RRP
agriculture news24.com
Health Care
Agriculture News
diamond egg
renata-ltd.com
Space for Add
Agriculture News
Spech for Promotion
avonah
Thursday , 8 October 2026 |
  1. অন্যান্য
  2. অন্যান্য
  3. ইউটিউব
  4. উদ্যোক্তা
  5. উপন্যাশ
  6. এ্যাসিভমেন্ট
  7. ঔষধ
  8. কবিতা
  9. কীটনাশক
  10. কৃষি ব্যক্তিত্ব
  11. কৃষি সংবাদ
  12. কৃষি সেক্টরের নিদের্শনা
  13. কৌতুক
  14. খাবার
  15. খামার পদ্ধতি

হালাল মুরগির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ: সুযোগকে রপ্তানিতে বদলাতে প্রস্তুতি কতটা?

প্রতিবেদক
Dr. Bayezid Moral
October 7, 2026 5:17 pm

হালাল মুরগির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ: সুযোগকে রপ্তানিতে বদলাতে প্রস্তুতি কতটা?

শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না—প্রয়োজন গ্রহণযোগ্য হালাল সনদ, নিরাপদ মাংস, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বিত রপ্তানি পরিকল্পনা

কৃষি সাংবাদিক ড. বায়েজিদ মোড়লের গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন

আমার ২৬ বছরের কৃষি সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতায় সরেজমিনে দেখেছি ও জেনেছি, বাংলাদেশের পোল্ট্রি খাতের শক্তি তৈরি হয়েছে খামারিদের পরিশ্রম, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ এবং উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত মানুষের অভিজ্ঞতার ওপর। কিন্তু খামারে মুরগি উৎপাদন করা আর সেই মুরগির মাংস বিদেশের বাজারে নিয়মিত বিক্রি করা—এই দুই কাজের প্রস্তুতি এক নয়। দেশের বাজারে পণ্য বিক্রির অভিজ্ঞতা থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে হলে ক্রেতার আস্থা, আমদানিকারক দেশের অনুমোদন এবং মান বজায় রাখার সক্ষমতা প্রয়োজন।

এখানেই বাংলাদেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে: আমরা কি শুধু মুরগি উৎপাদন বাড়াব, নাকি নিরাপদ ও মানসম্মত হালাল মুরগির মাংস রপ্তানির জন্য পুরো উৎপাদনব্যবস্থাকে প্রস্তুত করব?

৩ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত বিশ্ব পোল্ট্রি বিজ্ঞান সমিতির বাংলাদেশ শাখার আন্তর্জাতিক কারিগরি সেমিনারের তৃতীয় অধিবেশনের উপস্থাপনা-সারসংক্ষেপে এই প্রশ্ন গুরুত্ব পেয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সহযোগিতা অনুবিভাগের প্রধান বেবী রানী কর্মকারের যৌথ উপস্থাপনার প্রথম অংশের বিষয় ছিল—বাংলাদেশ থেকে হালাল পোল্ট্রি রপ্তানির সুযোগ, আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা এবং প্রয়োজনীয় নিয়ম ও মান অনুসরণের প্রস্তুতি।

ওই সারসংক্ষেপের মূল বক্তব্য হলো, হালাল পোল্ট্রির আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রপ্তানিতে রূপ দিতে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ দরকার। রপ্তানির প্রচার, সনদব্যবস্থা এবং সরকার ও শিল্পখাতের সহযোগিতা একসঙ্গে এগোতে হবে।

হালাল পরিচয়ের সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণও দরকার

বাংলাদেশে একটি ধারণা সহজেই তৈরি হতে পারে—আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, তাই আমাদের মুরগির মাংস হালাল বাজারে বিক্রি করা সহজ হবে। কিন্তু বিদেশি ক্রেতা শুধু দেশের পরিচয় দেখে পণ্য কেনেন না। তিনি জানতে চান, পণ্যটি কীভাবে উৎপাদিত, জবাই, প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং এসব কাজের তদারকি কে করেছেন।

