RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Monday , 14 September 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে দক্ষিণ এশিয়ায় জোরালো আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।।

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
September 13, 2026 7:48 pm

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে দক্ষিণ এশিয়ায় জোরালো আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।।

কাঠমান্ডুতে SAWEN-এর প্রথম সাধারণ পরিষদে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।।

কাঠমান্ডু, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান আন্তঃদেশীয় ও সংঘবদ্ধ বন্যপ্রাণী অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সমন্বিত আইন প্রয়োগ এবং যৌথ অভিযান আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি।

বৃহস্পতিবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্কের (SAWEN) প্রথম সাধারণ পরিষদে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণী ও প্রতিবেশব্যবস্থা কোনো রাজনৈতিক বা ভৌগোলিক সীমারেখা মেনে চলে না। একইভাবে বন্যপ্রাণী পাচারের সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রও একক কোনো দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তারা আন্তর্জাতিক সীমান্ত, পরিবহনব্যবস্থা, বাণিজ্যিক চ্যানেল, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং আর্থিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আন্তঃদেশীয় বন্যপ্রাণী পাচার পরিচালনা করছে।

এই বাস্তবতায় একটি দেশের একক প্রচেষ্টা দিয়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত ও কার্যকর গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সীমান্তবর্তী এলাকায় সমন্বিত নজরদারি, যৌথ তদন্ত এবং বাস্তবভিত্তিক আইন প্রয়োগ কার্যক্রম গড়ে তুলতে হবে।

শুধু জব্দ ও গ্রেপ্তারে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ কার্যক্রম শুধু পাচারকৃত বন্যপ্রাণী জব্দ এবং ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। প্রতিটি ঘটনার পেছনে থাকা সংগঠক, অর্থদাতা, পরিবহনকারী, মধ্যস্থতাকারী, ক্রেতা এবং পুরো অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বন্যপ্রাণী পাচারকারী চক্রের নিচের স্তরের সদস্য বা বহনকারীরা গ্রেপ্তার হলেও মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতারা আইনের আওতার বাইরে থেকে যায়। ফলে অপরাধী চক্র সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হলেও তাদের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয় না। এসব অপরাধের মূল উৎস শনাক্ত এবং পুরো নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করতে গোয়েন্দাভিত্তিক তদন্ত বাড়ানো প্রয়োজন।

মন্ত্রী প্রতিটি জব্দের ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সুযোগ হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, উদ্ধার বা জব্দ করা বন্যপ্রাণী কোথা থেকে এসেছে, কোন পথে পরিবহন করা হয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত, কে অর্থায়ন করেছে এবং কোথায় বা কার কাছে পাঠানো হচ্ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করতে হবে।

জব্দ করা প্রাণী কিংবা বন্যপ্রাণীজাত পণ্যের উৎস এবং সম্ভাব্য গন্তব্য শনাক্ত করা গেলে অপরাধী চক্রের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংযোগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। এসব তথ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত বিনিময় করা হলে একই নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে একাধিক দেশে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

অনলাইন বন্যপ্রাণী বাণিজ্য ঠেকাতে সাইবার নজরদারি জরুরি

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণী অপরাধের ধরনও বদলে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন মার্কেটপ্লেস, বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ এবং গোপন ডিজিটাল যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে বন্যপ্রাণী ও বন্যপ্রাণীজাত পণ্য কেনাবেচা করা হচ্ছে।

অনলাইনভিত্তিক এসব অপরাধ মোকাবিলায় নিয়মিত অনলাইন মনিটরিং, সাইবার তদন্ত এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। অনলাইনে বিজ্ঞাপন, যোগাযোগ, অর্থ লেনদেন ও পরিবহনসংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধী চক্র শনাক্ত করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রমাণ যথাযথভাবে সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং আদালতে উপস্থাপন করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে হবে। সদস্য দেশগুলোর সাইবার অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা এবং বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মধ্যেও কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা প্রয়োজন।

অপরাধের অর্থের উৎস শনাক্ত করার আহ্বান

গুরুতর বন্যপ্রাণী অপরাধের ক্ষেত্রে জাতীয় আইন অনুযায়ী আর্থিক তদন্ত পরিচালনার আহ্বান জানান পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী পাচার লাভজনক সংঘবদ্ধ অপরাধে পরিণত হয়েছে। তাই শুধু পাচারকৃত প্রাণী উদ্ধারের পাশাপাশি অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থ, সম্পদ এবং আর্থিক লেনদেনও অনুসন্ধান করতে হবে।

অপরাধী চক্রের ব্যাংক হিসাব, সম্পদ, অর্থের উৎস এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধকারী প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী মনে করেন, অপরাধ থেকে অর্জিত সম্পদ শনাক্ত ও আইন অনুযায়ী জব্দ করা গেলে বন্যপ্রাণী পাচারকারী নেটওয়ার্কের আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার অর্থনৈতিক প্রণোদনাও কমে আসবে।

ফরেনসিক ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে

বন্যপ্রাণী অপরাধের যথাযথ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বন্যপ্রাণী ফরেনসিক, ডিএনএ বিশ্লেষণ, ডিজিটাল ফরেনসিক এবং ভূ-স্থানিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বন্যপ্রাণী বা বন্যপ্রাণীজাত পণ্য জব্দ করা হলে অনেক সময় প্রাণীর প্রজাতি, উৎস, মৃত্যুর কারণ কিংবা পাচারের পথ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফরেনসিক পরীক্ষা ও ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে জব্দকৃত নমুনার প্রজাতি এবং সম্ভাব্য ভৌগোলিক উৎস সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এসব বৈজ্ঞানিক তথ্য তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে।

অন্যদিকে ভূ-স্থানিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাচারের সম্ভাব্য পথ, অপরাধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের ওপর হুমকি শনাক্ত করা সম্ভব। এজন্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং গবেষণালব্ধ তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

যৌথ প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব

পরিবেশমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বন ও বন্যপ্রাণী বিভাগ, কাস্টমস, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ, সাইবার অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা এবং বিচারসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য যৌথ প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী অপরাধের ধরন ও পাচারের কৌশল দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। অপরাধীরা নতুন নতুন প্রযুক্তি, পরিবহনপথ এবং আর্থিক পদ্ধতি ব্যবহার করছে। এ কারণে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিশেষজ্ঞ বিনিময়, যৌথ প্রশিক্ষণ, সফল তদন্তের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কিত সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে পুরো অঞ্চলের বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উদ্ধার, পুনর্বাসন ও প্রত্যাবাসনেও সহযোগিতা প্রয়োজন

পাচারের সময় উদ্ধার করা জীবন্ত বন্যপ্রাণীর চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজন হলে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান পরিবেশমন্ত্রী।

আন্তঃদেশীয় পাচারের সময় উদ্ধার করা অনেক বন্যপ্রাণী দীর্ঘদিন অনুপযুক্ত পরিবেশে আটকে থাকার কারণে শারীরিকভাবে দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সঠিক পরিচর্যা না পেলে অনেক প্রাণী মারা যেতে পারে। তাই উদ্ধার করা প্রাণীর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, সাময়িক আশ্রয়, বৈজ্ঞানিক পুনর্বাসন এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সুস্পষ্ট কর্মপদ্ধতি থাকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এসব ক্ষেত্রে প্রাণীর উৎসদেশ শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন, পরিবহন এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে একাধিক দেশের কর্তৃপক্ষের সমন্বিতভাবে কাজ করা দরকার।

