RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Monday , 12 October 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

বাজারে সবজির দাম বেশি, কৃষকের হাতে টাকা নেই কেন?

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
October 11, 2026 2:00 pm

বাজারে সবজির দাম বেশি, কৃষকের হাতে টাকা নেই কেন?

ভোক্তার বাড়তি ব্যয় কেন কৃষকের বাড়তি আয় হয় না—উৎপাদন খরচ, বাজারব্যবস্থা ও দামের ব্যবধান নিয়ে অনুসন্ধান।।

কৃষি সাংবাদিক ড. বায়েজিদ মোড়লের গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন।।

বাজারে গিয়ে সবজির দাম শুনে ক্রেতা অবাক হন। সংসারের খরচ সামলাতে কেউ কেনার পরিমাণ কমান, কেউ পছন্দের সবজি বাদ দেন। অথচ যে কৃষক সেই সবজি উৎপাদন করেছেন, তাঁর ঘরেও থাকতে পারে ঋণের চাপ, পরবর্তী ফসলের পুঁজি জোগাড়ের দুশ্চিন্তা এবং সংসার চালানোর টানাপোড়েন।

এই দুই চিত্র পরস্পরবিরোধী মনে হলেও একই বাজারব্যবস্থায় দুটিই সম্ভব। ভোক্তা বেশি দাম দিচ্ছেন মানেই কৃষক বেশি দাম পাচ্ছেন না। আবার কৃষক বেশি দামে বিক্রি করলেই যে তাঁর লাভ হচ্ছে, সেটিও নিশ্চিত নয়।

কারণ খুচরা বাজারের দাম, কৃষকের বিক্রয়মূল্য এবং কৃষকের প্রকৃত লাভ—তিনটি আলাদা হিসাব। সবজির দাম নিয়ে আলোচনায় এই পার্থক্যটি আড়ালে থাকলে সমস্যার সমাধানও ভুল পথে যেতে পারে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ২০২০ সালের বাংলাদেশবিষয়ক একটি প্রতিবেদনে ভোক্তার দেওয়া দামে কৃষকের কম অংশ, সবজির দামের ওঠানামা এবং সংগ্রহের পর বেশি ক্ষয়ক্ষতিকে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সংকটটি শুধু উৎপাদনের নয়; উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছানো ও বিক্রির ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত।

কৃষকের বিক্রির টাকা আর লাভ এক নয়

একজন কৃষক সবজি বিক্রি করে যে টাকা পান, তার পুরোটাই তাঁর আয় বা লাভ নয়। সেই টাকা থেকে বীজ বা চারা, জমি প্রস্তুত, সার, সেচ, ফসল সুরক্ষা, শ্রম, জমির ইজারা, সংগ্রহ এবং বিক্রির খরচ তুলতে হয়। ধার করা পুঁজিতে চাষ করলে অর্থায়নের খরচও থাকে।

নিজের ও পরিবারের শ্রমের মূল্য বাদ দিয়ে হিসাব করলে অনেক সময় কাগজে লাভ দেখা যায়। অথচ সেই লাভের একটি অংশ আসলে কয়েক মাসের পারিবারিক শ্রমের মজুরি।

একটি কাল্পনিক উদাহরণ বিষয়টি পরিষ্কার করে। এটি কোনো এলাকার বর্তমান বাজারদর বা মাঠজরিপের ফল নয়।

হিসাবের বিষয়উদাহরণ
সব খরচ ও পারিবারিক শ্রমসহ মোট উৎপাদন ব্যয়৬০,০০০ টাকা
বিক্রিযোগ্য সবজি৩,০০০ কেজি
প্রতি কেজির উৎপাদন ব্যয়২০ টাকা
কৃষকের বিক্রয়মূল্য২২ টাকা
মোট বিক্রির টাকা৬৬,০০০ টাকা
অবশিষ্ট লাভ৬,০০০ টাকা

এই সবজি শহরের বাজারে আরও বেশি দামে বিক্রি হতে পারে। কিন্তু কৃষকের হিসাবে প্রতি কেজিতে লাভ মাত্র দুই টাকা। ফলন কমলে, কিছু সবজি নষ্ট হলে বা বিক্রির সময় অতিরিক্ত খরচ হলে সেই লাভও কমে যাবে।

তাই কৃষকের অবস্থার মূল্যায়নে প্রশ্ন হওয়া উচিত: তিনি কত দামে বিক্রি করেছেন এবং বিক্রি করা প্রতি কেজি উৎপাদনে তাঁর আসল খরচ কত?

মাঠ থেকে বাজারে দাম বাড়ে কোথায়?