হালাল পণ্যের ক্ষেত্রে অনুমোদিত উপাদান, জবাইয়ের পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের সময় অননুমোদিত উপাদানের সংস্পর্শ এড়ানোর বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। কোডেক্সের হালাল নির্দেশিকাতেও এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। তবে হালাল বিষয়ে দেশ ও কর্তৃপক্ষভেদে ব্যাখ্যা এবং গ্রহণযোগ্যতার শর্তে পার্থক্য থাকতে পারে। তাই যে দেশে রপ্তানি হবে, সেই দেশের চাহিদা আগে জানতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো প্রতিষ্ঠান দেশে হালাল সনদ পেলেই ধরে নিতে পারে না যে সব বিদেশি বাজার সেই সনদ গ্রহণ করবে। রপ্তানির প্রস্তুতির প্রথম ধাপ হওয়া উচিত—লক্ষ্য দেশের কাছে কোন সনদদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রহণযোগ্য, কী ধরনের পরিদর্শন প্রয়োজন এবং পণ্যের জন্য কী কী অনুমোদন লাগবে, তা যাচাই করা।

হালাল সনদ ও খাদ্যনিরাপত্তা—দুটির প্রস্তুতিই জরুরি

হালাল সনদ ধর্মীয় বিধান অনুসরণের নিশ্চয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত। খাদ্যনিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন জীবাণু, দূষণ, ওষুধের অবশিষ্টাংশ এবং সংরক্ষণজনিত ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। কোডেক্সের নির্দেশিকা অনুযায়ী, হালাল পরিচয় ব্যবহার করে কোনো খাদ্যকে অন্য খাদ্যের তুলনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেশি স্বাস্থ্যকর বা পুষ্টিকর দাবি করা উচিত নয়।

সুতরাং রপ্তানিযোগ্য মুরগির মাংস তৈরির জন্য খামার থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পর্যন্ত একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা প্রয়োজন। শুধু শেষ পর্যায়ে মাংস পরীক্ষা করে পুরো উৎপাদনপ্রক্রিয়ার দুর্বলতা দূর করা যায় না। খাদ্য রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে ভালো উৎপাদনচর্চা, পরিচ্ছন্নতা এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণভিত্তিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার গুরুত্ব এ কারণেই বেশি।

বাংলাদেশের জন্য এর ব্যবহারিক অর্থ হলো, খামারে কী খাবার দেওয়া হয়েছে, কোন ওষুধ ব্যবহার হয়েছে, মুরগি কোথায় জবাই হয়েছে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে—এসব তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

একটি চালানের বিষয়ে অভিযোগ এলে যেন দ্রুত জানা যায়, সেটি কোন খামার ও কোন উৎপাদন ব্যাচ থেকে এসেছে। তখন সমস্যার উৎস শনাক্ত করা এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজার থেকে ফিরিয়ে নেওয়া সহজ হবে।

রোগ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতাও বাজারে প্রবেশের শর্ত

পোল্ট্রি রপ্তানির আলোচনায় শুধু মাংসের মান দেখলে চলবে না। উৎপাদন এলাকার রোগ পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগ আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা—WOAH-এর নির্দেশনায় পোল্ট্রি মাংসের নিরাপদ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রোগ পরিস্থিতি, উৎপত্তিস্থল এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াজাতকরণের শর্ত বিবেচিত হয়। রোগ দেখা দিলেই সব ধরনের পণ্যের বাণিজ্যের সম্ভাবনা একইভাবে শেষ হয়ে যায় না; পণ্যের ধরন ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থার ভিত্তিতে নিরাপদ বাণিজ্যের পথ থাকতে পারে।

এ কারণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে নিয়মিত রোগ পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং খামারে জীবাণু প্রবেশ ঠেকানোর ব্যবস্থা গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

এটি শুধু রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাজ হিসেবে দেখলে হবে না। খামারি, প্রাণিসম্পদ সেবা, পরীক্ষাগার এবং প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ প্রয়োজন। কোনো এলাকায় রোগের ঝুঁকি তৈরি হলে তথ্য গোপন করার পরিবর্তে দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতাই দীর্ঘমেয়াদে আস্থা বাড়াবে।

