নিরাপদ খাদ্যে আপস নয়: মাহবুব গ্রুপের সেলস মিটিংয়ে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে কঠোর অবস্থানের আলোচনা।।
বিক্রয়ের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের দায়িত্ব; গুরুত্ব পেল পরীক্ষাভিত্তিক নজরদারি, খামারির সচেতনতা ও জবাবদিহি।।
ড. বায়েজিদ মোড়ল | সম্পাদক, AgricultureNews24.com
৩ অক্টোবর ২০২৬
বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি মানুষের খাবার কতটা নিরাপদ—সেই প্রশ্নও গুরুত্ব পেল মাহবুব গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মাসিক সেলস মিটিংয়ে। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধ, প্রাণিখাদ্যের মান নিশ্চিত করা এবং খামারিদের দায়িত্বশীল পরামর্শ দেওয়ার বিষয়গুলো উঠে আসে আলোচনায়।

শনিবার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুর রহমান অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক কৃষি ও আমিষ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জিটিভির সাবেক নির্বাহী প্রযোজক ও AgricultureNews24.com-এর সম্পাদক ড. বায়েজিদ মোড়ল, পুষ্টিবিদ ডা. আব্দুল মান্নান এবং টেকনিক্যাল ও সেলস হেড ডা. শাহ জামাল। বিশ্বাস, ক্লাসিক, কেবিসি, আনন্দ ও পাওয়ার ফিডের বিক্রয় বিভাগের প্রধানেরাও আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের প্রকাশিত অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধসংক্রান্ত প্রতিবেদন। এর নীতিগত বিষয়গুলো সামনে রেখে সভায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও খামারিদের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
খামারির আস্থাই টেকসই ব্যবসার ভিত্তি

মাহবুব গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুর রহমানের বক্তব্যে খামারির সাফল্য এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির সম্পর্ক গুরুত্ব পায়। খামার টিকে থাকা, উৎপাদনের মান বজায় রাখা এবং ভোক্তার আস্থা রক্ষার সঙ্গে প্রাণিখাদ্য খাতের ভবিষ্যৎও যুক্ত। ফলে বিক্রয়ের হিসাবের পাশাপাশি পণ্যের মান ও নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদনের পেছনে প্রাণিখাদ্য, খামার ব্যবস্থাপনা এবং প্রাণিস্বাস্থ্যসেবা একসঙ্গে কাজ করে। কোনো একটি পর্যায়ের দায়িত্বহীনতা পুরো উৎপাদনব্যবস্থার ওপর আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই নিরাপদ খাদ্যের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য, মান যাচাই এবং দায়িত্বশীল সেবার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তাঁর বক্তব্যে বিক্রয়কর্মীদের সঠিক তথ্য দেওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে। কোনো পণ্যের কার্যকারিতা সম্পর্কে দাবি করার আগে তার ভিত্তি জানা প্রয়োজন। খামারির প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে অনুমাননির্ভর পরামর্শের পরিবর্তে পুষ্টিবিদ বা কারিগরি বিভাগের সহায়তা নিতে হবে।
শুধু কত বস্তা খাদ্য বিক্রি হলো, তা দিয়ে সেবার মান বোঝা যায় না। খামারি পণ্যটি কীভাবে ব্যবহার করছেন, তাঁর খামারের পরিবেশ কেমন এবং কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন—এসব জানাও জরুরি। পণ্যের মান নিয়ে অভিযোগ উঠলে তা গ্রহণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং সমাধানের অগ্রগতি জানানোর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা বাড়াতে পারে।
প্রাণির প্রতি যত্ন এবং মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তা

মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বক্তব্যের শুরুতে পবিত্র কোরআনের দ্বিতীয় সূরা আল-বাকারার নাম স্মরণ করেন; ‘বাকারা’ অর্থ গাভী। এরপর প্রাণির প্রতি মানবিক দায়িত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি গবাদিপ্রাণি, পোষা প্রাণি ও হাঁস-মুরগিকে যত্নের সঙ্গে লালন-পালনের ওপর গুরুত্ব দেন।
উপযুক্ত পুষ্টিকর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা, অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং অবহেলা ও নিষ্ঠুর আচরণ পরিহার করার কথা তুলে ধরেন তিনি। এগুলো এখানে প্রাণির প্রতি মানবিক দায়িত্বের বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, সূরা আল-বাকারার নির্দিষ্ট বিধান হিসেবে নয়।
এরপর নিজের প্রকাশিত লেখার বিষয়গুলো তুলে ধরে তিনি অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারকে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং প্রয়োজনের সময় চিকিৎসাকে কঠিন করে তুলতে পারে।
মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের বক্তব্যে ফিড অ্যাডিটিভ, প্রিমিক্স ও মিনারেল প্রিমিক্সসহ বিভিন্ন পণ্যের ঘোষিত পরিচয়ের সঙ্গে প্রকৃত উপাদানের মিল যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পায়। অনুমোদনহীন বা নিষিদ্ধ উপাদান বাজারজাত হচ্ছে কি না, তা নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করতে হবে।
নজরদারি শুধু আমদানিকারকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। ফিড মিল, হ্যাচারি, খামার এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি থাকতে হবে। পণ্যের অনুমোদন, লেবেলের তথ্য এবং উৎসের নথি যাচাই করাও প্রয়োজন।
অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ও প্রভাবের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। শিল্পসংগঠনগুলোরও সদস্যদের পণ্যের মান পর্যবেক্ষণ এবং দায়িত্বশীল ব্যবসাচর্চায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
নিরাপদ খাদ্যের আলোচনায় অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার এবং অসুস্থ প্রাণির প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পার্থক্য পরিষ্কার রাখা জরুরি। অপব্যবহার রোধের বার্তা যেন খামারিকে চিকিৎসা বন্ধ করতে উৎসাহিত না করে। চিকিৎসার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ভেটেরিনারিয়ানের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য উৎপাদনকারী প্রাণীতে মানুষের চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানোর সুপারিশ করেছে। বিশেষভাবে বৃদ্ধিবর্ধক হিসেবে এবং রোগ শনাক্ত না করে সুস্থ প্রাণীতে নিয়মিত রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ব্যবহার বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থাও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বজায় রেখে দায়িত্বশীল ব্যবহারের কথা বলে।
‘অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত’ দাবির অর্থও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। উৎপাদনের পুরো সময়ে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা এবং খাদ্যে অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত অবশিষ্টাংশ না থাকা আলাদা বিষয়। পণ্য বা খাদ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে দাবি করলে কোন মানদণ্ড ও পরীক্ষার ভিত্তিতে তা করা হচ্ছে, সেই তথ্য স্পষ্ট থাকা উচিত।
কঠোর আইন ও কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব

ড. বায়েজিদ মোড়ল নিরাপদ খাদ্যের প্রশ্নে সুস্পষ্ট অবস্থান এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে বিদ্যমান আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বিধান প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কঠোরতার সঙ্গে স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়াও প্রয়োজন। অপরাধের সংজ্ঞা পরিষ্কার রাখা, নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা করা এবং প্রমাণিত অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্য দিয়েই জনস্বার্থ রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য শোনা ও নিরপেক্ষ তদন্তের সুযোগ থাকতে হবে।
খামারি যেন পণ্য কেনার সময় বুঝতে পারেন তিনি কী কিনছেন, সে জন্য পণ্যের পরিচয়, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা সহজ ভাষায় দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। কোথায় নমুনা দেওয়া যাবে, কী পরীক্ষা হবে এবং ফলাফল কীভাবে বোঝা যাবে—এসব তথ্যও সহজলভ্য হওয়া প্রয়োজন।
গণমাধ্যমের দায়িত্বের প্রসঙ্গে তিনি যাচাই ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন না করার কথা তুলে ধরেন। অভিযোগের সঙ্গে প্রমাণ, বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যুক্ত করলে জনসচেতনতা ও তথ্যের প্রতি আস্থা—দুটিই বাড়ে।
ছোট ও প্রান্তিক খামারির পাশে বাস্তব সহায়তা
পুষ্টিবিদ ডা. আব্দুল মান্নানের বক্তব্যে ছোট ও প্রান্তিক খামারিদের সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। নিরাপদ উৎপাদনের নিয়ম মেনে চলার দায়িত্ব দেওয়ার সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও সেবার সুযোগও তৈরি করতে হবে।
খামারের তথ্য সংরক্ষণ একটি সাধারণ খাতা দিয়েই শুরু করা যায়। খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবহার, চিকিৎসকের পরামর্শ, চিকিৎসার বিবরণ, আয়-ব্যয় এবং খামারের সমস্যা লিখে রাখলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদও প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে পরামর্শ দিতে পারেন।
প্রশিক্ষণ হওয়া উচিত সহজ ভাষায় এবং খামারির বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী। বয়স ও উৎপাদনের পর্যায় অনুসারে সুষম খাদ্য দেওয়া, বিশুদ্ধ পানি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পণ্যের পরিচয় ও ব্যবহারবিধি বোঝার বিষয়গুলো হাতে-কলমে শেখানো প্রয়োজন।
সমস্যা হলে কোথায় যেতে হবে এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, সেটিও খামারিকে জানাতে হবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, ভেটেরিনারিয়ান, পুষ্টিবিদ এবং প্রতিষ্ঠানের কারিগরি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করা গেলে ছোট খামারিরাও প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন।
মাঠপর্যায়ে দায়িত্বশীল পরামর্শের অঙ্গীকার
বিশ্বাস, ক্লাসিক, কেবিসি, আনন্দ ও পাওয়ার ফিডের বিক্রয় বিভাগের প্রধানদের বক্তব্যে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে আরও সচেতনভাবে কাজ করার বিষয়টি উঠে আসে। খামারি ও পরিবেশকদের কাছে পণ্যের সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং অতিরঞ্জিত দাবি বা বিভ্রান্তিকর পরামর্শ এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
খামারে সমস্যা দেখা দিলে অনুমাননির্ভর সমাধানের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট ভেটেরিনারিয়ান, পুষ্টিবিদ ও কারিগরি বিভাগের সহায়তা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও উঠে আসে। পণ্যের মান বা ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ যথাযথভাবে নথিভুক্ত করা এবং সমাধানের অগ্রগতি খামারিকে জানানো দায়িত্বশীল সেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিক্রয় বিভাগের কর্মীরা নিয়মিত খামারি ও পরিবেশকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ফলে নিরাপদ উৎপাদনের বার্তা মাঠে পৌঁছানো এবং মাঠের সমস্যাগুলো প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচনা থেকে বাস্তব কাজ
মাহবুব গ্রুপের মাসিক সেলস মিটিংয়ের এই আলোচনা ব্যবসায়িক সাফল্যের সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের দায়িত্বের সম্পর্ককে সামনে এনেছে। আলোচনাকে এগিয়ে নিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনভিত্তিক পরীক্ষা, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং ছোট খামারিদের সহায়তার ব্যবস্থা গুরুত্ব পেতে পারে।
পরবর্তী মাসিক সভায় এসব কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং খামারিদের অভিজ্ঞতা যুক্ত করা হলে উদ্যোগগুলো মাঠের প্রয়োজনের সঙ্গে আরও ভালোভাবে মিলবে। বিক্রয় ও কারিগরি বিভাগের সমন্বয়ও সমস্যার দ্রুত ও যথাযথ সমাধানে সহায়তা করতে পারে।
মানুষ, প্রাণি ও পরিবেশের স্বাস্থ্য পরস্পর সম্পর্কিত। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তাই সরকার, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও খামারিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। প্রতিদিনের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দায়িত্বশীল সেবার চর্চাই খামারি ও ভোক্তার আস্থা সুদৃঢ় করবে।

প্রাসঙ্গিক সূত্র:
বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য: https://www.woah.org/en/what-we-do/global-initiatives/antimicrobial-resistance/
মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের আলোচ্য প্রতিবেদন: https://agriculturenews24.com/?p=9541
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার ব্যাখ্যা: https://www.who.int/news/item/07-11-2017-stop-using-antibiotics-in-healthy-animals-to-prevent-the-spread-of-antibiotic-resistance





