সবজি সাধারণত সংগ্রহ, বাছাই, পরিবহন, পাইকারি লেনদেন এবং খুচরা বিক্রির কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করে। কোথাও কৃষক সরাসরি বিক্রি করেন, কোথাও স্থানীয় সংগ্রাহক, ব্যাপারী বা আড়তের মাধ্যমে ফসল যায়।

প্রতিটি ধাপে কিছু বাস্তব কাজ হয়। ছোট ছোট জমি থেকে সবজি একত্র করা, গাড়ি ভাড়া করা, শ্রমিক দিয়ে ওঠানো-নামানো, দোকান চালানো এবং অবিক্রীত পণ্যের ঝুঁকি বহন করা—এসবের খরচ আছে।

কিন্তু প্রয়োজনীয় খরচ থাকার অর্থ এই নয় যে সব কাটতি বা সব মূল্যবৃদ্ধি যুক্তিসংগত। কোন ধাপে কত খরচ হচ্ছে, কত পণ্য নষ্ট হচ্ছে এবং কত লাভ থাকছে—এই হিসাব প্রকাশ না হলে ন্যায্য ব্যয় ও অস্বচ্ছ মুনাফা আলাদা করা কঠিন।

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবজির মূল্যশৃঙ্খল নিয়ে ২০২২ সালের একটি গবেষণায় ব্যবসায়ীদের জন্য পরিবহন ও অপচয়কে গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায়। একই গবেষণায় প্রান্তিক কৃষকের দুর্বল দর-কষাকষির অবস্থানও উঠে এসেছে। তবে একটি অঞ্চলের ফল দিয়ে সারা দেশের সব বাজারের মুনাফা নির্ধারণ করা যায় না।

খুচরা দাম ও কৃষকের দামের ব্যবধানের পুরোটাকে কারও নিট লাভ বলা তাই ভুল। সেই ব্যবধানের কতটা খরচ, কতটা ক্ষতি এবং কতটা মুনাফা—সেটিই অনুসন্ধানের বিষয়।

কৃষক কেন কম দামেও বিক্রি করতে বাধ্য হন?

সবজি বিক্রির ক্ষেত্রে সময় কৃষকের বড় সীমাবদ্ধতা। অনেক সবজি সংগ্রহের পর দ্রুত বিক্রি করতে হয়। সংরক্ষণের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকলে অপেক্ষা করার সঙ্গে সঙ্গে মান ও ওজন কমতে পারে।

এ অবস্থায় কৃষকের সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত আসে: আজ কম দামে বিক্রি করবেন, নাকি ভালো দামের আশায় রেখে আরও ক্ষতির ঝুঁকি নেবেন?

ঋণ পরিশোধ, শ্রমিকের পাওনা বা সংসারের জরুরি খরচ থাকলে অপেক্ষার সুযোগ আরও কমে যায়। যাঁর হাতে নগদ টাকা নেই, তিনি বাজারদর ভালো হওয়ার আশায় সহজে বসে থাকতে পারেন না।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওই গবেষণায় কৃষকদের অসংগঠিত অবস্থান, সংরক্ষণের অভাব, বাজারঝুঁকি এবং সংগ্রহের পর ক্ষতির কারণে দর-কষাকষির সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত হয়েছে। এর অর্থ, শুধু বাজারদর জানালেই হবে না; কৃষককে বিকল্প ক্রেতা ও বিক্রির সুযোগও দিতে হবে।

নষ্ট হওয়া সবজির দামও কেউ না কেউ দেন

সবজি নষ্ট হলে ক্ষতি শুধু ফেলে দেওয়া পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সেই পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত জমি, পানি, শ্রম ও পুঁজিও আংশিকভাবে হারিয়ে যায়।

বাংলাদেশের নির্বাচিত ৩০টি উপজেলায় ২০২১ সালে পরিচালিত এবং ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ৫১৫ জন কৃষক ও ২৯৫ জন ব্যবসায়ীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সেখানে ফল ও সবজি মিলিয়ে কৃষক পর্যায়ে গড় সংগ্রহোত্তর ক্ষতি ১২.৫ শতাংশ এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ে পাইকারি বাজার পর্যন্ত ৬.৭ শতাংশ পাওয়া যায়। এগুলো নির্দিষ্ট জরিপের ফল; সব সবজি বা পুরো দেশের বর্তমান ক্ষতির হার নয়। দুটি হার সরাসরি যোগ করাও ঠিক হবে না।

অপচয় বিক্রিযোগ্য পণ্যের ওপর খরচ বাড়ায়। যেমন, একটি কাল্পনিক হিসাবে ১০০ কেজি সবজি কিনতে ও পরিবহনে মোট ৩,০০০ টাকা লাগল। সবটাই বিক্রি করা গেলে প্রতি কেজিতে এই খরচ ৩০ টাকা। কিন্তু ১০ কেজি সম্পূর্ণ নষ্ট হলে অবশিষ্ট ৯০ কেজিতে একই খরচ তুলতে প্রতি কেজিতে প্রায় ৩৩ টাকা ৩৩ পয়সা প্রয়োজন হবে—দোকানের অন্যান্য খরচ ও লাভ ধরার আগেই।

এ কারণে অপচয় কমানো কৃষক ও ক্রেতা—দুই পক্ষের স্বার্থেই জরুরি। তবে অপচয়ের অজুহাতে ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়; ক্ষতির হিসাবও যাচাই করতে হবে।

শহরের বেশি দাম গ্রামের সব কৃষকের কাছে পৌঁছায় না কেন?