আগে বাজার ঠিক করতে হবে, তারপর বিনিয়োগ

হালাল মাংসের বাজার বলতে একটি অভিন্ন বাজার বোঝায় না। এক দেশের ক্রেতা যে পণ্য চান, অন্য দেশের ক্রেতার চাহিদা আলাদা হতে পারে। কেউ সম্পূর্ণ মুরগি চান, কেউ নির্দিষ্ট অংশ, আবার কেউ রান্নার উপযোগী বা প্রক্রিয়াজাত পণ্য চান।

তাই বাংলাদেশের জন্য একটি বাস্তবসম্মত প্রস্তাব হলো, শুরুতে সীমিত কয়েকটি সম্ভাব্য বাজার বেছে নিয়ে বিস্তারিত যাচাই করা। সেই যাচাইয়ে দেখতে হবে—

  • বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির অনুমতি পাওয়ার পথ কী;
  • কোন হালাল সনদ ও স্বাস্থ্যসনদ প্রয়োজন;
  • কারখানা অনুমোদন বা পরিদর্শনের শর্ত কী;
  • ক্রেতার পছন্দের পণ্য, মোড়ক ও সরবরাহের পরিমাণ কত;
  • উৎপাদন, পরীক্ষা, পরিবহন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব কি না।

নিউজিল্যান্ডের সরকারি পোল্ট্রি রপ্তানি নির্দেশনাতেও গন্তব্য দেশের শর্ত যাচাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালাল সনদের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থাৎ রপ্তানি প্রস্তুতি বাজারভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন।

ক্রেতার চাহিদা না জেনে বড় বিনিয়োগ করলে পরে দেখা যেতে পারে, কারখানার ব্যবস্থা বা পণ্যের ধরন লক্ষ্য বাজারের সঙ্গে মিলছে না। তাই বাজার যাচাই ও কারিগরি প্রস্তুতি পাশাপাশি চলা দরকার।

রপ্তানি উদ্যোগে খামারির লাভ কোথায়?

আমার অভিজ্ঞতায়, কৃষির যেকোনো উন্নয়ন পরিকল্পনার সাফল্য বুঝতে শেষ পর্যন্ত উৎপাদকের অবস্থার দিকে তাকাতে হয়। পোল্ট্রি রপ্তানি বাড়লেও সাধারণ খামারি যদি ন্যায্য দাম না পান, তাহলে সেই উন্নয়নের সুফল সীমিত মানুষের মধ্যে আটকে থাকবে।

রপ্তানির উপযোগী মুরগি উৎপাদনে খামারিকে বাড়তি নিয়ম মানতে হতে পারে। তথ্য সংরক্ষণ, রোগ প্রতিরোধ, মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরবরাহের জন্য প্রশিক্ষণ ও কিছু বাড়তি খরচও প্রয়োজন হতে পারে। সেই দায়িত্বের সঙ্গে মূল্য ও সহায়তার নিশ্চয়তা থাকা জরুরি।

এ জন্য স্বচ্ছ চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের ব্যবস্থা বিবেচনা করা যেতে পারে। চুক্তিতে মুরগির মান, দাম নির্ধারণের পদ্ধতি, সরবরাহের সময়, টাকা পরিশোধ এবং পণ্য গ্রহণ না করার কারণ স্পষ্ট থাকতে হবে। খামারি যেন উৎপাদনের পর হঠাৎ নতুন শর্তের মুখে না পড়েন।

ছোট ও মাঝারি খামারিদের জন্য যৌথ প্রশিক্ষণ, কারিগরি পরামর্শ এবং তথ্য সংরক্ষণের সহজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে রপ্তানির সরবরাহব্যবস্থায় তাঁদের যুক্ত করা সহজ হতে পারে।

সরকার ও শিল্পখাতের কাজ এক পরিকল্পনায় আনতে হবে

বেবী রানী কর্মকারের উপস্থাপনা-সারসংক্ষেপে সমন্বিত জাতীয় কৌশল, সনদ এবং সরকার–শিল্পখাতের অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই দিকটি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।

কারণ খামারের মান উন্নয়ন, রোগ নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরীক্ষা, হালাল সনদের গ্রহণযোগ্যতা, বিদেশি ক্রেতা খোঁজা এবং রপ্তানির কাগজপত্র—এসব কাজ একটি প্রতিষ্ঠান একা সম্পন্ন করতে পারে না।