SAWEN কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০

SAWEN-এর প্রস্তাবিত কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ প্রসঙ্গে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, এই পরিকল্পনা দক্ষিণ এশিয়ায় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট, সমন্বিত ও বাস্তবায়নযোগ্য আঞ্চলিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ এমন একটি কৌশলগত পরিকল্পনাকে সমর্থন করে, যেখানে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সমন্বিত আইন প্রয়োগ, ফৌজদারি বিচার, ডিজিটাল তদন্ত, আর্থিক অনুসন্ধান, বিজ্ঞান ও ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং অবৈধ বন্যপ্রাণী ও বন্যপ্রাণীজাত পণ্যের চাহিদা হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, কৌশলগত পরিকল্পনাটি শুধু নীতিগত ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে এর আওতায় সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব, সময়সীমা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং অগ্রগতি মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে। সদস্য দেশগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি ও সক্ষমতা বিবেচনা করে সহযোগিতার ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হলে পরিকল্পনাটি আরও কার্যকর হবে।

রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগ

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, SAWEN-এর প্রথম সাধারণ পরিষদ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে কার্যকর পদক্ষেপে রূপ দেওয়ার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন শেষে সদস্য দেশগুলো আরও শক্তিশালী আঞ্চলিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা, বাস্তবভিত্তিক যৌথ কার্যক্রম এবং বন্যপ্রাণীর জন্য হুমকিস্বরূপ সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার অভিন্ন অঙ্গীকার নিয়ে নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে বন্যপ্রাণী পাচারের উৎস, ট্রানজিট ও গন্তব্য দেশ হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ যাতে অপরাধীরা না পায়, সে জন্য পারস্পরিক আস্থা ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তিতে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

কার্যকর আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

আবদুল আউয়াল মিন্টু পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ SAWEN-এর সব সদস্য দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। একটি শক্তিশালী, আন্তঃসংযুক্ত এবং কার্যকর আঞ্চলিক বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেবল একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার বিষয় নয়; এটি দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন জীববৈচিত্র্য, প্রতিবেশগত নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বন্যপ্রাণী অপরাধকে সীমান্ত অতিক্রমকারী সংঘবদ্ধ অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণ

সম্মেলনে নেপালের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়াল, নেপালের কৃষি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী গীতা চৌধুরী এবং SAWEN-এর মহাসচিব ড. কৃষ্ণ প্রসাদ আচার্য উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরা সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণ করেন।

SAWEN-এর প্রথম সাধারণ পরিষদে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা বন্যপ্রাণী পাচারের পরিবর্তিত ধরন, আন্তঃদেশীয় অপরাধী নেটওয়ার্ক, অনলাইন বাণিজ্য, আর্থিক অপরাধ, ফরেনসিক সক্ষমতা এবং যৌথ আইন প্রয়োগ কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।

দক্ষিণ এশিয়ায় বন্যপ্রাণী অপরাধ মোকাবিলায় এই সম্মেলন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং সমন্বিত পদক্ষেপের নতুন ভিত্তি তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

গরু পালনের ১৩৫টি সমস্যার সমাধান

খাদ্য নিরাপত্তায় নেদারল্যান্ড মডেল অনুসরণে জোর দিচ্ছে সরকার : প্রেস সচিব শফিকুল আলম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

কৃষি আধুনিক হলেই মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে: কৃষিমন্ত্রী// নির্বাচন ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ-কৃষিমন্ত্রী

পুঁইশাক চাষ পদ্ধতি

দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তায় নদীর পানি মান যাচাইয়ে স্বয়ংক্রিয় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার

চীনের MENON-এর আধুনিক ফিড অ্যাডিটিভ প্রযুক্তি: বাংলাদেশের পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

চিংড়ি খাতে ২,০০০ কোটি টাকার অর্থায়ন: টেকসই কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে প্রান্তিক চাষিদের জন্য কমপক্ষে ৭০% বরাদ্দ এবং নীতিনির্ধারণে FOAB-কে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি।

Why how to do land registration: Part 3/9

কেন কিভাবে করবেন জমি রেজিস্ট্রেশন: পর্ব-৩/৯

কুকুর নেকড়ে থেকে মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে ওঠার ইতিহাস।।