এক এলাকার মাঠে সাময়িকভাবে সবজির সরবরাহ বেশি হতে পারে, অথচ দূরের শহরের বাজারে সরবরাহ কম থাকতে পারে। পণ্য দ্রুত স্থানান্তরের ব্যবস্থা দুর্বল হলে স্থানীয় কৃষক কম দাম পান, শহরের ক্রেতা বেশি দাম দেন।

আবার সংবাদে যে খুচরা দাম দেখা যায়, সেটি কৃষকের বিক্রির দিন, পণ্যের জাত, মান বা আকারের সঙ্গে নাও মিলতে পারে। ভালো মানের বাছাই করা সবজির খুচরা দাম দিয়ে মাঠের মিশ্রমানের পুরো ফসলের দাম তুলনা করলে ভুল সিদ্ধান্ত আসবে।

সঠিক তুলনার জন্য একই জাত ও মানের সবজি, কাছাকাছি সময় এবং নির্দিষ্ট সরবরাহপথ ধরে হিসাব নিতে হবে। কত কেজি কেনা হলো, কত কেজি বিক্রি হলো এবং কত টাকা কাটল—সবই দেখতে হবে।

এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ: বেশি দামের সুবিধা সব কৃষক সমানভাবে পান না। যাঁর ফসল বাজারে পৌঁছানোর সময় সরবরাহ কম, তিনি ভালো দাম পেতে পারেন। অন্য কৃষক কয়েক সপ্তাহ আগে বেশি সরবরাহের মধ্যে বিক্রি করে লোকসান করতে পারেন।

সবাই একই ফসল করলে ঝুঁকি বাড়ে

কোনো মৌসুমে একটি সবজির ভালো দাম দেখে পরের মৌসুমে অনেক কৃষক সেটি চাষ করতে পারেন। একই সময়ে বিপুল ফসল উঠলে স্থানীয় বাজারে দাম পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

অন্যদিকে কম দাম দেখে পরবর্তী সময়ে আবাদ কমে গেলে সরবরাহের ঘাটতি হতে পারে। আবহাওয়া ও রোগবালাই এই ওঠানামা আরও বাড়াতে পারে।

তাই শুধু গত বছরের ভালো দাম দেখে ফসল নির্বাচন ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকায় কত জমিতে কী আবাদ হচ্ছে, কখন ফসল উঠবে এবং কোথায় বিক্রির সুযোগ আছে—এসব তথ্য দিয়ে কৃষককে পরিকল্পনায় সহায়তা করা প্রয়োজন।

শুধু ‘মধ্যস্বত্বভোগী’ বললে পুরো সমস্যা বোঝা যায় না

যিনি গ্রাম থেকে সবজি সংগ্রহ করে শহরে পৌঁছে দেন, তিনি একটি প্রয়োজনীয় সেবা দেন। সেই কাজের খরচ ও যুক্তিসংগত পারিশ্রমিক থাকতে হবে।

প্রশ্ন হলো, কৃষক অন্য ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে পারছেন কি না, ওজন সঠিক হচ্ছে কি না, কমিশন ও অন্যান্য কাটতি পরিষ্কার কি না এবং বিক্রির টাকা সময়মতো পাচ্ছেন কি না।

ক্রেতারা যোগসাজশ করে দাম কমালে, বাজারে প্রবেশে বাধা দিলে বা অঘোষিত টাকা আদায় হলে তা তদন্তের বিষয়। কিন্তু নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া প্রতিটি মূল্যব্যবধানকে ‘সিন্ডিকেটের লাভ’ বললে পরিবহন, অপচয় ও বাজারের বাস্তব দুর্বলতা আড়ালে থেকে যাবে।

কৃষকের হাতে টাকা রাখতে কী পরিবর্তন প্রয়োজন?