একটি কার্যকর জাতীয় পরিকল্পনায় দায়িত্ব ও সময়সীমা পরিষ্কার থাকা দরকার। কোন সংস্থা বাজারের শর্ত সংগ্রহ করবে, কে কারখানার প্রস্তুতি যাচাই করবে, কে পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে এবং কে বিদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবে—এসব নির্দিষ্ট করতে হবে।

শুরুতে প্রস্তুত কয়েকটি খামার ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে পরীক্ষামূলক রপ্তানি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এর মাধ্যমে কোথায় ঘাটতি আছে, কী খরচ হচ্ছে এবং ক্রেতা কী প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন—তা জানা যাবে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী ধাপে উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

দেশের বাজারেও মানের সুফল পৌঁছাতে হবে

রপ্তানির জন্য উন্নত উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণব্যবস্থা গড়ে উঠলে তার সুফল দেশের ভোক্তার কাছেও পৌঁছানো উচিত। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পরিচ্ছন্ন জবাই, তথ্য সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল ওষুধ ব্যবহারকে পুরো পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখা দরকার।

একই সঙ্গে রপ্তানি পরিকল্পনায় দেশের চাহিদা, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে। বিদেশে বিক্রির সুযোগ তৈরি হলেও দেশের সাধারণ মানুষের আমিষ কেনার সামর্থ্য এবং খামারির ন্যায্য আয়—দুটিই নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশের হালাল পোল্ট্রি রপ্তানির সম্ভাবনাকে তাই শুধু বৈদেশিক আয় অর্জনের বিষয় হিসেবে দেখলে হবে না। এটি উৎপাদনের মান, প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি এবং খামারির অবস্থার উন্নতিরও সুযোগ।

আমার ২৬ বছরের কৃষি সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে মনে করি, এই খাতের মানুষের পরিশ্রমকে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য দিতে হলে আস্থার ভিত্তি শক্ত করতে হবে। সেই আস্থা গড়ে উঠবে গ্রহণযোগ্য সনদ, পরীক্ষার প্রমাণ, রোগ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত সরবরাহ এবং স্বচ্ছ ব্যবসায়িক সম্পর্কের মাধ্যমে।

বাংলাদেশের সামনে এখন কাজ হলো—সম্ভাব্য বাজার বেছে নিয়ে তার শর্ত অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া এবং সেই প্রস্তুতির কেন্দ্রে খামারি, খাদ্যনিরাপত্তা ও ক্রেতার আস্থাকে রাখা।

তথ্যভিত্তি: ৩ অক্টোবর ২০২৬-এর আন্তর্জাতিক কারিগরি সেমিনারে বেবী রানী কর্মকারের উপস্থাপনা-সারসংক্ষেপ; কোডেক্সের হালাল নির্দেশিকা; FAO-এর খাদ্য রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ নির্দেশনা; WOAH-এর পোল্ট্রি বাণিজ্য ও রোগসংক্রান্ত নির্দেশনা; নিউজিল্যান্ডের সরকারি পোল্ট্রি রপ্তানি নির্দেশিকা।

সর্বশেষ - ছাগল পালন

আপনার জন্য নির্বাচিত

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে মৎস্য খাত। নদী ও সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি সমুদ্রের বহু এলাকায় অক্সিজেন ঘাটতি হচ্ছে।

আজকের দিনের শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ– মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মাছের খামার ব্যবস্থাপনা

হাটে গিয়ে বেশি দুধের হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান গাভী চেনার উপায়

মাছ শুধু বাণিজ্যিক পণ্য নয়-এটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার সাথে সম্পৃক্ত

উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পে ৫৫ হাজার দরিদ্র পরিবার উপকৃত হয়েছে -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

পোল্ট্রি অ্যান্ড সয়া ফুড ফেস্ট ২০২৫

পদক

কাংগায়াম গরু কেন পালন করবেন?

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫: দেশব্যাপী নেয়া হচ্ছে অভিযান ও আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা