বাংলাদেশে চিকস এন্ড ফিডসের ২৫ বছরের পথচলা।।


বাংলাদেশে চিকস এন্ড ফিডসের পথচলা ২০০০ সাল থেকে। সেই হিসেবে ২০২৫ সাল আমাদের পথচলার ২৫ বছর। এই ২৫ বছরে আমরা অর্জন করেছি অনেক কিছু সেই সাথে কিছু ব্যর্থতা আমাদের অভিজ্ঞতাকে করেছে আরো সমৃদ্ধ। শুরু থেকেই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, সহজ-রক্ষনাবেক্ষন এবং উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিষয় কয়েকটির উপরে গুরুত্ব দিয়ে আসছি। সেই একই ধারায়, আমরা এখনো চিন্তা করি কোন একটি নতুন প্রজেক্টের শুরুতেই। শুধু একটি ফিড মিল বা হ্যাচারি অথবা ব্রিডার ফার্ম স্থাপন করা নয় বরং আমাদের লক্ষ্য টেকসই একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়া।

প্রাণিসম্পদ শিল্পের একটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি হিসেবে আমরা সব সময় পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি উদ্দোক্তার সাথে থাকি। ২০২৫ সাল বাংলাদেশের পোল্ট্রি ও ফিড শিল্পের জন্য ছিল একটি চ্যালেঞ্জের বছর। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বৈদেশিক অর্থের সংকট, কাঁচামালের দুষ্প্রাপ্যতা ও মূল্যবৃদ্ধি, ডিম এবং মুরগীর বাজারের অস্থিরতা, পোর্টের অব্যবস্থা ইত্যাদি কারনে সারা বছর শিল্পের সাথে সং্যুক্ত সবার জন্যেই এই বছরটি ছিল একটি বিভীষিকার বছর। তারপরেও উন্নয়ন কখনোই থেমে থাকে না বিশেষ করে খাদ্য শিল্পের উন্নয়ন।

২০২৫ সালে চিকস এন্ড ফিডস এর উল্লেখযোগ্য সাফল্য প্যারাগনে ভূট্টা, গম এবং সয়াবিন মিলের সাইলো, যশোরে নাহার এগ্রোর ১৫ টন ফিড মিল এবং আরআরপি’র ব্রিডার ফার্ম নির্মানে। এছারাও সবচেয়ে বড় সাফল্য বর্জ থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন এবং ইট ভাটায় সংযোগ। যশোরের আফিল এগ্রোর বর্জ দিয়ে উৎপাদিত বায়োগ্যাস আফিল ব্রিক লিমিটেডে ব্যবহৃত হচ্ছে। বায়োগ্যাস দিয়ে ইট ভাটার জ্বালানির ব্যবহার এটিই বাংলাদেশে প্রথম।
২০২৫ সালে চিকস এন্ড ফিডস দেশে ও বিদেশে বেশ কয়েকটি মেলায় অংশগ্রহন করেছে। wapsa-BB ২০২৫, VIV asia ২০২৫, এগ্রোটেক ২০২৫ এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ মেলা ২০২৫। এই সমস্ত মেলায় পোল্ট্রি, ক্যাটেল ও একোয়া ফিড মিল, পেট ফুড, লেয়ার ও ব্রয়লার কেজ, চিকেন ও মিট প্রসেসিং এবং কম্পোস্ট প্রযুক্তি প্রদর্শীত হয়।

গত ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন, অটোমেশন এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে মিল রেখে নতুন শিল্প বা খামারের আধুনিকায়ন ২০২৬ সালে আমাদের মূল লক্ষ্য। পোল্ট্রি এবং ক্যাটেল ফিডমিলে চিকস এন্ড ফিড এবং FCM জুটি গত ২৫ বছরে বাংলাদেশের পোল্ট্রি ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বস্ত একটি ব্রান্ড হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। নতুন বছরে আমারা পোল্ট্রি এবং ক্যাটেল ফিডমিল আরো আধুনিকায়ন এবং উৎপাদনশীল করতে দৃর প্রতিজ্ঞ।
একোয়া ফিডে আমাদের কিছু ব্যার্থতা আমাদের অনেক বেশি অভিজ্ঞ করেছে। নতুন বছরে আমারা কয়েকটি একোয়া ফিড মিলের জন্য কাজ করছি যা আমাদের পুরোনো ব্যর্থতাকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশে নতুন একটি মাইল ফলক হিসেবে পরিগনিত হবে।আমাদের একোয়া ফিড মিলের একটি হচ্ছে মাইক্রো ফিডমিল যা ০.৩/০.৪ মিমি থেকে ১.০/১.৫ মিমি পর্যন্ত ফিড তৈরি করেতে পারবে। ৭৫/১১০ কিলোওয়াট টুইন স্ক্রু এক্সট্রুডার ০.৫ মিমি ডাই দিয়ে ৭০০ কেজি থেকে ১০০০কেজি পর্যন্ত হাই কোয়ালিটির ফিড উৎপাদনে সক্ষম ।
মাইক্রো ফিডের এই বিশেষ এক্সট্রুডার ছাড়াও থাকছে আমাদের এক্সট্রুডার যা ০.৫ মিমি থেকে ২০ মিমি পর্যন্ত ফিড উৎপাদনে নিশ্চয়তা দেবে। সেই সাথে এখন থেকে আমরা ব্যবহার করবো ইউরোপিয়ান কোম্পানির ড্রায়ার যা পুরো ফিড ইন্ডাস্ট্রিতে প্রসিদ্ধ হিসেবে পরিচিত। নতুন কম্বিনেশনে আমাদের তৈরি একোয়া ফিড মিল বাংলাদেশে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।
পেট ফুড এবার আমাদের নতুন সংযোজন। বাংলাদেশে পেট ফুড মার্কেট প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে। আমরাও নিজেরা পেট ফুড প্রযুক্তি নিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করেছি। পেট ফুড বিষয়ে পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত আমরা আছি আপনার সাথে।
এছাড়াও ব্রীডার ফার্ম, হ্যাচারি, কমার্শিয়াল লেয়ার ফার্ম, ব্রয়লার ফার্ম, চিকেন বা মিট প্রসেসিং এবং বর্জ ব্যাবস্থাপনা (বায়োগ্যাস এবং কম্পোস্ট) তো রয়েছেই।

আমাদের সেবাসমূহ
ফিডমিল ও সাইলো
কমার্সিয়াল লেয়ার/ব্রয়লার
চিকেন ও রেডমিট প্রসেসিং
ব্রিডার ফার্ম ও হ্যাচারি
বায়োগ্যাস ও কম্পোস্টিং
পেট ফুড
আমাদের প্রকল্পসমূহ
প্রকল্প পরিকল্পনা
প্রকল্প বাস্তাবায়ন
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা
মার্কেট রিসার্চ
