প্রথমত, একই পণ্যের মাঠ, পাইকারি ও খুচরা দাম পাশাপাশি প্রকাশ করা দরকার। শুধু খুচরা মূল্যতালিকা দিয়ে কৃষকের প্রাপ্য বোঝা যায় না। জাত, মান, তারিখ ও এলাকার পরিচয়সহ তথ্য দিলে তুলনা অর্থবহ হবে।

দ্বিতীয়ত, কৃষকদের যৌথ বিক্রির সুযোগ বাড়াতে হবে। ছোট কৃষকের অল্প পণ্য নিয়ে দূরে যাওয়া ব্যয়বহুল। দলগতভাবে সংগ্রহ, বাছাই ও গাড়ি ভাড়া করা গেলে বড় ক্রেতার সঙ্গে আলোচনা সহজ হতে পারে। তবে সংগঠনের হিসাব, পরিচালন খরচ ও সদস্যদের টাকা পরিশোধের নিয়ম স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।

তৃতীয়ত, উৎপাদন এলাকায় কার্যকর সংগ্রহকেন্দ্র প্রয়োজন। ছায়াযুক্ত জায়গা, নির্ভরযোগ্য ওজনযন্ত্র, পরিষ্কার বাছাইয়ের ব্যবস্থা এবং উপযুক্ত প্যাকেজিং অনেক ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হতে পারে। শুধু ভবন নির্মাণ করলেই হবে না; ক্রেতা, পরিবহন ও পরিচালনার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

চতুর্থত, সংরক্ষণব্যবস্থা পণ্য অনুযায়ী করতে হবে। সব সবজির তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও সংরক্ষণকাল এক নয়। বিনিয়োগের আগে সম্ভাব্য ব্যবহার, বিদ্যুৎ ও পরিচালন ব্যয় এবং কৃষকের সামর্থ্য যাচাই করা দরকার।

পঞ্চমত, কৃষকের আর্থিক চাপ কমাতে হবে। ফসলের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ঋণ ও পরিশোধের ব্যবস্থা থাকলে জরুরি নগদের জন্য তাড়াহুড়া করে বিক্রির চাপ কিছুটা কমতে পারে।

ষষ্ঠত, নজরদারিতে খুচরা বাজারের পাশাপাশি পুরো সরবরাহপথ দেখতে হবে। ওজন, কমিশন, পরিবহন বিল, বাজারের ফি, পণ্য নষ্ট হওয়ার হিসাব এবং টাকা পরিশোধ—সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা প্রয়োজন।

এগুলোর সঙ্গে কৃষকের নিজের খরচের খাতাও গুরুত্বপূর্ণ। কোন জমিতে কত ব্যয়, কত বিক্রিযোগ্য ফলন এবং কত নিট বিক্রির টাকা পাওয়া গেল—এই হিসাব ছাড়া ভালো ফলন ও ভালো ব্যবসার পার্থক্য বোঝা কঠিন।

কৃষক ও ক্রেতার স্বার্থ একসঙ্গে রক্ষা করতে হবে

সবজির বাজারে কৃষক ও ক্রেতাকে পরস্পরের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে সমাধান পাওয়া যাবে না। কৃষক ন্যায্য দাম চান, ক্রেতা সাধ্যের মধ্যে সবজি চান। দক্ষ পরিবহন, কম অপচয়, স্বচ্ছ লেনদেন এবং প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজার এই দুই লক্ষ্যকে কাছাকাছি আনতে পারে।

বাংলাদেশের প্রয়োজন এমন বাজারব্যবস্থা, যেখানে কৃষক জানবেন তাঁর পণ্যের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, আর ক্রেতা বুঝবেন তিনি যে দাম দিচ্ছেন তার পেছনে কী খরচ রয়েছে।

বাজারে সবজির দাম বেশি—এই খবরের সঙ্গে তাই আরও একটি হিসাব প্রকাশ হওয়া দরকার: সেই সবজি বিক্রি করে কৃষকের হাতে আসলে কত টাকা থাকছে। কৃষকের শ্রম ও পুঁজির ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত না হলে বাজারের উঁচু দাম কৃষির সমৃদ্ধির প্রমাণ হতে পারে না।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

মহিষ পালনের জন্য যা যা জানা দরকার

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই

আসুন বাংলাদেশের দিকে তাকাই – ড. এফ. এইচ. আনসারী

কমতে শুরু করেছে পোল্ট্রি ও মাছের খাবারের দাম । প্রস্তাবিত বাজেট পোল্ট্রিবান্ধব জানিয়েছেন বিপিআইসিসি

ব্রয়লার মুরগির মাইকোটক্সিন: লক্ষণ, কারণ, প্রতিকার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

খামার শুরুটা সহজ টিকিয়ে রাখা বড়ই কষ্ট!

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড:ক্ষতির পরিমান হাজার কোটি টাকার উপরে।

দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে সারাদেশে পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

কোহেলীর ৩ স্বামী

বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ত্রাণ বিতরণ