফল ফিডের খুচরা দামে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

সহজ শর্তে ঋণ

প্রকৃত মৎস্য খামারিদের জন্য স্বল্পসুদে কার্যকর মূলধন ঋণ, ঋণ পুনঃতফসিল এবং দুর্যোগ বা রোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন।

স্থানীয় বিকল্প কাঁচামাল গবেষণা

সয়াবিন মিল ও ফিশমিলের বিকল্প হিসেবে সরিষা খৈল, তিলের খৈল, ধানের উপজাত, পোকাজাত প্রোটিন ও অন্যান্য দেশীয় উপাদানের নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে। তবে খাদ্যের মূল্য কমাতে গিয়ে পুষ্টিমান ও খাদ্যনিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করা যাবে না।

উৎপাদক–বাজার সংযোগ

সমবায়ভিত্তিক মাছ সংগ্রহ, শীতল পরিবহন, সরাসরি বাজারজাতকরণ এবং ডিজিটাল দরতথ্য চালু করলে খামারিরা ন্যায্য দাম পাবেন। একই সঙ্গে ভোক্তা পর্যায়ের দামও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

শেষ কথা

ফিশ ফিডের মূল্যবৃদ্ধি শুধু খামারির ব্যক্তিগত লোকসানের বিষয় নয়; এটি দেশের প্রাণিজ আমিষ, কর্মসংস্থান এবং খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। খাদ্যের দাম বাড়লেও মাছের খামারদর না বাড়ায় উৎপাদকের লাভের জায়গা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। এ সংকট মোকাবিলায় ফিডের মূল্য ও মান তদারকি, কাঁচামালে যৌক্তিক কর-সুবিধা, সহজ ঋণ, দক্ষ খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত বাজারব্যবস্থার সংস্কার জরুরি। খামারি টিকে না থাকলে ভবিষ্যতে মাছের সরবরাহ কমবে এবং তার মূল্য শেষ পর্যন্ত ভোক্তাকেই দিতে হবে।

সংক্ষিপ্ত তথ্যসূত্র: মৎস্য অধিদপ্তর—২০২৩–২৪ সালের মাছ উৎপাদন, Aquaculture journal—বাংলাদেশে ফিডের ব্যয়ের অংশ, বাসস—২০২৫ সালের মাঠপর্যায়ের ফিশ ফিডের মূল্য, কৃষি তথ্য সার্ভিস—খাদ্য ব্যয়ের অংশ, ২০২৬–২৭ বাজেটে ফিড কাঁচামালে কর-সহায়তার প্রস্তাব

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত
Government price 1040, trader 600

সরকারের দাম ১০৪০, ব্যবসায়ীর ৬০০

বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের এগ্রি ট্রেড মিশন// ফসল উৎপাদনের সাফল্য আজ বিশ্বস্বীকৃত-কৃষিমন্ত্রী

অবৈধ জাল ব্যবহারকারীরা দেশের শত্রু

ব্রয়লার মুরগির ল্যাংড়াভাব: লক্ষণ, কারণ, প্রতিকার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারিবান্ধব উদ্যোগে পোল্ট্রি শিল্পের টেকসই উন্নয়নের আহ্বান

সমুদ্রে ৫৮ দিনে জেলেদের মাঝে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ প্রদান

ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা

The holy glory Lailatul Barat is today

পবিত্র মহিমান্বিত শবে বরাত আজ

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্ক বুক কর্নার উদ্বোধন

আলতাবের ভাগ্য বদলে তুষের গরমে হাঁসের বাচ্চা